বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 1, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

সন্ত্রাসবাদের উৎস কোথায়?

✍🏻 ​আসলাম বেলুচ

সন্ত্রাসবাদের উৎস কোথায়?
0
SHARES
5
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

দুই দিন আগে ‘আল মিরসাদ’ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যেখানে বলা হয়েছে যে, খাইবার পাখতুনখোয়ার ওরাকযাই অঞ্চলে মুহাম্মাদ ইকবাল নামে এক ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের হাতে নিহত হয়েছেন। মুহাম্মাদ ইকবাল পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন এবং আইএস (ISIS) অপারেটিভদের সাথে তাঁর সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সমন্বয় ছিল।

অন্য কথায়, তিনি একই সাথে আইএসআই (ISI) এবং আইএস (ISIS)-এর সদস্য ছিলেন। একদিকে তিনি আইএস সদস্যদের সহযোগিতা করতেন, তাদের প্রশিক্ষণ দিতেন, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করে দিতেন এবং অভিযানের জন্য মোতায়েন করতেন। অন্যদিকে, এই সমস্ত কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো আইএসআই-এর দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে।

আপনি তাকে গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইএসকেপি (ISKP) অপারেটিভদের মধ্যে একটি সেতু হিসেবে বর্ণনা করতে পারেন। তবে শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও এক ধরনের নেতা ছিলেন যিনি আইএসআই-এর জন্য পরিকল্পনা তৈরি করতেন এবং পরে সেই একই পরিকল্পনা এই গোষ্ঠীগুলোর কাছে পৌঁছে দিতেন। এসব নীল নকশার মাধ্যমেই তিনি তাদের লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করতেন।

সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়ার এক প্রখ্যাত ধর্মীয় আলেম, হাজার হাজার ছাত্রের শিক্ষক, অসংখ্য মাদ্রাসার অলঙ্কার এবং জাতীয় পর্যায়ের একজন বিশিষ্ট শায়খুল হাদিস মাওলানা মুহাম্মাদ ইদরিসকে প্রকাশ্য দিবালোকে বাজারে শহীদ করা হয়। তাঁর শাহাদাতের পরপরই আইএস-খাওয়ারিজ এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে।

একই সময়ে পাকিস্তান রাষ্ট্র কিছু বেসরকারি ব্যক্তির মাধ্যমে এই বেদনাদায়ক ঘটনাটিকে নিজেদের উদ্দেশ্য এবং রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের চেষ্টা করে। তবে মুহাম্মাদ ইকবালের মৃত্যু এবং উভয় পক্ষের সাথে তাঁর সম্পর্কের বিষয়টি একটি অত্যন্ত চমকপ্রদ ও তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য সামনে নিয়ে এসেছে।

আইএস-এর এই উপাদানগুলো যারা দেশের ভেতরে এবং এমনকি সারা বিশ্বে ফিতনা ছড়ায়, তারা কোনো মুসলিমকেই তাদের ক্ষতি থেকে নিরাপদ রাখে না। তারা নিষ্ঠুরতা ও বর্বরতার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে; নিপীড়ন ও সহিংসতার নতুন নতুন রূপের প্রবর্তন করেছে এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের ওপর এক মুসিবত হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

মসজিদ ও মাদরাসা ধ্বংস করা তাদের পেশায় পরিণত হয়েছে এবং ধর্ম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু। মানবতার প্রতি তারা চরম শত্রুতা প্রদর্শন করে; মানুষকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা, শরীরে বিস্ফোরক বেঁধে উড়িয়ে দেওয়া এবং তাদের দেহকে ভস্মীভূত করা তাদের পদ্ধতিতে পরিণত হয়েছে।

নিষ্পাপ শিশুদের হত্যা, অপহরণ এবং বিভ্রান্ত করা তাদের জন্য একটি নিয়মতান্ত্রিক মিশনে পরিণত হয়েছে। নারী অবমাননা, নির্মম হত্যাকাণ্ড এবং তাদের বিভীষিকাময় আচরণ সাধারণ মানুষ ও অভিজাত—উভয় মহলেই ব্যাপকভাবে পরিচিত।

সামগ্রিকভাবে এই গোষ্ঠীটি সন্ত্রাস, বর্বরতা ও নিপীড়নের এক মূর্ত প্রতীক। মুহাম্মাদ ইকবালের ফাঁস হওয়া তথ্য থেকে এটিই স্পষ্ট হয় যে, এই গোষ্ঠীর পেছনে পাকিস্তান রাষ্ট্র ও তার গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমর্থন রয়েছে এবং আইএস-খাওয়ারিজরা সরাসরি তাদের নির্দেশনায় তাদের অন্ধকার কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে।

আইএস-খাওয়ারিজ এবং আইএসআই-এর মধ্যে সম্পর্কের দাবি এই প্রথম নয়। বরং এর আগেও বারবার এমন ঘটনা ঘটেছে।

করাচি থেকে খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বালুচিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে গত এক বছরে এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে যেখানে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা আইএস অপারেটিভদের এমনভাবে লক্ষ্যবস্তু করেছে যে তাদের সম্পূর্ণ তথ্য এবং ডেটা জনসাধারণের সামনে উন্মোচিত হয়েছে।

তাদের সংযোগগুলো ফাঁস হয়েছে এবং পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের সাথে জড়িত নির্দেশনাগুলো বারবার প্রকাশ্যে এসেছে।

এমনকি বেশ কয়েকবার এমনও ঘটেছে যে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো স্পষ্ট হত্যাকাণ্ড বা অন্যান্য অপরাধে লিপ্ত আইএস-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোকে আটক করেছে, কিন্তু পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হস্তক্ষেপ করে তাদের মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন যে “এরা আমাদেরই লোক”, অন্য কাউকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য সতর্ক করেছেন।

এই বিষয়টি এখন এতটাই ছড়িয়ে পড়েছে যে পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও তাদের বক্তৃতা ও জনসভায় প্রকাশ্যেই এসব কথা বলতে শুরু করেছেন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কেন এই দ্বিমুখী নীতি অনুসরণ করছে? একদিকে তারা নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে, প্রতিবেশী দেশগুলোকে অভিযুক্ত করে এবং জনমতকে প্রভাবিত করার জন্য সব ধরনের আখ্যান ব্যবহার করে। তাদের “অমুক সন্ত্রাসী আর তমুক সন্ত্রাসী” স্লোগান থামছেই না। অন্যদিকে, পর্দার আড়ালে একই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিশ্বের অন্যতম নৃশংস ও কুখ্যাত গোষ্ঠীকে লালন-পালন করা, তাদের আশ্রয় দেওয়া এবং কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে।

তিরাহ-র বাসিন্দারা প্রকাশ্যেই বলেছেন যে, তাদের ঘরবাড়ি খালি করে দিয়ে তা আইএস-এর হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। এটি প্রশ্ন তোলে, এই সবকিছুর পেছনের উদ্দেশ্য কী? পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কি এভাবে নিজ দেশের ভেতরে অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং নিয়ন্ত্রণ সুসংহত করার চেষ্টা করছে?

উদ্দেশ্য কি তাদের দৃশ্যপট থেকে সরিয়ে দেওয়া যারা পরিস্থিতির বাস্তবতা বোঝেন এবং সত্য কথা বলে মানুষকে সচেতন করতে পারেন? রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কি এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করে সেই বিশেষ সুযোগ-সুবিধাগুলো আরও জোরদার করছে যা জনগণের কষ্ট ও শ্রমের ওপর ভিত্তি করে তৈরি?

এটা কি সম্ভব যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো প্রথমে এই ধরনের গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে এবং তারপরে নিজেদের শিকার (victim) হিসেবে উপস্থাপন করতে এবং অন্যের ওপর দোষ চাপাতে আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করে? আর এই সংস্থাগুলো কি এই ধরনের অপবিত্র গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে অন্য দেশগুলোর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা এবং তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার লক্ষ্য রাখে, যাতে পরে পুরস্কারের বিনিময়ে সেখানে গিয়ে নিজেদের প্রশিক্ষিত উপাদানগুলোকেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে? এই সবগুলোই এমন প্রশ্ন যা সাম্প্রতিক এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উত্থাপিত হয়েছে এবং গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার দাবি রাখে।

পরিশেষে, একদিকে পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী উচ্চস্বরে দাবি করে যে সন্ত্রাসবাদের দানব তাদের ঘাড়ে চেপে বসেছে এবং এর জন্য তারা ইরান, আফগানিস্তান ও ভারতকে এই অপরাধের অংশীদার মনে করে দোষারোপ করে। এমনকি তারা নিজেদের লোক—বেলুচ, পশতুন, সিন্ধি ও পাঞ্জাবিদের হত্যা করতে এবং তাদের দিয়ে কারাগার ভর্তি করতেও দ্বিধা করে না।

কিন্তু যখন তথ্যগুলো সামনে আসে, তখন দেখা যায় যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো যারা পাকিস্তান ও সমগ্র বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছে, তারাও এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ছায়া ও সমর্থনে পরিচালিত হচ্ছে। তাই কেউ ভাবতেই পারে, এই সন্ত্রাসবাদ যার বিরুদ্ধে সবাই চিৎকার করছে, এর আসল উৎস কোথায়? এটি একটি প্রশ্ন, আর এর উত্তর খোজার দায়িত্ব পুরো জনসাধারণের।

 

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#দাঈশখাওয়ারিজ#পাকিস্তান#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

শুধু নিরস্ত্রদের বেলায়ই শক্তিশালী!
রাজনীতি

শুধু নিরস্ত্রদের বেলায়ই শক্তিশালী!

জুন 30, 2026
ইসলামী ইমারাতের উত্তরাঞ্চলে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সফল অভিযান
দাঈশ খাওয়ারিজ

ইসলামী ইমারাতের উত্তরাঞ্চলে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সফল অভিযান

ফেব্রুয়ারি 5, 2025
যখন মিম্বর হয়ে পড়ে ক্ষমতার দাস!
রাজনীতি

যখন মিম্বর হয়ে পড়ে ক্ষমতার দাস!

এপ্রিল 26, 2026
নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | প্রথম পর্ব
ইতিহাস

নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | প্রথম পর্ব

নভেম্বর 26, 2025
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও শ্বেতাঙ্গ উপনিবেশবাদ!
রাজনীতি

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও শ্বেতাঙ্গ উপনিবেশবাদ!

জুলাই 21, 2026
বিশ্ব এক নতুন পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হচ্ছে!
ব্লগ

বিশ্ব এক নতুন পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হচ্ছে!

এপ্রিল 9, 2026
দেইর আয-যোরে তেলবাহী ট্যাংকারে দাঈশের হামলা
দাঈশ খাওয়ারিজ

দেইর আয-যোরে তেলবাহী ট্যাংকারে দাঈশের হামলা

আগস্ট 6, 2025
নিজেদের তৈরি সংকটের ঘূর্ণাবর্তে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী!
রাজনীতি

নিজেদের তৈরি সংকটের ঘূর্ণাবর্তে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী!

সেপ্টেম্বর 27, 2026
জাতিসংঘ কর্তৃক মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বে বপন করা দ্বন্দ্ব!
রাজনীতি

জাতিসংঘ কর্তৃক মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বে বপন করা দ্বন্দ্ব!

এপ্রিল 16, 2026

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

  • লাইব্রেরি
আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو

সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .