সোমবার, আগস্ট 17, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home ব্লগ

আইএস-খোরাসানকে বৈশ্বিক হুমকি হিসেবে দাঁড় করানোর নীতি: এর নেপথ্যে কারা, কেন এবং কী উদ্দেশ্যে?

✍🏻 নিযাম মুহাজির

আইএস-খোরাসানকে বৈশ্বিক হুমকি হিসেবে দাঁড় করানোর নীতি: এর নেপথ্যে কারা, কেন এবং কী উদ্দেশ্যে?
0
SHARES
4
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

২০১৩ থেকে ২০১৯— এই সময়পর্বে তথাকথিত ‘ইসলামিক স্টেট’ এমন এক কৌশলের আশ্রয় নেয়, যার উদ্দেশ্য ছিল নিজেদের এক সর্বব্যাপ্ত ও মহাশক্তিধর সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। তারা সচেতনভাবে এক বিভীষিকাময় আতঙ্কের প্রতিমূর্তি গড়ে তুলতে প্রয়াসী ছিল।

সামরিক ও কৌশলগত প্রেক্ষাপটে আইএস এক নির্মম নীতির আশ্রয় নিয়ে নৃশংসতার সকল সীমা অতিক্রম করে তারা শিহরণজাগানো অপরাধ সংঘটিত করে। নির্বিচারে গণহত্যা, অগ্নিদগ্ধ করে হত্যা, পানিতে নিমজ্জিত করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, কিংবা শিরশ্ছেদ— এগুলো নিছক নৃশংসতার বহিঃপ্রকাশমাত্র ছিল না; বরং একটি সুপরিকল্পিত কৌশলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তবে আইএসের এই নৃশংসতা কেবল বাস্তব জগতে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং এটি মনস্তাত্ত্বিক অস্ত্রে রূপান্তরিত হয়েছিল। পরিকল্পিত প্রচারযন্ত্রের মাধ্যমে তারা ভয়াবহ দৃশ্যাবলিকে ছড়িয়ে দেয়, যেন এই আতঙ্ক বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে তারা নিজেদের শক্তিমত্তা বহুগুণে অতিরঞ্জিত করে উপস্থাপন করে। বাস্তবে তাদের সামরিক সক্ষমতা যতটুকু ছিল, প্রচারযন্ত্রের মাধ্যমে তারা তার বহুগুণ শক্তিশালী বলে আত্মপ্রতিষ্ঠা করে।

বিশ্বরাজনীতির অঙ্গনে আইএসের অতিরঞ্জিত প্রতিকৃতি বিশেষভাবে এক শ্রেণির জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক হয়ে ওঠে। পশ্চিমা শক্তিগুলো, তাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম— সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই ধারণাকে আরো বিকশিত করে তোলে। কারণ এই কৃত্রিম আতঙ্ক বৈদেশিক নীতিকে বৈধতা প্রদান করে, সামরিক আগ্রাসনকে ন্যায্যতা দেয়, এবং জনমত নিয়ন্ত্রণের এক শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে ওঠে।

যদিও আইএস বাস্তবেই এক বিপজ্জনক গোষ্ঠী ছিল, তথাপি তাদের প্রকৃত শক্তি সেই অতিরঞ্জিত প্রতিচ্ছবির তুলনায় নিতান্তই নগণ্য। তথাকথিত খেলাফতের শীর্ষ অবস্থানেও তারা কখনোই পশ্চিমা বিশ্ব কিংবা আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর জন্য প্রত্যক্ষ সামরিক হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এমনকি তাদের ‘খোরাসান শাখা’র উত্থানের পরও বাস্তবতা একই ছিল, একটি বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী— যার প্রভাব কেবলমাত্র নির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিসীমায় সীমাবদ্ধ ছিল।

কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হলো, তথাকথিত খিলাফতের পতনের পরও এবং আইএস-খোরাসান শাখার বহুমুখী বিপর্যয়ের পরও, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই সংগঠনকে এক অনতিক্রম্য হুমকি হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। গণমাধ্যমে এখনো এ নিয়ে আলোচনার ঢেউ প্রবাহিত হচ্ছে। প্রশ্ন হলো, কেন?

আইএসের হুমকিকে অতিরঞ্জিতকরণ: কাদের স্বার্থে?
বিশ্বরাজনীতির ক্ষেত্রে সংকট কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি করার এক সুপ্রাচীন কৌশল রয়েছে। কিছু রাষ্ট্র এবং তাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এই কৌশলকে কাজে লাগিয়ে এক নতুন বাস্তবতা সৃষ্টি করে, যা তাদের রাজনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থরক্ষার জন্য অপরিহার্য হয়ে ওঠে। আফগানিস্তানে পরাজয়ের পর পশ্চিমা শক্তিগুলোর জন্য এটি ছিল এক দারুণ সুযোগ, দেশটিকে ‘অস্থিতিশীল’ হিসেবে চিত্রিত করে সেখানে নিজেদের পরোক্ষ প্রভাব বজায় রাখার। আইএস-খোরাসানকে এক মহাহুমকি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এই কৌশলেরই অংশবিশেষ।

এই প্রচারণার কেন্দ্রে রয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। এক বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে তারা ঘটনাবলিকে উপস্থাপন করে, যা এক ধরনের নিয়ন্ত্রিত আতঙ্কের জন্ম দেয়। এভাবে তারা এই দুর্বল সংগঠনটিকে এক বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হুমকি হিসেবে তুলে ধরে এবং নির্দিষ্ট স্বার্থ রক্ষার ভিত্তি তৈরি করে।

স্থানীয় ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যেও অনেকে এই হুমকির অতিরঞ্জনকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। কিছু রাষ্ট্র নিজেদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করতে আইএস হুমকিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে, আবার কিছু রাষ্ট্র এই সংগঠনের অস্তিত্বকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের সহানুভূতি আদায় করছে।

জাতিসংঘের সাম্প্রতিক বৈঠকেও এই কৌশল দৃশ্যমান ছিল, যেখানে কিছু দেশের প্রতিনিধি আইএসকে সম্পর্কে এমন সব দাবি উপস্থাপন করেছেন, যা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিহীন।

বাস্তবতা ও প্রচারণার ব্যবধান
যদি আইএস-খোরাসানের হামলায় নিহতের সংখ্যা পর্যালোচনা করা হয়, তবে দেখা যাবে যে এটি মোটেই একটি বৈশ্বিক আতঙ্ক সৃষ্টি করার মতো পরিসংখ্যান নয়। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্যানুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইএস-খোরাসানের হামলায় বার্ষিক গড়ে ২৫৪ জন নিহত হয়েছে।

অপরদিকে, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে এর চেয়ে শতগুণ বা হাজারগুণ বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ইয়াহুদিবাদী আগ্রাসনে গাজার বার্ষিক মৃত্যুর হার আইএস-খোরাসানের হামলার তুলনায় ১৪১ গুণ বেশি। পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে এই সংখ্যার প্রায় সাতগুণ বেশি মানুষ প্রাণ হারায়। আর যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র সহিংস অপরাধেই বছরে প্রায় ২৪,০০০ মানুষ নিহত হয়—যা আইএস-খোরাসানের কারণে নিহতের তুলনায় ৮৪ গুণ বেশি।

কিন্তু তবু গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক মঞ্চে আইএস-খোরাসানকে প্রধান বৈশ্বিক হুমকি হিসেবে প্রচার করা হয়।

অন্যদিকে স্বৈরশাসকদের লালিত-পালিত বিভিন্ন প্রক্সি গোষ্ঠী— যারা নিজেদের জনগণের বিরুদ্ধে নির্মম যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে, ভূমি ও আকাশপথ থেকে বেসামরিক নাগরিকদের উপর নিষ্ঠুর আঘাত হানছে এবং অগণিত ব্যক্তিকে জোরপূর্বক অন্তর্ধান ও কারারুদ্ধ করছে, তা প্রায়শই দৃষ্টির অন্তরালে থেকে যায়।

আইএস-হুমকিকে অতিরঞ্জিতকরণ এবং এর সুদূরপ্রসারী পরিণতি
রাষ্ট্র, গোপন গোয়েন্দা সংস্থা, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমসমূহের পক্ষ থেকে আইএস-কে (ISIS-K) ঘিরে হুমকির অতিরঞ্জিত চিত্র অঙ্কনের নীতি বাস্তবতাবিবর্জিত এবং সুগভীর রাজনৈতিক অভিসন্ধির প্রতিফলন। কিন্তু এই কৃত্রিম বিভ্রম তাদের জন্য কোনো বাস্তবিক সুফল বয়ে আনে না; বরং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সংঘাতকে ঘনীভূত করে, সংকটকে দীর্ঘায়িত করে এবং রাজনৈতিক জটিলতার এক দুর্ভেদ্য জাল বিস্তৃত করে।

এহেন প্রচারণা কেবল ইসলামবিদ্বেষকে (Islamophobia) উসকে দেয়, যা প্রকৃত সামাজিক সংকটের দিকে মনোযোগ সরিয়ে নিয়ে যায় এবং অমূল্য সম্পদকে এমন এক অবাস্তব যুদ্ধের জন্য ব্যয় করে, যা প্রকৃত সমস্যার নিরসনে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না।

আইএস-কে সম্পর্কে বৈশ্বিক প্রচারের এই কৃত্রিম অতিরঞ্জন শেষাবধি উক্ত সংগঠনকেই আরও বলীয়ান করে তোলে। এটি তাদের সদস্য সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে এবং তাদের লক্ষ্য ও আদর্শের প্রতি অনুগামীদের বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করে। বিভিন্ন রাষ্ট্রের ইসলামবিরোধী নীতির চাপে যারা নিপীড়িত ও বঞ্চিত বোধ করে, তারা আইএসকে (ISIS-K) ন্যায্য প্রতিরোধ ও সুবিচারের এক প্রকৃত মঞ্চ বলে বিবেচনা করতে পারে, যা তাদের এই সংগঠনের পতাকাতলে সমবেত হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করে।

ঠিক এই প্রবণতাই পরিলক্ষিত হয়েছিল তথাকথিত আইএস খিলাফতের উত্থানের সময়, যখন পশ্চিমা বিশ্বের এক বৃহৎ তরুণ জনগোষ্ঠী ইরাক ও সিরিয়ায় অভিপ্রয়াণ করেছিল, এক ইসলামি ব্যবস্থার স্বপ্নে বিভোর হয়ে। কিন্তু বাস্তবতার নিষ্ঠুর পরিহাসে, তারা এক উগ্র মতাদর্শের করাল গ্রাসে নিমজ্জিত হয়, অবিরাম বোমাবর্ষণের শিকার হয় এবং শেষতক পশ্চিমা শক্তির কূটকৌশলের নিষ্পেষণে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।

উপসংহার
যদিও আইএস-কে (ISIS-K) বাস্তবিক অর্থেই একটি নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে বিদ্যমান, তথাপি এর ব্যাপ্তি ও শক্তির অতিরঞ্জিত চিত্র অঙ্কন মূলত রাজনৈতিক ও প্রচারণামূলক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার একটি কৌশলমাত্র। বৈশ্বিক শক্তিসমূহ, গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমসমূহ এই সংগঠনের উপস্থিতিকে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করে ব্যর্থ নীতির ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করতে, গোপন কৌশলগত স্বার্থ সংরক্ষণ করতে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের উপর পরোক্ষ চাপ প্রয়োগ করতে চায়।

বাস্তব হুমকির যথাযথ মূল্যায়নের জন্য প্রোপাগান্ডার মোহজাল ত্যাগ করে যুক্তিনিষ্ঠ বিশ্লেষণের পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। আইএস-সংশ্লিষ্ট ঘটনাবলির নিরীক্ষা করা উচিত নির্ভুল তথ্য, সুস্পষ্ট প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার এক গভীর অন্তর্দৃষ্টি দ্বারা—না যে কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের রচিত প্রচারণার আখ্যানের উপর নির্ভর করে।

ইতিহাস সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করেছে যে, এ ধরনের গোষ্ঠীর প্রভাব কৃত্রিমভাবে অতিরঞ্জিত করা কখনো সংকট নিরসনের পথ প্রশস্ত করে না; বরং নতুন সংকটের বীজ বপন করে। ব্যর্থ নীতির পুনরাবৃত্তি পরিহার করে বৈশ্বিক নেতৃত্বের এখন প্রয়োজন সেই কৌশলগত সিদ্ধান্তের পুনর্মূল্যায়ন, যা এই ধরনের সংগঠনের উত্থানের এক অন্যতম নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে।

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#দাঈশখাওয়ারিজ#বিশ্লেষণ
ShareTweet

related-post

পাকিস্তানের কূটচক্রান্ত: চীনকে আঞ্চলিক প্রক্সি যুদ্ধে জড়িয়ে নিজের স্বার্থ হাসিলের প্রচেষ্টা
রাজনীতি

পাকিস্তানের কূটচক্রান্ত: চীনকে আঞ্চলিক প্রক্সি যুদ্ধে জড়িয়ে নিজের স্বার্থ হাসিলের প্রচেষ্টা

নভেম্বর 23, 2024
দাঈশ : আদি থেকে অন্ত
আধুনিক খাও য়া রিজ

দাঈশ : আদি থেকে অন্ত

সেপ্টেম্বর 11, 2024
প্রতিরক্ষার অধিকার: মুসলিম উম্মাহর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক অধিকার!
ধর্মীয় নিবন্ধ

প্রতিরক্ষার অধিকার: মুসলিম উম্মাহর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক অধিকার!

অক্টোবর 13, 2025
মুসলিম উম্মাহর জাগ্রত হওয়ার সময় এসেছে!
ব্লগ

মুসলিম উম্মাহর জাগ্রত হওয়ার সময় এসেছে!

জুলাই 14, 2026
সুফরিয়া খাওয়ারিজদের বিদ্রোহ: আবদুল মালিক ইবন মারওয়ানের প্রতিরোধ
ইতিহাস

সুফরিয়া খাওয়ারিজদের বিদ্রোহ: আবদুল মালিক ইবন মারওয়ানের প্রতিরোধ

ডিসেম্বর 5, 2024
পাকিস্তান; আধুনিক হারুরা!
রাজনীতি

পাকিস্তান; আধুনিক হারুরা!

ফেব্রুয়ারি 6, 2026
চরমপন্থী ষড়যন্ত্রের ব্যর্থতা এবং ঈদকালীন আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সতর্কতা!
আফগানিস্তান

চরমপন্থী ষড়যন্ত্রের ব্যর্থতা এবং ঈদকালীন আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সতর্কতা!

জুন 1, 2026
ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | নবম পর্ব
ইতিহাস

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | নবম পর্ব

আগস্ট 25, 2025
উন্মত্ত হামলা: পাকিস্তানের নিরাপত্তা সংকটের লক্ষণ!
রাজনীতি

উন্মত্ত হামলা: পাকিস্তানের নিরাপত্তা সংকটের লক্ষণ!

জুলাই 8, 2026

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    জুলাই 3, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    স্বাধীনতা: ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি, মক্কা বিজয় ও আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারাতের প্রত্যাবর্তন!

    স্বাধীনতা: ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি, মক্কা বিজয় ও আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারাতের প্রত্যাবর্তন!

    আগস্ট 16, 2026
    প্রজাতন্ত্রের পতন ও ২৪ আসাদ!

    প্রজাতন্ত্রের পতন ও ২৪ আসাদ!

    আগস্ট 16, 2026
    ক্রুসেডার সাম্রাজ্যগুলোর আফগানিস্তানে বর্বরতা ও পরাজয়!

    ক্রুসেডার সাম্রাজ্যগুলোর আফগানিস্তানে বর্বরতা ও পরাজয়!

    আগস্ট 14, 2026
    ২৪ আসাদ: দখলদারিত্বের অবসান ও এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের সূচনা!

    ২৪ আসাদ: দখলদারিত্বের অবসান ও এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের সূচনা!

    আগস্ট 14, 2026

    news

    স্বাধীনতা: ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি, মক্কা বিজয় ও আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারাতের প্রত্যাবর্তন!

    স্বাধীনতা: ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি, মক্কা বিজয় ও আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারাতের প্রত্যাবর্তন!

    আগস্ট 16, 2026
    প্রজাতন্ত্রের পতন ও ২৪ আসাদ!

    প্রজাতন্ত্রের পতন ও ২৪ আসাদ!

    আগস্ট 16, 2026
    ক্রুসেডার সাম্রাজ্যগুলোর আফগানিস্তানে বর্বরতা ও পরাজয়!

    ক্রুসেডার সাম্রাজ্যগুলোর আফগানিস্তানে বর্বরতা ও পরাজয়!

    আগস্ট 14, 2026
    ২৪ আসাদ: দখলদারিত্বের অবসান ও এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের সূচনা!

    ২৪ আসাদ: দখলদারিত্বের অবসান ও এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের সূচনা!

    আগস্ট 14, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .