মঙ্গলবার, আগস্ট 11, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

একবিংশ শতাব্দীতে ইসলামী সভ্যতার পুনর্জাগরণ!

✍🏻 রফিক

একবিংশ শতাব্দীতে ইসলামী সভ্যতার পুনর্জাগরণ!
0
SHARES
1
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

ইসলাম মানবজাতির শিক্ষা, সংস্কার এবং মানুষের জীবন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার একটি ঐশী জীবনপদ্ধতি। ইতিহাসের প্রতিটি পর্যায়ে বাতিল ইসলামকে দুর্বল করার জন্য তার বিকৃত চিন্তাধারা ছড়িয়ে দেওয়া এবং মানবিক মূল্যবোধকে বিনষ্ট করার মাধ্যমে ইসলামের রাজনৈতিক ও আদর্শিক পথকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। মুসলমানদের বিরুদ্ধে তারা বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামরিক উভয় ধরনের যুদ্ধ পরিচালনা করেছে। যখনই মুসলমানরা বাতিলের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামরিক আধিপত্যের অধীন হয়েছে, তখন তারা শুধু নিজেদের রাজনৈতিক ও আদর্শিক দিকনির্দেশনাই হারায়নি; বরং তাদের সামাজিক জীবন, অগ্রগতি এবং সভ্যতাগত পরিচয়েরও একটি বড় অংশ হারিয়েছে।

এই সভ্যতাগত অবক্ষয়ের কারণে বিভিন্ন সময়ে মুসলমানদের বাতিলের সামনে নিজেদের মূল্যবোধ বিসর্জন দিতে হয়েছে।

উসমানি খেলাফতের পতনের পর মুসলমানদের রাজনৈতিক ঐক্য ও কর্তৃত্ব বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মুসলিম সমাজগুলো বিদেশি আইন ও রাজনৈতিক চিন্তাধারার প্রভাবে চলে আসে। আফগানিস্তান যে মুসলিম জাতির ইতিহাস বাতিল ও কুফরের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ও আত্মত্যাগে পরিপূর্ণ—বিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে আবারও বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শক্তির দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জিহাদ শুরু করে।

দীর্ঘ সংগ্রামের পর বিংশ শতাব্দীর শেষভাগ ও একবিংশ শতাব্দীর সূচনালগ্নে আফগানিস্তানে ইসলামী শাসন এবং শরিয়াভিত্তিক একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু মুসলমানদের বিশ্বাসের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা বাতিলের রাজনৈতিক ও সভ্যতাগত ব্যবস্থার স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ছিল। ফলে এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও অজুহাত সৃষ্টি করা হয়। একদিকে মুসলমানদের রাজনৈতিক কেন্দ্রকে ধ্বংস করাই ছিল লক্ষ্য; অন্যদিকে আফগানিস্তানের ভূমি, সম্পদ, জাতীয় ও ইসলামী মূল্যবোধকে ক্ষতিগ্রস্ত করে সেগুলোকে বিদেশি প্রভাবের অধীনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।

এরই পরিণতিতে আফগানিস্তান ও আফগান জনগণকে আবারও একটি বিদেশি দখলদারিত্ব ও দীর্ঘ যুদ্ধের মুখোমুখি হতে হয়।

বিশ বছরের দখলদারিত্ব
বিশ বছরের দখলদারিত্বের সময়ে আফগান জনগণের ওপর এমন একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল দেশটির ইসলামী, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক গতিপথ পরিবর্তন করা। এই পুরো সময়ে রাজনৈতিক, জাতিগত, ভাষাগত ও দলীয় বিভাজনের কারণে আফগানদের মধ্যে ব্যাপক রক্তপাত ঘটে এবং সামাজিক ঐক্য মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।

বিশ বছর ধরে আফগানদের সামনে আলোকায়ন, উন্নতি ও বিজয়ের নামে নানা স্লোগান উপস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু দখলদারিত্বের ছায়ায় যুদ্ধ, অস্থিতিশীলতা, দারিদ্র্য ও সামাজিক সমস্যাগুলো অব্যাহত ছিল। একই সময়ে আফগান জনগণের মধ্য থেকেই মুজাহিদগণ উঠে দাঁড়িয়ে দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং বিশ বছর ধরে সামরিক ও রাজনৈতিক উভয় পন্থায় দখলদার শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যান।

যখন দখলদার শক্তি ও তাদের সমর্থিত ব্যবস্থা যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজয়ের মুখে পড়ে, তখন তারা রাজনৈতিক আলোচনা ও আলোচনাভিত্তিক সমাধানের দিকে ফিরে যায়। দীর্ঘ সামরিক ও রাজনৈতিক প্রচেষ্টার পর শেষ পর্যন্ত দখলদার শক্তি আফগানিস্তান থেকে সরে যাওয়ার এবং তাদের সামরিক উপস্থিতির অবসানের পথ তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। আফগান জনগণ বছরের পর বছর বিদেশি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও সংগ্রামের মাধ্যমে নিজেদের ভূমি রক্ষা করেছিল। বিশ বছরের আত্মত্যাগ, দুর্ভোগ ও ক্লান্তির পর অবশেষে এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছে, যখন আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সামরিক উপস্থিতির অবসান ঘটে।

এই কারণে আফগানিস্তানের সমকালীন ইতিহাসে ২৪ আসাদ এমন একটি দিন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে, যেদিন বিদেশি সামরিক উপস্থিতির অবসান ঘটে এবং রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে এটি একবিংশ শতাব্দীতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনাবিন্দু হিসেবেও বিবেচিত, যে অধ্যায় ইসলামী শাসন, রাজনৈতিক ঐক্য, ইসলামী সভ্যতার পুনর্জাগরণ এবং শরিয়াভিত্তিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অধ্যায়।

Tags: #আফগানিস্তান#আলমিরসাদবাংলা#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

গাযযা: আগুনের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা এক অবিচল ঈমান!
ব্লগ

গাযযা: আগুনের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা এক অবিচল ঈমান!

মে 19, 2026
আইএসআইএস জঙ্গিরা কোত্থেকে আসে?
দাঈশ

আইএসআইএস জঙ্গিরা কোত্থেকে আসে?

অক্টোবর 31, 2024
দাঈশ একটি মহামারির নাম
আধুনিক খাও য়া রিজ

দাঈশ একটি মহামারির নাম

সেপ্টেম্বর 14, 2024
রাজনীতি

আফগানিস্তানের ভারসাম্যপূর্ণ নীতি এবং পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর ভুল ব্যাখ্যা!

জুন 13, 2026
সাবেক আরবাকিদের মাধ্যমে জাতিগত বিভেদ উসকে দেওয়ায় পাকিস্তানের ভূমিকা!
রাজনীতি

সাবেক আরবাকিদের মাধ্যমে জাতিগত বিভেদ উসকে দেওয়ায় পাকিস্তানের ভূমিকা!

আগস্ট 4, 2026
ফিলিস্তিন: অবিচলতা, আত্মত্যাগ এবং স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতির এক জীবন্ত দলিল!
ব্লগ

ফিলিস্তিন: অবিচলতা, আত্মত্যাগ এবং স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতির এক জীবন্ত দলিল!

মে 18, 2026
​টেকসই নিরাপত্তার অস্তিত্ব: ইসলামী শাসন ও গণজাগরণের ফসল!
আফগানিস্তান

​টেকসই নিরাপত্তার অস্তিত্ব: ইসলামী শাসন ও গণজাগরণের ফসল!

জুন 3, 2026
সামরিক বাহিনীর নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠী— আফগানিস্তান-পাকিস্তান উত্তেজনার মূল কারণ
রাজনীতি

সামরিক বাহিনীর নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠী— আফগানিস্তান-পাকিস্তান উত্তেজনার মূল কারণ

ডিসেম্বর 26, 2024
তলোয়ার : খাওয়ারিজদের একমাত্র প্রতিকার
দাঈশ

তলোয়ার : খাওয়ারিজদের একমাত্র প্রতিকার

অক্টোবর 2, 2024

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

  • লাইব্রেরি
আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو

সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .