বুধবার, অক্টোবর 21, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

মহাজাগতিক বিধান: বস্তুগত শক্তির দম্ভ এবং ইসলামী ইমারাত আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের তৎপরতার অন্তর্নিহিত চিত্র!

✍🏻 আসিফ তারীন

মহাজাগতিক বিধান: বস্তুগত শক্তির দম্ভ এবং ইসলামী ইমারাত আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের তৎপরতার অন্তর্নিহিত চিত্র!
0
SHARES
2
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

মহাবিশ্বের একটি স্বীকৃত ও সর্বজনীন নীতি হলো, ‘এখানে ক্ষয়িষ্ণু কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। আর কোনো বস্তুগত শক্তিও এতটা স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় যে, সে প্রকৃতির নির্ধারিত বিধানকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে।’ মানব ইতিহাস ও আসমানি কিতাবগুলো এই সত্যের সাক্ষ্য দেয় যে, পৃথিবীতে যখনই কোনো বড় সংকট, রোগব্যাধি কিংবা জালিম শক্তির উত্থান ঘটে, তখন তার প্রতিরোধ ও সমাধানের উপকরণও মহাবিশ্বের কোনো না কোনো প্রান্তে আগে থেকেই প্রস্তুত হতে থাকে।

মানুষ তার সীমিত দৃষ্টির কারণে বস্তুগত উপকরণকেই সবকিছু মনে করে বসে। অথচ পর্দার আড়ালে, হজরত মুসা ও খিজির আলাইহিমাস সালামের ঘটনার আলোকে বলা যায়, যে সৃষ্টিগত ব্যবস্থা কাজ করে, তা শেষ পর্যন্ত জালিমের বস্তুগত কৌশলগুলোকে তার নিজের গলার ফাঁস বানিয়ে দেয়। এই দর্শনকে আমরা যদি সাম্প্রতিক ইতিহাস এবং ইসলামী ইমারাত আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জটিল ষড়যন্ত্রের প্রেক্ষাপটে বিচার করি, তাহলে বস্তুগত শক্তির অহংকার ও আল্লাহর নির্ধারিত ব্যবস্থাপনার এক বিস্ময়কর চিত্র সামনে আসে।

এই সর্বজনীন সত্যের একটি চিত্তাকর্ষক ও গাণিতিক উদাহরণ পাওয়া যায় ফিলিস্তিনের ভূমিতে। হামাসের নেতা শহীদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহিমাহুল্লাহকে যখন তাঁর শেষ দীর্ঘ কারাবাসের জন্য ১৯৮৮ সালে ইসরায়েলি বাহিনী গ্রেপ্তার করে, তখন বস্তুজগতের বিচারে তাঁর মুক্তির কোনো পথই দৃশ্যমান ছিল না। তিনি চারটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন। কিন্তু আল্লাহর নির্ধারিত ব্যবস্থার দিকে লক্ষ করুন। সিনওয়ার রহিমাহুল্লাহর সেই গ্রেপ্তারের ঠিক দুই বছর আগে, অর্থাৎ ১৯৮৬ সালে, ইসরায়েলের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে ‘গিলাদ শালিত’ নামের একটি শিশুর জন্ম হয়ে গিয়েছিল।

তখন কোনো মানুষ কল্পনাও করতে পারেনি যে, ‘এই শিশু বড় হয়ে একজন সেনাসদস্য হবে, ২০০৬ সালে হামাসের হাতে বন্দী হবে এবং শেষ পর্যন্ত ২০১১ সালে ইয়াহইয়া সিনওয়ারসহ এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তির মাধ্যম হবে।’ এই ঘটনা এ সত্যের ওপর সিলমোহর এঁটে দেয় যে, ‘বিপদ শুরু হওয়ার আগেই আল্লাহ তাআলা অনেক সময় তার সমাধানের উপকরণ পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেন।’

এই একই দৃষ্টিকোণ থেকে যখন আমরা পাকিস্তানি সামরিক শাসকগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে ইসলামী ইমারাতের বিরুদ্ধে যুদ্ধংদেহী বক্তব্য ও বর্তমান তিক্ত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করি, তখন বস্তুগত শক্তির মধ্যে এক বিশাল অসমতা দেখতে পাই। একদিকে পাকিস্তান, যা স্বীকৃত পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র। দেশটির হাতে রয়েছে আধুনিক জেএফ-১৭ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি।

অন্যদিকে ইসলামী ইমারাত আফগানিস্তান, যা কয়েক দশকের যুদ্ধের পরও একটি পূর্ণাঙ্গ বিমানবাহিনী ও আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত। বস্তুজগতের হিসাব অনুযায়ী পাকিস্তানকে অপরাজেয় শক্তি বলে মনে হতে পারে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, বস্তুগত শক্তির নেশা যখন নৈতিকতা ও ভ্রাতৃত্বের নীতিকে ছাড়িয়ে যায়, তখন সেই শক্তিই নিজের ধ্বংসের উপকরণ তৈরি করতে শুরু করে।

এই তিক্ততার শিকড় প্রোথিত রয়েছে নাইন-ইলেভেনের সেই সন্ধিক্ষণে, যখন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে অত্যন্ত ভালো কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। আমিরুল মুমিনিন মোল্লা মুহাম্মদ উমর মুজাহিদ রহিমাহুল্লাহর শাসনামলে দুই দেশ পরস্পরের ঘনিষ্ঠ ছিল। কিন্তু নাইন-ইলেভেনের অব্যবহিত পরেই পাকিস্তান মার্কিন সন্তুষ্টি অর্জন ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার জন্য সম্পূর্ণভাবে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে।

পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের আকাশসীমা ও রসদ সরবরাহের সুবিধা দিয়েছিল। এর ফলে একটি ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম প্রতিবেশী দেশের পিঠে ছুরি মারা হয়েছিল। সে সময় অনেক সমালোচক এই বক্তব্য দিয়েছিলেন যে, ‘পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী মূলত ব্রিটিশ আমলের রয়্যাল ইন্ডিয়ান আর্মিরই ঔপনিবেশিক ধারাবাহিকতা। এই গোষ্ঠী জনগণের ও ইসলামী চেতনার বিপরীতে বৈশ্বিক প্রভুদের স্বার্থ রক্ষা করে।’

সম্প্রতি সাবেক সিনেটর মুশাহিদ হুসাইন সাইয়েদও এই সত্য স্বীকার করেছেন যে, ‘পাকিস্তান ১৯৮০-এর দশকে আফগান জিহাদকে পুঁজি করে শত শত কোটি ডলার আয় করেছে। আবার যুক্তরাষ্ট্রের কথায় সেই আফগান জিহাদে অংশ নিয়ে আমেরিকার কাছ থেকে নানা সুবিধা আদায় করেছে এবং নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পন্ন করেছে। এই ‘যুদ্ধনির্ভর অর্থনীতি’ বা ওয়ার ইকোনমি পাকিস্তানের ক্ষমতাধর অভিজাত শ্রেণি ও জেনারেলদের বড় বড় প্রাসাদ এবং ভিআইপি জীবনযাপনের সুযোগ করে দিয়েছে। কিন্তু আফগান জনগণের ভাগে জুটেছে কেবল বারুদ, ধ্বংসযজ্ঞ ও বাস্তুচ্যুতি।’

একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র যখন আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে, বিশ বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটে এবং আফগানিস্তানে একটি স্থিতিশীল, আত্মমর্যাদাশীল ও স্বাধীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পাওয়া ডলারের প্রবাহ পাকিস্তানের জন্য হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। উৎপাদনমুখী অর্থনীতি ও স্থিতিশীল আঞ্চলিক বাণিজ্যের প্রতি মনোযোগ না দেওয়ায় পাকিস্তানের অর্থনীতি টালমাটাল হয়ে পড়ে। যুদ্ধনির্ভর অর্থনীতিতে অভ্যস্ত পাকিস্তানি ব্যবস্থা তখন আবারও ডলার আয়ের নতুন পথ খুঁজে বের করে।

পাকিস্তান জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মস্কো ফরম্যাটের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চগুলোতে ধারাবাহিকভাবে এই বয়ান প্রচার করতে শুরু করে যে, ‘আফগানিস্তানে সন্ত্রাসী সংগঠন রয়েছে এবং সেগুলো গোটা অঞ্চলের জন্য হুমকি।’

পাকিস্তানের এই তৎপরতার মূল উদ্দেশ্য হলো পশ্চিমা শক্তিগুলোকে এই অঞ্চলে পুনরায় হস্তক্ষেপ করতে প্ররোচিত করা, যাতে পাকিস্তান আবারও ‘সম্মুখসারির রাষ্ট্র’ বা ফ্রন্টলাইন স্টেট হিসেবে আবির্ভূত হয়ে আর্থিক সহায়তা হাতিয়ে নিতে পারে। এই বয়ানকে শক্তিশালী করার জন্য পাকিস্তান ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তথাকথিত ‘অপারেশন গজব লিল হক’-এর আওতায় আফগান ভূখণ্ডে বোমাবর্ষণ করে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতেও সীমান্তে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।

এমনকি ইসলামী ইমারাতের গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান সাবেক আফগান সেনাসদস্য ও দায়েশের মতো গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দিয়ে কাবুল সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার পরিবেশ তৈরি করছে। পাকিস্তানের ভেতর থেকে দায়েশের মিডিয়া প্রধান আজিজ আজ্জাম ও অন্যান্য বিদেশি সদস্যের গ্রেপ্তার এবং খোদ পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সাম্প্রতিক সশস্ত্র হামলাগুলোকে এর প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

অর্থাৎ, পাকিস্তানের এসব তৎপরতার উদ্দেশ্য হলো আফগানিস্তানে নতুন করে যুদ্ধ বাধানো এবং ডলার আয়ের পথ তৈরি করা।

কিন্তু আল্লাহর নির্ধারিত ব্যবস্থা ও অদৃশ্য পরিচালনার কৌশল লক্ষ করুন। আফগানিস্তানকে এই সম্ভাব্য বড় বিপদ ও আগ্রাসন থেকে রক্ষা করার জন্য মহাবিশ্বের বস্তুগত বিধানই যেন পাকিস্তানকে তার নিজের জালে আটকে দিয়েছে। আফগানিস্তানকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পাকিস্তান এক বছর ধরে বাণিজ্য বন্ধ রেখেছিল। ওয়াঘা সীমান্ত দিয়ে ভারতের সঙ্গে আফগান বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং করাচি ও গোয়াদর বন্দরে আরোপ করা হয়েছিল কঠোর বিধিনিষেধ।

উদ্দেশ্য ছিল, আফগানিস্তানের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেলে দেশটি স্বতঃস্ফূর্তভাবেই নতিস্বীকার করবে। কিন্তু ফলাফল হয়েছে সম্পূর্ণ বিপরীত। আফগান সরকার পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে ইরানের চাবাহার বন্দর, উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও আকাশপথের বাণিজ্যিক করিডরের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নিজেদের বাণিজ্য সম্প্রসারণ করেছে। যে পথ বন্ধ করে দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল আফগানিস্তানকে দুর্বল করা, সেই অবরুদ্ধ পথের বিকল্প খুঁজতে গিয়েই দেশটির অর্থনৈতিক স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত হয়েছে।

অন্যদিকে পাকিস্তান শুধু আফগানিস্তানের সঙ্গেই নয়, ভারত এবং এখন ইরানের সঙ্গেও নিজেদের বাণিজ্যপথ বন্ধ করে দিয়ে নিজেকেই প্রায় অবরুদ্ধ ও অচল করে ফেলেছে।

যেকোনো বড় যুদ্ধ কিংবা সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য শক্তিশালী ও স্থিতিশীল অর্থনীতি প্রয়োজন। অথচ পাকিস্তান আজ মাত্র এক বিলিয়ন ডলারের কিস্তি পাওয়ার জন্যও আইএমএফের সামনে হাত পেতে দাঁড়িয়ে আছে। দেশটির মুদ্রার মূল্য ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণভাবে তা গভীর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাসংকটে নিমজ্জিত।

আল্লাহ তাআলা এমন এক অদৃশ্য ধারাবাহিকতা সৃষ্টি করে রেখেছেন যে, পাকিস্তানের আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে বড় বড় পরিকল্পনা ও বিপজ্জনক অভিপ্রায় থাকা সত্ত্বেও তার নিজের অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা তার হাত-পা বেঁধে রাখছে। অন্যদের জন্য পাকিস্তান যে অর্থনৈতিক ফাঁদ তৈরি করেছিল, আজ আল্লাহর নির্ধারিত ব্যবস্থায় সেটিই যেন পাকিস্তানের ওপর চেপে বসেছে, যাতে দেশটি কোনো ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বড় ধরনের আগ্রাসন চালানোর সক্ষমতাই না রাখে।

এখানে এটিও বোঝা জরুরি যে, আল্লাহ তাআলার ক্ষমতা অসীম এবং তিনি কোনো বস্তুগত উপকরণের মুখাপেক্ষী নন। সুতরাং পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থা কেবল আমাদের একটি সম্ভাব্য মানবীয় বিশ্লেষণ। অন্যদিকে আল্লাহর কুদরত পাকিস্তানের নিন্দনীয় অভিপ্রায়গুলোকে আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রেও ব্যর্থ করে দিচ্ছে। বস্তুজগতে পাকিস্তানের কূটনৈতিক পরাজয়গুলো এর সুস্পষ্ট প্রমাণ।

যেমন, মস্কো ফরম্যাটে পাকিস্তানের বয়ান প্রত্যাখ্যাত হওয়া এবং যৌথ ঘোষণার প্রচলিত রীতি বজায় না থাকা, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা করার বিষয়ে বড় বড় দাবি করেও ব্যর্থ হওয়া এবং সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা ও হুতিদের হামলার প্রশ্নে সামরিকভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে না পারা।

এসব বিষয় ইঙ্গিত করে যে, আল্লাহ তাআলা কেবল অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মর্যাদা, কূটনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ও বস্তুগত প্রভাব-প্রতিপত্তি হ্রাস করে আফগানিস্তানকে সম্ভাব্য বিপদ থেকে রক্ষার একটি বহুমুখী অদৃশ্য ব্যবস্থা কার্যকর রেখেছেন, যা পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী বুঝতে অক্ষম।

এই পুরো চিত্র সাক্ষ্য দেয় যে, যেসব ব্যক্তি ও রাষ্ট্র নিরপরাধ মানুষের রক্তের ওপর নিজেদের অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে তোলে এবং ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতের মাধ্যমে বস্তুগত সুবিধা অর্জন করতে চায়, প্রকৃতি তাদের কৌশলকেই তাদের বিরুদ্ধে ঘুরিয়ে দেয়।

সব ধরনের বস্তুগত ক্ষতি সত্ত্বেও আফগানিস্তান বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা থেকে মুক্ত হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। অন্যদিকে আধুনিক প্রযুক্তি ও পারমাণবিক বোমার শক্তিতে গর্বিত ব্যবস্থাটি ভেতর থেকে ফাঁপা হয়ে পড়েছে। এটিই মহাবিশ্বের সেই ভারসাম্য, যেখানে আল্লাহর প্রজ্ঞার সামনে কোনো ষড়যন্ত্রই টিকে থাকতে পারে না। আর মজলুমকে রক্ষার ব্যবস্থা জালিমের নিজের দুর্বলতার মধ্যেই আগে থেকে করে রাখা হয়।

 

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#পাকিস্তান#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

পরীক্ষিত জিনিস পুনরায় পরীক্ষা করাটা ভুল!
ব্লগ

পরীক্ষিত জিনিস পুনরায় পরীক্ষা করাটা ভুল!

অক্টোবর 16, 2025
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির কূটনীতি নীরবে পাকিস্তানের প্রতিরোধক্ষমতার পতন উন্মোচিত করেছে!
রাজনীতি

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির কূটনীতি নীরবে পাকিস্তানের প্রতিরোধক্ষমতার পতন উন্মোচিত করেছে!

আগস্ট 11, 2026
শান্তির মরীচিকা: গ্রানাডা থেকে গাযযা ও সুদান পর্যন্ত!
ইতিহাস

শান্তির মরীচিকা: গ্রানাডা থেকে গাযযা ও সুদান পর্যন্ত!

জানুয়ারি 27, 2026
২ অক্টোবর : আমাদের ভুলে যাওয়া দিন!
ইতিহাস

২ অক্টোবর : আমাদের ভুলে যাওয়া দিন!

অক্টোবর 5, 2025
দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! (পর্ব ১)
আফগানিস্তান

দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! (পর্ব ১)

সেপ্টেম্বর 9, 2026
আইএস একটি মহামারির নাম | একবিংশ পর্ব
দাঈশ

আইএস একটি মহামারির নাম | একবিংশ পর্ব

জুলাই 7, 2025
পাকিস্তানের যুদ্ধ: ঈমান ও তকদিরের ছায়াতলে!
রাজনীতি

পাকিস্তানের যুদ্ধ: ঈমান ও তকদিরের ছায়াতলে!

মার্চ 24, 2026
আধুনিক খাও য়া রিজ

আগস্ট 24, 2024
বেলুচিস্তানে জাফর এক্সপ্রেসে হামলা; এটি কী বার্তা দিচ্ছে?
ব্লগ

বেলুচিস্তানে জাফর এক্সপ্রেসে হামলা; এটি কী বার্তা দিচ্ছে?

মার্চ 14, 2025

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    সেপ্টেম্বর 2, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    মহাজাগতিক বিধান: বস্তুগত শক্তির দম্ভ এবং ইসলামী ইমারাত আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের তৎপরতার অন্তর্নিহিত চিত্র!

    খাইবার পাখতুনখোয়ায় চাপিয়ে দেওয়া সামরিক শাসন ও সামরিক শাসকগোষ্ঠীর ঘৃণ্য অভিসন্ধি!

    অক্টোবর 21, 2026
    মহাজাগতিক বিধান: বস্তুগত শক্তির দম্ভ এবং ইসলামী ইমারাত আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের তৎপরতার অন্তর্নিহিত চিত্র!

    মহাজাগতিক বিধান: বস্তুগত শক্তির দম্ভ এবং ইসলামী ইমারাত আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের তৎপরতার অন্তর্নিহিত চিত্র!

    অক্টোবর 21, 2026
    সমকালীন ষড়যন্ত্রকারীদের ফাঁদে পাখতুনখাওয়া: আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে এক বিপজ্জনক খেলা! | পর্ব ১

    সমকালীন ষড়যন্ত্রকারীদের ফাঁদে পাখতুনখাওয়া: আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে এক বিপজ্জনক খেলা! | পর্ব ১

    অক্টোবর 20, 2026
    জেনারেল আসিম মুনিরের অধীনে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট ও কৌশলগত দেউলিয়াত্বের মূল্যায়ন!

    জেনারেল আসিম মুনিরের অধীনে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট ও কৌশলগত দেউলিয়াত্বের মূল্যায়ন!

    অক্টোবর 20, 2026

    news

    মহাজাগতিক বিধান: বস্তুগত শক্তির দম্ভ এবং ইসলামী ইমারাত আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের তৎপরতার অন্তর্নিহিত চিত্র!

    খাইবার পাখতুনখোয়ায় চাপিয়ে দেওয়া সামরিক শাসন ও সামরিক শাসকগোষ্ঠীর ঘৃণ্য অভিসন্ধি!

    অক্টোবর 21, 2026
    মহাজাগতিক বিধান: বস্তুগত শক্তির দম্ভ এবং ইসলামী ইমারাত আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের তৎপরতার অন্তর্নিহিত চিত্র!

    মহাজাগতিক বিধান: বস্তুগত শক্তির দম্ভ এবং ইসলামী ইমারাত আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের তৎপরতার অন্তর্নিহিত চিত্র!

    অক্টোবর 21, 2026
    সমকালীন ষড়যন্ত্রকারীদের ফাঁদে পাখতুনখাওয়া: আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে এক বিপজ্জনক খেলা! | পর্ব ১

    সমকালীন ষড়যন্ত্রকারীদের ফাঁদে পাখতুনখাওয়া: আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে এক বিপজ্জনক খেলা! | পর্ব ১

    অক্টোবর 20, 2026
    জেনারেল আসিম মুনিরের অধীনে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট ও কৌশলগত দেউলিয়াত্বের মূল্যায়ন!

    জেনারেল আসিম মুনিরের অধীনে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট ও কৌশলগত দেউলিয়াত্বের মূল্যায়ন!

    অক্টোবর 20, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .