সোমবার, এপ্রিল 13, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home ব্লগ

ইসলামের দৃষ্টিতে নিরপরাধ মানুষ হত্যা

✍🏻 ​মৌলভি আবদুল জব্বার

ইসলামের দৃষ্টিতে নিরপরাধ মানুষ হত্যা
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

ইসলামের আগমনের পূর্বে আরবরা জাহেলিয়াত বা অন্ধকারের যুগে বাস করত, যেখানে তারা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন ছিল। মানুষের মর্যাদার কোনো মূল্য ছিল না; কিন্তু মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমনের সাথে সাথে এটি স্পষ্ট হয়ে যায় যে, ইসলাম হলো দয়া, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মর্যাদার ধর্ম। ইসলামে মানুষের জীবনকে সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হয়েছে, এমনকি একজন ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করাকে সমগ্র মানবজাতিকে হত্যার শামিল বলে গণ্য করা হয়েছে। তাই নিরপরাধ ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করা কেবল একটি গুরুতর নৈতিক অপরাধই নয়, বরং ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী এটি অন্যতম মহাপাপ হিসেবে বিবেচিত।

এই প্রেক্ষাপটে, মানবজীবনের মূল্য অনুধাবন করতে এবং পবিত্র কুরআন যে স্পষ্টভাবে অন্যায়ভাবে নরহত্যা নিষিদ্ধ করেছে তা বোঝার জন্য আমরা কুরআনের বেশ কিছু আয়াত উপস্থাপন করছি।
১. মহান আল্লাহ তাআলা বলেন:
{مَن قَتَلَ نَفْسًا بِغَيْرِ نَفْسٍ أَوْ فَسَادٍ فِي الْأَرْضِ فَكَأَنَّمَا قَتَلَ النَّاسَ جَمِيعًا وَمَنْ أَحْيَاهَا فَكَأَنَّمَا أَحْيَا النَّاسَ جَمِيعًا}
অনুবাদ: “যে ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তিকে হত্যা করা বা জমিনে ফাসাদ (বিপর্যয়) সৃষ্টি করার অপরাধ ব্যতিরেকে কাউকে হত্যা করল, সে যেন সমস্ত মানুষকে হত্যা করল। আর যে ব্যক্তি একজনের প্রাণ রক্ষা করল, সে যেন সমস্ত মানুষের প্রাণ রক্ষা করল।” (সূরা আল-মায়িদাহ: ৩২)

এই আয়াতটি স্পষ্ট করে যে, একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে হত্যা করা এতই গুরুতর অপরাধ যে একে সমগ্র মানবজাতিকে হত্যার সমান মনে করা হয়। অন্যায় হত্যাকাণ্ড অসংখ্য পার্থিব ও আধ্যাত্মিক ক্ষতি এবং ধ্বংসাত্মক পরিণতি বয়ে আনে। এমনকি হত্যাকারী নিজেও এই কাজ করার পর প্রায়ই গভীর অনুশোচনা ও অনুতাপে ভোগে। নিরপরাধের রক্তপাত অন্যদেরও একই ধরনের অপরাধ করতে উৎসাহিত করতে পারে। এভাবে, যে কেউ অন্যকে হত্যা করে সে প্রকৃতপক্ষে ফাসাদ বা বিশৃঙ্খলা ছড়ায় এবং মানবজাতির বিনাশ ও ব্যাপক বিশৃঙ্খলার পথ উন্মুক্ত করে দেয়।

২. যারা অন্যায়ভাবে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে, তাদের কঠোর শাস্তি সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন:
{وَمَن يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُّتَعَمِّدًا فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ خَالِدًا فِيهَا وَغَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَلَعَنَهُ وَأَعَدَّ لَهُ عَذَابًا عَظِيمًا}
অনুবাদ: “আর কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মুমিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি হবে জাহান্নাম, সেখানে সে চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তার প্রতি রাগান্বিত হয়েছেন, তাকে লানত (অভিশাপ) দিয়েছেন এবং তার জন্য মহাশাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন।” (সূরা আন-নিসা: ৯৩)

এই আয়াতটি ইচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ডের জন্য পরকালে যে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে তার বর্ণনা দেয়, যা এই কাজের ভয়াবহতাকে তুলে ধরে। যদি কোনো মুসলিম অন্য কোনো মুসলিমকে এই জেনে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে যে সে একজন বিশ্বাসী—ঠিক যেভাবে আগ্রাসী ও হত্যাকারী পাকিস্তানি সামরিক জান্তা আমাদের নিরপরাধ দেশবাসীকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করছে, তবে এই ধরনের লোকেরা পরকালে জাহান্নাম, আল্লাহর অভিশাপ এবং কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হবে এবং কাফফারা বা প্রায়শ্চিত্তের মাধ্যমেও তারা মুক্তি পাবে না।

শিক্ষা: যারা মুসলিমদের হত্যা করার বৈধতা দিয়ে ধর্মীয় ফাতওয়া জারি করে, অথবা যারা এই ধরনের অন্যায় হত্যাকাণ্ডকে জিহাদ বা সওয়াবের কাজ হিসেবে আখ্যায়িত করে, তারা এই আগ্রাসী সামরিক বাহিনীর সমান অপরাধী এবং শাস্তির অংশীদার।

৩. আল্লাহ তাআলা অন্যায় হত্যা, যুলুম ও আগ্রাসন নিষিদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন:
> {أَلَا لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الظَّالِمِينَ}
অনুবাদ: “জেনে রেখো, যালেমদের (অত্যাচারীদের) ওপর আল্লাহর লানত।” (সূরা হুদ: ১৮)

এই আয়াতটি পরিষ্কার করে যে, নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা একটি স্পষ্ট যুলুম এবং ইসলাম সব ধরনের অন্যায়ের তীব্র নিন্দা করে যালেমকে অভিশপ্ত হিসেবে অভিহিত করেছে।

হাদিসেও নিরপরাধ মানুষের জীবনের পবিত্রতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে একজন নিপীড়িত মুসলিমের জীবনের বিষয়ে। হাদিসে এ জাতীয় কাজ স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করে মুসলিম উম্মাহকে সতর্ক করা হয়েছে।

১. সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে, যেখানে তিনি বলেছেন:
“যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয় যে আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল, সেই মুসলিম ব্যক্তির রক্ত (হত্যা) তিনটি কারণ ছাড়া হালাল নয়: প্রাণের বদলে প্রাণ (কিসাস), বিবাহিত ব্যভিচারী এবং যে ব্যক্তি দীন ত্যাগ করে জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় (মুরতাদ)।”

এই হাদিসের বর্ণনাকারী হলেন আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.)। এটি সহীহ বুখারীতে ৬৮৭৮ নম্বর এবং সহীহ মুসলিমে ১৬৭৬ নম্বর হাদিস হিসেবে সংকলিত এবং মুহাদ্দিসগণ একে সহীহ বা বিশুদ্ধ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছেন।

২. একইভাবে, যুদ্ধের নিয়মের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিয়েছিলেন যে যুদ্ধের সময় নারী, শিশু এবং বৃদ্ধদের হত্যা করা যাবে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো ছোট সেনাদল (সারিয়াহ) পাঠাতেন, তখন বলতেন: ‘আল্লাহর নামে এবং আল্লাহর পথে যুদ্ধ করো। যারা আল্লাহকে অস্বীকার করে তাদের সাথে যুদ্ধ করো। খিয়ানত (গনীমতের মাল আত্মসাৎ) করো না, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করো না, মৃতদেহের বিকৃতি করো না এবং কোনো শিশু, নারী বা বৃদ্ধকে হত্যা করো না।’”

এই হাদিসটির বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)। এটি ইমাম তাবারানি তার ‘আল মুজামুল আওসাত’ (৪/২৬৮) গ্রন্থে এবং ইমাম আহমাদ তার মুসনাদে (নম্বর ২৭২৮) বর্ণনা করেছেন।

এই হাদিসটি প্রমাণ করে যে যুদ্ধের সময়ও সাধারণ ও নিরপরাধ মানুষকে সুরক্ষা প্রদান করতে হবে।

৩. হাদিসে আরও বর্ণিত হয়েছে যে, কিয়ামতের দিন মানুষের মধ্যে সর্বপ্রথম যে বিষয়টির ফয়সালা করা হবে, তা হলো রক্তপাত বা হত্যাকাণ্ড।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
(أولُ ما يحاسبُ عليهِ العبدُ الصلاةَ ، وإنَّ أولَ ما يُقضَى بين الناسِ في الدماءِ)
অনুবাদ: “বান্দার কাছ থেকে (আল্লাহর হকের মধ্যে) সর্বপ্রথম সালাতের হিসাব নেওয়া হবে। আর মানুষের মধ্যে (পরস্পরের হকের বিষয়ে) সর্বপ্রথম রক্তপাতের ফয়সালা করা হবে।”

এই হাদিসটির বর্ণনাকারী হলেন আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.)। এটি সহীহ বুখারীতে ৬৮৬৪ নম্বর এবং সহীহ মুসলিমে ১৬৭৮ নম্বর হাদিস হিসেবে বর্ণিত হয়েছে এবং হাদিস বিশারদগণ একে ‘সহীহ’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছেন। ইমাম নাসাঈও এটি ৩৯৯১ নম্বরে বর্ণনা করেছেন।

এই হাদিসটিও নিরপরাধ মানুষ হত্যার অপরাধের ভয়াবহতাকে ফুটিয়ে তোলে।

নিরপরাধ মানুষের জীবনের পবিত্রতা সলফে সালেহীনদের (পূর্বসূরি পুণ্যবান মনিষীগণ) দ্বারাও স্পষ্টভাবে এবং ধারাবাহিকভাবে স্বীকৃত হয়েছে।
১. আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.)-এর উক্তি, তিনি বলেন:
“নিশ্চয়ই এমন কিছু ধ্বংসাত্মক কাজ রয়েছে যার মধ্যে কেউ নিজেকে জড়িয়ে ফেললে সেখান থেকে বের হওয়ার কোনো পথ থাকে না; তার মধ্যে একটি হলো—বৈধ কারণ ছাড়া হারাম রক্তপাত করা (কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা)।” (বর্ণনায়: বুখারী ও হাকেম)

এটি প্রমাণ করে যে, একজন নিরপরাধ মানুষের রক্ত ঝরানো এত বড় অপরাধ যে, এতে লিপ্ত ব্যক্তি দুনিয়া ও আখিরাতের ভয়াবহ পরিণতির কারণে সহজে মুক্তি পেতে পারে না।

২. মুয়াবিয়া (রা.)-এর উক্তি:
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:
“আল্লাহ তাআলা সব গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন, তবে ওই ব্যক্তির গুনাহ নয় যে শিরক অবস্থায় মারা যায় অথবা যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মুমিনকে হত্যা করে।” (বর্ণনায়: আবু দাউদ ও আহমদ)

৩. মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, তিনি বলেছেন:
“যে ব্যক্তি অর্ধেক শব্দ দিয়েও কোনো মুসলিমকে হত্যা করতে সাহায্য করবে, সে আল্লাহর সামনে এমন অবস্থায় উপস্থিত হবে যে তার দুই চোখের মাঝখানে লেখা থাকবে, ‚আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত’।” (বর্ণনায়: আহমাদ ও ইবনে মাজাহ)

৪. সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ (র.)-এর ব্যাখ্যা:
অর্ধেক শব্দ (শাতরা কালিমাহ) বলতে তিনি বুঝিয়েছেন—যদি কেউ ‘ইকতুল’ (হত্যা করো) শব্দটি পুরো না বলে শুধু ‘ইক’ (অর্ধেক) বলে ইঙ্গিত দেয়। তিনি বলেন:
“এটি কতই না বড় গুনাহ এবং এর বোঝা কতই না ভারী! এই অপরাধ কতই না জঘন্য যে এর লিপ্ত ব্যক্তি আগুনের (জাহান্নামের) ওপর ধৈর্য ধরছে! (অথচ আল্লাহ বলেন:) ‘যেদিন যালেমদের ওজর-আপত্তি কোনো কাজে আসবে না, তাদের জন্য থাকবে লানত এবং তাদের জন্য থাকবে নিকৃষ্ট আবাস’।” (সূরা গাফির: ৫২)

শিক্ষা: ইমাম সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ-এর এই বক্তব্যের আওতায় সেই সমস্ত অজ্ঞ ফকিহ বা মুফতিরাও পড়েন, যারা নিরপরাধ মুসলিমদের হত্যা করার অনুমতি দিয়ে ফতোয়া জারি করে অথবা একে জিহাদ ও সওয়াবের কাজ মনে করে। তাদের বোঝা উচিত যে, তাদেরও এই ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।

৫. বারা ইবনে আযিব (রা.) বর্ণনা করেন যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“আল্লাহর কাছে একজন মুমিনকে অন্যায়ভাবে হত্যার চেয়ে পুরো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়াও অনেক সহজ (ছোট বিষয়)।” (ইবনে মাজাহ- হাসান সনদে)।

ইমাম বায়হাকী ও আসবাহানী এটি আরও বর্ধিতভাবে বর্ণনা করেছেন যেখানে বলা হয়েছে:
“যদি আসমান ও জমিনের সমস্ত অধিবাসী মিলে একজন মুমিনের রক্তপাতের (হত্যাকাণ্ডের) শরিক হয়, তবে আল্লাহ তাদের সবাইকে অবশ্যই জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন।”

৬. ইমাম নববী (র.) নিরপরাধ মানুষ হত্যার হারামের বিষয়ে উম্মতের ঐকমত্য (ইজমা) বর্ণনা করে বলেছেন:
“মাসুম বা নিরপরাধ জীবন হত্যা করা হারাম হওয়ার বিষয়টি মুসলিমদের ঐকমত্য দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এবং এটি অন্যতম বড় কবীরা গুনাহ।” (শারহ সহীহ মুসলিম)

উপরের সমস্ত উদ্ধৃতি স্পষ্ট করে দেয় যে, ইসলামে একজন নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা জঘন্যতম পাপগুলোর একটি। এমনকি এই ধরনের কাজে সামান্যতম সাহায্য বা ইঙ্গিত করাও কঠোর শাস্তির কারণ।

অতএব, আগ্রাসী পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী এবং তাদের সমর্থনকারী আলেমদের উচিত এই পাঠগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং বোঝা যে প্রতিটি মানুষের জীবন পবিত্র ও মূল্যবান। অন্যায় হত্যাকাণ্ডে সমর্থন বা সহায়তা করার অধিকার কারো নেই। একইভাবে, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের উচিত সেই সমস্ত নামধারী ফকিহদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা, যারা ধর্মের আড়ালে এমন ফাতওয়া দিচ্ছে যা নিরপরাধ মানুষের রক্ত ঝরাতে সাহায্য করছে; কারণ আল্লাহর কাছে এই প্রতিটি কাজের জন্য চরম জবাবদিহি করতে হবে।

Tags: #রাজনীতিনিবন্ধ
ShareTweet

related-post

ইসলামী শাসনব্যবস্থায় কাফিরদের সঙ্গে লেনদেনের নীতিমালা | প্রথম পর্ব
রাজনীতি

ইসলামী শাসনব্যবস্থায় কাফিরদের সঙ্গে লেনদেনের নীতিমালা | প্রথম পর্ব

মে 29, 2025
শক্তি ও বাস্তবতার মধ্যবর্তী সীমারেখা!
ব্লগ

শক্তি ও বাস্তবতার মধ্যবর্তী সীমারেখা!

মার্চ 11, 2026
​পাকিস্তানি সামরিক শাসন মুসলিমদের অনৈক্যের মাঝে নিজের টিকে থাকার পথ খোঁজে!
রাজনীতি

​পাকিস্তানি সামরিক শাসন মুসলিমদের অনৈক্যের মাঝে নিজের টিকে থাকার পথ খোঁজে!

মার্চ 11, 2026
তেহরিকে তালেবান পাকিস্তান – টিটিপি আফগানিস্তানের সঙ্কট নাকি পাকিস্তানের?
রাজনীতি

তেহরিকে তালেবান পাকিস্তান – টিটিপি আফগানিস্তানের সঙ্কট নাকি পাকিস্তানের?

নভেম্বর 18, 2024
আখেরি যামানার ফিতনা এবং ইসলামী ব্যবস্থার দায়িত্বসমূহ!
ধর্মীয় নিবন্ধ

আখেরি যামানার ফিতনা এবং ইসলামী ব্যবস্থার দায়িত্বসমূহ!

নভেম্বর 5, 2025
পাকিস্তানের ক্ষুব্ধ জাতিগোষ্ঠী এবং সামরিক শাসনের হস্তক্ষেপ!
রাজনীতি

পাকিস্তানের ক্ষুব্ধ জাতিগোষ্ঠী এবং সামরিক শাসনের হস্তক্ষেপ!

অক্টোবর 27, 2025
সাম্প্রতিক বিদ্রোহ গত সাত দশকের যুলুম ও নিপীড়নের প্রতিক্রিয়া! ​
রাজনীতি

সাম্প্রতিক বিদ্রোহ গত সাত দশকের যুলুম ও নিপীড়নের প্রতিক্রিয়া! ​

ফেব্রুয়ারি 2, 2026
চরমপন্থা ও কঠোরতার রাজনীতি: এক অনিবার্য পরাজয়ের আখ্যান
রাজনীতি

চরমপন্থা ও কঠোরতার রাজনীতি: এক অনিবার্য পরাজয়ের আখ্যান

জানুয়ারি 11, 2025
সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ, নাকি অসহায় নারীদের নিয়ে রাজনৈতিক বাণিজ্য? | ✍🏻 খলিল আহমাদ
রাজনীতি

সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ, নাকি অসহায় নারীদের নিয়ে রাজনৈতিক বাণিজ্য? | ✍🏻 খলিল আহমাদ

ডিসেম্বর 28, 2025

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    মে 12, 2024
    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আগস্ট 23, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    ইসলামের দৃষ্টিতে নিরপরাধ মানুষ হত্যা

    ইসলামের দৃষ্টিতে নিরপরাধ মানুষ হত্যা

    এপ্রিল 13, 2026
    দাম্ভিক শক্তির পরাজয় এবং ইরানি জাতির প্রতিরোধের বিজয়! ​

    দাম্ভিক শক্তির পরাজয় এবং ইরানি জাতির প্রতিরোধের বিজয়! ​

    এপ্রিল 12, 2026
    সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা! ​

    সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা! ​

    এপ্রিল 12, 2026
    বিশ্ব এক নতুন পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হচ্ছে!

    বিশ্ব এক নতুন পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হচ্ছে!

    এপ্রিল 9, 2026

    news

    ইসলামের দৃষ্টিতে নিরপরাধ মানুষ হত্যা

    ইসলামের দৃষ্টিতে নিরপরাধ মানুষ হত্যা

    এপ্রিল 13, 2026
    দাম্ভিক শক্তির পরাজয় এবং ইরানি জাতির প্রতিরোধের বিজয়! ​

    দাম্ভিক শক্তির পরাজয় এবং ইরানি জাতির প্রতিরোধের বিজয়! ​

    এপ্রিল 12, 2026
    সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা! ​

    সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা! ​

    এপ্রিল 12, 2026
    বিশ্ব এক নতুন পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হচ্ছে!

    বিশ্ব এক নতুন পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হচ্ছে!

    এপ্রিল 9, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Go to mobile version