বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি 12, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

​ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক হামলা: নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন! ​

✍🏻 আসলাম আলী

​ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক হামলা: নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন! ​
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত খাদিজাতুল কুবরা মসজিদে এক আত্মঘাতী হামলাকারী জুমার নামাজ আদায়রত মুসল্লিদের মধ্যে নিজেকে উড়িয়ে দেয়। এই ভয়াবহ হামলায় কমপক্ষে ৩১ জন নিহত এবং প্রায় ১৭০ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে আইএস, যা কেবল পাকিস্তানে শিয়া সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার একটি ধারাবাহিকতা নয়, বরং পাকিস্তান সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গভীর দুর্বলতাকেও প্রকাশ করে।

এই বিস্ফোরণকে গত দশ বছরে ইসলামাবাদের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতির ব্যর্থতার এক স্পষ্ট উদাহরণ। এমন এক সময়ে এই ঘটনা ঘটলো যখন পাকিস্তান গত কয়েক বছর ধরে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দাবি করে আসছে। তবে এই ধরনের হামলার ধারাবাহিকতা এই সত্যকে ফুটিয়ে তোলে যে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও তাদের নিজস্ব রাজধানীতে নাগরিকদের কার্যকর সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ। মসজিদটি ইসলামাবাদের দক্ষিণ-পূর্বের তরলাই কালান এলাকায় অবস্থিত, যেখানে জুমার নামাজের সময় হামলাকারী আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায়।

পুলিশের ভাষ্যমতে, মসজিদের প্রবেশপথে মোতায়েন করা নিরাপত্তা কর্মীরা হামলাকারীকে থামানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও সে তার বিস্ফোরক জ্যাকেটের বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম হয়। এই ঘটনাটি কেবল শিয়া সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার একটি গুরুতর উদাহরণ নয়, বরং পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সংবেদনশীলতা এবং অস্থিরতাকে আরও উসকে দেওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তবে এই ট্র্যাজেডির প্রেক্ষাপটে আসল প্রশ্ন হলো—পাকিস্তান সরকার এই ধরনের হামলা রোধ করতে কেন ব্যর্থ হচ্ছে? যখন ঘটনাস্থলে আহতদের আর্তনাদ আর লাশের স্তূপ পড়ে ছিল, তখন পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ, বিশেষ করে ফেডারেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এবং নিরাপত্তা সূত্রগুলো দাবি করে যে, এই হামলার পরিকল্পনা আফগানিস্তানে করা হয়েছিল। তারা আরও দাবি করে যে হামলাকারীকে সেখানেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং এর চারজন সহযোগীকে (যার মধ্যে একজন আফগান নাগরিক এবং এই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বলে জানানো হয়েছে) কারিগরি ও মানবিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পেশোয়ার এবং নওশেরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মহসিন নকভির এই দাবির পর পাকিস্তানের জনগণ, বিরোধী দল এবং অন্যান্য সরকারি মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সাধারণ মানুষ তাদের প্রতিক্রিয়ায় স্পষ্ট করেছেন যে, এই গ্রেপ্তারগুলো প্রতিরোধমূলক নয় বরং কেবল ঘটনার পরবর্তী লোকদেখানো পদক্ষেপ। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—যেহেতু নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর কাছে আগে থেকেই এত তথ্য ছিল, তাহলে রাজধানীতে এই হামলা কেন ঠেকানো গেল না?

শিয়া সম্প্রদায় এবং তাদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলো, বিশেষ করে ‘মজলিস-এ-ওয়াহদাতুল মুসলিমীন’ (MWM), এই দাবিগুলোকে দুর্বল এবং অসন্তোষজনক বলে অভিহিত করেছে। তারা বলেছে যে, সরকার সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে জোরালো পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ এবং প্রতিটি বড় ট্র্যাজেডির পর কেবল সাময়িকভাবে জনরোষ কমানোর জন্য এই গ্রেপ্তারগুলো দেখানো হয়। কারগিল, মাটলি এবং অন্যান্য এলাকায় বিক্ষোভ চলাকালীন জনগণ সরকারের দুর্বলতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশ্ন তোলেন, ”যদি রাজধানীই নিরাপদ না থাকে, তবে দেশের বাকি অংশের কী অবস্থা হবে?”

বিরোধী দলগুলো মহসিন নকভির বক্তব্যকে সরকারের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। তারা বলেছে যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তার সরকার কেবল বিবৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ, যেখানে আসল নিরাপত্তা ত্রুটি, বিশেষ করে আইএসআই (ISI) এবং পুলিশের ব্যর্থতা স্বীকার করা হচ্ছে না। কিছু মহলের মতে, এই গ্রেফতারগুলো রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য করা হচ্ছে, প্রকৃত ন্যায়বিচারের স্বার্থে নয়; কারণ এখন পর্যন্ত ধৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট ও বিস্তারিত প্রমাণ জনগণের সামনে পেশ করা হয়নি।

এদিকে আফগানিস্তানের ইসলামি আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই অভিযোগগুলো কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন যে, এই সব দাবি পাকিস্তানের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যর্থতা ঢাকার একটি অপচেষ্টা মাত্র।

সংক্ষেপে, এই বিস্ফোরণ পাকিস্তানের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গভীর এবং কাঠামোগত দুর্বলতাকে তুলে ধরে। প্রথমত, এই ঘটনাটি ইসলামাবাদে ঘটেছে; যা দেশের সবচেয়ে নিরাপদ শহর হওয়ার কথা ছিল। এটিই প্রমাণ করে যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো, বিশেষ করে আইএসআই এবং পুলিশ, তাদের মৌলিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। যদিও পাকিস্তান গত কয়েক বছর ধরে আইএসের বিরুদ্ধে কিছু সাফল্যের দাবি করেছে, তবে এই হামলা প্রমাণ করে যে আইএস-এর কার্যক্রম এখনও অব্যাহত এবং সরকার একে পুরোপুরি নির্মূল করতে পারেনি। আইএস, যারা শিয়া জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আদর্শিক শত্রুতার জন্য কুখ্যাত, তারা এই হামলাকে তাদের উপস্থিতি এবং অস্তিত্ব জাহির করার জন্য ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে।

অন্যদিকে, এই ঘটনা পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতির দুর্বলতাকেও উন্মোচন করে। হামলার পর কথিত চার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা অত্যন্ত বিলম্বিত একটি পদক্ষেপ, যা নির্দেশ করে যে সরকার আগাম গোয়েন্দা তথ্যের ওপর কাজ না করে কেবল ঘটনার পর প্রতিক্রিয়া দেখায়। সরকারের দুর্বলতা কেবল নিরাপত্তায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং রাজনৈতিক স্তরেও স্পষ্ট। যে দেশে অর্থনৈতিক সংকট, বেকারত্ব এবং সামাজিক অস্থিরতা আগে থেকেই বিদ্যমান, সেখানে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কোনো ঐক্যবদ্ধ ও ব্যাপক জাতীয় নীতি চোখে পড়ে না।

শিয়া সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা—যারা প্রায়ই সাম্প্রদায়িক হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়, তা সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় আছে বলে মনে হয় না। এই কারণেই এই ঘটনা পাকিস্তানের ভেতরে সাম্প্রদায়িক সংবেদনশীলতাকে আরও উসকে দিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আরও সহিংসতার পথ প্রশস্ত করতে পারে।

পরিশেষে বলা যায়, এই বিস্ফোরণ পাকিস্তান সরকারের জন্য একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা যে, তারা যেন তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে কার্যকর করে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সক্রিয় করে এবং আইএসের বিরুদ্ধে একটি স্পষ্ট, শক্তিশালী ও আন্তরিক কৌশল গ্রহণ করে—নিজের ব্যর্থতার বোঝা অন্যের ওপর না চাপিয়ে। অন্যথায়, এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি কেবল পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাকেই হুমকিতে ফেলবে না, বরং প্রতিবেশী দেশগুলোর আস্থাও নষ্ট করবে। পাকিস্তানের উচিত তার জনগণের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া, প্রতিটি ট্র্যাজেডির পর কেবল বিবৃতি, নিন্দা আর দোষারোপের আশ্রয় না নেওয়া।

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#পাকিস্তান#রাজনীতি#হামলা
ShareTweet

related-post

ইসমাঈল হানিয়্যাহ কে ছিলেন?
আল মিরসাদ প্রকাশনা

ইসমাঈল হানিয়্যাহ কে ছিলেন?

আগস্ট 1, 2024
পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের দাবি: ভিক্ষা প্রার্থনা থেকে মিথ্যা অভিযোগ পর্যন্ত
রাজনীতি

পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের দাবি: ভিক্ষা প্রার্থনা থেকে মিথ্যা অভিযোগ পর্যন্ত

জানুয়ারি 4, 2025
হারিয়ে যাওয়া অর্ধশতাব্দী
আফগানিস্তান

হারিয়ে যাওয়া অর্ধশতাব্দী

সেপ্টেম্বর 22, 2025
সুড়ঙ্গ যুদ্ধ: ফিলিস্তিনি মুজাহিদদের ঐতিহাসিক অদম্যতা | হাসসান মুজাহিদ
ব্লগ

সুড়ঙ্গ যুদ্ধ: ফিলিস্তিনি মুজাহিদদের ঐতিহাসিক অদম্যতা | হাসসান মুজাহিদ

জানুয়ারি 14, 2026
রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | ষোড়শ পর্ব
ইতিহাস

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | ষোড়শ পর্ব

মে 28, 2025
ইসলামী বিশ্ব ও তাকফিরি ফিতনা!
ইতিহাস

ইসলামী বিশ্ব ও তাকফিরি ফিতনা!

সেপ্টেম্বর 18, 2025
আল মিরসাদ অডিও-ভিজ্যুয়াল কনটেন্টের জন্য তাদের নতুন ওয়েবসাইট “মীক্বাত” চালু করেছে
নিউজ

আল মিরসাদ অডিও-ভিজ্যুয়াল কনটেন্টের জন্য তাদের নতুন ওয়েবসাইট “মীক্বাত” চালু করেছে

ফেব্রুয়ারি 5, 2025
অরাজকতা নাকি পাড়া-মহল্লার ব্যর্থ গুণ্ডামি?
রাজনীতি

অরাজকতা নাকি পাড়া-মহল্লার ব্যর্থ গুণ্ডামি?

জানুয়ারি 8, 2026
ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | দ্বিতীয় পর্ব
ধর্মীয় নিবন্ধ

ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | দ্বিতীয় পর্ব

সেপ্টেম্বর 13, 2025

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    মে 12, 2024
    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আগস্ট 23, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    পাকিস্তান: অঞ্চলে আইএসের নিরাপদ আশ্রয়স্থল!

    পাকিস্তান: অঞ্চলে আইএসের নিরাপদ আশ্রয়স্থল!

    ফেব্রুয়ারি 12, 2026
    ​ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক হামলা: নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন! ​

    ​ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক হামলা: নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন! ​

    ফেব্রুয়ারি 12, 2026
    দায়িত্ব থেকে পলায়ন! ​

    দায়িত্ব থেকে পলায়ন! ​

    ফেব্রুয়ারি 10, 2026
    সোমালিয়ায় আইএসের উত্থান ও প্রেক্ষাপট!

    সোমালিয়ায় আইএসের উত্থান ও প্রেক্ষাপট!

    ফেব্রুয়ারি 9, 2026

    news

    পাকিস্তান: অঞ্চলে আইএসের নিরাপদ আশ্রয়স্থল!

    পাকিস্তান: অঞ্চলে আইএসের নিরাপদ আশ্রয়স্থল!

    ফেব্রুয়ারি 12, 2026
    ​ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক হামলা: নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন! ​

    ​ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক হামলা: নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন! ​

    ফেব্রুয়ারি 12, 2026
    দায়িত্ব থেকে পলায়ন! ​

    দায়িত্ব থেকে পলায়ন! ​

    ফেব্রুয়ারি 10, 2026
    সোমালিয়ায় আইএসের উত্থান ও প্রেক্ষাপট!

    সোমালিয়ায় আইএসের উত্থান ও প্রেক্ষাপট!

    ফেব্রুয়ারি 9, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Go to mobile version