শনিবার, এপ্রিল 18, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home আফগানিস্তান

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ [ পঞ্চদশ পর্ব ]

✍🏻 মৌলভী আহমাদ আলী

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ  [ পঞ্চদশ পর্ব ]
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

ইমাম বাইযাবী রহিমাহুল্লাহ
ইমাম বাইযাবী রহিমাহুল্লাহ তাঁর তাফসীর “আনওয়ারুত তানযীল ও আসরারুত তাওয়ীল”—যা তাফসীর বাইযাবী নামে সুপ্রসিদ্ধ, এ কিতাবে উল্লেখ করেছেন:
﴿وَمَنْ يَّتَوَلَّهُمْ مِّنْكُمْ فَاِنَّهٗ مِنْهُمْ﴾
অর্থাৎ, “তোমাদের মধ্য থেকে যে কেউ তাদেরকে বন্ধু বানাবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে।”
তিনি বলেন, এ আয়াত কঠোরতার উপর ভিত্তি করে নাযিল হয়েছে। যেমন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: «لا تتراءى ناراهما»—“মুসলিম ও কাফেরের আগুন (অর্থাৎ তাদের বসবাস/আবাসস্থলের চুলার আগুন) যেন একে অপরের সামনে না পড়ে।” (সহবাস বা নৈকট্য বর্জনের ইঙ্গিত)
(তাফসীর বাইযাবী, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৩০)

আল্লামা আবু হাইয়ান আন্দালুসী রহিমাহুল্লাহ
তাঁর তাফসীর “আল-বাহরুল মুহীত” (খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৪০৬)-এ লিখেছেন:
﴿وَمَنْ يَّتَوَلَّهُمْ مِّنْكُمْ فَاِنَّهٗ مِنْهُمْ﴾
“এ আয়াত কঠোরতার উপর প্রযোজ্য।”
তিনি ব্যাখ্যা করেন, যদি কোনো মুসলিম কর্মে ও আচরণে কাফেরদের বন্ধু ও সহায়ক হয়, অথচ বিশ্বাসে সঠিক থাকে, তবে তার এ কর্ম নিকৃষ্টতা ও গর্হিততায় কাফেরদের সমতুল্য হবে। আর যদি সে বিশ্বাসগতভাবেই তাদের বন্ধু হয়, তবে সে প্রকৃত কুফরে তাদের মতো গণ্য হবে।
﴿وَمَنْ يَّتَوَلَّهُمْ مِّنْكُمْ فَاِنَّهٗ مِنْهُمْ﴾ …
“এ আয়াত কাফেরদের থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকার কঠোর হুকুম। … যে ব্যক্তি কাজকর্মে তাদের অনুসরণ করল, কিন্তু বিশ্বাসে নয়—তাহলে সে গুনাহ ও ধিক্কারে তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে। আর যে ব্যক্তি বিশ্বাসে তাদের বন্ধু হলো, সে প্রকৃত কুফরে তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে।”

ইমাম কুরতুবী রহিমাহুল্লাহ
ইমাম কুরতুবী রহিমাহুল্লাহ তাঁর তাফসীর (খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ২১৭)-এ বলেন:
﴿وَمَنْ يَّتَوَلَّهُمْ مِّنْكُمْ﴾
অর্থাৎ, “যদি মুসলিমদের মোকাবিলায় কেউ কাফেরদের সাহায্য করে”
﴿فَاِنَّهٗ مِنْهُمْ﴾
“তবে সে তাদের মধ্যেই গণ্য হবে।”
তিনি বলেন, এর বিধান কাফেরদের সমতুল্য। যেমন মুরতাদ মুসলিমের জন্য মুসলিম উত্তরাধিকার প্রযোজ্য হয় না। প্রথমে এ হুকুম প্রযোজ্য হয়েছিল আবদুল্লাহ ইবন উবাইয়ের ক্ষেত্রে। পরবর্তীতে এ বিধান কিয়ামত পর্যন্ত বহাল থাকবে।
অর্থাৎ, আবদুল্লাহ ইবন উবাই ইবন সালূল আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসূল ﷺ–এর বিরোধিতা করেছিল, যেমন কাফেররা করেছিল। ফলে তার সঙ্গে শত্রুতা অপরিহার্য হয়ে গেল, যেভাবে কাফেরদের সঙ্গে শত্রুতা অপরিহার্য। আর তার জন্য আগুন (জাহান্নাম) অবশ্যকৃত হলো, যেমন কাফেরদের জন্য অবশ্যকৃত। ফলে সে কাফেরদের অন্তর্ভুক্ত গণ্য হলো।
ইমাম কুরতুবী রহিমাহুল্লাহ সূরা মুমতাহিনার তাফসিরে ব্যাখ্যা করেছেন যে, যখন কেউ দুনিয়াবি কারণে মুসলিমদের বিপরীতে গিয়ে কাফেরদের সঙ্গে সহযোগিতা করে, তখন “لم یکن بذالک کافرا”—এ দ্বারা সে কাফের হয়ে যায় না, “واعتقاده على ذالک سلیم”—এ বিষয়ে তার বিশ্বাস যদি অক্ষুণ্ণ থাকে, তবে এই আমল দ্বারা সে কাফের হবে না।
তদ্রূপ, ইমাম কুরতুবী রহিমাহুল্লহ সূরা মায়েদাহর এ আয়াতের তাফসিরে উল্লেখিত বক্তব্যের ব্যাখ্যায় বলেছেন যে, যদি কেউ কাফেরদের সঙ্গে সহযোগিতা করে অথচ তার বিশ্বাসও বিপর্যস্ত থাকে, তবে এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ‘সম্পূর্ণ বন্ধুত্ব’ (موالات مطلقہ تامہ)। আর ‘موالات مطلقہ تامہ’ সেই বন্ধুত্ব যা আকীদাগত বিভ্রান্তি ও বিপর্যয়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। এজন্য তিনি উদাহরণ হিসেবে আবদুল্লাহ ইবন উবাই ইবন সালূলকে উল্লেখ করেছেন। কেননা, তার কাফের–বন্ধুত্ব ছিল বিশ্বাসের ভিত্তিতে। এ দিকটি সূরা মুমতাহিনার তাফসিরে যথেষ্ট স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে, যদিও সূরা মায়েদাহর তাফসিরে এতখানি বিস্তারিত নেই।

আল্লামা নাসাফী রহিমাহুল্লাহ
আয়াত ﴿يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوْا عَدُوِّىْ وَعَدُوَّكُمْ اَوْلِيَآءَ﴾ এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন:
“এতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, গুনাহে কাবীরা ঈমানের নাম মুছে দেয় না।”
(মাদারিকুত তানযীল, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৪৬৬)
অর্থাৎ, যদি কেউ দুনিয়াবি কারণে কাফেরদের সাহায্য করে, তবে তা গুনাহে কাবীরা হলেও তাকে কাফের বানাবে না।

আল্লামা ইসমাইল ইস্তানবুলী রহিমাহুল্লাহ
তাফসীর “রূহুল বায়ান” (খণ্ড ৯, পৃষ্ঠা ৩৮২)-এ তিনি বলেন:
হাতিব রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন এ আয়াত শুনলেন:
﴿يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوْا عَدُوِّىْ وَعَدُوَّكُمْ اَوْلِيَآءَ﴾
তখন আনন্দে বেহুশ হয়ে পড়লেন। কারণ তাঁকে ঈমানদার বলে সম্বোধন করা হয়েছিল। তিনি বুঝলেন, মুশরিকদের কাছে চিঠি পাঠানো তার ঈমান নষ্ট করেনি, যেহেতু তাঁর বিশ্বাস অটুট ছিল।
“﴿وَعَدُوَّكُمْ﴾—‘আর তোমাদের শত্রু’—এই শব্দই প্রমাণ করে যে, তাঁর কাজের পরও তাঁর অন্তর খাঁটি ছিল। কারণ কাফের কখনো মুনাফিকের শত্রু নয়, বরং প্রকৃত মুমিনের শত্রুই হয়।”

আল্লামা আইনী রহিমাহুল্লাহ
আল্লামা আইনী রহিমাহুল্লাহ তাঁর গ্রন্থ উমদাতুল কারী শারহে সহীহুল বুখারী–এর অষ্টম খণ্ডের ১৯০তম পৃষ্ঠায় হাদীস “যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্মের নামে মিথ্যা শপথ করে এবং তা ইচ্ছাকৃতভাবে করে, তবে সে যেমন বলেছে তেমনই হবে”–এর ব্যাখ্যায় বলেন: এ কথাটিকে সীমাবদ্ধ করার কারণ হলো কখনো শপথকারী ঐ ধর্মের প্রতি বিশ্বাস রাখে না। সেক্ষেত্রে সে শুধু বড় গোনাহ (কবীরা গুনাহ) করল বলে গণ্য হবে।
তিনি বলেন, এই অবস্থায় ঐ ব্যক্তি গুনাহগার এবং কবীরা গুনাহের অপরাধী হবে। কেননা, যখন সে কোনো কুফরী ধর্মের নামে শপথ করল, যদিও তার প্রতি বিশ্বাস রাখে না, তবুও এই শপথ দ্বারা সে ঐ মিথ্যা ধর্মের অনুসারীদের সদৃশ হয়ে গেল, যারা ঐ ধর্মকে মানে ও সম্মান করে। এজন্য এই শপথকে ভয় প্রদর্শন ও কঠোর সতর্কতার দিক থেকে গণ্য করা হয়েছে, এবং তাকে সাবধান করা হয়েছে যে, এই শপথের মাধ্যমে সে ঐ ধর্মাবলম্বীদের অনুরূপ হয়ে গেল।
যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেছেন: ﴿وَمَنْ يَّتَوَلَّهُمْ مِّنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ﴾ — এখানে “مِنْهُمْ” শব্দে কঠোরতা ও অতিশয়োক্তি রয়েছে। এর দ্বারা এ কথার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে যে, যে ব্যক্তি তাদের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক স্থাপন করবে, সে যেন তাদেরই একজন হয়ে যাবে।
তেমনি এই হাদীসের ব্যাখ্যাও একই নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। তবে এখানে এ শর্ত রাখা হয়েছে যে, যখন কোনো ব্যক্তির বিশ্বাস ঐ কাফেরদের মতো না হয়, তখন সে গুনাহগার হতে পারে, কিন্তু কাফের হবে না। আর যদি কোনো ব্যক্তির বিশ্বাসও তাদের মতো হয়, অর্থাৎ সে তাদের ধর্মকে মানে এবং অনুসারী হয়, তবে সে বাস্তবিক অর্থেই কাফের হবে। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যে তাদেরকে বন্ধু বানাবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।” অর্থাৎ যখন বিশ্বাস জড়িয়ে যায়, তখন সে প্রকৃতপক্ষে কাফের বলে গণ্য হবে।
সাবিত ইবনুয-যাহ্‌হাক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী ﷺ বলেছেন: “যে ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্মের নামে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা শপথ করে, সে যেমন বলেছে তেমনই হবে।” এখানে “كَاذِبًا” শব্দটি “حلف”–এর সর্বনামের হাল (অবস্থা), এবং “مُتَعَمِّدًا” শব্দটিও পরস্পর জড়িত বা সমান্তরাল অবস্থাগুলোর একটি হাল। একে এজন্য সীমাবদ্ধ করা হয়েছে যে, যদি শপথকারী এর প্রতি বিশ্বাসী না হয়, তবে সে কবীরা গুনাহগার, কেননা এ কথার মাধ্যমে সে তাদের মতো হয়ে গেল যারা ঐ ধর্মকে সম্মান করে ও বিশ্বাস করে। তাই তার ওপর ভয় প্রদর্শনের দিক থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, যেন সে তাদের একজন হয়ে গেছে—এ এক প্রকার অতিশয়োক্তি ও কঠোর সতর্কীকরণ। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেছেন: ﴿وَمَنْ يَّتَوَلَّهُمْ مِّنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ﴾ (আল-মায়িদাহ: ১৫)।

কুরতুবী রহিমাহুল্লাহ বলেছেন: নবী ﷺ–এর উক্তি “مُتَعَمِّدًا” দ্বারা সম্ভবত এটাই উদ্দেশ্য যে, কেউ যদি ঐ ভ্রান্ত ধর্মকে সম্মান করার বিশ্বাস পোষণ করে, তখন সে প্রকৃত কাফের হবে, এবং হাদীসের বাক্য তার আক্ষরিক অর্থে বহাল থাকবে। আর ইবন বত্‌তাল বলেছেন: “সে মিথ্যাবাদী, কাফের নয়।” অর্থাৎ এ ঘটনায় সে ইসলাম থেকে বের হয়ে ঐ ধর্মে প্রবেশ করবে না, যার নামে সে শপথ করেছে। কেননা, সে এমন কিছু বলেনি যা সে বিশ্বাস করে। সুতরাং আবশ্যক হলো যে, সে মিথ্যাবাদী, কিন্তু কাফের নয়।
এই বক্তব্যের সারকথা হলো: যদি কেউ কাফেরদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে বা কোনো মিথ্যা ধর্মের নামে শপথ করে, তবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের ইমামগণ, সালাফে সালিহীন এবং মহামান্য মুজতাহিদগণের মতে, সে তখনই কাফের বলে গণ্য হবে যখন এ কর্মে বিশ্বাসগত বিভ্রান্তি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। অর্থাৎ বিশ্বাসের দুর্নীতি যদি এতে শামিল হয়, তবে সে কাফের হয়ে যাবে। কিন্তু যদি বিশ্বাসের বিভ্রান্তি এর অংশ না হয় এবং কেবল দুনিয়াবি বা ব্যক্তিগত কারণে হয়, তবে সেটি কুফর হবে না।
এর উদাহরণসমূহ হলো:
হাতিব ইবনু আবি বালতা‘ রাদিয়াল্লাহু আনহুর মক্কার কুরায়শদের কাছে চিঠি পাঠানো।
আবু লুবাবাহ ইবনুল মুনযির রাদিয়াল্লাহু আনহুর ইয়াহুদিদের ইঙ্গিত করে বলা যে, তোমাদের হত্যা করা হবে।
ফুরাত ইবনু হাইয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহুর গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে বন্দি হওয়া, পরে নবী ﷺ–এর কাছে নিজের ইসলাম ঘোষণা করার পর মুক্তি পাওয়া, যদিও রাসূল ﷺ তাঁর হত্যার সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন (এর বিস্তারিত পরে আসবে)।
তদ্রূপ, ওয়াকিয়াতুল ইফ্‌কের ঘটনায় সাʿদ ইবনু উবাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ইবন সালূলকে সাহায্য করা, যখন সাʿদ ইবনু মুʿআয রাদিয়াল্লাহু আনহু (যার সম্পর্কে নবী ﷺ বলেছেন—“তার মৃত্যুর ফলে আরশে রহমান কেঁপে উঠেছিল”) তাঁকে হত্যা করার কথা বলেছিলেন। তখন সাʿদ ইবনু উবাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছিলেন: “তুমি মিথ্যা বলছ! আল্লাহর কসম, তুমি তাকে হত্যা করতে পারবে না, এবং তোমার সে সামর্থ্যও নেই।”
উম্মুল মুমিনীন আয়িশা সিদ্দীকা রাদিয়াল্লাহু আনহা সাʿদ ইবনু উবাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু সম্পর্কে বলেছিলেন:
“সে আগে ভালো মানুষ ছিল, কিন্তু গোত্রীয় আসাবিয়াত তাকে বিপথগামী করেছিল।”
এই সমস্ত উদাহরণ প্রমাণ করে যে, যখন কারও উদ্দেশ্য দুনিয়াবি হয়, অথবা গোত্রীয় আসাবিয়াত বা ব্যক্তিগত কারণে কোনো কাফেরকে সাহায্য করে, তখন এ কাজকে কুফর গণ্য করা হবে না—যতক্ষণ না ভ্রান্ত ধর্মবিশ্বাস তার সঙ্গে যুক্ত হয়।

Tags: #আফগানিস্তান#আলমিরসাদবাংলা#দাঈশখাওয়ারিজ
ShareTweet

related-post

সোমালিয়ার পন্টল্যান্ড অঞ্চলে দাঈশ ক্রমাগত তাদের ঘাঁটি থেকে পালিয়ে যাচ্ছে
দাঈশ খাওয়ারিজ

সোমালিয়ার পন্টল্যান্ড অঞ্চলে দাঈশ ক্রমাগত তাদের ঘাঁটি থেকে পালিয়ে যাচ্ছে

এপ্রিল 22, 2025
দাঈশিরা নিজেদের বন্দিনী স্ত্রীদের ব্যবসার হাতিয়ার বানাচ্ছে!
দাঈশ খাওয়ারিজ

দাঈশিরা নিজেদের বন্দিনী স্ত্রীদের ব্যবসার হাতিয়ার বানাচ্ছে!

সেপ্টেম্বর 11, 2025
সামরিক শাসনের পাশাপাশি দাঈশি খাওয়ারিজদের আস্তানাগুলোও লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে!
দাঈশ

সামরিক শাসনের পাশাপাশি দাঈশি খাওয়ারিজদের আস্তানাগুলোও লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে!

মার্চ 3, 2026
অস্ট্রিয়ায় এক আইএস বন্দী আত্মহত্যা করেছে
আধুনিক খাও য়া রিজ

অস্ট্রিয়ায় এক আইএস বন্দী আত্মহত্যা করেছে

জুলাই 13, 2024
খলিফা হারুন আর রশীদ রহ.–এর বিরুদ্ধে খাওয়ারিজদের বিদ্রোহ
ইতিহাস

খলিফা হারুন আর রশীদ রহ.–এর বিরুদ্ধে খাওয়ারিজদের বিদ্রোহ

ডিসেম্বর 3, 2024
শান্তির মুখোশে যুদ্ধের বাণিজ্য: ট্রাম্প ও আমেরিকার দ্বিচারিতা
রাজনীতি

শান্তির মুখোশে যুদ্ধের বাণিজ্য: ট্রাম্প ও আমেরিকার দ্বিচারিতা

আগস্ট 24, 2025
১৫ আগস্ট: ইসলামি শাসনের প্রতি বাইয়াতের শপথ
ব্লগ

১৫ আগস্ট: ইসলামি শাসনের প্রতি বাইয়াতের শপথ

আগস্ট 15, 2025
দাঈশ: সভ্যতার বুকে এক অমানবিক ছাপ
দাঈশ

দাঈশ: সভ্যতার বুকে এক অমানবিক ছাপ

জুলাই 16, 2025
ব্রেকিং নিউজ!
নিউজ

ব্রেকিং নিউজ!

অক্টোবর 11, 2025

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    মে 12, 2024
    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আগস্ট 23, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    সামরিক স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে বন্দি পাকিস্তানের সাহসী জনগণ!

    সামরিক স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে বন্দি পাকিস্তানের সাহসী জনগণ!

    এপ্রিল 18, 2026
    বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা যুদ্ধের ধরন বদলে ফেলছে!

    বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা যুদ্ধের ধরন বদলে ফেলছে!

    এপ্রিল 18, 2026
    জাতিসংঘ কর্তৃক মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বে বপন করা দ্বন্দ্ব!

    জাতিসংঘ কর্তৃক মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বে বপন করা দ্বন্দ্ব!

    এপ্রিল 16, 2026
    অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক পরিবর্তনসমূহ!

    অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক পরিবর্তনসমূহ!

    এপ্রিল 16, 2026

    news

    সামরিক স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে বন্দি পাকিস্তানের সাহসী জনগণ!

    সামরিক স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে বন্দি পাকিস্তানের সাহসী জনগণ!

    এপ্রিল 18, 2026
    বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা যুদ্ধের ধরন বদলে ফেলছে!

    বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা যুদ্ধের ধরন বদলে ফেলছে!

    এপ্রিল 18, 2026
    জাতিসংঘ কর্তৃক মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বে বপন করা দ্বন্দ্ব!

    জাতিসংঘ কর্তৃক মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বে বপন করা দ্বন্দ্ব!

    এপ্রিল 16, 2026
    অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক পরিবর্তনসমূহ!

    অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক পরিবর্তনসমূহ!

    এপ্রিল 16, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Go to mobile version