রবিবার, আগস্ট 30, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home ইতিহাস

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | একাদশ পর্ব

✍🏻 আবু রাইয়ান হামিদী

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | একাদশ পর্ব
0
SHARES
1
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

যখন মুশরিকরা তাদের তিনজন দক্ষ সেনানায়ককে হারাল, তখন তারা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ল। নিহত নেতাদের প্রতিশোধ নেওয়ার উন্মাদনা তাদের অন্তরে হিংসার আগুনকে আরও দাউদাউ করে জ্বালিয়ে দিল। যখন মুখোমুখি দ্বন্দ্বে তিনজন মুশরিক নিহত হলো, তখন আবু জাহল তার সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ করে বলল, “তারা চাতুর্যের আশ্রয় নিয়েছে। আল্লাহর কসম! আমরা তাদেরকে ছেড়ে দেব না যতক্ষণ না তাদের পায়ে রশি বেঁধে টেনে নিয়ে যাই।”

অতঃপর সে সেনাবাহিনীকে সর্বাত্মক আক্রমণের নির্দেশ দেয়। পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। মুসলিমরা তাদের উপর তীরের বৃষ্টি বর্ষণ শুরু করে। মুসলিমদের জিহ্বা ছিল “আহাদ, আহাদ”–এর যিকিরে ভেজা। তাঁরা অবিচলভাবে তাদের স্থান আঁকড়ে ধরে ছিল। যখন কাফিরদের সেনাবাহিনী নিকটে এসে পৌঁছে, তখন মুসলিমরা তাদের উপর তীব্র আক্রমণ চালায় এবং বড় ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়।

সুশৃঙ্খল সারিবিন্যাস ও সংগঠিত নেতৃত্বের পর, সেনাপতি ﷺ তাঁর তাবুতে চলে গেলেন এবং আসমান ও যমিনের অধিপতির কাছে নিবেদন শুরু করলেন। তিনি অশ্রুসিক্ত চোখে ঝলমলে অশ্রুপাতসহ তাঁর বাহিনীর জন্য এইভাবে বিজয়ের দোআ করতে লাগলেন:
”اللهم أنجز لي ما وعدتني، اللهم إن تهلك هذه العصابة من أهل الإسلام فلا تعبد في الأرض أبدا“
অনুবাদ: হে আল্লাহ! আপনি যে প্রতিশ্রুতি আমাকে দিয়েছেন, তা পূর্ণ করুন। হে আল্লাহ! যদি এই মুষ্টিমেয় মুসলিম ধ্বংস হয়ে যায়, তবে এই পৃথিবীতে আর কেউ আপনার ইবাদত করবে না।

এই প্রার্থনা ততক্ষণ চলতে থাকে যতক্ষণ না রাসুলুল্লাহ ﷺ–এর কাঁধ থেকে চাদর পড়ে যায়। হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু সেই চাদর তুলে তাঁর কাঁধে পুনরায় রাখেন এবং আরয করে বলেন, “ইয়া রাসুলাল্লাহ! এখন যথেষ্ট হয়েছে। নিশ্চয়ই মর্যাদাবান প্রতিপালক তাঁর প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করবেন।”

এরপর রাসুলুল্লাহ ﷺ অল্প সময়ের জন্য তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন— এটি ওহির অবতরণের মুহূর্ত ছিল। জাগ্রত হয়ে তিনি আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন: “আবু বকর! তোমার জন্য সুসংবাদ! জিবরাঈল আগমন করেছেন, তাঁর ঘোড়ার সামনের পা থেকে ধূলিকণা উড়ছে।”

পরে তিনি তাবু থেকে বের হয়ে যুদ্ধক্ষেত্রের দিকে অগ্রসর হন এবং এই আয়াত তিলাওয়াত করতে করতে এগিয়ে যান:
”سَيُهْزَمُ الْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ الدُّبُرَ“
অনুবাদ: শত্রুসংঘ দ্রুতই পরাজিত হবে এবং পিঠ দেখিয়ে পালাবে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ প্রচণ্ড উচ্ছ্বাস ও প্রাণশক্তি নিয়ে সেনাবাহিনীর দিকে এগিয়ে গেলেন, এক মুঠো মাটি তুলে কাফিরদের দিকে নিক্ষেপ করে বললেন: “شاهت الوجوه”
“বিনাশ হোক এই মুখগুলো।”
এই মাটি প্রত্যেক কাফিরের চোখে ও নাসারন্ধ্রে গিয়ে পড়ে। এ ঘটনা সম্পর্কে আল্লাহ বলেন:
”وَمَا رَمَيْتَ إِذْ رَمَيْتَ وَلَكِنَّ اللَّهَ رَمَى“
অনুবাদ: (হে নবী!) যখন আপনি নিক্ষেপ করেছিলেন, তখন বাস্তবে আপনি নিক্ষেপ করেননি, বরং আল্লাহই নিক্ষেপ করেছিলেন।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ স্বয়ং যুদ্ধক্ষেত্রে এসে উপস্থিত হন এবং সেনাবাহিনীকে প্রতিআক্রমণের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন: “شدوا”
“তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ো!”
এরপর তিনি মুজাহিদদের যুদ্ধের জন্য উদ্দীপ্ত করে বললেন:
”والذي نفس محمد بيده، لا يُقاتلهم اليوم رجل فقتل صابرا محتسبا مقبلا غير مدبر، إلا أدخله الله الجنة“
অনুবাদ: সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ, আজ যে ব্যক্তি ধৈর্য ও সওয়াবের নিয়তে, শত্রুর সম্মুখীন হয়ে, পশ্চাদপসরণ না করে যুদ্ধ করে শহীদ হবে, আল্লাহ অবশ্যই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।

আল্লাহর রাহে লড়াইকারী সেনাদের মনোবল ছিল উঁচু; কিন্তু রাসুলুল্লাহ ﷺ–এর এ বক্তব্যে তাদের উদ্দীপনা আরও বেড়ে যায়। তারা শত্রুর পরাজিত ও বিভ্রান্ত বাহিনীর উপর বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
যখন তারা তাদের সেনাপতিকে বর্ম পরিহিত অবস্থায় সারির মাঝে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখল এবং তাঁর মুখে শুনল এই আয়াত:
”سَيُهْزَمُ الْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ الدُّبُر“
তখন তাদের প্রাণোচ্ছ্বাস আরও তুঙ্গে পৌঁছায়।

বদরের যুদ্ধ একমাত্র গাযওয়া, যেখানে আল্লাহ তাআলা মুসলমানদের সহায়তায় ফেরেশতাদের পাঠিয়েছেন। ইবনে সা’দ, হযরত ইকরিমা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন:
“আমরা দেখতাম, কোনো মুশরিকের মাথা কেটে যাচ্ছে, বা তার হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কে আঘাত করেছে তা বুঝতে পারতাম না।”
প্রশ্ন হলো—ফেরেশতাদের এত বড় বহর কেন? তারা কেন নেমেছিলেন?ইনশাআল্লাহ, এ প্রশ্নগুলোর উত্তর “গাযওয়া বদর থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা ও উপদেশ” শিরোনামে বিশ্লেষণ করা হবে।

তবে ফেরেশতাদের আগমনের কথা কুরআন, হাদীস এবং বদরের সাহাবাগণের বর্ণনায় স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
আল্লাহ বলেন:
”إِذْ يُوحِي رَبُّكَ إِلَى الْمَلَائِكَةِ أَنِّي مَعَكُمْ…“
অনুবাদ: স্মরণ করো সেই সময়, যখন তোমার প্রতিপালক ফেরেশতাদের প্রতি ওহি করলেন: “আমি তোমাদের সঙ্গে আছি, অতএব তোমরা ঈমানদারদের দৃঢ় রাখো, আমি কাফিরদের অন্তরে ভয় জাগিয়ে দেব। অতএব তাদের গর্দানে ও প্রত্যেক আঙ্গুলের সন্ধিতে আঘাত হানো।”
আরও বলেন:
”إِذْ تَقُولُ لِلْمُؤْمِنِينَ…“
অনুবাদ: স্মরণ করো, যখন তুমি মুমিনদের বলছিলে: “তোমাদের জন্য কি যথেষ্ট নয় যে, তোমাদের প্রতিপালক তিন হাজার ফেরেশতা দ্বারা তোমাদের সাহায্য করবেন?”
আরও ইরশাদ:
”بَلَىٰ إِن تَصْبِرُوا…“
অনুবাদ: হ্যাঁ, যদি তোমরা ধৈর্য ধরো ও তাকওয়া অবলম্বন করো, এবং তারা এখনই তোমাদের উপর চড়াও হয়, তবে তোমাদের রব পাঁচ হাজার চিহ্নিত ফেরেশতা দিয়ে তোমাদের সাহায্য করবেন।

হাদীস দ্বারা প্রমাণিত ঘটনা:
হযরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, বদরের যুদ্ধে এক আনসারী সাহাবি এক মুশরিককে ধাওয়া করছিলেন। তখন তিনি একটি ঘোড়ার হুঙ্কার শুনলেন এবং শুনলেন কেউ বলছে: “اقدِم حيزوم”
“অগ্রসর হও হিযূম!” (হিযূম ছিল ঘোড়াটির নাম)।
তিনি দেখলেন, সেই মুশরিক মুখ থুবড়ে পড়ে আছে, তার নাক কাটা এবং মুখে চাবুকের মতো ক্ষত।
পরে সেই সাহাবি এসে রাসুলুল্লাহ ﷺ কে ঘটনাটি বললে তিনি বললেন:
”صدقت، ذلک مدد من السماء الثالثة“
অনুবাদ: “তুমি সত্য বলেছো, এটি ছিল তৃতীয় আসমান থেকে আগত সাহায্য।”
এই হাদীস মুসলিম (রহ.) বর্ণনা করেছেন।

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#ইতিহাস#বদর#যুদ্ধ
ShareTweet

related-post

আইএসআইএস: সামরিক জান্তার ছায়াযুদ্ধের একটি হাতিয়ার! ​
রাজনীতি

আইএসআইএস: সামরিক জান্তার ছায়াযুদ্ধের একটি হাতিয়ার! ​

মে 21, 2026
আইএস একটি মহামারির নাম | অষ্টাদশ পর্ব
দাঈশ

আইএস একটি মহামারির নাম | অষ্টাদশ পর্ব

জুন 23, 2025
রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | চতুর্দশ পর্ব
ইতিহাস

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | চতুর্দশ পর্ব

মে 20, 2025
আমাদের স্থিতিশীলতার শত্রু কারা? ​
রাজনীতি

আমাদের স্থিতিশীলতার শত্রু কারা? ​

মে 3, 2026
খাইবার পখতুনখোয়া প্রদেশের খাইবার জেলার জাব্বার মেলা কেন্দ্রে দাঈশের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা কারা?
দাঈশ খাওয়ারিজ

খাইবার পখতুনখোয়া প্রদেশের খাইবার জেলার জাব্বার মেলা কেন্দ্রে দাঈশের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা কারা?

নভেম্বর 27, 2025
নিরপরাধ মানুষ হত্যা: ইসলামবিরোধীদের পুরনো অভ্যাস! ​
ব্লগ

নিরপরাধ মানুষ হত্যা: ইসলামবিরোধীদের পুরনো অভ্যাস! ​

এপ্রিল 4, 2026
ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | অষ্টদশ পর্ব
ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | অষ্টদশ পর্ব

জানুয়ারি 17, 2026
একটি পরিবর্তনশীল বিশ্বব্যবস্থা: মুসলিম উম্মাহর জন্য শিক্ষা! ​
রাজনীতি

একটি পরিবর্তনশীল বিশ্বব্যবস্থা: মুসলিম উম্মাহর জন্য শিক্ষা! ​

মে 4, 2026
সাতাশ ডিসেম্বর; শত্রুদের আগ্রাসনের পর আফগানিস্তান ও উলামায়ে কেরামের কেন্দ্রীয় ভূমিকা
ইতিহাস

সাতাশ ডিসেম্বর; শত্রুদের আগ্রাসনের পর আফগানিস্তান ও উলামায়ে কেরামের কেন্দ্রীয় ভূমিকা

ডিসেম্বর 27, 2025

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    সেপ্টেম্বর 2, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    বৈধ মুসলিম শাসক ও ইসলামী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ কী ধরনের ফিতনা?

    বৈধ মুসলিম শাসক ও ইসলামী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ কী ধরনের ফিতনা?

    আগস্ট 29, 2026
    নিরাপত্তা ও রাষ্ট্র নির্মাণ: আধুনিক শাসনব্যবস্থার মৌলিক মানদণ্ড!

    নিরাপত্তা ও রাষ্ট্র নির্মাণ: আধুনিক শাসনব্যবস্থার মৌলিক মানদণ্ড!

    আগস্ট 29, 2026
    প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আক্রমণাত্মক অবস্থানে!

    প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আক্রমণাত্মক অবস্থানে!

    আগস্ট 27, 2026
    নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা: আফগানিস্তানের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়!

    নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা: আফগানিস্তানের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়!

    আগস্ট 27, 2026

    news

    বৈধ মুসলিম শাসক ও ইসলামী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ কী ধরনের ফিতনা?

    বৈধ মুসলিম শাসক ও ইসলামী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ কী ধরনের ফিতনা?

    আগস্ট 29, 2026
    নিরাপত্তা ও রাষ্ট্র নির্মাণ: আধুনিক শাসনব্যবস্থার মৌলিক মানদণ্ড!

    নিরাপত্তা ও রাষ্ট্র নির্মাণ: আধুনিক শাসনব্যবস্থার মৌলিক মানদণ্ড!

    আগস্ট 29, 2026
    প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আক্রমণাত্মক অবস্থানে!

    প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আক্রমণাত্মক অবস্থানে!

    আগস্ট 27, 2026
    নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা: আফগানিস্তানের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়!

    নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা: আফগানিস্তানের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়!

    আগস্ট 27, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .