বুধবার, সেপ্টেম্বর 9, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home আফগানিস্তান

দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! (পর্ব ১)

✍🏻 ড. হুম্মাম সুলতানি

দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! (পর্ব ১)
0
SHARES
1
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

কুরআন, সুন্নাহ ও সালাফের বক্তব্যের আলোকে কোনো মুসলমানকে কাফির আখ্যায়িত করার বিষয়

কোনো মুসলমানকে কাফির ঘোষণা করা অর্থাৎ তাকফির করা শরিয়াহর অন্যতম স্পর্শকাতর ও গুরুতর বিষয়। এর সঙ্গে সরাসরি একজন মানুষের ঈমান, জীবন, সম্পদ, সম্মান এবং দুনিয়া ও আখিরাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিধান জড়িয়ে আছে। এ কারণেই এ বিষয়ে শরিয়াহ সর্বোচ্চ সতর্কতা ও বিচক্ষণতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে।

আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের সর্বসম্মত নীতি হলো, কারও ইসলাম নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে কেবল সন্দেহ, ভুল ব্যাখ্যা, গুনাহ কিংবা ইজতিহাদের কোনো ভুলের কারণে তার ইসলাম নষ্ট হয়ে যায় না। তাকে কাফির ঘোষণা করার জন্য সুস্পষ্ট ও অকাট্য শরিয়াহ প্রমাণ থাকতে হবে, তাকফিরের সব শর্ত পূরণ হতে হবে এবং তাকফিরের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এমন সব শরিয়াহসম্মত প্রতিবন্ধকতাও দূর হতে হবে।

পবিত্র কুরআনের নির্দেশনা
মহান আল্লাহ বলেন,
﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا ضَرَبْتُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَتَبَيَّنُوا وَلَا تَقُولُوا لِمَنْ أَلْقَىٰ إِلَيْكُمُ السَّلَامَ لَسْتَ مُؤْمِنًا…﴾
(সূরা আন-নিসা, ৯৪)
“হে ঈমানদারগণ, তোমরা যখন আল্লাহর পথে বের হও, তখন ভালোভাবে যাচাই করে নাও। আর যে ব্যক্তি তোমাদের সালাম দেয়, তাকে বলো না যে, তুমি মুমিন নও।”

এই বরকতময় আয়াত অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে নিছক সন্দেহ, ধারণা কিংবা ভিত্তিহীন অনুমানের ওপর নির্ভর করে কোনো মুসলমানের ঈমান অস্বীকার করা এবং তাকে ইসলাম থেকে বের করে দেওয়া বৈধ নয়।

মহান আল্লাহ আরও বলেন,
﴿وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ﴾
(সূরা আল-ইসরা, ৩৬)
“যে বিষয়ে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তার অনুসরণ করো না।”

এই ঐশী নির্দেশনা মুসলমানকে শিক্ষা দেয় যে বিশ্বাস, বিচার ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে জ্ঞান, প্রমাণ ও নিশ্চিততার ওপর নির্ভর করতে হবে। সন্দেহ, গুজব কিংবা ভিত্তিহীন দাবির ওপর নয়।

নবীজি ﷺ-এর হাদীস
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
“إذا قال الرجل لأخيه: يا كافر، فقد باء بها أحدهما.”
(সহীহ আল-বুখারি, ৬১০৪)
“কোনো ব্যক্তি তার ভাইকে ‘হে কাফির’ বললে দুজনের একজনের ওপর সেই কথা অবশ্যই বর্তাবে।”

এই হাদীস স্পষ্ট করে যে কোনো মুসলমানকে কাফির বলা অত্যন্ত ভয়াবহ ও বিপজ্জনক বিষয়। যাকে কাফির বলা হয়েছে সে যদি প্রকৃতপক্ষে কাফির না হয়, তাহলে অন্যায়ভাবে তাকফির করার গুনাহ তাকফিরকারী ব্যক্তির ওপরই ফিরে আসবে।

অন্য এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
من دعا رجلاً بالكفر أو قال: عدو الله، وليس كذلك إلا حار عليه.
(সহীহ আল-বুখারি, ৬০৪৫)
“কেউ যদি অন্য কাউকে কাফির বলে অথবা ‘আল্লাহর শত্রু’ বলে অথচ সে এমন নয়, তাহলে সেই অপবাদ তার নিজের ওপরই ফিরে আসবে।”

এ প্রসঙ্গে উসামা ইবনু যায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর ঘটনাটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং গভীরভাবে চিন্তার দাবি রাখে।

একটি যুদ্ধে তিনি এমন এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছিলেন, যে কালিমা পাঠ করেছিল, অর্থাৎ বলেছিল, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। এ ঘটনায় রাসূলুল্লাহ ﷺ অত্যন্ত অসন্তুষ্ট ও ব্যথিত হন। তিনি উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন,
“সে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলার পরও তুমি তাকে হত্যা করলে?”

উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন,
“হে আল্লাহর রাসূল, সে তো কেবল নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য কথাটি বলেছিল।”

রাসূলুল্লাহ ﷺ আবার জিজ্ঞেস করলেন,
“সে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলার পরও তুমি তাকে হত্যা করলে?”

উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,
“তিনি আমাকে কথাটি বারবার বলতে থাকলেন। এমনকি আমার মনে হলো, সেদিনের আগে যদি আমি ইসলাম গ্রহণ না করতাম, তাহলে কতই না ভালো হতো। তাহলে তো আমি এই গুনাহে জড়াতাম না।”
(সহীহ আল-বুখারি, ৪২৬৯

নেককার সালাফের পথ
সালাফে সালেহীন বলেছেন,
“لا نكفّر أحدًا من أهل القبلة بذنب ما لم يستحله.”
“আহলে কিবলার কাউকে আমরা কোনো গুনাহের কারণে কাফির বলি না, যতক্ষণ না সে সেই গুনাহকে বৈধ মনে করে।”

ইমাম আবু হানিফা রহ., তাঁর দুই মহান ছাত্র ইমাম আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মদ রহ., ইমাম আহমদ ইবনু হাম্বল রহ., ইমাম ইবনু আবদিল বার আল-মালিকি রহ. এবং আহলুস সুন্নাহর অন্যান্য ইমামগণ এ বিষয়ে একমত যে, আহলে কিবলার কোনো ব্যক্তিকে কেবল গুনাহ করার কারণে কাফির বলা যাবে না, যতক্ষণ না সে সেই গুনাহকে হালাল ও বৈধ মনে করে।

শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রহ. লিখেছেন
”وليس لأحد أن يكفر أحدا من المسلمين، وإن أخطأ وغلط؛ حتى تقام عليه الحجة، وتبين له المحجة، ومن ثبت إسلامه بيقين لم يزل ذلك عنه بشك؛ بل لا يزول إلا بعد إقامة الحجة، وإزالة الشبهة”.
(মাজমুউল ফাতাওয়া, ১২/৪৬৬)
“কোনো মুসলমান ভুল করলেও বা ভুল পথে গেলেও তাকে কাফির ঘোষণা করার অধিকার কারও নেই, যতক্ষণ না তার বিরুদ্ধে প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তার সামনে সত্যের পথ স্পষ্ট করে দেওয়া হয়। আর যার ইসলাম নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, কেবল সন্দেহের কারণে তার ইসলাম দূর হয়ে যায় না। বরং প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হওয়া এবং তার সংশয় দূর হওয়ার পরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া যেতে পারে।”

তাকফিরের ক্ষেত্রে আহলুস সুন্নাহর মূলনীতি
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের নীতি অনুযায়ী কোনো কথা বা কাজকে কুফরি বলা এক বিষয়, আর নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে, যার পরিচয় ও নাম জানা আছে, কাফির ঘোষণা করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। দ্বিতীয়টি অনেক বেশি স্পর্শকাতর।

এক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত হওয়া জরুরি
১। ওই ব্যক্তি সত্যিই এমন কথা বলেছে কিংবা এমন কাজ করেছে কি না, যা শরিয়াহর দৃষ্টিতে কুফরের পর্যায়ে পড়ে, তা নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হতে হবে।

২। ওই কথা বা কাজের ওপর কুফরের বিধান প্রযোজ্য হওয়ার বিষয়টি শরিয়াহর সুস্পষ্ট দলিল দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।

৩। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর শরিয়াহর প্রমাণ যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।

৪। তার সংশয়, ভুল বোঝাবুঝি ও বিভ্রান্তি দূর করা হতে হবে।

৫। এমন কোনো শরিয়াহসম্মত প্রতিবন্ধকতা থাকা যাবে না, যা তাকফিরের বিধান কার্যকর হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করে। যেমন জবরদস্তি, অজ্ঞতা, ভুল ব্যাখ্যা কিংবা অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য ওজর।

খাওয়ারিজদের বিচ্যুতি
ইসলামের ইতিহাসে তাকফিরের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ির পথ সর্বপ্রথম গ্রহণ করেছিল খাওয়ারিজরা। তারা বড় গুনাহ কিংবা রাজনৈতিক মতভেদের কারণেও মুসলমানদের কাফির ঘোষণা করত।

রাসূলুল্লাহ ﷺ তাদের সম্পর্কে বলেছেন,
يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية.
(সহীহ আল-বুখারি, ৬৯৩০)
“তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে, যেমন তীর শিকারের দেহ ভেদ করে বেরিয়ে যায়।”

সারসংক্ষেপ
ইসলাম সতর্কতা, ন্যায়বিচার ও সঠিকভাবে যাচাই-বাছাইয়ের দ্বীন। তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত দেওয়া, বাড়াবাড়ি করা কিংবা অবহেলা করা ইসলামের শিক্ষা নয়।

কোনো মুসলমানকে কাফির ঘোষণা করার সঙ্গে অত্যন্ত গুরুতর ধর্মীয় ও সামাজিক পরিণতি জড়িয়ে রয়েছে। তাই আবেগ, রাজনৈতিক মতবিরোধ কিংবা দলীয় পক্ষপাতের ভিত্তিতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া কখনোই উচিত নয়। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে হবে কুরআন ও সুন্নাহ, উম্মাহর ইজমা এবং উলামায়ে কেরামের নির্ধারিত মূলনীতির আলোকে।

প্রথম সংশয়
চরমপন্থী ও তাকফিরি চিন্তাধারায় প্রভাবিত কিছু মানুষের ছড়ানো সংশয়ের কারণে অনেক সরলমনা তরুণ প্রশ্ন করে থাকেন, ইসলামী ইমারত যদি কিছু অমুসলিম দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে, অথবা আফগানিস্তানকে সহযোগিতা ও সহায়তা প্রদানকারী কোনো অমুসলিম ও ধর্মনিরপেক্ষ দেশের নেতাদের প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, তাহলে কি এর ফলে কোনো ব্যক্তি কাফির হয়ে যায়? এই সংশয়ের পেছনে রয়েছে একটি বড় ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক বিভ্রান্তি।

কোনো মুসলমানকে কাফির ঘোষণা করার ক্ষেত্রে বড় ভুলগুলোর একটি হলো, কোনো অমুসলিমের মধ্যে কোনো ভালো দিক স্বীকার করা, তার কোনো ভালো কাজের প্রশংসা করা কিংবা তার সঙ্গে শরিয়াহসম্মত ও বৈধ কোনো লেনদেন করাকে তাকফিরের কারণ হিসেবে ধরে নেওয়া। অথচ কুরআন ও সুন্নাহর সুস্পষ্ট ও অকাট্য দলিল ছাড়া কোনো বিষয়কে কুফরের কারণ হিসেবে নির্ধারণ করা যায় না। ব্যক্তিগত প্রবৃত্তি, দলীয় পক্ষপাত, ব্যক্তিগত শত্রুতা কিংবা আবেগের ওপর এর ভিত্তি স্থাপন করা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

সুতরাং কোনো অমুসলিম ব্যক্তি কিংবা তার সরকার যদি কোনো ভালো কাজ করে, অথবা কোনো মুসলমান কিংবা ইসলামী রাষ্ট্রকে কোনো ধরনের সহযোগিতা প্রদান করে, তাহলে সেই সহযোগিতার জন্য তাকে ধন্যবাদ দেওয়া কিংবা তার ভালো আচরণের প্রশংসা করা কুফর নয় এবং শরিয়াহও তা নিষিদ্ধ করেনি। এর সুস্পষ্ট দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনেই।

মুতইম ইবনু আদির করা অনুগ্রহ রাসূলুল্লাহ ﷺ কখনো ভুলে যাননি। বনু হাশিমের ওপর আরোপিত সামাজিক অবরোধের অবসানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তায়েফ থেকে ফিরে আসার পরও মুতইম ইবনু আদি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে নিজের আশ্রয় ও নিরাপত্তা দিয়েছিলেন। তাঁর এই অনুগ্রহের স্বীকৃতিস্বরূপ নবীজি ﷺ তাঁর প্রশংসা করেছেন।

বদরের যুদ্ধে মুসলমানরা যখন মুশরিকদের মধ্য থেকে সত্তরজনকে বন্দি করেছিল, তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছিলেন,
لو كان الْمُطْعِمُ بنُ عَديٍّ حيًّا ، ثم كلَّمَنى في هؤلاءِ النَّتْنَى لترکتُهم له – يعنى أسارَى بدرٍ –
(সহীহ আল-বুখারি, ৩১৩৯)
“মুতইম ইবনু আদি যদি আজ জীবিত থাকতেন এবং এই নোংরা লোকগুলোর ব্যাপারে আমার কাছে সুপারিশ করতেন, তাহলে আমি তাঁর সম্মানে অবশ্যই তাদের ছেড়ে দিতাম।”

অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, “আমি অবশ্যই তাঁর অনুরোধে তাদের মুক্ত করে দিতাম।”

হাফিজ ইবনু হাজার রহ. ফাতহুল বারি-তে এই হাদীসের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লিখেছেন,
وَأَنَّ الْمُرَادَ بِالْيَدِ الْمَذْكُورَةِ، مَا وَقَعَ مِنْهُ حِينَ رَجَعَ النَّبِيُّ صلی الله علیه وسلم مِنَ الطَّائِفِ، وَدَخَلَ فِي جِوَارِ الْمُطْعِمِ بْنِ عَدِيٍّ. وَقِيلَ: الْمُرَادُ بِالْيَدِ الْمَذْكُورَةِ أَنَّهُ كَانَ مِنْ أَشَدِّ مَنْ قَامَ فِي نَقْضِ الصَّحِيفَةِ الَّتِي كَتَبَتْهَا قُرَيْشٌ عَلَى بَنِي هَاشِمٍ وَمَنْ مَعَهُمْ مِنَ الْمُسْلِمِينَ حِينَ حَصَرُوهُمْ فِي الشِّعْبِ.
(ফাতহুল বারি, খণ্ড ১২, হাদীস ৩১৩৯, আল-মাকতাবাতুল ওয়াহিদিয়্যাহ, পেশাওয়ার)
“এখানে উল্লিখিত অনুগ্রহের দ্বারা বোঝানো হয়েছে, তায়েফ থেকে ফেরার পর নবী ﷺ যখন মুতইম ইবনু আদির আশ্রয়ে প্রবেশ করেছিলেন, তখন সে যে সহযোগিতা করেছিল। আবার কেউ কেউ বলেছেন, এখানে উল্লিখিত অনুগ্রহের দ্বারা সেই ভূমিকা বোঝানো হয়েছে, যখন কুরাইশ বনু হাশিম ও তাদের সঙ্গে থাকা মুসলমানদের শিবিরে অবরুদ্ধ করে তাদের বিরুদ্ধে একটি চুক্তিপত্র লিখেছিল। মুতইম ইবনু আদি সেই চুক্তিপত্র বাতিল করার উদ্যোগে সবচেয়ে জোরালো ভূমিকা পালনকারীদের একজন ছিলেন।”

অতএব মুতইম ইবনু আদি যদি জীবিত থাকতেন এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর অনুরোধে বদরের বন্দিদের মুক্ত করে দিতেন, তাহলে সেটি তাঁর করা অনুগ্রহের মূল্যায়ন, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং তার ভালো কাজের প্রশংসার একটি সুস্পষ্ট দৃষ্টান্ত হতো।

চলবে…

 

Tags: #আফগানিস্তান#আলমিরসাদবাংলা#দাঈশখাওয়ারিজ#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

ইসলামের ওপর আঘাত: জায়নবাদী ও খারিজীদের যৌথ ষড়যন্ত্র
দাঈশ

ইসলামের ওপর আঘাত: জায়নবাদী ও খারিজীদের যৌথ ষড়যন্ত্র

জুন 20, 2025
আফগান গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বাহিনীর আক্রমণাত্মক সক্ষমতা!
আফগানিস্তান

আফগান গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বাহিনীর আক্রমণাত্মক সক্ষমতা!

আগস্ট 26, 2026
বেলুচিস্তানে ‘আবু ইয়াসির আত-তুর্কী’ নামক এক দাঈশ সদস্য গ্রেফতার
দাঈশ খাওয়ারিজ

বেলুচিস্তানে ‘আবু ইয়াসির আত-তুর্কী’ নামক এক দাঈশ সদস্য গ্রেফতার

জুন 3, 2025
রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | দ্বাদশ পর্ব
ইতিহাস

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | দ্বাদশ পর্ব

মে 11, 2025
ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | চতুর্দশ পর্ব
ইতিহাস

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | চতুর্দশ পর্ব

সেপ্টেম্বর 14, 2025
আইএসআইএস: সামরিক জান্তার ছায়াযুদ্ধের একটি হাতিয়ার! ​
রাজনীতি

আইএসআইএস: সামরিক জান্তার ছায়াযুদ্ধের একটি হাতিয়ার! ​

মে 21, 2026
ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | পর্ব ৩১
ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | পর্ব ৩১

সেপ্টেম্বর 7, 2026
ইয়াহইয়া সিনওয়ারের শাহাদাত: জেরুজালেমের আরেকটি বীরত্বপূর্ণ স্তম্ভের ভাঙন
মুসলিম উম্মাহর উজ্জ্বল নক্ষত্র

ইয়াহইয়া সিনওয়ারের শাহাদাত: জেরুজালেমের আরেকটি বীরত্বপূর্ণ স্তম্ভের ভাঙন

অক্টোবর 19, 2024
বামিয়ানের কেন্দ্রস্থলে বিদেশী পর্যটকদের উপর হামলার নতুন বিবরণ:
আফগানিস্তান

বামিয়ানের কেন্দ্রস্থলে বিদেশী পর্যটকদের উপর হামলার নতুন বিবরণ:

মে 19, 2024

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    সেপ্টেম্বর 2, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! (পর্ব ১)

    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! (পর্ব ১)

    সেপ্টেম্বর 9, 2026
    সত্যের আয়নায় ইসলামী ইমারতের পাঁচ বছরের অর্জন ও অভিযোগের জবাব! (পর্ব ৩)

    সত্যের আয়নায় ইসলামী ইমারতের পাঁচ বছরের অর্জন ও অভিযোগের জবাব! (পর্ব ৩)

    সেপ্টেম্বর 8, 2026
    IEA-এর বিরুদ্ধে পাকিস্তানের যুদ্ধ: দুই জাতির মধ্যে নাকি দুই সরকারের মধ্যে?

    IEA-এর বিরুদ্ধে পাকিস্তানের যুদ্ধ: দুই জাতির মধ্যে নাকি দুই সরকারের মধ্যে?

    সেপ্টেম্বর 8, 2026
    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | পর্ব ৩১

    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | পর্ব ৩১

    সেপ্টেম্বর 7, 2026

    news

    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! (পর্ব ১)

    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! (পর্ব ১)

    সেপ্টেম্বর 9, 2026
    সত্যের আয়নায় ইসলামী ইমারতের পাঁচ বছরের অর্জন ও অভিযোগের জবাব! (পর্ব ৩)

    সত্যের আয়নায় ইসলামী ইমারতের পাঁচ বছরের অর্জন ও অভিযোগের জবাব! (পর্ব ৩)

    সেপ্টেম্বর 8, 2026
    IEA-এর বিরুদ্ধে পাকিস্তানের যুদ্ধ: দুই জাতির মধ্যে নাকি দুই সরকারের মধ্যে?

    IEA-এর বিরুদ্ধে পাকিস্তানের যুদ্ধ: দুই জাতির মধ্যে নাকি দুই সরকারের মধ্যে?

    সেপ্টেম্বর 8, 2026
    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | পর্ব ৩১

    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | পর্ব ৩১

    সেপ্টেম্বর 7, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .