বৃহস্পতিবার, জুলাই 23, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | সপ্তম পর্ব

✍🏻 হারিস উবায়দাহ

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | সপ্তম পর্ব
0
SHARES
1
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

ইলমপ্রেম, বিনয় এবং আলেমদের প্রতি শ্রদ্ধা

নিযামুল মুলক ছিলেন জ্ঞানের একনিষ্ঠ অনুরাগী, বিশেষত হাদীস শাস্ত্রের প্রতি তাঁর ছিল প্রবল অনুরাগ। তিনি প্রায়ই বলতেন: “আমি হাদীস বর্ণনার যোগ্য নই, কিন্তু চাই যে আমাকে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর হাদীস লিখনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হোক।” তিনি ক্বিশরী ইবনু মুসলিম ইবনু মহর ইবনু দাউর আবু হামিদ আয-যুহরীর নিকট হাদীস শুনতেন।

তিনি আকাঙ্ক্ষা করতেন, যে মাদরাসাগুলো তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন, সেগুলো যেন উম্মতে মুসলিমার আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয়। একবার শাফেয়ী ফকীহ আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনু আলী ওয়াসিতী তাঁকে কিছু কবিতা প্রেরণ করেন। তাতে অনুরোধ করা হয়েছিল যেন ক্রুসেডার ও আশআরীদের মধ্যকার সৃষ্ট ফিতনা দূর করা হয়। তিনি সঙ্গে সঙ্গেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং সে ফিতনার অবসান ঘটান। ঐ কবিতার মূল অংশ ছিল নিম্নরূপ:
কবিতা (আরবি):
يا نظام الملك قد حل بغداد النظام
وابنك القاطن فيها مستهان مستضام
وبها اودى قتلی غلام و غلام
والذي منهم تبقى سالما وفيه سهام
یا قوام الذين لم يبق ببغداد مقام
عظم الخطب و للحرب اتصال و دوام
فمتى لم تحسم والداء ايادي الحسام
ويكف القوم في بغداد قتل و انتقام
فعلى مدرسة فيها ومن فيها السلام
واعتصام بحريم لك من بعد حرام
বাংলা অনুবাদ:
হে নিযামুল মুলক! বাগদাদের শৃঙ্খলা আজ ভেঙে পড়েছে।
আপনার পুত্র যে শহরে বাস করছে, সে অপমানিত ও পদদলিত।
তার কন্যাদের জীবন্ত কবর দেওয়া হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে।
যারা বেঁচে থাকে, তাদের দেহ তীরবিদ্ধ হয়।
হে দীনের রক্ষক! বাগদাদে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।
পরিস্থিতি ভয়াবহ, যুদ্ধের আগুন ক্রমেই জ্বলছে।
যদি আপনার তলোয়ারসম হাত এই ব্যাধি নিরাময় না করে,
তবে হত্যাযজ্ঞ ও প্রতিশোধ আরও বেড়ে যাবে।
এ অবস্থায় মাদরাসা ও সেখানকার ছাত্রদের হেফাযত কেবল আল্লাহর হাতে।
আপনার জন্য ইজ্জত ও মর্যাদা তখন হারাম হয়ে যাবে—দীনের কোনো মান অবশিষ্ট থাকবে না।

নিযামুল মুলকের আসর সবসময়ই আলেম ও ফকীহদের সমাবেশে মুখরিত থাকত। বলা হয়েছিল, “এঁরা আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় কাজ থেকে বিরত রাখে।” তিনি জবাব দিয়েছিলেন: “এঁরা দুনিয়া ও আখিরাতের শোভা। আমি যদি এঁদের মাথার উপরে স্থান দিই, তবুও তা যথেষ্ট নয়।”

যখন আবুল কাসিম কুশাইরী ও আবুল মাআলী জুয়াইনী তাঁর কাছে আসতেন, তিনি সম্মানের খাতিরে উঠে দাঁড়াতেন এবং তাদের পাশে বসাতেন। কিন্তু আবু আলী ফারান্দী এলে তিনি নিজ আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে যেতেন, তাঁকে নিজের স্থানে বসাতেন এবং নিজে সামনে বসতেন। একবার তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে বলেছিলেন: “কুশাইরী ও জুয়াইনী আমার প্রশংসা করেন, আমার মর্যাদা বাড়িয়ে বলেন, যা আমার মধ্যে নেই। এতে নফস আনন্দিত হয়। কিন্তু আবু আলী ফারান্দী এলে তিনি আমার ত্রুটি বলেন, আর আমি ভুল সংশোধনের চেষ্টা করি।”

ইবনুল আসীর লিখেছেন: “নিযামুল মুলকের ব্যাপারে প্রসিদ্ধ ছিল—তিনি ছিলেন আলেম, ধার্মিক, দানশীল, ন্যায়পরায়ণ, ধৈর্যশীল, গুনাহ থেকে বেঁচে চলা এবং নীরবপ্রিয় মানুষ। তাঁর আসর ছিল ক্বারী, ফকীহ ও সৎকর্মশীলদের সমাবেশ।”
তিনি ছিলেন হাফিযে কুরআন; এগারো বছর বয়সে কুরআন হিফয করেন। শাফেয়ী মাযহাবের শিক্ষা ও শিক্ষাদানে নিয়োজিত ছিলেন। সর্বদা ওযু অবস্থায় থাকতেন এবং ওযু করলে দুই রাকআত তাহিয়্যাতুল ওযু আদায় করতেন। আজান শুনলেই যে কাজেই থাকুন না কেন, তা ছেড়ে দিতেন। যদি মুয়াজ্জিন আজান না দিতেন, তিনি তাকে আজান দিতে বলতেন। সময় ও সালাতের প্রতি এই অঙ্গীকার কেবল তাঁদের ভাগ্যে জোটে, যারা দুনিয়া থেকে বিমুখ হয়ে নিজেকে আল্লাহর ইবাদতে নিবেদিত করে।
আল্লাহ তাঁকে জ্ঞান ও আমলে পূর্ণতা দান করেছিলেন। একদিন তিনি স্বপ্নে শয়তানকে দেখেন এবং বলেন: “আল্লাহ তোমাকে ধ্বংস করুন। তিনি তোমাকে সৃষ্টি করলেন, সিজদার আদেশ দিলেন, অথচ তুমি অবাধ্যতা করলে। কিন্তু আমাকে সরাসরি সিজদার আদেশ দেননি, তবুও আমি সর্বক্ষণ সিজদা করি।” এরপর তিনি এ কবিতা পাঠ করেন:
من لم يكن للوصال فكل احسانه ذنوب
বাংলা অনুবাদ:
যে প্রিয়তমের সাক্ষাত কামনা করে না, তার সমস্ত সৎকর্মই গুনাহে পরিণত হয়।

তিনি সবসময় আকাঙ্ক্ষা করতেন—“আমার একটি ছোট গ্রাম থাকুক, সেখানে একটি মসজিদ থাকুক; আমি দুনিয়াবি ব্যস্ততা থেকে দূরে থেকে ইবাদতে মগ্ন থাকব।”

তিনি বিনয় ও নম্রতার প্রতীক ছিলেন। এক রাতে ভোজে তাঁর ভাই আবুল কাসিম একপাশে বসেছিলেন, অপর পাশে খোরাসানের গভর্নর এবং একটি হাতহীন এক দরিদ্র ব্যক্তি। নিযামুল মুলক লক্ষ্য করলেন, গভর্নর দরিদ্রটির উপস্থিতি অপছন্দ করছেন। তিনি দরিদ্রকে ডেকে নিজের পাশে বসালেন এবং তার সঙ্গে আহার করলেন।
তিনি অভ্যাস করেছিলেন নিজের রুটি গরিবদের দিতেন, দরিদ্র-অসহায়দের পাশে বসাতেন এবং তাদের সঙ্গে আহার করতেন।
এক কবিতায় তিনি বলেন:
بعد ثمانين ليس قوة قد ذهبت شهوة الصبوة
كانني والعصا بكفى موسى ولكن بلا نبوة
বাংলা অনুবাদ:
আশি বছর পেরিয়ে আমার শক্তি-সামর্থ্য ক্ষীণ হয়ে গেছে, যৌবনের উচ্ছ্বাস নিঃশেষ। যেন আমি মূসা আ., হাতে লাঠি আছে, তবে নবুওত নেই।

আরেকটি কবিতায় বলেন:
تقوس بعد طول العمر ظهرى و داستني الليالي ای دوس قامي والعصا تمشى امامي كان قوامها وتر بقوس
বাংলা অনুবাদ:
দীর্ঘ জীবনের কারণে আমার পিঠ বাঁকা হয়ে গেছে, রাতগুলো আমাকে পদদলিত করেছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, লাঠি আমার আগে আগে চলে—যেন ধনুকের তার।

কবিতা শোনায় তিনি প্রভাবিত হতেন। একবার অসুস্থ হলে আলী কৌমসানী তাঁকে দেখতে এসে কবিতা শুনালেন:
اذا مرضنا نوينا كل صالحة فان شفينا فمنا الزيغ والزلل
نرجو الاله اذا و نخطه اذا امنا فما يز كولنا عمل
বাংলা অনুবাদ:
আমরা যখন অসুস্থ হই, সব ভালো কাজের নিয়ত করি;
কিন্তু যখন সুস্থ হই, তখন গোনাহে জড়িয়ে পড়ি।
যখন ভয় পাই, তখন আল্লাহর দিকে রুজু করি;
কিন্তু যখন স্বস্তিতে থাকি, তখন তাঁকে অসন্তুষ্ট করি।
এ কবিতা শুনে নিযামুল মুলক দীর্ঘক্ষণ কেঁদেছিলেন এবং বলেছিলেন: “আমার অবস্থাও এমনই।”

ওফাত
৪৮৫ হিজরী, ১০ই রমযান, বৃহস্পতিবার ইফতারের সময়। নিযামুল মুলক মাগরিব আদায় করে ফকীহ, হাফিয, সুফী ও গরিবদের সঙ্গে একত্রে বসে আহার শুরু করলেন। ইসলামি ইতিহাস আলোচনা করতে করতে তিনি হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর যুগের ‘নাহাওয়ান্দ’ যুদ্ধের প্রসঙ্গ আনলেন এবং বললেন: “সেই শহীদরা সৌভাগ্যবান, যারা এই যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন।”

খাবার শেষে তিনি মহিলাদের কক্ষে যাওয়ার জন্য উঠলেন। তাঁর সঙ্গে একজন অপরিচিত ব্যক্তি এগিয়ে এল, যেন কোনো ত্রুটি ক্ষমার আবেদন করছে। কিন্তু হঠাৎ সে খঞ্জর দিয়ে তাঁকে আঘাত করে শহীদ করে ফেলে। তাঁকে মহিলাদের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হলো। মৃত্যুপথযাত্রী অবস্থায় তাঁর শেষ বাক্য ছিল:
“আমার হত্যাকারীকে হত্যা কোরো না, আমি তাকে ক্ষমা করে দিলাম।”
এ কথার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি প্রাণ আল্লাহর হাতে সমর্পণ করলেন।

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#ইতিহাস#উসমানী খিলাফত
ShareTweet

related-post

পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান সংকট: সেনাবাহিনীর নীতিগত ব্যর্থতার ফলাফল
রাজনীতি

পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান সংকট: সেনাবাহিনীর নীতিগত ব্যর্থতার ফলাফল

নভেম্বর 27, 2024
অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট! ​
রাজনীতি

অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট! ​

এপ্রিল 14, 2026
​আঞ্চলিক পরিবর্তিত পরিস্থিতি এবং ইমারতে ইসলামিয়ার সফল পররাষ্ট্রনীতি!
রাজনীতি

​আঞ্চলিক পরিবর্তিত পরিস্থিতি এবং ইমারতে ইসলামিয়ার সফল পররাষ্ট্রনীতি!

মার্চ 4, 2026
ইসমাঈল হানিয়্যাহর প্রথম শাহাদাতবার্ষিকী : শহীদদের সঙ্গে এক নতুন অঙ্গীকারের দিন
মুসলিম উম্মাহর উজ্জ্বল নক্ষত্র

ইসমাঈল হানিয়্যাহর প্রথম শাহাদাতবার্ষিকী : শহীদদের সঙ্গে এক নতুন অঙ্গীকারের দিন

জুলাই 31, 2025
১৫ ফেব্রুয়ারি: স্বাধীনতার এক অনুপ্রেরণাদায়ক উপাখ্যান!
ইতিহাস

১৫ ফেব্রুয়ারি: স্বাধীনতার এক অনুপ্রেরণাদায়ক উপাখ্যান!

ফেব্রুয়ারি 15, 2026
ঘোর প্রদেশের কেন্দ্রস্থলে আইএসআইএস-খাওয়ারিজের একটি গ্রুপকে নির্মূল করা হয়েছে
দাঈশ খাওয়ারিজ

ঘোর প্রদেশের কেন্দ্রস্থলে আইএসআইএস-খাওয়ারিজের একটি গ্রুপকে নির্মূল করা হয়েছে

অক্টোবর 21, 2024
ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | চতুর্থ পর্ব
ধর্মীয় নিবন্ধ

ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | চতুর্থ পর্ব

সেপ্টেম্বর 25, 2025
বহিরাগত অপারেশন প্রধান শীর্ষ আইএসআইএস নেতা ইরাকে নিহত
দাঈশ খাওয়ারিজ

বহিরাগত অপারেশন প্রধান শীর্ষ আইএসআইএস নেতা ইরাকে নিহত

মার্চ 17, 2025
আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটানো নেতা
ব্লগ

আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটানো নেতা

এপ্রিল 26, 2025

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    জুলাই 3, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

    সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

    জুলাই 22, 2026
    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব

    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব

    জুলাই 22, 2026
    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও শ্বেতাঙ্গ উপনিবেশবাদ!

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও শ্বেতাঙ্গ উপনিবেশবাদ!

    জুলাই 21, 2026
    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | ষষ্ঠবিংশ পর্ব

    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | ষষ্ঠবিংশ পর্ব

    জুলাই 20, 2026

    news

    সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

    সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

    জুলাই 22, 2026
    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব

    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব

    জুলাই 22, 2026
    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও শ্বেতাঙ্গ উপনিবেশবাদ!

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও শ্বেতাঙ্গ উপনিবেশবাদ!

    জুলাই 21, 2026
    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | ষষ্ঠবিংশ পর্ব

    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | ষষ্ঠবিংশ পর্ব

    জুলাই 20, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .