শুক্রবার, অক্টোবর 16, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | পর্ব ৩১

✍🏻 হারিস উবায়দাহ

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | পর্ব ৩১
0
SHARES
6
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

নৌবাহিনী শক্তিশালী করার উদ্যোগ

সুলতান যেসব বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন, তার মধ্যে অন্যতম ছিল উসমানি নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা এবং যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা বাড়ানো। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি নৌবাহিনী গড়ে তোলা, যা কনস্টান্টিনোপলের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। কারণ কনস্টান্টিনোপলের মতো সমুদ্রনির্ভর একটি শহরকে শক্তিশালী নৌবাহিনী ছাড়া অবরোধ করা প্রায় অসম্ভব ছিল।

বলা হয়, এই উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা জাহাজের সংখ্যা একসময় প্রায় ৪০০-তে পৌঁছেছিল।

বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে সন্ধি

কনস্টান্টিনোপল আক্রমণের আগে সুলতান মুহাম্মদ তাঁর কয়েকজন শত্রুর সঙ্গে সন্ধি করেছিলেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল অন্য দিকগুলো নিয়ে নিশ্চিন্ত থেকে একমাত্র কনস্টান্টিনোপলের বিরুদ্ধেই পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া।

এ ছাড়া কনস্টান্টিনোপলের প্রতিবেশী গালাতা আমিরাতের সঙ্গেও তিনি সন্ধি করেন। এটি কনস্টান্টিনোপলের পূর্বদিকে অবস্থিত ছিল এবং গোল্ডেন হর্নের জলরাশি থেকে শহরটিকে পৃথক করে রেখেছিল।

একইভাবে কনস্টান্টিনোপলের আশপাশে অবস্থিত হাঙ্গেরি ও ভেনিসের রাজ্যগুলোর সঙ্গেও চুক্তি করা হয়েছিল। তবে কনস্টান্টিনোপলে আক্রমণ শুরু হলে এসব চুক্তি আর টেকেনি। অন্যান্য খ্রিস্টান দেশের সৈন্যদের পাশাপাশি এসব আমিরাত ও রাজ্যের সৈন্যরাও শেষ পর্যন্ত কনস্টান্টিনোপলের প্রতিরক্ষায় অংশ নেয়।

এদিকে সুলতান মুহাম্মদ ফাতিহ যখন কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের দিন গুনছিলেন এবং দিনরাত প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিলেন, তখন বাইজেন্টাইন সম্রাট অবরোধ ঠেকানোর জন্য নানা ধরনের চেষ্টা চালাতে থাকেন।

তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সমঝোতার হাত বাড়িয়ে দেন। সুলতানকে তাঁর লক্ষ্য থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য নানাভাবে চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সুলতান মুহাম্মদ কোনো প্রস্তাবেই সাড়া দেননি।

তিনি সংকল্প করেছিলেন, যেকোনো মূল্যে কনস্টান্টিনোপল জয় করবেন এবং উসমানি সাম্রাজ্যের সামনে থাকা এই শেষ বড় বাধাটিও দূর করবেন।

যখন বাইজেন্টাইন সম্রাট বুঝতে পারলেন যে উসমানি বাহিনী অর্থের বিনিময়ে পিছু হটবে না এবং সুলতান শহরটি বিজয়ের ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, তখন তিনি ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কাছে সাহায্য চাওয়া শুরু করলেন।

বিশেষ করে তিনি ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের ধর্মীয় নেতা রোমের পোপের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করলেন।

কনস্টান্টিনোপল ছিল পূর্বাঞ্চলীয় অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের প্রধান কেন্দ্র। ক্যাথলিকদের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় বিরোধও ছিল। কিন্তু সাম্রাজ্যকে বাঁচানোর তাগিদে বাইজেন্টাইন সম্রাট সেই বিরোধকে একপাশে সরিয়ে রাখলেন এবং রোমের পোপের সহযোগিতা চাইলেন।

বাইজেন্টাইন সম্রাট একপ্রকার বাধ্য হয়েই পোপের সঙ্গে সমঝোতার পথ বেছে নিলেন এবং তাঁকে নিজের মিত্র করার চেষ্টা করলেন। এমনকি তিনি ঘোষণা করলেন, পূর্বাঞ্চলীয় অর্থোডক্স চার্চের খ্রিস্টানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি পোপের আনুগত্য মেনে নিতেও প্রস্তুত।

অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের কাছে বিষয়টি মোটেও গ্রহণযোগ্য ছিল না। তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে এ সিদ্ধান্তের গভীর বিরোধ ছিল। তবু সম্রাট নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকলেন।

একপর্যায়ে পোপ তাঁর একজন প্রতিনিধিকে কনস্টান্টিনোপলে পাঠালেন। সেই প্রতিনিধি শহরের সবচেয়ে বড় গির্জা হায়া সোফিয়ায় বক্তব্য দেন এবং পোপের জন্য প্রার্থনাও করেন।

এই ঘোষণার কথা শুনে অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের অনেকেই প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা সম্রাট ও পোপের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।

এমনকি তাদের কেউ কেউ বলেছিল, “বাইজেন্টাইন ঘরবাড়িতে লাতিনদের পোশাক দেখার চেয়ে আমরা বরং তুর্কিদের পাগড়ি দেখতেই বেশি পছন্দ করব।”

কনস্টান্টিনোপল এমন এক ভৌগোলিক অবস্থানে ছিল, যা তাকে স্বাভাবিকভাবেই একটি শক্তিশালী দুর্গে পরিণত করেছিল। শহরটি বসফরাস প্রণালি, মারমারা সাগর এবং গোল্ডেন হর্নের জলপথ দ্বারা ঘেরা ছিল।

শহরের নিরাপত্তার জন্য সমুদ্রপথে শত্রু জাহাজের প্রবেশ ঠেকাতে বিশাল শৃঙ্খল ও প্রতিরক্ষামূলক স্থাপনা ব্যবহার করা হতো। প্রয়োজন হলে শৃঙ্খল কিছুটা ঢিলে করে জাহাজকে ভেতরে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হতো। আবার বিপদের সময় সেটি টেনে শক্ত করে পথ বন্ধ করে দেওয়া হতো।

শহরের স্থলভাগের প্রতিরক্ষাতেও ছিল শক্তিশালী ব্যবস্থা। দ্বীপের দিক থেকে মারমারা সাগর পর্যন্ত এবং সেখান থেকে গোল্ডেন হর্ন পর্যন্ত বিস্তৃত দুটি বড় দুর্গপ্রাচীর ছিল। দুটি দুর্গ একই প্রতিরক্ষা রেখার অন্তর্ভুক্ত ছিল। পাশাপাশি সেখানে ‘লাইকোস’ নামে একটি নদীও প্রবাহিত ছিল।

সব মিলিয়ে কনস্টান্টিনোপল ছিল এমন একটি সুরক্ষিত নগরী, যার প্রতিরক্ষা ভেদ করে প্রবেশ করা যেকোনো সেনাবাহিনীর জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল।

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#ইতিহাস#উসমানী খিলাফত
ShareTweet

related-post

পাকিস্তানে দাঈশ খোরাসান (ISKP) শাখার দুই গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে।
দাঈশ খাওয়ারিজ

পাকিস্তানে দাঈশ খোরাসান (ISKP) শাখার দুই গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে।

অক্টোবর 5, 2025
স্বাধীনতা: জাতিসমূহের অটুট সংকল্প!
আফগানিস্তান

স্বাধীনতা: জাতিসমূহের অটুট সংকল্প!

আগস্ট 12, 2026
বেলুচিস্তানের সংকট ঘনীভূত হচ্ছে!
রাজনীতি

বেলুচিস্তানের সংকট ঘনীভূত হচ্ছে!

মে 27, 2026
রিচার্ড বেন্ট: বিশ্বব্যাপী স্যাটানিজমের প্রতিনিধি
আফগানিস্তান

রিচার্ড বেন্ট: বিশ্বব্যাপী স্যাটানিজমের প্রতিনিধি

আগস্ট 27, 2024
ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | একবিংশ পর্ব
ব্লগ

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | একবিংশ পর্ব

জুন 16, 2026
আফগান ভূখণ্ড পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সংকটের বলি হতে পারে না!
রাজনীতি

আফগান ভূখণ্ড পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সংকটের বলি হতে পারে না!

সেপ্টেম্বর 22, 2026
পাকিস্তানের দ্বিমুখী নিরাপত্তা নীতি!
দাঈশ

পাকিস্তানের দ্বিমুখী নিরাপত্তা নীতি!

ডিসেম্বর 22, 2025
আইএসআইএস: সামরিক জান্তার ছায়াযুদ্ধের একটি হাতিয়ার! ​
রাজনীতি

আইএসআইএস: সামরিক জান্তার ছায়াযুদ্ধের একটি হাতিয়ার! ​

মে 21, 2026
নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | চতুর্থ পর
ব্লগ

নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | চতুর্থ পর

জানুয়ারি 16, 2026

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    সেপ্টেম্বর 2, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! | পর্ব ৪

    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! | পর্ব ৪

    অক্টোবর 15, 2026
    খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন ও জরুরি অবস্থা জারির নেপথ্যে কী?

    খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন ও জরুরি অবস্থা জারির নেপথ্যে কী?

    অক্টোবর 14, 2026
    পাকিস্তান ইসলামী ইমারাতকে ‘তালেবান রেজিম’ বলতে পারলে, নিজেদের ‘সামরিক রেজিম’ নামে শুনতে এত আপত্তি কেন?

    পাকিস্তান ইসলামী ইমারাতকে ‘তালেবান রেজিম’ বলতে পারলে, নিজেদের ‘সামরিক রেজিম’ নামে শুনতে এত আপত্তি কেন?

    অক্টোবর 13, 2026
    খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা কেন?

    খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা কেন?

    অক্টোবর 13, 2026

    news

    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! | পর্ব ৪

    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! | পর্ব ৪

    অক্টোবর 15, 2026
    খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন ও জরুরি অবস্থা জারির নেপথ্যে কী?

    খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন ও জরুরি অবস্থা জারির নেপথ্যে কী?

    অক্টোবর 14, 2026
    পাকিস্তান ইসলামী ইমারাতকে ‘তালেবান রেজিম’ বলতে পারলে, নিজেদের ‘সামরিক রেজিম’ নামে শুনতে এত আপত্তি কেন?

    পাকিস্তান ইসলামী ইমারাতকে ‘তালেবান রেজিম’ বলতে পারলে, নিজেদের ‘সামরিক রেজিম’ নামে শুনতে এত আপত্তি কেন?

    অক্টোবর 13, 2026
    খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা কেন?

    খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা কেন?

    অক্টোবর 13, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .