সোমবার, সেপ্টেম্বর 7, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

সামরিক শাসকগোষ্ঠীর নিরাপত্তা কৌশল: স্বল্পমেয়াদি লাভ, দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি!

✍🏻 আবদুল বাসির উমরী

সামরিক শাসকগোষ্ঠীর নিরাপত্তা কৌশল: স্বল্পমেয়াদি লাভ, দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি!
0
SHARES
1
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা সংকট, সীমান্ত বিরোধ এবং রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে অনানুষ্ঠানিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আগ্রহের বিষয় হয়ে আছে। এসব গোষ্ঠীকে সমর্থন, প্রশিক্ষণ ও ব্যবহারের বিষয়ে বারবার বিভিন্ন প্রতিবেদন ও দাবি সামনে আসে। রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণাগুলো ইঙ্গিত করে যে, কোনো রাষ্ট্র বা অন্য কোনো পক্ষ যখন স্বল্পমেয়াদি কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য অনিয়মিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর নির্ভর করে, তখন প্রায়ই শেষ পর্যন্ত তাকে এমন সব অপ্রত্যাশিত ও ক্ষতিকর পরিণতির মুখোমুখি হতে হয়, যা তার জন্য আরও বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা যখন চরম অবনতির দিকে চলে যায় এবং কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়, তখন পাকিস্তানি সামরিক শাসকগোষ্ঠী আবারও তাদের পরিচিত একটি পদ্ধতির আশ্রয় নেয়। তারা আফগানিস্তানের পতিত প্রজাতান্ত্রিক সরকারের নির্মম আরবকিদের প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করে এমন সব লোককে, যারা বিশ বছর ধরে মুমিনদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে এবং সামান্য অর্থের বিনিময়ে প্রায় যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও নৃশংসতা চালাতে প্রস্তুত।

এসব আরবকিকে প্রশিক্ষণ দিয়ে সামরিক শাসকগোষ্ঠী নিজেদের জন্য কিছু স্বল্পমেয়াদি সুবিধা অর্জন করতে চায়। কিন্তু এই নীতির পরিণতি পাকিস্তানের সীমানা ছাড়িয়ে সমগ্র অঞ্চল এবং সম্ভবত আরও বিস্তৃত বিশ্বেও প্রভাব ফেলতে পারে।

শাসকগোষ্ঠী যে স্বল্পমেয়াদি সুবিধাগুলো অর্জন করতে চাইছে বলে মনে হয়, তার কয়েকটি হলো
১. আফগানিস্তানের নিরাপত্তাকে দুর্বল করা
সামরিক শাসকগোষ্ঠী আশা করছে, আরবকিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে তারা আফগানিস্তানে বর্তমানে বিরাজমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে ব্যাহত করতে পারবে, ক্ষমতাসীন ইসলামী ব্যবস্থার জন্য অভ্যন্তরীণ সমস্যা সৃষ্টি করতে পারবে এবং যেকোনো অস্থিতিশীলতাকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগাতে পারবে। কিন্তু আল্লাহর রহমতে, মুষ্টিমেয় পরাজিত সশস্ত্র ব্যক্তির কারণে আফগানিস্তানের নিরাপত্তা নড়বড়ে হয়ে যাওয়ার নয়।

২. তাদেরকে টিটিপি ও বেলুচদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা
বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি সামরিক অভিযান চালিয়ে টিটিপি ও বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে পরাজিত করতে ব্যর্থ হওয়ার পর এখন শাসকগোষ্ঠী তাদের বিরুদ্ধে আরবকিদের ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। তাদেরকে সরাসরি সংঘাতে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু এই পরিকল্পনাও সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। পাকিস্তানের পুরো সেনাবাহিনী তার বিপুল সম্পদ ও সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে যদি এসব সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দমন করতে কিংবা নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়ে থাকে, তাহলে যে কাজ সেনাবাহিনী পারেনি, এসব ভাড়াটে সশস্ত্র ব্যক্তি তা কীভাবে করবে তা বোঝা কঠিন।

৩. জাতিগত বিভাজন উসকে দেওয়া
আরবকিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে সামরিক শাসকগোষ্ঠী বেলুচিস্তানের দুটি বৃহৎ জনগোষ্ঠী পশতুন ও বেলুচদের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি করারও চেষ্টা করছে। এসব গোষ্ঠীর মাধ্যমে গোপন হত্যাকাণ্ড চালিয়ে উভয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সন্দেহ ও বিদ্বেষ উসকে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শাসকগোষ্ঠী আরবকিদের ব্যবহার করে আলেম ও গোত্রীয় প্রবীণদেরও লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এবং এসব হামলাকে সরকারবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এগুলো হলো শাসকগোষ্ঠী যে কয়েকটি স্বল্পমেয়াদি সুবিধা অর্জনের কথা ভাবছে বলে মনে হয়, তার মাত্র কিছু উদাহরণ।

তবে আরবকিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি আরও অনেক বেশি গুরুতর হতে পারে।
১. বুমেরাং প্রভাব
ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, পাকিস্তানি সামরিক শাসকগোষ্ঠীর সমর্থনপুষ্ট প্রতিটি সশস্ত্র গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের জন্যই হুমকিতে পরিণত হয়েছে। আরবকিদের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা কম। আজ যে শক্তি তৈরি করা হচ্ছে, আগামীকাল সেটিই সহজেই শত্রুতে পরিণত হতে পারে।

২. আন্তর্জাতিকভাবে আরও বিচ্ছিন্নতা
সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে প্রকাশ্য সম্পর্ক বিশ্বের কাছে পাকিস্তানের ভাবমূর্তিকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এটি একটি অবিশ্বস্ত রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তানের পরিচিতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং তার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটকে গভীর করতে পারে। একই সঙ্গে এর ফলে আন্তর্জাতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞাও বাড়তে পারে।

৩. দাঈশের মতো নতুন আঞ্চলিক হুমকি
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক বা সামরিক উদ্দেশ্যে একবার সশস্ত্র গোষ্ঠী তৈরি করা হলে পরবর্তীতে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ে। সময়ের সঙ্গে তারা নিজেদের লক্ষ্য, মতাদর্শ ও প্রভাব তৈরি করে। এর পরিণতিতে দায়েশের মতো আরেকটি হুমকির জন্ম হতে পারে, যা মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে নতুন করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে।

৪. বেলুচ ও পশতুনদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী শত্রুতা
বেলুচ ও পশতুনদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে আরবকিদের ব্যবহার করা হলে দুই প্রতিবেশী জনগোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বিদ্বেষ সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ ধরনের নীতি পাকিস্তানকে আরও গভীর অভ্যন্তরীণ সংঘাত এবং এমনকি আরও বেশি ভাঙনের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

আরবকি ও অন্যান্য সহিংস ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা সামরিক শাসকগোষ্ঠীর নিরাপত্তা কৌশল শেষ পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি লাভের জন্য একটি আত্মধ্বংসী প্রচেষ্টা। এটি শুধু পাকিস্তানের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎকেই হুমকির মুখে ফেলছে না; বরং সমগ্র অঞ্চলের শান্তিকেও বিপন্ন করছে।

শাসকগোষ্ঠী যদি আজ সহিংস ব্যক্তিদের তৈরি করে, তাহলে খুব সম্ভবত আগামীকাল সেই ব্যক্তিরাই তাদের পতনের কারিগর হয়ে উঠবে। ইতিহাস বারবার এই শিক্ষা দিয়েছে।

 

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#পাকিস্তান#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | দশম পর্ব
ইতিহাস

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | দশম পর্ব

মে 5, 2025
দাঈশ এবং জিহাদের ধারণার অপব্যবহার!
দাঈশ

দাঈশ এবং জিহাদের ধারণার অপব্যবহার!

জুলাই 12, 2026
আইএসকেপি ও তাজিক নাগরিক
ব্লগ

আইএসকেপি ও তাজিক নাগরিক

ডিসেম্বর 21, 2024
বিশ্ব এক নতুন পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হচ্ছে!
ব্লগ

বিশ্ব এক নতুন পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হচ্ছে!

এপ্রিল 9, 2026
খাওয়ারিজদের পরিচয় | ষষ্ঠ পর্ব
ইতিহাস

খাওয়ারিজদের পরিচয় | ষষ্ঠ পর্ব

ফেব্রুয়ারি 14, 2025
রাশিয়ার ভলগোগ্রাদের সমস্ত আইএস “মুজাহিদীন” ছিল মাদক পাচারকারী
আধুনিক খাও য়া রিজ

রাশিয়ার ভলগোগ্রাদের সমস্ত আইএস “মুজাহিদীন” ছিল মাদক পাচারকারী

সেপ্টেম্বর 4, 2024
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: ঈমান বিক্রেতা ও বিদ্রোহীদের পরিণতি!
ইতিহাস

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: ঈমান বিক্রেতা ও বিদ্রোহীদের পরিণতি!

আগস্ট 31, 2026
আইএস লালন-পালনে পাকিস্তানের ভূমিকা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর হুমকি!
রাজনীতি

আইএস লালন-পালনে পাকিস্তানের ভূমিকা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর হুমকি!

মে 12, 2026
মোল্লা আখতার মুহাম্মাদ মনসুর (রহ.)-এর দূরদর্শিতা এবং ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার!
মুসলিম উম্মাহর উজ্জ্বল নক্ষত্র

মোল্লা আখতার মুহাম্মাদ মনসুর (রহ.)-এর দূরদর্শিতা এবং ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার!

মে 23, 2026

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

  • লাইব্রেরি
আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو

সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .