মঙ্গলবার, মার্চ 17, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home ইতিহাস

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা

[দ্বিতীয় পর্ব]

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা
0
SHARES
9
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

✍🏻 আবু রাইয়ান হামিদী

যখন মুসলিমদের ওপর জিহাদের আদেশ অবতীর্ণ হলো, তখন এর সঙ্গে সূচনা হলো এক মহৎ আদর্শের, এক আলোকোজ্জ্বল তত্ত্বের— যা যুগে যুগে নিপীড়িত উম্মতকে মর্যাদার শিখরে পৌঁছে দিয়েছে এবং ইসলামের শত্রুদের বারংবার পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ আস্বাদন করিয়েছে।

সীরাত বিশারদদের মতে, যে সেনাবাহিনীতে রাসুলুল্লাহ ﷺ স্বয়ং উপস্থিত থেকেছেন, তা গাযওয়া নামে পরিচিত, চাই সে যুদ্ধে সংঘর্ষ হোক বা না হোক। আর যে অভিযানে তিনি স্বশরীরে অংশগ্রহণ করেননি, তাকে সারিয়াহ বা বাআস বলা হয়, চাই সে যুদ্ধে রক্তক্ষয় হোক বা না হোক।

গাযওয়া ও সারিয়াহর সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। প্রখ্যাত সীরাতকার মুসা ইবনু উকবা, ইবনু ইসহাক, আল্লামা ওয়াকিদি ও ইবনু জাওযি (রহিমাহুমুল্লাহ) প্রমুখের মতে, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবদ্দশায় গাযওয়ার মোট সংখ্যা ছিল ২৭। অপরদিকে, সারিয়াহর সংখ্যা সম্পর্কে মতভেদ আরও বিস্তৃত, যেখানে অনেক সীরাতবিদের অভিমত ৩৮।

এ সকল গাযওয়া ও সারিয়াহ সংঘটিত হয় মাত্র দশ বছরের এক সীমিত সময়কালে— যা শুরু হয় রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর হিজরতের বছর থেকে এবং তাঁর ওফাতের বছরে এসে সমাপ্ত হয়। গাযওয়ার এই ধারাবাহিকতার সূচনা হয়েছিল গাযওয়াতুল আবওয়া দিয়ে এবং সমাপ্তি ঘটে গাযওয়াতুত তাবুকে। এ থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, রাসুলুল্লাহ ﷺ জিহাদের নির্দেশ পালনে কীভাবে পূর্ণ আত্মনিবেদন প্রদর্শন করেছিলেন।

গাযওয়া ও সারিয়াহর সংখ্যা নিয়ে মতভেদ
গাযওয়া ও সারিয়াহর সংখ্যা নির্ধারণে মতবিরোধের মূল কারণ নিহিত সীরাতকারদের পর্যালোচনার ভিন্নতায়। কোনো কোনো আলিম একাধিক গাযওয়াকে একক অভিযানের অংশ হিসেবে বিবেচনা করেছেন, কারণ সেগুলো একই অভিযাত্রার অন্তর্ভুক্ত ছিল। অন্যদিকে, কিছু আলিম প্রতিটি ঘটনাকে আলাদা গাযওয়া হিসেবে গণ্য করেছেন এবং অভিযানের প্রতিটি ধাপকে পৃথকভাবে তালিকাভুক্ত করেছেন। এই মতভেদকে ঘিরে আরও নানা ব্যাখ্যা বিদ্যমান, তবে এখানে কেবল মৌলিক কারণগুলোকেই উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রথম গাযওয়া: (গাযওয়াতুল আবওয়া/ওয়াদ্দান)
আবওয়া এবং ওয়াদ্দান —এই দুটি স্থাননাম ইসলামের ইতিহাসে প্রথম গাযওয়ার স্মৃতি বহন করে। এ অভিযানে রাসুলুল্লাহ ﷺ স্বয়ং নেতৃত্ব দেন এবং তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রায় সত্তরজন মুহাজির সাহাবি।

এই গাযওয়া সংঘটিত হয়েছিল হিজরতের দ্বিতীয় বর্ষের সফর মাসে। তবে এখানে যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল কুরাইশদের একটি বাণিজ্যিক কাফেলা, যা সিরিয়া থেকে মক্কার দিকে গমন করছিল। কাফেলাটি বনু দ্বামরাহ গোত্রের এলাকার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিল। মুসলিম বাহিনী যখন ওয়াদ্দান পর্যন্ত পৌঁছায়, কাফেলাটি ততক্ষণে তাদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছিল।

পরবর্তী সময়ে, বনু দ্বামরাহ গোত্র যুদ্ধের পথ পরিহার করে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সঙ্গে একটি শান্তিচুক্তি সম্পাদন করে। চুক্তির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি শর্ত ছিল নিম্নরূপ:
১. বনু দ্বামরাহ গোত্র মুসলিমদের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার শত্রুতা প্রদর্শন করবে না।
২. তারা মুসলমানদের শত্রুদের কোনোভাবে সহায়তা করবে না।
৩. প্রয়োজনে তারা মুসলিমদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়াবে।
৪. যতদিন তারা এই চুক্তি অক্ষুণ্ণ রাখবে, মুসলিমদের পক্ষ থেকে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। তবে চুক্তি ভঙ্গ করলে তারা এ সুবিধা হারাবে।

এই অভিযানে অংশগ্রহণকারীরা প্রায় ১৫ দিন মদিনার বাইরে অবস্থান করেন। এ সময় রাসুলুল্লাহ ﷺ মদিনার শাসনভার অর্পণ করেন হযরত সা’দ ইবনু উবাদা রাদিয়াল্লাহু আনহুর ওপর।

এই গাযওয়া থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা
ক. রাসুলুল্লাহ ﷺ শুধুমাত্র মসজিদের মিম্বরে কুরআন ও শরিয়তের বিধান প্রচার করেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না; বরং তিনি ছিলেন যুদ্ধক্ষেত্রের এক অভিজাত কুশলী সেনাপতি এবং সূক্ষ্ম যুদ্ধকৌশলের গভীর জ্ঞানসম্পন্ন নেতা। যুদ্ধের প্রতিটি দিক সম্পর্কে তাঁর পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা ছিল, এবং প্রেক্ষাপটের প্রতি সুবিবেচনা রেখে তিনি প্রতিটি যুদ্ধক্ষেত্র এমন কৌশলে বিন্যস্ত করতেন যে শেষপর্যন্ত বিজয় অনিবার্য হয়ে উঠত।

বনু দ্বামরাহ গোত্র মক্কা ও মদিনার মধ্যবর্তী একটি কৌশলগত অবস্থানে ছিল, যা কুরাইশদের জন্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অবস্থানকে ব্যবহার করে কুরাইশরা সুবিধা নিতে পারত। তাই রাসুলুল্লাহ ﷺ তাদের সঙ্গে এমন শর্তে শান্তিচুক্তি করেন, যাতে তারা কুরাইশদের যুদ্ধে সহায়তা না করে।

খ. রাসুলুল্লাহ ﷺ এর এই কাজ থেকে স্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে, কাফেরদের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করার অনুমতি শরিয়তে বিদ্যমান, যদি তা মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় হয়। এমন চুক্তি, যা মুসলমানদের বর্তমান বা ভবিষ্যতের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে, শরিয়তের নীতিতে অনুমোদিত। এই গাযওয়ার প্রেক্ষাপটে রাসুলুল্লাহ ﷺ বিভিন্ন সময়ে এই কৌশল অবলম্বন করেছেন।

তবে রাজনৈতিক চুক্তি গ্রহণের সময় মুসলিমদের অবস্থান অবশ্যই সুস্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন এবং সেই চুক্তি অবশ্যই সমগ্র উম্মাহর স্বার্থ বিবেচনা করে করা উচিত। এমন চুক্তি করতে হবে, যা মুসলিমদের সম্মিলিত মঙ্গল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং কোনো পরিস্থিতিতেই মুসলিমদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে না।

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#ইতিহাস
ShareTweet

related-post

পাকিস্তানের ক্ষুব্ধ জাতিগোষ্ঠী এবং সামরিক শাসনের হস্তক্ষেপ!
রাজনীতি

পাকিস্তানের ক্ষুব্ধ জাতিগোষ্ঠী এবং সামরিক শাসনের হস্তক্ষেপ!

অক্টোবর 27, 2025
দাঈশ: না রইলো আন্দোলন, না রইলো রাষ্ট্র!
দাঈশ

দাঈশ: না রইলো আন্দোলন, না রইলো রাষ্ট্র!

জুন 11, 2025
আইএসআইএস-খাওয়ারিজের দুই প্রধান সদস্য কুনারে নিহত হয়েছে
দাঈশ খাওয়ারিজ

আইএসআইএস-খাওয়ারিজের দুই প্রধান সদস্য কুনারে নিহত হয়েছে

অক্টোবর 23, 2024
পাকিস্তান: অন্যায়-অত্যাচারের উপর প্রতিষ্ঠিত এক ব্যবস্থা!
রাজনীতি

পাকিস্তান: অন্যায়-অত্যাচারের উপর প্রতিষ্ঠিত এক ব্যবস্থা!

অক্টোবর 29, 2025
দাঈশ : আদি থেকে অন্ত
আধুনিক খাও য়া রিজ

দাঈশ : আদি থেকে অন্ত

সেপ্টেম্বর 11, 2024
রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | ঊনত্রিংশ পর্ব
ইতিহাস

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | ঊনত্রিংশ পর্ব

সেপ্টেম্বর 30, 2025
ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | দ্বিতীয় পর্ব
ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | দ্বিতীয় পর্ব

জুলাই 30, 2025
কাবুলে খারিজিদের আত্মঘাতী জ্যাকেট তৈরির কেন্দ্র গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে
দাঈশ খাওয়ারিজ

কাবুলে খারিজিদের আত্মঘাতী জ্যাকেট তৈরির কেন্দ্র গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে

জুন 10, 2025
বুরকিনা ফাসোতে আল কায়েদার স্থানীয় শাখার অভিযানে চার আইএস সদস্য নিহত; অস্ত্র-শস্ত্র জব্দ
দাঈশ খাওয়ারিজ

বুরকিনা ফাসোতে আল কায়েদার স্থানীয় শাখার অভিযানে চার আইএস সদস্য নিহত; অস্ত্র-শস্ত্র জব্দ

মার্চ 2, 2025

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    মে 12, 2024
    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আগস্ট 23, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    নিরপরাধ বেসামরিক জনগণের গণহত্যা: পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আরও একটি বড় অপরাধ!

    নিরপরাধ বেসামরিক জনগণের গণহত্যা: পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আরও একটি বড় অপরাধ!

    মার্চ 17, 2026
    পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বর্বরতা এবং ইতিহাসের কঠোর বিচার!

    পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বর্বরতা এবং ইতিহাসের কঠোর বিচার!

    মার্চ 17, 2026
    মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তনশীল ও অবনতিশীল পরিস্থিতি! ​

    মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তনশীল ও অবনতিশীল পরিস্থিতি! ​

    মার্চ 16, 2026
    কঠিন পরিস্থিতিতে শান্তির প্রস্তাব, আবার স্বাভাবিক অবস্থায় হামলার ধারাবাহিকতা! ​

    কঠিন পরিস্থিতিতে শান্তির প্রস্তাব, আবার স্বাভাবিক অবস্থায় হামলার ধারাবাহিকতা! ​

    মার্চ 15, 2026

    news

    নিরপরাধ বেসামরিক জনগণের গণহত্যা: পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আরও একটি বড় অপরাধ!

    নিরপরাধ বেসামরিক জনগণের গণহত্যা: পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আরও একটি বড় অপরাধ!

    মার্চ 17, 2026
    পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বর্বরতা এবং ইতিহাসের কঠোর বিচার!

    পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বর্বরতা এবং ইতিহাসের কঠোর বিচার!

    মার্চ 17, 2026
    মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তনশীল ও অবনতিশীল পরিস্থিতি! ​

    মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তনশীল ও অবনতিশীল পরিস্থিতি! ​

    মার্চ 16, 2026
    কঠিন পরিস্থিতিতে শান্তির প্রস্তাব, আবার স্বাভাবিক অবস্থায় হামলার ধারাবাহিকতা! ​

    কঠিন পরিস্থিতিতে শান্তির প্রস্তাব, আবার স্বাভাবিক অবস্থায় হামলার ধারাবাহিকতা! ​

    মার্চ 15, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Go to mobile version