শুক্রবার, জুলাই 31, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

জাতিসমূহের মধ্যে সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার উৎস: পাকিস্তানি সামরিক শাসনের ধ্বংসাত্মক নীতি!

✍🏻 রফিক

জাতিসমূহের মধ্যে সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার উৎস: পাকিস্তানি সামরিক শাসনের ধ্বংসাত্মক নীতি!
0
SHARES
1
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো রাষ্ট্রেরই এমন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়া বা প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত নয়, যারা প্রতিবেশী দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক শাসনব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ অনুসরণ করে এসেছে।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই পাকিস্তানের জন্ম হয়েছিল ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সক্রিয় সশস্ত্র মিলিশিয়াদের ছায়াতলে। পরবর্তীকালে সামরিক শাসনব্যবস্থা নবগঠিত রাষ্ট্রটির ওপর নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং আজও সামরিক আধিপত্যের মাধ্যমে পাকিস্তান পরিচালনা করছে। বহু বছর ধরে পাকিস্তানের সামরিক শাসনব্যবস্থার নিয়ন্ত্রক মহল দায়েশ নামক সন্ত্রাসী সংগঠনকে প্রশিক্ষণ, সহায়তা ও অস্ত্র সরবরাহ করার অভিযোগের মুখোমুখি হয়ে আসছে। পাকিস্তানের ভেতরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সশস্ত্র সদস্যরা অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে নৃশংস হামলা ও গণহত্যা চালিয়েছে। এসব ঘটনার পক্ষে দলিলভিত্তিক প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্টদের স্বীকারোক্তিও বিদ্যমান।

বর্তমানে সামরিক বাহিনীর আরেকটি নীতি হলো, সাবেক আফগান আরবাকাই সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিয়ে পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার নামে দুটি বৃহৎ জনগোষ্ঠী, পশতুন ও বেলুচদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা। এর ফলে যেখানে কোনো বিভক্তি থাকার কথা নয়, সেখানে কৃত্রিম বিভাজন সৃষ্টি করা হচ্ছে। বেলুচ অঞ্চলে মোতায়েনকৃত আরবাকাইদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধকারীদের সঙ্গে লড়াইয়ে নামানো হয়। আর পশতুন অধ্যুষিত উপজাতীয় এলাকায় অবস্থানকারীদের টিটিপির বিরুদ্ধে সংঘাতে ঠেলে দেওয়া হয়। এটি সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে বড় নির্বুদ্ধিতা এবং নিজেদের জনগণের প্রতি সবচেয়ে গুরুতর অবিচারগুলোর একটি। একই ঈমান, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের উত্তরাধিকারী একটি জাতিকে আনুগত্য ও বিরোধিতার নামে নিজেদের মধ্যেই সংঘর্ষে জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আরবাকাই ব্যবস্থার প্রকৃত উদ্দেশ্যই হলো শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রামকে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে রূপান্তরিত করা, যাতে নিপীড়িত মানুষ প্রকৃত অত্যাচারীদের মুখোমুখি না হয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যস্ত থাকে।

এ কি পাকিস্তানের নিজ জনগণের প্রতি চরম নিষ্ঠুরতা নয়? কেবল নিজেদের ক্ষমতা আরও কয়েক দিন টিকিয়ে রাখতে, অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করতে এবং ষড়যন্ত্র ও অস্থিতিশীলতার ওপর দাঁড়ানো নিজেদের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে শাসকগোষ্ঠী পুরো জনগোষ্ঠীকে পরস্পরের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। কোন আইন বা নৈতিক বিধান কোনো সরকারকে এই অধিকার দেয় যে, তারা নিজেদের টিকে থাকার জন্য জনগণকে নিজেদেরই তৈরি ষড়যন্ত্রের জালে ফেলে দেবে এবং নির্বিকারভাবে তাদের রক্ত ঝরতে দেখবে?

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, সামরিক বাহিনী ও তাদের ঘনিষ্ঠ মহল এখন তাদের বিদ্বেষে এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, তারা সাবেক আফগান আরবাকাইদের বর্তমান আফগান ইসলামী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধেও ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। তারা ফিতনা ও অরাজকতার বিভিন্ন দলকে আফগানিস্তানে অনুপ্রবেশ করিয়ে সেখানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়। কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক শাসনের ষড়যন্ত্র বা অপকৌশলকে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ আফগানিস্তানের নেই। আজকের আফগানিস্তান একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ রাষ্ট্রব্যবস্থা, যা বাইরের চাপিয়ে দেওয়া যেকোনো সংকট মোকাবিলায় সক্ষম।

পাকিস্তান ধারণা করেছিল, জোরপূর্বক আফগান শরণার্থীদের বহিষ্কার করলে ইসলামিক আমিরাত চাপে পড়বে। কিন্তু পুরো পরিস্থিতি এত দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হয়েছিল যে, এমনকি (IOM)-ও বিষয়টি যেভাবে সামাল দেওয়া হয়েছে, তাতে বিস্ময় প্রকাশ করেছিল।

পাকিস্তান ইচ্ছাকৃতভাবে বেলুচ ও পশতুনদের, যারা ঈমান, ইতিহাস ও সংস্কৃতির বন্ধনে আফগানিস্তানের সঙ্গে যুক্ত—অস্থিতিশীল করে তুলছে। একই সঙ্গে তারা শুধু আফগানিস্তানেই নয়, সমগ্র অঞ্চলে নিরাপত্তাহীনতা ছড়িয়ে দিচ্ছে। পাকিস্তানের ভেতরকার বহু রাজনীতিবিদ ও আলেম ইতোমধ্যেই এই শাসনব্যবস্থার প্রকৃত চরিত্র উপলব্ধি করেছেন। আপনি যখন আপনার প্রতিবেশীর দিকে আগুন ছুড়ে দেন, সেই আগুন প্রথমে আপনার নিজের শাসনাধীন জনগণকেই পুড়িয়ে দেয়। অন্যরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ক্ষতি আপনারই হবে। আরবাকাই, ফিতনা ও অরাজকতার গোষ্ঠী সৃষ্টি করে যেসব জাতিগোষ্ঠীকে সংঘাতে ঠেলে দিচ্ছেন, তার প্রথম মূল্য আপনাকেই অর্থনৈতিকভাবে দিতে হবে। এরপর আপনার ভূখণ্ডের ভেতরেই বাইরের দিক থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের আঘাতও প্রথমে আপনাদের ওপরই নেমে আসবে।

প্রকাশ্যে আরবাকাই, দায়েশ এবং অন্যান্য ফিতনা ও অরাজকতার গোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া এখন পুরো অঞ্চলের জন্য হুমকিতে পরিণত হয়েছে। ইসলামিক আমিরাত ইতোমধ্যেই চিত্রালের কিছু প্রশিক্ষণকেন্দ্রে হামলা চালিয়ে সেগুলো ধ্বংস করেছে। এর চেয়ে স্পষ্ট প্রমাণ আর কী হতে পারে? প্রকাশ্যে ফিতনা ও অরাজকতার কেন্দ্র গড়ে তোলা পুরো অঞ্চলের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে। তবে এর মূল্য সামরিক বাহিনী দেয় না; দেয় পাকিস্তানের সাধারণ জনগণ। প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে পাকিস্তানের মর্যাদা ক্রমাগত কমছে, তাদের মুদ্রার মূল্য দুর্বল হচ্ছে এবং জনগণের অর্থনীতি অব্যাহতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এখন সময় এসেছে পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ ও ধর্মীয় আলেমদের জনগণের এই বিপুল ক্ষতি এবং সামরিক শাসনব্যবস্থার নীতির ব্যর্থতার প্রকৃত চিত্র উপলব্ধি করার। তবেই তারা ভবিষ্যতে প্রতিবেশী দেশগুলোর পক্ষ থেকে নিজেদের জনগণের ওপর নেমে আসতে পারে এমন আরও ভয়াবহ পরিণতি প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারবেন। পৃথিবীর কেউই চায় না যে, পাকিস্তানের নিপীড়িত মুসলিম জনগণ বিশ্ববাসীর কাছে সহিংসতা, দুর্নীতি, নিরাপত্তাহীনতা ও চরমপন্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত হোক। কিন্তু সামরিক শাসনব্যবস্থা যদি বর্তমান পথেই এগিয়ে যেতে থাকে, তবে তারা দেশটিকে ঠিক সেই পরিণতির দিকেই ঠেলে দিচ্ছে—আরও অবক্ষয়, আরও বিপর্যয় এবং আরও ধ্বংসের দিকে।

 

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#পাকিস্তান#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

আইএস একটি মহামারির নাম | একবিংশ পর্ব
দাঈশ

আইএস একটি মহামারির নাম | একবিংশ পর্ব

জুলাই 7, 2025
সোভিয়েত আক্রমণের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং আফগান জনগণের দুর্ভোগ!
ইতিহাস

সোভিয়েত আক্রমণের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং আফগান জনগণের দুর্ভোগ!

ফেব্রুয়ারি 15, 2026
পাকিস্তানি সামরিক জান্তা এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার উৎস!
রাজনীতি

পাকিস্তানি সামরিক জান্তা এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার উৎস!

এপ্রিল 7, 2026
আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?
আফগানিস্তান

আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

জুলাই 16, 2024
গতকালের গ্রানাডা, আজকের গাযযা: ইসলামের শেষ দুর্গের টিকে থাকার সংগ্রাম!
ইতিহাস

গতকালের গ্রানাডা, আজকের গাযযা: ইসলামের শেষ দুর্গের টিকে থাকার সংগ্রাম!

জুন 3, 2026
ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | ত্রয়োবিংশ পর্ব
ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | ত্রয়োবিংশ পর্ব

জুলাই 11, 2026
মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ
আল মিরসাদ প্রকাশনা

মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

মে 10, 2024
অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট! ​
রাজনীতি

অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট! ​

এপ্রিল 14, 2026
অজ্ঞতা ও ঔদ্ধত্যের জোট: তেহরান থেকে কুনার পর্যন্ত “জ্ঞান-নিধন”-এর অভিন্ন কৌশল!
রাজনীতি

অজ্ঞতা ও ঔদ্ধত্যের জোট: তেহরান থেকে কুনার পর্যন্ত “জ্ঞান-নিধন”-এর অভিন্ন কৌশল!

মে 2, 2026

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    জুলাই 3, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    জাতিসমূহের মধ্যে সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার উৎস: পাকিস্তানি সামরিক শাসনের ধ্বংসাত্মক নীতি!

    জাতিসমূহের মধ্যে সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার উৎস: পাকিস্তানি সামরিক শাসনের ধ্বংসাত্মক নীতি!

    জুলাই 31, 2026
    পাকিস্তানি সামরিক প্রচারণা, ডুরান্ড লাইনের উভয় পাশে প্রক্সি হস্তক্ষেপ এবং বাদাখশানের মাটির বাস্তবতা!

    পাকিস্তানি সামরিক প্রচারণা, ডুরান্ড লাইনের উভয় পাশে প্রক্সি হস্তক্ষেপ এবং বাদাখশানের মাটির বাস্তবতা!

    জুলাই 30, 2026
    অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে সামরিক শাসনের নতুন কৌশল!

    অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে সামরিক শাসনের নতুন কৌশল!

    জুলাই 30, 2026
    মনস্তাত্ত্বিক ও প্রচারণামূলক যুদ্ধ: পাকিস্তান ও দাঈশ কীভাবে একই পদ্ধতি ব্যবহার করে

    মনস্তাত্ত্বিক ও প্রচারণামূলক যুদ্ধ: পাকিস্তান ও দাঈশ কীভাবে একই পদ্ধতি ব্যবহার করে

    জুলাই 28, 2026

    news

    জাতিসমূহের মধ্যে সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার উৎস: পাকিস্তানি সামরিক শাসনের ধ্বংসাত্মক নীতি!

    জাতিসমূহের মধ্যে সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার উৎস: পাকিস্তানি সামরিক শাসনের ধ্বংসাত্মক নীতি!

    জুলাই 31, 2026
    পাকিস্তানি সামরিক প্রচারণা, ডুরান্ড লাইনের উভয় পাশে প্রক্সি হস্তক্ষেপ এবং বাদাখশানের মাটির বাস্তবতা!

    পাকিস্তানি সামরিক প্রচারণা, ডুরান্ড লাইনের উভয় পাশে প্রক্সি হস্তক্ষেপ এবং বাদাখশানের মাটির বাস্তবতা!

    জুলাই 30, 2026
    অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে সামরিক শাসনের নতুন কৌশল!

    অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে সামরিক শাসনের নতুন কৌশল!

    জুলাই 30, 2026
    মনস্তাত্ত্বিক ও প্রচারণামূলক যুদ্ধ: পাকিস্তান ও দাঈশ কীভাবে একই পদ্ধতি ব্যবহার করে

    মনস্তাত্ত্বিক ও প্রচারণামূলক যুদ্ধ: পাকিস্তান ও দাঈশ কীভাবে একই পদ্ধতি ব্যবহার করে

    জুলাই 28, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .