মঙ্গলবার, আগস্ট 18, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home আফগানিস্তান

২৮ আসাদ: আফগানিস্তানের স্বাধীনতার ১০৭তম বসন্ত!

✍🏻 আজমল

২৮ আসাদ: আফগানিস্তানের স্বাধীনতার ১০৭তম বসন্ত!
0
SHARES
2
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

প্রায় এক শতাব্দীর নিরলস সংগ্রামের পর ঔপনিবেশিক শাসনের শৃঙ্খল ভেঙে এই প্রাচীন ভূমি আফগানিস্তান স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বমানচিত্রে নিজের স্থান করে নেওয়ার পর পেরিয়ে গেছে ১০৭ বছর।

১২৯৮ হিজরি শামসির ২৮ আসাদ এ জাতির পঞ্জিকার নিছক একটি ঐতিহাসিক তারিখ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সেই স্বাধীনতার স্মৃতি, যা এ দেশের মানুষের শিরায় শিরায় প্রবাহিত এবং প্রতি বছর এই দিনটি ফিরে এলে নতুন করে জাগ্রত হয়। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, কোনো জাতির সম্মান ও মর্যাদা কোনো মূল্যের বিনিময়েই কেনা যায় না। আর স্বাধীনতার যদি কোনো মূল্য থেকে থাকে, তবে এ ভূখণ্ডের মানুষ আত্মত্যাগ ও নিঃস্বার্থতার মাধ্যমে সেই মূল্য পরিশোধ করেছে।

আফগানিস্তানের ইতিহাস কখনোই শান্ত ও নিরুপদ্রব ছিল না। এর ভৌগোলিক অবস্থান বারবার একে বৃহৎ শক্তিগুলোর নজরের কেন্দ্রে পরিণত করেছে। অন্যদিকে এর দুর্গম ও দুর্বার ভূপ্রকৃতি এবং জনগণের সাহস ও স্বাধীনতাপ্রিয়তা তাদের বিদেশি আধিপত্য ও অপমানের সামনে মাথা নত করতে দেয়নি। একাধিকবার বিশাল বিশাল সেনাবাহিনী এ দেশে প্রবেশ করেছে এবং পেছনে রেখে গেছে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ও বিপুল ক্ষয়ক্ষতি। কিন্তু প্রতিটি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এ দেশের বীর সন্তানেরা পাহাড়ের মতো অটল থেকেছে এবং শেষ পর্যন্ত আক্রমণকারীদের বিপর্যস্ত ও হতাশ অবস্থায় পিছু হটতে বাধ্য করেছে।

২৮ আসাদ সেই দীর্ঘ সংগ্রাম ও ঐতিহাসিক প্রতিরোধেরই ফসল। এটি সেইসব নির্ণায়ক যুদ্ধের স্মারক, যার প্রতিটি বিশ্বকে একটি বড় শিক্ষা দিয়েছে, আফগানিস্তানকে কখনো সহজে বিদেশি শাসনের অধীন করা যায় না।

ব্রিটিশদের সঙ্গে আফগানিস্তানের প্রথম সরাসরি যুদ্ধ শুরু হয় ১৮৩৯ সালে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকরা লোভাতুর দৃষ্টিতে আফগান ভূমির দিকে তাকিয়েছিল। তাদের বিশ্বাস ছিল, বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক সামরিক সরঞ্জামের সাহায্যে তারা সহজেই এই দেশ দখল করতে পারবে। কিন্তু আফগানিস্তানে এসে তারা কোনো নিয়মিত সেনাবাহিনীর মুখোমুখি হয়নি; বরং তারা সম্মুখীন হয়েছিল একটি সমগ্র জাতির প্রতিরোধের ঝড়ের, এমন এক জাতির, যার প্রতিটি মানুষ নিজের মাতৃভূমির প্রতিরক্ষায় যেন একটি করে দুর্গে পরিণত হয়েছিল।

আমির দোস্ত মুহাম্মদ খান এই মহান প্রতিরোধের নেতৃত্বে ছিলেন। সাহস ও কৌশলের মাধ্যমে তিনি আফগানিস্তানের দুর্গম ও প্রায় দুর্ভেদ্য পাহাড়ের মধ্যে ব্রিটিশ বাহিনীকে বিপর্যস্ত করে তাদের ওপর ব্যাপক আঘাত হানতে সক্ষম হন। যুদ্ধের পর ব্রিটেনকে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি বিস্মিত করেছিল, তা শুধু যুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ নয়; বরং এর পেছনে থাকা সেই প্রতিরোধের চেতনা, যে চেতনা আফগানের শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক পর্যন্ত সবার মধ্যে সমানভাবে জীবন্ত ছিল এবং তাদের যেকোনো শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সামর্থ্য দিয়েছিল।

১৮৭৮ থেকে ১৮৮০ সালের মধ্যে সংঘটিত হয় দ্বিতীয় যুদ্ধ। প্রথম যুদ্ধে পরাজয়ের কথা ব্রিটিশরা ভুলে যায়নি। এবার তারা আরও সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি নিয়ে এবং অভ্যন্তরীণ বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে আফগানিস্তানে প্রবেশ করে। কিন্তু তারা আবারও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিল: অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও বহিরাগতদের বিরুদ্ধে এই জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে দাঁড়ায়। আমির আবদুর রহমান খান বিভিন্ন গোত্রকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং জাতীয় চেতনা ও জনগণের সাহসকে কাজে লাগান। আবারও ঔপনিবেশিকদের সব পরিকল্পনা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় এবং ব্রিটিশদের পিছু হটা ছাড়া আর কোনো পথ রইল না।

তৃতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সরাসরি যুদ্ধ শুরু হয় ১৯১৯ সালের মে মাসে। এ সময় আফগানিস্তানের স্বাধীনতার সংগ্রাম চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে। বাদশাহ আমানুল্লাহ খান জনগণের ঈমান ও দৃঢ়সংকল্প থেকে শক্তি সঞ্চয় করে জিহাদের পতাকা উত্তোলন করেন।

আফগান যোদ্ধারা ঈমান ও সাহস নিয়ে ব্রিটিশদের কামান ও মেশিনগানের সামনে দাঁড়িয়ে যায় এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বাহিনীর ওপর এমন কঠোর আঘাত হানে যে দুই হাজারেরও বেশি ব্রিটিশ সৈন্য নিহত হয়। এ যুদ্ধে ব্রিটেনের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৬ মিলিয়ন পাউন্ড বলে ধারণা করা হয়।

অবশেষে সেই বছরের ২৮ আসাদ আফগানিস্তানের আকাশে স্বাধীনতার ঘোষণা ধ্বনিত হয় এবং বাদশাহ আমানুল্লাহ খান দেশের পূর্ণ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ততদিনে ব্রিটিশরা বুঝে গিয়েছিল তারা কেমন একটি জাতির মুখোমুখি হয়েছে। ফলে রাওয়ালপিন্ডি চুক্তির মাধ্যমে তারা আফগানিস্তানের স্বাধীনতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়।

কিন্তু স্বাধীনতা অর্জনের অর্থ এই ছিল না যে সব সংকটের অবসান ঘটেছে। ব্রিটেন এত সহজে এ অঞ্চলে তার স্বার্থ বিসর্জন দিতে প্রস্তুত ছিল না। তারা আফগানিস্তানের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে এবং দেশটির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

আবারও এই কঠিন পরিস্থিতির ভার বহন করতে হয় আফগান জনগণকে। স্বাধীনতার জন্য যে স্বাধীনতা তারা লড়াই করে অর্জন করেছিল, তা বিসর্জন দেওয়ার পরিবর্তে তারা ক্ষুধা ও অসংখ্য দুর্ভোগ সহ্য করেছে। নিজেদের সরকারের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে তারা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া এই অমূল্য স্বাধীনতা রক্ষায় অবিচল থেকেছে। এই চেতনা প্রমাণ করেছে—আফগান জনগণ নিজেদের অস্তিত্ব ও সম্মানের জন্য যেকোনো মূল্য দিতে প্রস্তুত, কিন্তু নিজেদের স্বাধীনতা কখনো বিসর্জন দেবে না।

আজ আমরা যখন এই মহান ঐতিহাসিক বিজয়ের ১০৭তম বার্ষিকী পালন করছি, তখন আরও গভীর ও দায়িত্বশীল দৃষ্টিতে স্বাধীনতার অর্থ অনুধাবন করা আমাদের কর্তব্য।

স্বাধীনতা কেবল একটি ঐতিহাসিক পরিচয় নয়; এটি একটি চলমান দায়িত্ব, যা বর্তমান প্রজন্মের কাঁধে গুরুতর কর্তব্য অর্পণ করে। আমরা সেই শহীদদের উত্তরসূরি, যাদের রক্ত ও আত্মত্যাগ আমাদের হাতে এই অমূল্য উত্তরাধিকার তুলে দিয়েছে। জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা, এ দেশের ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো পুনর্গঠন করা, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন করা এবং সামাজিক অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে এই আমানত সংরক্ষণ করাই আমাদের দায়িত্ব।

অতএব, স্বাধীনতা শুধু এমন কোনো দিন নয়, যা বছরে একবার স্মরণ করা হয়। স্বাধীনতা একটি স্থায়ী দায়িত্ব। এটি আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত হয়, ঐক্যের মাধ্যমে সংরক্ষিত হয় এবং পুনর্গঠন, অগ্রগতি ও জাতীয় মর্যাদার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Tags: #আফগানিস্তান#আলমিরসাদবাংলা
ShareTweet

related-post

দাঈশ : আদি থেকে অন্ত
আধুনিক খাও য়া রিজ

দাঈশ : আদি থেকে অন্ত

সেপ্টেম্বর 5, 2024
সোভিয়েত আক্রমণের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং আফগান জনগণের দুর্ভোগ!
ইতিহাস

সোভিয়েত আক্রমণের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং আফগান জনগণের দুর্ভোগ!

ফেব্রুয়ারি 15, 2026
তেহরিকে হামাস: খাওয়ারিজদের তাকফির থেকে আল কাসসামের বিজয় পর্যন্ত!
দাঈশ

তেহরিকে হামাস: খাওয়ারিজদের তাকফির থেকে আল কাসসামের বিজয় পর্যন্ত!

অক্টোবর 27, 2024
সিরিয়ায় আইএসআইএস শত শত ভেড়া চুরি করে স্থানীয় একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠীর কাছে বিক্রি করে দিয়েছে
দাঈশ

সিরিয়ায় আইএসআইএস শত শত ভেড়া চুরি করে স্থানীয় একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠীর কাছে বিক্রি করে দিয়েছে

সেপ্টেম্বর 25, 2024
ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | ষষ্ঠবিংশ পর্ব
ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | ষষ্ঠবিংশ পর্ব

জুলাই 20, 2026
​টেকসই নিরাপত্তার অস্তিত্ব: ইসলামী শাসন ও গণজাগরণের ফসল!
আফগানিস্তান

​টেকসই নিরাপত্তার অস্তিত্ব: ইসলামী শাসন ও গণজাগরণের ফসল!

জুন 3, 2026
এ ভূমি শাহাদাতের… এ ভূমি আত্মত্যাগের
আফগানিস্তান

এ ভূমি শাহাদাতের… এ ভূমি আত্মত্যাগের

সেপ্টেম্বর 23, 2025
ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | চতুর্থ পর্ব
ধর্মীয় নিবন্ধ

ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | চতুর্থ পর্ব

সেপ্টেম্বর 25, 2025
ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | পঞ্চদশ পর্ব
ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | পঞ্চদশ পর্ব

সেপ্টেম্বর 21, 2025

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    সেপ্টেম্বর 2, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    ২৮ আসাদ: আফগানিস্তানের স্বাধীনতার ১০৭তম বসন্ত!

    ২৮ আসাদ: আফগানিস্তানের স্বাধীনতার ১০৭তম বসন্ত!

    আগস্ট 18, 2026
    কুনদুজে মার্কিন বোমাবর্ষণ যেভাবে স্বাধীনতার মূল্য উন্মোচিত করেছিল এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ!

    কুনদুজে মার্কিন বোমাবর্ষণ যেভাবে স্বাধীনতার মূল্য উন্মোচিত করেছিল এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ!

    আগস্ট 17, 2026
    শেষ দখলদারিত্বের, নাকি ক্রুসেডার সাম্রাজ্যের জানাযা?

    শেষ দখলদারিত্বের, নাকি ক্রুসেডার সাম্রাজ্যের জানাযা?

    আগস্ট 17, 2026
    স্বাধীনতা: ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি, মক্কা বিজয় ও আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারাতের প্রত্যাবর্তন!

    স্বাধীনতা: ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি, মক্কা বিজয় ও আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারাতের প্রত্যাবর্তন!

    আগস্ট 16, 2026

    news

    ২৮ আসাদ: আফগানিস্তানের স্বাধীনতার ১০৭তম বসন্ত!

    ২৮ আসাদ: আফগানিস্তানের স্বাধীনতার ১০৭তম বসন্ত!

    আগস্ট 18, 2026
    কুনদুজে মার্কিন বোমাবর্ষণ যেভাবে স্বাধীনতার মূল্য উন্মোচিত করেছিল এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ!

    কুনদুজে মার্কিন বোমাবর্ষণ যেভাবে স্বাধীনতার মূল্য উন্মোচিত করেছিল এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ!

    আগস্ট 17, 2026
    শেষ দখলদারিত্বের, নাকি ক্রুসেডার সাম্রাজ্যের জানাযা?

    শেষ দখলদারিত্বের, নাকি ক্রুসেডার সাম্রাজ্যের জানাযা?

    আগস্ট 17, 2026
    স্বাধীনতা: ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি, মক্কা বিজয় ও আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারাতের প্রত্যাবর্তন!

    স্বাধীনতা: ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি, মক্কা বিজয় ও আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারাতের প্রত্যাবর্তন!

    আগস্ট 16, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .