বুধবার, জানুয়ারি 28, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home আধুনিক খাও য়া রিজ দাঈশ

ইসলামের নামে ইসলামবিদ্বেষ! ​

সাইয়্যিদ জামালুদ্দীন আফগানি

ইসলামের নামে ইসলামবিদ্বেষ! ​
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমের রেওয়ায়েত অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন গনিমতের মাল বণ্টন করছিলেন, তখন হুরকুস নামক এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উদ্দেশ্য করে বলল, “আল্লাহকে ভয় করুন এবং ইনসাফ করুন!” একথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাগান্বিত স্বরে বললেন, “আমিই যদি ইনসাফ না করি, তবে এই পৃথিবীতে ইনসাফ করার মতো আর কে বাকি থাকবে?”
সাহসিকতার প্রতীক হযরত উমর ফারুক (রা.) এই ধৃষ্টতা ও চরম বেয়াদবি সহ্য করতে পারলেন না। তিনি ওই বেয়াদবের গর্দান উড়িয়ে দেওয়ার অনুমতি চাইলেন। কিন্তু রহমাতুল্লিল আলামিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বাধা দিলেন। তবে হযরত উমর (রা.)-কে একটি মৌলিক ও অকাট্য কথা বললেন, যার মাধ্যমে কিয়ামত পর্যন্ত পুরো উম্মতকে এমন একটি গোষ্ঠী সম্পর্কে সতর্ক করে দিলেন, যারা প্রতিটি যুগে বিভিন্ন নামে ও লেবাসে আবির্ভূত হবে এবং ইসলামের নাম ব্যবহার করে ইসলামের অনুসারীদের বুকে খঞ্জর বসাবে।
নবী কারীম (সা.) বললেন, “এই যে বেয়াদবি করছে, সে একা নয়; ভবিষ্যতে তার মতো আরও কিছু লোক তোমাদের সামনে আসবে। তাদের অবস্থা এমন হবে যে, নামায ও রোযায় তারা এতটাই এগিয়ে থাকবে যে তোমরা নিজেদের আমলকে তাদের তুলনায় তুচ্ছ মনে করবে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা দীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমনভাবে তীর ধনুক থেকে বেরিয়ে যায়।”

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর এই ভবিষ্যদ্বাণী প্রতিটি যুগে অক্ষরে অক্ষরে সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আজ পর্যন্ত কেউ তা অস্বীকার করতে পারেনি। খুলাফায়ে রাশেদিন, আমির মুয়াবিয়া, উমাইয়া, আব্বাসী খলিফা, সালাহউদ্দিন আইয়ুবি, নুরুদ্দিন জঙ্গি, উসমানী খিলাফত থেকে শুরু করে আজকের ‘ইমারতে ইসলামিয়া’র সময় পর্যন্ত—প্রতিটি যুগে হুরকুসের অনুসারী ও সমমনাদের অস্তিত্ব ছিল এবং আছে। তারা বিভিন্ন নামে ও রূপে মুসলিমদের কাতারকে ছিন্নভিন্ন করে আসছে। তারা আহলে কিবলা তথা মুসলিমদের রক্ত ঝরায় এবং ইসলামের পবিত্র ললাটে এক কলঙ্কিত দাগের মতো আবির্ভূত হয়।

তাদের কর্মকাণ্ড দেখে প্রতিটি যুগে ইয়াহুদি ও হিন্দুরাও লজ্জিত হয়; কারণ তারা ইসলাম ও ইসলামী শিক্ষাকে তামাশায় পরিণত করেছে। তারা ইসলামের নাম তো নেয়, কিন্তু ইসলামের মর্মার্থ বোঝার চেষ্টা করে না। তাদের অপবিত্র মস্তিষ্কে যা আসে, তাকেই তারা ইসলামের নেতিবাচক ও স্বঘোষিত ব্যাখ্যা হিসেবে চালিয়ে দেয়। নিজেদের ভুল ও কুরুচিপূর্ণ আচরণের স্বপক্ষে তারা এমন সব দলিল তৈরি করে যা যুক্তির তুলাদণ্ডেও টিকে না।

ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত ও বর্তমান প্রেক্ষাপট
জঙ্গে জামালে (উটের যুদ্ধ) যখন হযরত আলী (রা.) ও হযরত আয়েশা (রা.)-এর মধ্যকার বিরোধ মিটে গেল এবং হযরত আলী (রা.) অত্যন্ত সম্মানের সাথে উম্মুল মুমিনিন হযরত আয়েশা (রা.)-কে মদিনায় পাঠিয়ে দিলেন, তখন ফিতনাবাজরা শোরগোল শুরু করল। তারা স্লোগান দিল— কেন হযরত আয়েশা (রা.)-কে (নাউযুবিল্লাহ) দাসী বানানো হলো না? তাদের যুক্তি ছিল—যার সাথে যুদ্ধ জায়েয, তাকে দাসী বানাতে বাধা কোথায়?

এর উত্তরে ‘হায়দারে কাররার’ হযরত আলী (রা.) অত্যন্ত যৌক্তিক জবাব দিলেন, “কুরআন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের মুমিনদের মা হিসেবে ঘোষণা করেছে। তোমরা কি এতে রাজি আছো যে তোমাদের মাকে বন্দি করে দাসী বানিয়ে রাখবে?”

প্রকৃতপক্ষে তিনি একদিকে মানুষের ধর্মীয় অজ্ঞতা দূর করছিলেন, আর অন্যদিকে তাদের বুদ্ধিমত্তার জন্য আক্ষেপ করছিলেন যে, এত সহজ কথাটি তাদের মাথায় ঢুকছে না। কিন্তু এই অল্পবুদ্ধি ও মূর্খ লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর অন্যান্য সাহাবি, বিশেষ করে হযরত আবু বকর ও হযরত উমর (রা.)-কেও তাদের অপবাদের লক্ষ্যবস্তু বানাতে শুরু করে।

এরপর যখন হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়া (রা.) সমস্যার সমাধানের জন্য সালিশ নিয়োগে সম্মত হলেন, তখন এই নতুন ফিতনাবাজরা চিৎকার শুরু করল—না, ফয়সালা কোনো তৃতীয় পক্ষ করবে না, ফয়সালা করবে কুরআন! এটি ছিল একটি অর্থহীন ও অন্তঃসারশূন্য কথা। এর জবাবে হযরত আলী (রা.) মুখে কিছু না বলে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

তিনি শত শত মানুষকে নির্দেশ দিলেন কুরআনের পাণ্ডুলিপি হাতে নিয়ে ওই জ্ঞানহীনদের সামনে দাঁড়াতে। যখন লস্কর কুরআন হাতে তাদের সামনে দাঁড়াল, তখন হযরত আলী (রা.) উচ্চস্বরে বললেন:
“হে কুরআন! কথা বলো এবং আমাদের মাঝে ফয়সালা করো!”

মানুষ অবাক হয়ে গেল—কুরআনের পাতা কীভাবে কথা বলবে? হযরত আলী (রা.) নিজেও তা জানতেন, কিন্তু তিনি তাদের মূর্খতা মানুষের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। তিনি দেখাতে চেয়েছিলেন যে, যদি কুরআনের ফয়সালাই তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, তবে কুরআন যারা জানেন (উলামায়ে কেরাম), তারাই ফয়সালা করবেন। ফয়সালা করার অধিকার তাদেরই থাকবে যাদের আল্লাহ কুরআনের বুঝ দান করেছেন। সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে, বিশেষ করে হযরত আলী (রা.)-এর চেয়ে বড় জ্ঞানী আর কে হতে পারে? কিন্তু অজ্ঞতার পর্দা তাদের বুদ্ধিকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল।

ভণ্ডামিপূর্ণ তাকওয়া ও চরম নিষ্ঠুরতা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাদের সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, তাদের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো—দ্বীনের সঠিক জ্ঞান না থাকা এবং নিজেদের মনগড়া ব্যাখ্যার কারণে তারা মুসলিমদের রক্ত ঝরাতে অত্যন্ত আগ্রহী হয়। একদিকে তারা তাদের মূর্খতাপূর্ণ ‘পরহেজগারি’র কারণে রাস্তায় পড়ে থাকা একটি খেজুরও তুলে নেয় না পাছে গুনাহ হয়ে যায়; কিন্তু অন্যদিকে তারা জমিনে আল্লাহর শ্রেষ্ঠ বান্দাদের এমন নির্মমভাবে হত্যা করে যে মানুষের কলিজা কেঁপে ওঠে।

তারা যখন মহান সাহাবি হযরত খাব্বাব ইবনুল আরত (রা.)-এর পুত্র আবদুল্লাহকে গ্রেফতার করল, তখন শুধুমাত্র তিনি হযরত আলী (রা.)-এর কুৎসা রটনা না করার অপরাধে তাঁকে গাছের সাথে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করল এবং নদীর কিনারায় পশুর মতো জবাই করল। এরপর তারা তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শহীদ করে দিল। অথচ সেই একই সময়ে গাছ থেকে একটি খেজুর পড়লে একজন তা মুখে তুলে নেওয়ায় অন্যজন তাকে ধমক দিল—মালিকের অনুমতি ছাড়া খেজুর খাওয়া তো হারাম! একইভাবে এক খারিজি যখন কোনো অমুসলিমের শূকরকে তলোয়ার দিয়ে আঘাত করল, তখন অন্য খারিজি তাকে প্রচণ্ড বকা দিল এবং মালিককে খুঁজে শূকরের দাম পরিশোধ করল।

হযরত আলী, হযরত আমির মুয়াবিয়া এবং আমর ইবনুল আস (রা.)—তাঁরা সবাই ছিলেন ইসলামের মহান স্তম্ভ। কিন্তু খারিজিরা তাঁদের তিনজনকে হত্যার পরিকল্পনা করে, যার ফলে শেরে খোদা হযরত আলী (রা.) শহীদ হন।

বর্তমান যুগের হুরকুসি গোষ্ঠী
এই খারিজি গোষ্ঠীর একটি বড় লক্ষণ হলো—তারা সব বিষয়ে খুঁত ধরে এবং সামান্য মতভেদে প্রতিপক্ষকে ‘মুরতাদ’ ও ‘মুশরিক’ ঘোষণা করে। তাদের কাছে গুনাহের কোনো স্তরবিন্যাস নেই; হয় তাদের মতো হতভাগা মুসলিম হতে হবে, নয়তো তারা আপনাকে শিরক ও কুফরের ফতোয়া দেবে। মানুষ যখন তাদের জিজ্ঞেস করত—কেন হযরত আলীর সাথে যোগ দাও না? তারা বলত, “আগে আলীকে শিরক থেকে তওবা করে নতুন করে ঈমান আনতে হবে, তারপর কথা হবে।”

অথচ হযরত আলীর ঈমানের সাক্ষী স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তিনি আলীর প্রতি ভালোবাসাকে ঈমান এবং শত্রুতাকে নিফাক (মুনাফিকি) হিসেবে গণ্য করেছেন। কিন্তু এই মূর্খরা সামান্য কারণে তাঁকে মুশরিক বলছে। কারণ তাদের কাছে জ্ঞানের নামে কিছু নেই, তারা কেবল শব্দের পূজারি। তারা সাধারণ আয়াত থেকে ভুল ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে ‘বাবুল ইলম’ (জ্ঞানের শহর) আলীর সামনেই “ফয়সালা দেওয়ার মালিক কেবল আল্লাহ” (ইনিল হুকমু ইল্লা লিল্লাহ)-এর সবক দেয়।

এখন বর্তমান যুগের এই গোষ্ঠীগুলোকে লক্ষ্য করুন—খুলাফায়ে রাশেদিনের সময় তারা যা করত, আজ হুবহু তা-ই করছে। আফগানিস্তানে দশকের পর দশক চেষ্টার পর যে ইসলামী নেজাম কায়েম হলো, যার জন্য ১০ লক্ষাধিক শহীদের রক্ত ঝরেছে, এবং যার নেতা (আমিরুল মুমিনিন) বারবার বলছেন, “যদি এই ব্যবস্থায় ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু দেখেন তবে আমাদের জানান আমরা সংশোধন করব”—সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এই আধুনিক হুরকুসিরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, তারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে অমুসলিমদের সাহায্য নিতেও দ্বিধা করে না; কারণ তাদের কাছে একজন সাহাবির ছেলের জীবনের চেয়ে একটি শূকরের দাম বেশি।

ইমারতে ইসলামিয়া যখন বিজয় লাভ করল এবং কুফফারদের পরাজিত করল, তখন থেকেই এই গোষ্ঠীগুলো অস্ত্র তুলে নিয়েছে। তারা মসজিদে সাধারণ মুসলিমদের নিশানা করেছে, মাদরাসায় হামলা করেছে, বড় বড় উলামায়ে কেরামকে শহীদ করেছে এবং সেই মুজাহিদ কমান্ডারদের পিছু নিয়েছে যারা আজও কুফরের চোখে কাঁটা হয়ে বিঁধে আছে।

তাদের সর্বশেষ অপরাধ গত রাতে কাবুলের ‘শহরে নও’ এলাকায় একটি হোটেলে ঘটেছে, যেখানে তারা বিস্ফোরকের মাধ্যমে সাতজন সাধারণ মুসলিমকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে এবং গর্বের সাথে তার দায় স্বীকার করেছে। এই খোদাদ্রোহী লোকদের লজ্জা হলো না যে, তারা এই অসহায় মুসলিমদেরও মুরতাদ ও মুশরিক বলে আখ্যা দিল।

উপসংহার
আলেম সমাজ একমত যে, এমন লোকদের সবসময় ইসলামী শক্তিকে বাধা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। শত্রুরা তাদের কেনা গোলামের মতো ব্যবহার করেছে। খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগে যখন ইসলামের বিজয় ছড়িয়ে পড়ছিল, তখন শত্রুরা এদের ব্যবহার করে মুসলিমদের অন্তর্কন্দলে লিপ্ত করেছিল। আজও সেই একই ধারা চলছে। যখন উম্মত বিচ্ছিন্ন, ফিলিস্তিনের মাটি অভিশপ্তদের দ্বারা জাহান্নামে পরিণত হয়েছে এবং পুরো উম্মত ঐক্যের জন্য ইমারতে ইসলামিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে, ঠিক তখনই এই দুর্ভাগা লোকগুলো শত্রুদের হয়ে খেলছে। যদি তাদের লক্ষ্য সত্যিই ইসলাম হতো, তবে ইসরায়েলের মাটি তাদের জন্য উন্মুক্ত ছিল; সেখানে তারা জিহাদ করতে পারত। কিন্তু যেহেতু তারা ইসলাম ও মুসলিমদের সাথে শত্রুতার শপথ নিয়েছে, তাই তাদের সমস্ত শক্তি কেবল অসহায় মুসলিমদের রক্ত ঝরাতেই ব্যয় হয়।

 

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#দাঈশখাওয়ারিজ
ShareTweet

related-post

নিভে যাওয়া এক আলোকস্তম্ভ: শায়খ রহিমুল্লাহ হাক্কানীর শাহাদাত ও দাঈশের যুদ্ধ
দাঈশ

নিভে যাওয়া এক আলোকস্তম্ভ: শায়খ রহিমুল্লাহ হাক্কানীর শাহাদাত ও দাঈশের যুদ্ধ

জুলাই 9, 2025
ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | চতুর্দশ পর্ব
ইতিহাস

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | চতুর্দশ পর্ব

সেপ্টেম্বর 14, 2025
পাকিস্তান: অন্যায়-অত্যাচারের উপর প্রতিষ্ঠিত এক ব্যবস্থা!
রাজনীতি

পাকিস্তান: অন্যায়-অত্যাচারের উপর প্রতিষ্ঠিত এক ব্যবস্থা!

অক্টোবর 29, 2025
শান্তির মুখোশে যুদ্ধের বাণিজ্য: ট্রাম্প ও আমেরিকার দ্বিচারিতা
রাজনীতি

শান্তির মুখোশে যুদ্ধের বাণিজ্য: ট্রাম্প ও আমেরিকার দ্বিচারিতা

আগস্ট 24, 2025
ইসলামী শাসনব্যবস্থায় কাফিরদের সঙ্গে লেনদেনের নীতিমালা | প্রথম পর্ব
রাজনীতি

ইসলামী শাসনব্যবস্থায় কাফিরদের সঙ্গে লেনদেনের নীতিমালা | প্রথম পর্ব

মে 29, 2025
নয়া রূপে আইএস: যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে মনস্তাত্ত্বিক ফ্রন্টে!
দাঈশ

নয়া রূপে আইএস: যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে মনস্তাত্ত্বিক ফ্রন্টে!

নভেম্বর 17, 2025
ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | পঞ্চম পর্ব
আফগানিস্তান

ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | পঞ্চম পর্ব

অক্টোবর 19, 2025
দাঈশ: বিস্তার থেকে বিলুপ্তির প্রান্তসীমা
দাঈশ

দাঈশ: বিস্তার থেকে বিলুপ্তির প্রান্তসীমা

জুলাই 8, 2025
গত দু’দিনে দাঈশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান
দাঈশ খাওয়ারিজ

গত দু’দিনে দাঈশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান

নভেম্বর 9, 2024

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    মে 12, 2024
    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আগস্ট 23, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    শান্তির মরীচিকা: গ্রানাডা থেকে গাযযা ও সুদান পর্যন্ত!

    শান্তির মরীচিকা: গ্রানাডা থেকে গাযযা ও সুদান পর্যন্ত!

    জানুয়ারি 27, 2026
    গাযযার যন্ত্রণার এক প্রতিচ্ছবি এবার খাইবার পাখতুনখোয়ার তিরাহ্-তে!  ​

    গাযযার যন্ত্রণার এক প্রতিচ্ছবি এবার খাইবার পাখতুনখোয়ার তিরাহ্-তে! ​

    জানুয়ারি 26, 2026
    গাযযাকে গ্রানাডার পরিণতির দিকে ঠেলে দেওয়া বিশ্বাসঘাতকরা

    গাযযাকে গ্রানাডার পরিণতির দিকে ঠেলে দেওয়া বিশ্বাসঘাতকরা

    জানুয়ারি 26, 2026
    গাযযার জন্য ট্রাম্পের তথাকথিত শান্তি পরিকল্পনা স্পষ্ট বিভাজন তৈরি করেছে! ​

    গাযযার জন্য ট্রাম্পের তথাকথিত শান্তি পরিকল্পনা স্পষ্ট বিভাজন তৈরি করেছে! ​

    জানুয়ারি 25, 2026

    news

    শান্তির মরীচিকা: গ্রানাডা থেকে গাযযা ও সুদান পর্যন্ত!

    শান্তির মরীচিকা: গ্রানাডা থেকে গাযযা ও সুদান পর্যন্ত!

    জানুয়ারি 27, 2026
    গাযযার যন্ত্রণার এক প্রতিচ্ছবি এবার খাইবার পাখতুনখোয়ার তিরাহ্-তে!  ​

    গাযযার যন্ত্রণার এক প্রতিচ্ছবি এবার খাইবার পাখতুনখোয়ার তিরাহ্-তে! ​

    জানুয়ারি 26, 2026
    গাযযাকে গ্রানাডার পরিণতির দিকে ঠেলে দেওয়া বিশ্বাসঘাতকরা

    গাযযাকে গ্রানাডার পরিণতির দিকে ঠেলে দেওয়া বিশ্বাসঘাতকরা

    জানুয়ারি 26, 2026
    গাযযার জন্য ট্রাম্পের তথাকথিত শান্তি পরিকল্পনা স্পষ্ট বিভাজন তৈরি করেছে! ​

    গাযযার জন্য ট্রাম্পের তথাকথিত শান্তি পরিকল্পনা স্পষ্ট বিভাজন তৈরি করেছে! ​

    জানুয়ারি 25, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Go to mobile version