বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 15, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home আধুনিক খাও য়া রিজ

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | বিংশ পর্ব

✍🏻 মৌলভী আহমাদ আলী

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | বিংশ পর্ব
0
SHARES
1
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

চরমপন্থী, তাকফিরি এবং খারেজি আদর্শ ও চিন্তাধারার ক্ষয়ক্ষতি
যখন (মুসলিম সমাজে) তাকফিরি ও খারেজি দল এবং চিন্তাধারার জন্ম হয় বা মুসলিম সমাজে অনুপ্রবেশ ঘটে, তখন তার ফলে নিম্নলিখিত বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি দেখা দেয়, যেমন:
১. মুসলিম সমাজে ভালোবাসার অবসান ঘটে; ক্ষোভ, ঘৃণা ও হিংসার জন্ম হয় এবং সমাজ মতভেদের শিকার হয়। যেমনটি সমকালীন জিহাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে—যখন তানজিম কায়েদাতুল জিহাদ (আল-কায়েদা) এবং আরও কিছু জিহাদি আন্দোলনের ভেতর তাকফিরি উপাদান ঢুকে পড়েছিল, তখন এই জিহাদি আন্দোলনগুলোর মধ্যে মারাত্মক মতভেদ সৃষ্টি হয়। তারা একে অপরকে হত্যা করে, মুসলিম সমাজে তাদের সুনাম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্বল হয় এবং তারা দুর্বল হতে শুরু করে। এমনকি কিছু জিহাদি আন্দোলন প্রায় শেষ বা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়; যেমন ককেশাস অঞ্চলের জিহাদি আন্দোলন, মধ্য এশিয়ার জিহাদি সংগঠনগুলো এবং কিছু আফ্রিকান ইসলামি দেশের জিহাদি আন্দোলনসমূহ।

২. দলবাজি এবং ধর্মীয় ও মাযহাবী গোঁড়ামির সৃষ্টি হওয়া।

৩. বিশৃঙ্খলা ও অবিন্যাস তৈরি হওয়া।

৪. মুসলিমদের দুর্বল হয়ে পড়া।

৫. কাফের ও তাদের মিত্ররা এমন পরিস্থিতির রাজনৈতিক ও সামরিক ফায়দা তোলে।
একদিকে তারা মুজাহিদদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের সুযোগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবস্থানগুলোর দিকে অগ্রসর হয়; অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে মুজাহিদদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মগজ ধোলাইয়ের কাজ করে। এটি তাদের জন্য একটি চমৎকার সুযোগ, যা তারা হাতছাড়া করে না। খুব অল্প সময়ের মধ্যে যুদ্ধের মানচিত্র ও পরিস্থিতি বদলে যায়। শত্রু দলবদ্ধ ও শক্তিশালী হতে থাকে, আর জিহাদি আন্দোলন তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, একে অপরকে হত্যা এবং তাকফির (কাফের আখ্যা দেওয়া) করার কারণে দুর্বলতা, পরাজয় ও হতাশার দিকে ধাবিত হয়। ইরাক, সিরিয়া ও লিবিয়ার জিহাদি আন্দোলনগুলো এর জীবন্ত উদাহরণ।

৬. নিজেদের শরয়ি ও জিহাদি আমিরদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা।

৭. নিষ্পাপ মানুষের রক্ত ও সম্পদকে হালাল (বৈধ) মনে করা।

৮. সালাফে সালেহীন (পুণ্যবান পূর্বসূরি) এবং বুজুর্গদের বিরুদ্ধে ধৃষ্টতা দেখানো, বরং তাঁদের অবমাননা করা। যেমনটি খারেজিদের অন্যতম নেতা আমর ইবনে উবাইদ বলতেন:
’’لو شهد عندي عليّ وطلحة والزُّبير وعثمان على شِراك نعلي ما أجزتُ شهادتهم ما أجزت شهادتهم‘‘.
(আল-কাওকাবুল ওয়াহহাজ ওয়ার-রাওদুল বাহহাজ ফী শারহি সহীহি মুসলিম)
অনুবাদ: “যদি আলী, উসমান, তালহা এবং যুবায়ের (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) আমার জুতার ফিতার ব্যাপারেও সাক্ষ্য দেন, তবুও আমি তাঁদের সাক্ষ্য গ্রহণ করব না।”

অথবা যেমন সমসাময়িক তাকফিরি ও খারেজিরা, যারা বিশ্বের অধিকাংশ আলেমকে ‘মুর্জিয়া’ মনে করে। অথচ এই আলেমদের প্রশংসনীয় দ্বীনি অবদান রয়েছে এবং এই আলেমরা (সমসাময়িক তাকফিরিদের) তুলনায় আহলে সুন্নাত, মুর্জিয়া, খারেজি ও অন্যান্য দলের আকীদা ও মানহাজ (পদ্ধতি) সম্পর্কে অনেক গভীর জ্ঞান রাখেন। কিন্তু এই তাকফিরিদের দৃষ্টিতে এই ‘জিবালুল ইলম’ (জ্ঞানের পাহাড়) এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের নেতারা হলেন আপসকারী ও বাতিলপন্থী, এমনকি অনেকে তাঁদের মুরতাদ (ইসলামত্যাগী) হিসেবেও দেখে।

তাঁরা এই আলেমদের এই কারণে অভিযুক্ত করে যে, তাঁরা সশস্ত্র বিদ্রোহে অংশ নেন না, অথবা তাঁরা এই আলেমদের ভূমিকায় সন্তুষ্ট নন, কিংবা এই আলেমরা দীর্ঘদিন ধরে দ্বীনি ও গঠনমূলক কাজে নিয়োজিত আছেন এবং নিশ্চিতভাবেই মুসলমানদের উপকার করছেন ও মুসলমানদের তাঁদের প্রয়োজনও রয়েছে। অথবা তাঁরা (আলেমরা) সশস্ত্র বিদ্রোহের সফলতার ব্যাপারে নিশ্চিত নন, তাই তাঁরা নিজেদের সাধারণ ও শান্তিপূর্ণ খিদমত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর অস্তিত্ব ও ধারাবাহিকতা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সশস্ত্র বিদ্রোহ থেকে নিজেদের সম্পর্কহীনতা ঘোষণা করেন।

৯. আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটা
যেসব সমাজে তাকফিরি ও খারেজি উপাদান অনুপ্রবেশ করে, তারা শান্তিতে থাকতে পারে না। তাকফিরি ও খারেজি উপাদানগুলো গত এক দশকে বিপুল সংখ্যায় এমন সব ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড ও অপারেশন চালিয়েছে, যা শরয়ি ও রাজনৈতিক উভয় দিক থেকেই চরম ভুল ছিল এবং যার ফলে ইসলামি জিহাদি আন্দোলনের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

তাকফিরি ও খারেজি চিন্তাধারার বিকাশের মূলে রয়েছে—মুসলিমদের বিরুদ্ধে (কাফেরদের) বন্ধুত্ব, সমর্থন ও সহযোগিতা করার ইস্যুতে সালাফ ও আহলে সুন্নাতের অবস্থান ত্যাগ করা এবং চরমপন্থী ওয়াহাবি আন্দোলনের কিছু নেতার ফতোয়ার পেছনে অন্ধভাবে ছোটা। আজ প্রয়োজন হলো জিহাদি সাহিত্যে সালাফ ও আহলে সুন্নাতের অবস্থানের ওপর বেশি মনোযোগ দেওয়া; অন্যথায় অ-সুন্নি ও বিচ্যুত (শাজ) অবস্থানগুলো জিহাদি আন্দোলনকে মুসলিম সমাজে ক্ষতির দিকে নিয়ে যাবে এবং এই চরমপন্থী, অ-সুন্নি ও সালাফে সালেহীনের বিরোধী অবস্থানগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তাকফিরি ও খারেজিদের জন্ম দেবে।

এই যে খারেজি ও চরমপন্থী উপাদানগুলো রয়েছে, তারা তাদের চরমপন্থী ও গাইরে সুন্নি চিন্তাধারার আলোকে জিহাদি আন্দোলনগুলোর জন্য সামরিক, রাজনৈতিক, দাওয়াতি ও প্রচারণামূলক নীতিমালা তৈরি করে। যার ফলে এমন সব ফতোয়া, দাওয়াতি বক্তব্য এবং সামরিক পদক্ষেপের জন্ম হয়, যা খুব অল্প সময়ের মধ্যে একটি ভালো জিহাদি আন্দোলনকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনে।

উদাহরণস্বরূপ—জুমা, ঈদ ও জানাজার জামাতে ঘটা বোমা বিস্ফোরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা সহ সবকিছুর পেছনে এই ধারণা কাজ করত যে, এই সব গাইরে শরয়ি কর্মকাণ্ড এবং জিহাদের ক্ষতিকর সামরিক পদক্ষেপগুলো জান্নাত ও সওয়াব অর্জনের মাধ্যম। যার কারণে বৈশ্বিক জিহাদি আন্দোলনের জোয়ার ভয়াবহ সংকট ও ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়েছে।

ইমাম আবু বকর ইবনুল আরাবি (রহমানিল্লাহ)
মালিকি মাযহাবের প্রখ্যাত ইমাম, ফকিহ, মহান মুহাদ্দিস ও মুফাসসির ইমাম আবু বকর ইবনুল আরাবি (রহ.) তাঁর তাফসির “আহকামুল কুরআন”-এর চতুর্থ খণ্ডের ২২৫ পৃষ্ঠায় বলেন:
مَنْ كَثُرَ تَطَلُّعُهُ عَلَى عَوْرَاتِ الْمُسْلِمِينَ وَيُنَبِّهُ عَلَيْهِمْ وَيُعَرِّفُ عَدُوَّهُمْ بِأَخْبَارِهِمْ لَمْ يَكُنْ بِذَلِكَ كَافِرًا…
ইমাম ইবনুল আরাবি (রহ.)-এর বক্তব্যের সারসংক্ষেপ হলো—যদি কোনো ব্যক্তি মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাফেরদের জন্য ব্যাপকভাবে গোয়েন্দাগিরি করে, কিন্তু সে তা পার্থিব কোনো স্বার্থে করে এবং তার আকীদা ঠিক থাকে, তবে সে এই কাজের কারণে কাফের বা মুরতাদ হয়ে যাবে না। যেমনটি হাতেব ইবনে আবি বালতাআ (রা.) করেছিলেন; তাঁর উদ্দেশ্য (নাউযুবিল্লাহ) দীন থেকে মুরতাদ হওয়া ছিল না, বরং তিনি নিজের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক স্বার্থে কাফেরদের প্রতি একটা অনুগ্রহ করতে চেয়েছিলেন।

শায়খ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আযিয বিন হামাদ আল-জিবরীন তাঁর “তাসহীলুল আকীদাতুল ইসলামিয়্যাহ” বইয়ের টীকা (হাশিয়া), প্রথম খণ্ড,৫৭১ পৃষ্ঠায় লিখেছেন:
“এই বিষয়ে উম্মতের ইজমা (ঐক্যমত) রয়েছে যে, হাতেব ইবনে আবি বালতাআ (রা.) যা করেছিলেন তা ইরতিদাদ (ইসলামত্যাগ) ছিল না। যদিও পরিস্থিতি এমন ছিল যে, যদি সেই চিঠি কুরাইশদের কাছে পৌঁছে যেত, তবে তারা নিশ্চিতভাবেই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে যেত। আর এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইচ্ছার পরিপন্থী ছিল, কারণ তিনি চেয়েছিলেন এই খবরটি গোপন থাকুক। সুতরাং হাতেব (রা.) যা করেছিলেন, তা ইসলাম ও কুফরের মধ্যকার একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে কাফেরদের এক বড় ধরণের সাহায্য ও সহযোগিতা ছিল; কিন্তু তা কুফর বা ইরতিদাদ ছিল না। কারণ এই সহযোগিতার কারণ আকীদার কোনো বিকৃতি ছিল না, বরং তা ছিল কেবলই একটি পারিবারিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থ ও ফায়দা হাসিলের জন্য।”

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#দাঈশখাওয়ারিজ
ShareTweet

related-post

আইএসআইএস জঙ্গিরা কোত্থেকে আসে?
দাঈশ

আইএসআইএস জঙ্গিরা কোত্থেকে আসে?

অক্টোবর 31, 2024
আইএস একটি মহামারির নাম | সপ্তবিংশ পর্ব
দাঈশ

আইএস একটি মহামারির নাম | সপ্তবিংশ পর্ব

সেপ্টেম্বর 7, 2025
ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | প্রথম পর্ব
ব্লগ

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | প্রথম পর্ব

জুলাই 21, 2025
ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | দ্বিতীয় পর্ব
ধর্মীয় নিবন্ধ

ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | দ্বিতীয় পর্ব

সেপ্টেম্বর 13, 2025
আইএস একটি মহামারির নাম | অষ্টাদশ পর্ব
দাঈশ

আইএস একটি মহামারির নাম | অষ্টাদশ পর্ব

জুন 23, 2025
দশকব্যাপী যুদ্ধের পর সম্পর্কের নতুন অধ্যায়!
রাজনীতি

দশকব্যাপী যুদ্ধের পর সম্পর্কের নতুন অধ্যায়!

জুন 9, 2026
​বিশ্বের সন্ত্রাসবাদ ও দুর্নীতির ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত দুটি জবরদস্তিমূলক রাষ্ট্র!
রাজনীতি

​বিশ্বের সন্ত্রাসবাদ ও দুর্নীতির ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত দুটি জবরদস্তিমূলক রাষ্ট্র!

মে 16, 2026
পাকিস্তানি জেনারেলদের ঐতিহাসিক ঔদ্ধত্য ও নির্মম অত্যাচার!
ইতিহাস

পাকিস্তানি জেনারেলদের ঐতিহাসিক ঔদ্ধত্য ও নির্মম অত্যাচার!

নভেম্বর 8, 2025
ইসলামী ইমারাতের উত্তরাঞ্চলে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সফল অভিযান
দাঈশ খাওয়ারিজ

ইসলামী ইমারাতের উত্তরাঞ্চলে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সফল অভিযান

ফেব্রুয়ারি 5, 2025

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    সেপ্টেম্বর 2, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! | পর্ব ৪

    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! | পর্ব ৪

    অক্টোবর 15, 2026
    খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন ও জরুরি অবস্থা জারির নেপথ্যে কী?

    খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন ও জরুরি অবস্থা জারির নেপথ্যে কী?

    অক্টোবর 14, 2026
    পাকিস্তান ইসলামী ইমারাতকে ‘তালেবান রেজিম’ বলতে পারলে, নিজেদের ‘সামরিক রেজিম’ নামে শুনতে এত আপত্তি কেন?

    পাকিস্তান ইসলামী ইমারাতকে ‘তালেবান রেজিম’ বলতে পারলে, নিজেদের ‘সামরিক রেজিম’ নামে শুনতে এত আপত্তি কেন?

    অক্টোবর 13, 2026
    খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা কেন?

    খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা কেন?

    অক্টোবর 13, 2026

    news

    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! | পর্ব ৪

    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! | পর্ব ৪

    অক্টোবর 15, 2026
    খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন ও জরুরি অবস্থা জারির নেপথ্যে কী?

    খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন ও জরুরি অবস্থা জারির নেপথ্যে কী?

    অক্টোবর 14, 2026
    পাকিস্তান ইসলামী ইমারাতকে ‘তালেবান রেজিম’ বলতে পারলে, নিজেদের ‘সামরিক রেজিম’ নামে শুনতে এত আপত্তি কেন?

    পাকিস্তান ইসলামী ইমারাতকে ‘তালেবান রেজিম’ বলতে পারলে, নিজেদের ‘সামরিক রেজিম’ নামে শুনতে এত আপত্তি কেন?

    অক্টোবর 13, 2026
    খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা কেন?

    খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা কেন?

    অক্টোবর 13, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .