বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 8, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home ইতিহাস

​আফগানিস্তান: বীরদের আবাসস্থল এবং আক্রমণকারীদের কবরস্থান!

✍🏻 ​আবদুল বাসির উমারি

​আফগানিস্তান: বীরদের আবাসস্থল এবং আক্রমণকারীদের কবরস্থান!
0
SHARES
2
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

সৃষ্টির স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে, প্রতিটি মানুষই স্বাধীন, স্বায়ত্তশাসিত এবং মুক্ত থাকতে চায়। এই বৈশিষ্ট্য কেবল মানুষের মধ্যেই নয়, বরং প্রাণিকূলেও বিদ্যমান। এমনকি যদি কোনো প্রাণী অন্য কোনো প্রাণীর এলাকা দখল করতে আসে, তবে সেই দ্বিতীয় প্রাণীটি দুর্বল হলেও কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলে। মানুষের মধ্যেও অধিকাংশের মাঝে এই গুণটি বিদ্যমান। ইসলামও এই স্বভাবজাত চাহিদার ভিত্তিতে আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা এবং জিহাদের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। যখন কোনো ইসলামী ভূখণ্ড আক্রান্ত হয়, তখন সমস্ত মুসলমানের ওপর আক্রমণকারী শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও জিহাদ করা ফরজ বা আবশ্যক হয়ে পড়ে।

শাইখুল ইসলাম আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহ.) এই যুদ্ধকে ইমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন:
“প্রতিরক্ষামূলক যুদ্ধ হলো আক্রমণকারীকে পবিত্রতা বা মর্যাদা রক্ষা থেকে বিরত রাখার সবচেয়ে কঠোর রূপ এবং এটি সর্বসম্মতিক্রমে ওয়াজিব। যে আক্রমণকারী শত্রু দ্বীন ও দুনিয়া উভয়কেই ধ্বংস করে, ইমানের পর তাকে প্রতিহত করার চেয়ে জরুরি আর কিছু নেই এবং এর জন্য অন্য কোনো শর্তের প্রয়োজন নেই।”
(আল-ফাতাওয়াতুল কুবরা, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৬০৮)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবায়ে কেরাম উহুদ, খন্দক, ইয়ারমুক, তাবুক এবং অন্যান্য যুদ্ধে আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে এমন বীরত্ব প্রদর্শন করেছেন যার উদাহরণ মানব ইতিহাসে বিরল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আক্রমণের বিপরীতে যুদ্ধ করা মানুষের স্বভাবজাত বিষয়; ইসলাম এর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। আর বর্তমান যুগের মুসলমানদের মধ্যে আফগানরাই সেই জাতি, যারা প্রতিটি আক্রমণকারীকে উপযুক্ত শিক্ষা দিয়েছে। নামমাত্র সম্পদ এবং সীমিত বৈষয়িক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও তারা বড় বড় সাম্রাজ্যকে পরাজিত করেছে এবং অতুলনীয় আত্মত্যাগের মাধ্যমে তাদের দ্বীন ও দেশের সম্মানকে পুনরুজ্জীবিত করেছে।

শাইখুল মুজাহিদিন শহীদ আব্দুল্লাহ আজম (রহ.) আফগানদের সম্পর্কে বলেন: “আফগান মুসলিম জাতির সেই পবিত্র ভূমি, যা তাদের পবিত্র রক্তে সিক্ত হয়েছে, এ পর্যন্ত প্রায় দশ লাখ শহীদ উপহার দিয়েছে এবং আজও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে মাথা, রক্ত, আত্মা এবং খণ্ড-বিখণ্ড দেহের কুরবানি দিচ্ছে। এই জাতি এত ত্যাগ স্বীকার করছে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই, কারণ এই গুণটি তাদের শেকড় ও সত্তার মধ্যেই বিদ্যমান। যেমন হযরত ওমর (রা.) বলেছিলেন যে, সন্তান গুণাবলীতে তার পিতার সদৃশ হয়—চাই তা জ্ঞান হোক, দানশীলতা হোক কিংবা বীরত্ব।”

এই ভূখণ্ড ইমাম আবু হানিফা, বায়হাকী, বলখী, মারওয়াজি, ইবনে হিব্বান আল-বাস্তি, তিরমিজি, নাসাঈ, বুখারী, কুতাইবা বিন মুসলিম, সুলতান মাহমুদ গজনভি, ফখর রাজি, ইবনে তাইমিয়া, ইমামুল হারামাইন জুওয়াইনি, আল-বিরুনী, বাদাখশী, আল-ফারাবি, ইবনে সিনা, জুরজানি এবং ওয়ালিদ বাজির মতো মনীষীদের আবাসস্থল ও জন্মভূমি।

আফগান জনগণের এই আত্মমর্যাদাসম্পন্ন বৈশিষ্ট্য কেবল সমসাময়িক আলেমরাই বর্ণনা করেননি, বরং তাবেয়ীনদের থেকেও বর্ণিত হয়েছে যে—“খোরাসান হলো আল্লাহর চাবুক; আল্লাহ যখন কারও ওপর রাগান্বিত হন, তখন এদের মাধ্যমে তাকে শাস্তি দেন।”

বিশ্বের তগুতি শক্তিগুলোও স্বীকার করে যে আফগানিস্তান আমাদের জন্য কবরস্থান প্রমাণিত হয়েছে। জো বাইডেন এবং ট্রাম্প বারবার এই সত্য স্বীকার করেছেন। আরব আলেমদের কাছেও আফগানিস্তান ‘মাকবারাতুল কুফফার’ (কাফেরদের কবরস্থান) নামে পরিচিত। এক শতাব্দীরও কম সময়ের মধ্যে আফগানিস্তানে তিনটি বড় নরখাদক সাপের মাথা কাটা হয়েছে এবং তাদের বাহিনীকে রক্তে ভিজিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই নরখাদকদের মধ্যে একটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন যারা আফগানিস্তান দখল করেছিল। দীর্ঘ লড়াই এবং জিহাদের পর ১৫ই ফেব্রুয়ারি তাদের অপমানজনক ও লজ্জাজনক পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয় এবং তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। আজ সেই মোবারক দিনের ৩৭ বছর পূর্ণ হচ্ছে।

Tags: #আফগানিস্তান#আলমিরসাদবাংলা#ইতিহাস
ShareTweet

related-post

দশকব্যাপী যুদ্ধের পর সম্পর্কের নতুন অধ্যায়!
রাজনীতি

দশকব্যাপী যুদ্ধের পর সম্পর্কের নতুন অধ্যায়!

জুন 9, 2026
জাফর এক্সপ্রেসে হামলা: কেন দোষ আফগানিস্তানের ওপর চাপানো হলো?
ব্লগ

জাফর এক্সপ্রেসে হামলা: কেন দোষ আফগানিস্তানের ওপর চাপানো হলো?

মার্চ 15, 2025
পাকিস্তান অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার দিকে ধাবিত হচ্ছে!
রাজনীতি

পাকিস্তান অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার দিকে ধাবিত হচ্ছে!

আগস্ট 5, 2026
রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | দ্বাদশ পর্ব
ইতিহাস

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | দ্বাদশ পর্ব

মে 11, 2025
​বিশ্ব ও মুসলিম জাহানের ওপর ইসলামি ইমারাতের প্রভাব!
আফগানিস্তান

​বিশ্ব ও মুসলিম জাহানের ওপর ইসলামি ইমারাতের প্রভাব!

জুন 2, 2026
আবাবিল ও হাতি: শক্তি, ওজন এবং আদর্শের এক সহজ গল্প!
ব্লগ

আবাবিল ও হাতি: শক্তি, ওজন এবং আদর্শের এক সহজ গল্প!

মার্চ 8, 2026
পাকিস্তানি জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া রাজনৈতিক ও সামরিক হিপনোটিজম!
ব্লগ

পাকিস্তানি জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া রাজনৈতিক ও সামরিক হিপনোটিজম!

জানুয়ারি 28, 2026
‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ লিখেছে, ‘আফগানিস্তানে চরম ব্যর্থতার পর পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব উন্মাদের মতো আচরণ করছে’
রাজনীতি

‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ লিখেছে, ‘আফগানিস্তানে চরম ব্যর্থতার পর পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব উন্মাদের মতো আচরণ করছে’

অক্টোবর 1, 2026
খাওয়ারিজদের পরিচয় | তৃতীয় পর্ব
ইতিহাস

খাওয়ারিজদের পরিচয় | তৃতীয় পর্ব

ফেব্রুয়ারি 7, 2025

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

  • লাইব্রেরি
আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو

সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .