বুধবার, আগস্ট 5, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

সাম্প্রতিক বিদ্রোহ গত সাত দশকের যুলুম ও নিপীড়নের প্রতিক্রিয়া! ​

সালামাত আলী খান

সাম্প্রতিক বিদ্রোহ গত সাত দশকের যুলুম ও নিপীড়নের প্রতিক্রিয়া! ​
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

গতকালে বেলুচিস্তানের প্রধান শহর কোয়েটাসহ কয়েকটি শহরে বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পক্ষ থেকে হঠাৎ এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সূর্য ওঠার সাথে সাথেই বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ওইসব এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সরকারি দফতর এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়। সরকারি স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং স্থানীয়রা বলছেন যে, কার্যত পুরো এলাকা এখন বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে।

বিচ্ছিন্নতাবাদীদের একজন নেতা বশির জেব একটি ভিডিও বার্তায় যেখানে তাকে মোটরসাইকেলে চড়া অন্যান্য সশস্ত্র ব্যক্তিদের সাথে দেখা গেছে—বেলুচিস্তানের সমস্ত জনগণকে ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে এবং এই সামরিক সরকারের হাত থেকে স্বাধীনতা অর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অনেক সাধারণ মানুষও রাষ্ট্রীয় সম্পদে হাত দিয়েছে এবং এখন পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, তিন-চারটি ব্যাংক পুরোপুরি লুট করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় পর এই প্রথম বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা কোয়েটার মতো বড় শহরে প্রকাশ্য দিবালোকে প্রবেশ করে নিজেদের ইচ্ছামতো কার্যক্রম চালাচ্ছে। এমনকি কিছু নাগরিক, সরকারের সমালোচনা সত্ত্বেও, খুশিতে তাদের ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করছেন।

এর আগে বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সীমিত আকারে হামলা চালাত এবং প্রধান শহরগুলো থেকে দূরে তাদের তৎপরতা দেখা যেত। কিন্তু এবার তারা ব্যাপক ও আক্রমণাত্মক হামলা চালিয়ে তাদের আন্দোলনকে এক নতুন পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এই হামলার জবাবে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ বরাবরের মতোই একে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলছে এবং নিরপরাধ নাগরিকরা বিপদে পড়েছে বলে দাবি করছে। তবে বিশ্লেষক এবং বেলুচিস্তান সমস্যার ওপর গভীর নজর রাখা ব্যক্তিদের মতে, এটি পাকিস্তানের শক্তিশালী সামরিক ও সরকারি ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের যুলুম ও অন্যায়েরই একটি প্রতিক্রিয়া।

গত বছর বেলুচিস্তানের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সরদার আখতার জান মেঙ্গল এক বিবৃতিতে বলেছিলেন যে, বেলুচ তরুণরা এখন আর তাদের মুরুব্বিদের কথা শুনতে রাজি নয় এবং এখন আমাদেরই উচিত তাদের আন্দোলনের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানো। সরদারের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ‘ভয়েস অফ আমেরিকা’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসলামাবাদের সনোবর ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক এবং বিশ্লেষক কামার চিমা বলেছিলেন—বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে উপজাতীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের সহানুভূতি এবং তরুণ ও নারীদের একতাবদ্ধ হওয়া একটি অস্বাভাবিক ও বিস্ময়কর বিষয়। তার মতে, এর নেপথ্যে পাকিস্তানি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অত্যাচার এবং বেলুচ জনগণের অধিকারের ক্রমাগত লঙ্ঘন কাজ করছে।

বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদের ইতিহাসের দিকে তাকালে ঐতিহাসিকরা বলেন যে, বেলুচ এবং পাকিস্তানি রাষ্ট্রের মধ্যে তিক্ত সম্পর্ক পাকিস্তানের জন্মের সাথে সাথেই শুরু হয়েছিল। পাকিস্তানের জন্মের পরপরই তৎকালীন কালাত রাজ্যের প্রধান ‘খান অফ কালাত’ পাকিস্তানে যোগদানের বিরোধিতা করেন এবং ঘোষণা করেন যে, যদি পাকিস্তানি পক্ষ শক্তি প্রয়োগ করে তবে তার বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। খান অফ কালাতের শাসনাধীনে কোয়েটা থেকে গোয়াদুর পর্যন্ত সমস্ত বেলুচ সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে ইসলামী আইন অনুযায়ী শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হতো।

আঞ্চলিক পর্যায়ে এটি ছিল সেই গুটিকয়েক অঞ্চলের একটি যেখানে বিচারিক কাজগুলো সম্পাদন করতেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের ছাত্র এবং প্রখ্যাত আলেম শেখ শামসুল হক আফগানি। কিন্তু পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ এই সমস্ত সত্যকে উপেক্ষা করে শক্তির পথ বেছে নেয়, বোমাবর্ষণ ও অন্যান্য অত্যাচার চালায় এবং শেষ পর্যন্ত বেলুচ এলাকাগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। এভাবে খান অফ কালাতের ঘোষিত সশস্ত্র বিদ্রোহ সাময়িকভাবে দমন করা হয়।

তবে আইয়ুব খানের আমলে যখন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে, তখন খান অফ কালাতের কিছু আত্মীয় এর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করেন, যার নেতৃত্বে ছিলেন নওরোজ খান। কয়েক বছরের টানা প্রতিরোধের পর আইয়ুব খানের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয় যে, যদি নওরোজ খান অস্ত্র সমর্পণ করেন তবে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে। এই নিশ্চয়তার জন্য আইয়ুব খান বেশ কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে জামিনদার হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। ফলে নওরোজ খান পাহাড় থেকে নেমে এসে আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ তাদের চিরাচরিত স্বভাব অনুযায়ী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে এবং খুব শীঘ্রই নওরোজ খান ও তার ছেলেকে ফাঁসি দিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।

নবাব নওরোজ খানের এই অন্যায় ও বিশ্বাসঘাতকতামূলক হত্যার পর বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদের সেই ঢেউ দৃশ্যত থেমে গেলেও, খুব দ্রুত জুলফিকার আলী ভুট্টোর শাসনামলে আবারও পুরো বেলুচিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে। সেটি ছিল সেই সময় যখন ভুট্টো বেলুচিস্তানে বেলুচ রাজনীতিবিদদের নেতৃত্বে গঠিত প্রাদেশিক সরকারকে বরখাস্ত করেন এবং সরদার আতাউল্লাহ মেনগালসহ সমস্ত রাজনৈতিক নেতাকে কারারুদ্ধ করেন। এছাড়া ভুট্টো সরকার মারি ও জাওলান এলাকায় তীব্র বোমাবর্ষণ করে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য শক্তি ও সন্ত্রাসের আশ্রয় নেয়। গবেষকদের মতে, ভুট্টোর আমলে অত্যন্ত নৃশংস বোমাবর্ষণ করা হয়েছিল, যাতে বিপুল সংখ্যক পুরুষ, শিশু ও নারী প্রাণ হারান।

এই পদক্ষেপগুলো বেলুচ সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায় পাকিস্তানি রাষ্ট্র ও তার শাসকদের বিরুদ্ধে ঘৃণার এক নতুন জোয়ার সৃষ্টি করে। আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যদিও ভুট্টোর বোমাবর্ষণ ও সামরিক অপারেশনের প্রায় পঞ্চাশ বছর পার হয়ে গেছে, তবুও আজও সেই অঞ্চলে নিরপরাধ নাগরিকদের হত্যা এবং ঘরবাড়ি ধ্বংসের চিহ্ন স্পষ্টভাবে দেখা যায়। পাকিস্তানি শাসকদের এই নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ড আবারও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের জন্য পথ প্রশস্ত করে এবং বাবু শের মোহাম্মদ মারি ও মীর হাজার খানের নেতৃত্বে প্রতিরোধের এক নতুন ধারা জন্ম নেয়। বাবু শের মোহাম্মদ, যিনি ‘শেরু’ নামে পরিচিত ছিলেন, ব্যাপক পাল্টা হামলা শুরু করেন এবং বিভিন্ন এলাকায় রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ অচল করে দেন।

পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়ন যখন আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং পাকিস্তানে ভুট্টো সরকারের পতন ঘটিয়ে জেনারেল জিয়াউল হক ক্ষমতায় আসেন, তখন একটি আশঙ্কা তৈরি হয় যে সোভিয়েত বাহিনী হয়তো বেলুচদের অস্ত্র সরবরাহ করবে। এই ভয়ে জিয়াউল হক বেলুচ নেতৃত্বের সাথে যোগাযোগ করেন এবং ‘সবকিছু ক্ষমা’ করার ফর্মুলায় পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত করেন। বেলুচরা সশস্ত্র সংগ্রাম ত্যাগ করে রাজনৈতিক পথে হাঁটা শুরু করে। কিন্তু এই প্রক্রিয়াটি আবারও নস্যাৎ হয়ে যায় যখন পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরশাসক পারভেজ মোশাররফ বেলুচদের অন্যতম শীর্ষ নেতা নবাব আকবর বুগতিকে অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যা করেন। তদুপরি, মোশাররফ জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এই হত্যাকাণ্ডকে নিজের এক ‘বিরাট সাফল্য’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং পুরো বেলুচ জাতির জন্য অত্যন্ত অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করেন।

এই ঘটনার ফলে বেলুচরা আবারও তাদের আন্দোলনের ডাক দেয় এবং বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে, যা আজ কোয়েটার মতো কেন্দ্রে পৌঁছেছে এবং তারা এলাকাটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করছে।

বেলুচ এবং পাকিস্তানি শাসকদের মধ্যে চলমান এই সংঘাতের নেপথ্যে মূল কারণগুলো কী?
এই বিষয়ে আমেরিকার একটি আধা-সরকারি সংস্থা ‘লাইন্স ইনস্টিটিউট’ একটি বিস্তারিত নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, বেলুচ সমস্যার আসল মূল হলো তাদের মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন। নিবন্ধটি বলছে, পাকিস্তানের সোনা, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং সমস্ত খনিজ সম্পদ যার ওপর দেশের অর্থনীতি নির্ভরশীল, তা বেলুচিস্তান থেকে আহরণ করা হয়। কিন্তু দুঃখজনক হলো, এই সম্পদের বিনিময়ে বেলুচ জনগণকে কোনো সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয় না। তাদের সম্পদ অন্যদের জন্য বিলাসিতার মাধ্যম হয়, অথচ বেলুচ জনগণ আজও দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছে। গ্যাস সরবরাহকারী প্রদেশের নাগরিকরা নিজেরা শীতে কষ্ট পায় এবং জ্বালানির জন্য বনের ঝোপঝাড় সংগ্রহ করতে বাধ্য হয়। এই অভাবই তাদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে বাধ্য করে।

তবে বিশ্ব পর্যবেক্ষকদের মতে, সমস্যাটি কেবল অধিকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পাকিস্তানের জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত শাসকরা ক্রমাগত চেষ্টা করেছে বেলুচদের দমনের মাধ্যমে দাবিয়ে রাখতে, তাদের নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা থেকে দূরে রাখতে এবং তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জড়িয়ে রাখতে। পাকিস্তানি শাসকরা নবাব আকবর বুগতিকে যেভাবে হত্যা করেছে, তাতে আজও পুরো পাকিস্তান স্তম্ভিত এবং সকল স্তরের মানুষ এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানায়।

গত ২০ বছরে পাকিস্তানি শাসকরা হাজার হাজার বেলুচ নাগরিককে তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেছে, যাদের আজ পর্যন্ত কোনো হদিস মেলেনি। এই নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্যের জন্য মামা কাদিরসহ অনেক বেলুচ নাগরিক মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর আন্দোলন করেছেন, কিন্তু তাদের কথা শোনা হয়নি। বরং তাদের ওপর আরও যুলুম চালানো হয়েছে। নিরপরাধ বেলুচদের গুম করার এই সংস্কৃতিতে কোনো আদালত বা আইনি প্রক্রিয়ার তোয়াক্কা করা হয়নি। তাদের পরিবারের সদস্যরা আজও শুধু জানতে চায়—তাদের প্রিয়জনরা বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে।

এই বিষয়ে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকলেও শাসকরা তা তোয়াক্কা করেননি। গত চার বছরে মাহরং বেলুচ নামক এক তরুণী নিখোঁজ ব্যক্তিদের জন্য আওয়াজ তুলেছেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করতে চেয়েছেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাকে এবং তার সঙ্গীদের গ্রেফতার ও হয়রানি করেছে। আজ মাহরং বেলুচও কারাবন্দী।

যদিও পাকিস্তানি শাসকরা বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কর্মকাণ্ডের জন্য কখনো আফগানিস্তান, কখনো ইরান বা ভারতকে দায়ী করেন, কিন্তু বাস্তবতা হলো গত সাত দশকে পাকিস্তানি শাসকরা বেলুচ জনগণের ওপর যে অবিচার ও যুলুম করেছেন, সেটিই আজকের এই পরিস্থিতির মূল কারণ। শাসকরা সবসময় শক্তির জোরে বেলুচদের কণ্ঠ রোধ করতে চেয়েছেন, কিন্তু ইতিহাসের শিক্ষা হলো ন্যায়ের কণ্ঠস্বর দমনের মাধ্যমে থামানো যায় না, বরং তা আরও দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে ফিরে আসে।

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#পাকিস্তান#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

বেলুচিস্তানে ‘আবু ইয়াসির আত-তুর্কী’ নামক এক দাঈশ সদস্য গ্রেফতার
দাঈশ খাওয়ারিজ

বেলুচিস্তানে ‘আবু ইয়াসির আত-তুর্কী’ নামক এক দাঈশ সদস্য গ্রেফতার

জুন 3, 2025
ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | প্রথম পর্ব
ব্লগ

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | প্রথম পর্ব

জুলাই 21, 2025
মুজাহিদ: আফগানিস্তানকে অস্থিতিশীল করতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর একটি গোষ্ঠী আইএসআইএস জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে
দাঈশ খাওয়ারিজ

মুজাহিদ: আফগানিস্তানকে অস্থিতিশীল করতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর একটি গোষ্ঠী আইএসআইএস জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে

অক্টোবর 12, 2025
নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | তৃতীয় পর
ইতিহাস

নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | তৃতীয় পর

জানুয়ারি 11, 2026
আইএসকেপির (দাঈশ খোরাসান) একজন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডার পাকিস্তানের করাচিতে অজ্ঞাতনামা সশস্ত্র ব্যক্তিদের হাতে নিহত!
দাঈশ খাওয়ারিজ

আইএসকেপির (দাঈশ খোরাসান) একজন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডার পাকিস্তানের করাচিতে অজ্ঞাতনামা সশস্ত্র ব্যক্তিদের হাতে নিহত!

অক্টোবর 3, 2025
ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | অষ্টম পর্ব
ইতিহাস

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | অষ্টম পর্ব

আগস্ট 22, 2025
ইসলামাবাদ কি আফগানিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে?
রাজনীতি

ইসলামাবাদ কি আফগানিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে?

নভেম্বর 6, 2025
ইসলাম ও ইসলামী ব্যবস্থা চিরস্থায়ী থাকবে!
ব্লগ

ইসলাম ও ইসলামী ব্যবস্থা চিরস্থায়ী থাকবে!

জুলাই 8, 2026
ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | ত্রয়োবিংশ পর্ব
দাঈশ

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | ত্রয়োবিংশ পর্ব

জুলাই 13, 2026

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    জুলাই 3, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    পাকিস্তান অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার দিকে ধাবিত হচ্ছে!

    পাকিস্তান অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার দিকে ধাবিত হচ্ছে!

    আগস্ট 5, 2026
    দেশের অভ্যন্তরে নতুন জাতিগত ও জাতীয় সংঘাত উসকে দেওয়ার দ্বারপ্রান্তে পাকিস্তানের সামরিক শাসনব্যবস্থা!

    দেশের অভ্যন্তরে নতুন জাতিগত ও জাতীয় সংঘাত উসকে দেওয়ার দ্বারপ্রান্তে পাকিস্তানের সামরিক শাসনব্যবস্থা!

    আগস্ট 5, 2026
    পাকিস্তানের রাজনীতিবিদরাই নিজেদের রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়েছেন!

    পাকিস্তানের রাজনীতিবিদরাই নিজেদের রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়েছেন!

    আগস্ট 4, 2026
    সাবেক আরবাকিদের মাধ্যমে জাতিগত বিভেদ উসকে দেওয়ায় পাকিস্তানের ভূমিকা!

    সাবেক আরবাকিদের মাধ্যমে জাতিগত বিভেদ উসকে দেওয়ায় পাকিস্তানের ভূমিকা!

    আগস্ট 4, 2026

    news

    পাকিস্তান অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার দিকে ধাবিত হচ্ছে!

    পাকিস্তান অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার দিকে ধাবিত হচ্ছে!

    আগস্ট 5, 2026
    দেশের অভ্যন্তরে নতুন জাতিগত ও জাতীয় সংঘাত উসকে দেওয়ার দ্বারপ্রান্তে পাকিস্তানের সামরিক শাসনব্যবস্থা!

    দেশের অভ্যন্তরে নতুন জাতিগত ও জাতীয় সংঘাত উসকে দেওয়ার দ্বারপ্রান্তে পাকিস্তানের সামরিক শাসনব্যবস্থা!

    আগস্ট 5, 2026
    পাকিস্তানের রাজনীতিবিদরাই নিজেদের রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়েছেন!

    পাকিস্তানের রাজনীতিবিদরাই নিজেদের রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়েছেন!

    আগস্ট 4, 2026
    সাবেক আরবাকিদের মাধ্যমে জাতিগত বিভেদ উসকে দেওয়ায় পাকিস্তানের ভূমিকা!

    সাবেক আরবাকিদের মাধ্যমে জাতিগত বিভেদ উসকে দেওয়ায় পাকিস্তানের ভূমিকা!

    আগস্ট 4, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .