সোমবার, আগস্ট 3, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

ধর্ম ব্যবসার মাধ্যমে রাজনীতিতে টিকে থাকা!

✍🏻 ​মুস্তাগফির আল-হানাফি

ধর্ম ব্যবসার মাধ্যমে রাজনীতিতে টিকে থাকা!
0
SHARES
1
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

حامداً و مصلیاً، اما بعد:

সম্মানিত মুসলিম ভাইয়েরা! এটি ফিতনার যুগ; ইসলামি উম্মাহ এবং ইসলাম ধর্ম আজ চতুর্দিক থেকে আক্রমণ ও আগ্রাসনের শিকার। কাফেররা কোনো না কোনোভাবে ইসলামের ওপর আঘাত হানার চেষ্টা করছে; কখনো তারা সরাসরি কুফরির আবরণে ইসলামকে ক্ষতি করতে আসে, আবার কখনো ইসলামের বিকৃতি ঘটাতে আসে মুসলিমদের ছদ্মবেশে। এই সমস্ত ফ্রন্ট ইসলামের বিরুদ্ধে একযোগে কাজ করছে।

আজ ইসলামের সামনে অন্যতম বড় ফিতনা হলো—একটি শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার জন্য ইসলামি জ্ঞানের অপব্যবহার করা। ইসলামি বিশ্বের কিছু দেশ যেখানে ধর্মনিরপেক্ষ ব্যবস্থা ক্ষমতায় রয়েছে, সেখানকার বিক্রীত ধর্মীয় আলেমরা শাসনব্যবস্থার টিকে থাকা নিশ্চিত করতে ইসলামি বিধানগুলোকে বিকৃত করার চেষ্টা করেন, যাতে তারা তাদের শাসনাধীন মুসলিমদের সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এই ধরনের ব্যবস্থার মধ্যে আমরা পাকিস্তানি সামরিক জান্তা এবং তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিক্রীত আলেমদের দিকে আঙুল তুলতে পারি।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই পাকিস্তানি সামরিক জান্তা সর্বদা ইসলামের প্ল্যাটফর্ম এবং মিম্বরকে নিজেদের ব্যবস্থার স্বার্থে ব্যবহার করে আসছে। এই বিক্রীত আলেমরা পাকিস্তানি সামরিক জান্তার সমস্ত অবৈধ কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দিয়েছেন।

পাকিস্তানি সামরিক জান্তার জন্য ধর্মনিরপেক্ষ আইন কার্যকর করা কোনো অপরাধ নয়; লাল মসজিদে বোমা হামলা করা কোনো অপরাধ নয়; লেবাননে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের ওপর বোমা ফেলা কোনো অপরাধ নয়; গাযযা দখলদারিত্বের বোর্ডে যোগ দেওয়া কোনো অপরাধ নয়; সমস্ত ইসলামি ও মানবিক নীতি পরিপন্থী সমকামিতা আইন পাকিস্তানে পাস করা কোনো অপরাধ নয়; ওয়াজিরিস্তান, বেলুচিস্তান ও পশতুনখোয়ায় সাধারণ মানুষের ঘরবাড়িতে বোমা হামলা করা কোনো অপরাধ নয়; এবং পশতুনখোয়ায় মসজিদে বোমা হামলা করাও কোনো অপরাধ নয়। তবে, পশতুনখোয়া বা বেলুচিস্তানের কেউ যদি তাদের অধিকার আদায়ের দাবিতে সোচ্চার হয়, তবে তারা অপরাধী। এটিই পাকিস্তানের বিক্রীত আলেমদের যুক্তি। তাদের ধর্মীয় পড়াশোনা এই গোয়েন্দা সংস্থার (ISI) পাল্লায় মাপা হয়, যেখানে তারা শুধুমাত্র আইএসআই-এর স্বার্থ অনুযায়ী ধর্মীয় বিধান সংজ্ঞায়িত করতে পারে।

পাকিস্তানি মোল্লাদের মধ্যে এমন একটি বলয় রয়েছে যা সামরিক বলয়ের সাথে হুবহু মিলে যায়, পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী যেভাবে অস্ত্রের জোরে ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখে এবং আইএসআই যেভাবে গোয়েন্দা শক্তির জোরে ব্যবস্থাকে ধরে রাখে, ঠিক তেমনি ধর্মীয় ফাতাওয়ার জোরে এই গোয়েন্দা-সংশ্লিষ্ট বিক্রীত আলেমদের বলয়টি ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখে। যদি কেউ পাকিস্তানি সামরিক জান্তার শরয়ী অবস্থান পরীক্ষা করে, তবে দেখা যাবে এটি এমন একটি ব্যবস্থা যার ভিত্তি গড়ে উঠেছে নিপীড়ন, জবরদস্তি, শক্তি এবং ভীতি প্রদর্শনের ওপর। পাকিস্তানি সামরিক জান্টাই একমাত্র ব্যবস্থা যারা বিশ্বের একমাত্র ইসলামি ব্যবস্থা (IEA) উৎখাত করতে আমেরিকানদের সাথে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা করেছে। শুরু থেকে আজ পর্যন্ত পাকিস্তানি সামরিক জান্তা তার নিজস্ব জনগণের শত্রু এবং পশ্চিমা স্বার্থের অনুগত হয়ে আছে।

ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সরকার যে অপরাধ করেছে, তা যদি অন্য কোনো দেশ বা সরকার করত, তবে পাকিস্তানের এই বিক্রীত আলেমরা এতক্ষণে সেই সরকারের বিরুদ্ধে দশবারের বেশি কুফরির ফাতাওয়া (তাকফির) জারি করত। যে অপরাধগুলো পাকিস্তানের বিক্রীত আলেমদের চোখে অন্য সরকারের তাকফির করার জন্য যথেষ্ট, সেগুলোই পাকিস্তানের জন্য ধর্মীয় গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

একটি উদাহরণ দেওয়া যাক—যদি ইরান ও আমেরিকার সাম্প্রতিক আলোচনার সময় ট্রাম্প তাত্ত্বিকভাবে আফগানিস্তান সফর করতেন, তবে সেটিই পাকিস্তানি বিক্রীত আলেমদের জন্য আফগানিস্তান ইসলামি আমিরাতকে ‘কাফের’ ঘোষণা করার জন্য যথেষ্ট কারণ হতো। বিপরীতভাবে, ট্রাম্প যদি পাকিস্তান সফর করেন, তবে তা দেশটির জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়।

পশতুনখোয়ায় মসজিদ বা মাদ্রাসায় বোমা হামলাকে জিহাদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, কিন্তু পাঞ্জাবে মদের দোকানে বোমা হামলাকে চরমপন্থা বলা হয়। যদি পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কোনো কাফের, আমেরিকান বা নাস্তিকের সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে তাকে অগ্রগতি এবং সু-রাজনৈতিক সম্পর্ক হিসেবে গণ্য করা হয়; কিন্তু ইসলামি ইমারাত আফগানিস্তান যদি ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে, তবে তাকে হিন্দুদের দাসত্ব হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়।

পাকিস্তানের বিক্রীত আলেমরা সচেতন হোন! ইসলাম এবং ইসলামের বিধান সমগ্র বিশ্বের জন্য অভিন্নভাবে নাজিল হয়েছে। ইসলামে এমন কিছু নেই যেখানে পাকিস্তান এক ধরণের শরিয়া পালন করবে আর বাকি মুসলিম বিশ্ব অন্য ধরণের। যদি কেউ মনে করে যে পাকিস্তানের মাটি শরীয়তের কিছু বিধান থেকে মুক্ত, তবে তাদের ঈমান পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

সেই পাকিস্তানি ধর্মীয় আলেমরা যারা সামরিক জান্তার অনৈসলামিক কাজের বৈধতা খুঁজছেন, তারা কি এই মহান আয়াতটি স্মরণ করেন না:
«أَفَتُؤْمِنُونَ بِبَعْضِ الْكِتَابِ وَتَكْفُرُونَ بِبَعْضٍ»
(অর্থ: তবে কি তোমরা কিতাবের কিছু অংশে বিশ্বাস করো আর কিছু অংশকে অস্বীকার করো?)

তারা তো আলেম। সাধারণ মানুষ যদি সামরিক জান্তার অনৈসলামিক অবস্থান এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের প্রতি অন্ধ হয়ে থাকে, তবে তাদের হয়তো দোষ দেওয়া যায় না, কারণ তারা তো সাধারণ জনতা। কিন্তু যখন একজন আলেম দাঁড়িয়ে একটি ধর্মনিরপেক্ষ ব্যবস্থার সমস্ত অপরাধ ও কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেন, তখন সাধারণ মানুষ বা সৈনিকের বিরুদ্ধে আর কী অভিযোগ থাকতে পারে?

একটি প্রবাদ আছে, “কুফর যদি মক্কা থেকে আসে, তবে ইসলাম আর কোথায় থাকে?” পাকিস্তানের পরিস্থিতি এখন এই প্রবাদেরই বাস্তব প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পাকিস্তানের বিক্রীত আলেমদের অবশ্যই ইসলাম সম্পর্কে তাদের ধারণা পুনর্বিবেচনা করতে হবে। তারা যদি বিশ্বাস করে যে কেবল মুখে নিজেকে মুসলিম বলাই যথেষ্ট, তবে আবদুল্লাহ ইবনে উবাইও নিজেকে মুসলিম বলত, তাদের উচিত তাকেও মুসলিম গণ্য করা। তারা যদি কেবল নামায, রোযা এবং যাকাত আদায়ের ভিত্তিতে মানুষকে মুসলিম মনে করে, তবে আবদুল্লাহ ইবনে উবাইও এই কাজগুলো করত—তাদের তাকেও মুসলিম বিবেচনা করা উচিত।

হ্যাঁ ভাইয়েরা! এটা সত্য যে নামায, রোযা, যাকাত এবং হজ্জ ইসলামের নির্দেশ, কিন্তু প্রকৃত ঈমান তখনই প্রকাশ পায় যখন কেউ কুফরির বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক অবস্থান নেয় এবং মুসলিমদের প্রতি দয়ার অবস্থান গ্রহণ করে। অথচ পাকিস্তানি সামরিক জান্তার কর্তাব্যক্তিরা সবসময় ঠিক উল্টো পথে হেঁটেছেন।

তারাই আফগানিস্তানের মযলুম মুসলিমদের ওপর হামলা করার জন্য আমেরিকানদের সামরিক ঘাঁটি ও যাতায়াতের পথ করে দিয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে আবদুল্লাহ ইবনে উবাই ইসলামের বিরুদ্ধে কাফেরদের সাথে গোপন সম্পর্ক রাখত এবং তাকে মুনাফিক হিসেবে গণ্য করা হতো; অথচ আজ পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ইসলামের বিরুদ্ধে কাফেরদের সাথে প্রকাশ্য সম্পর্ক ও সহযোগিতা বজায় রাখছে, আর তাদের গণ্য করা হচ্ছে মুজাহিদ ও ইসলামের রক্ষক হিসেবে।

তাই এখন প্রশ্ন হলো: ইসলামের বিধান কি বদলে গেছে, নাকি (নাউযুবিল্লাহ/معاذ اللہ) পাকিস্তানের বিক্রীত আলেমরা ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ? এই প্রশ্নটিই আমরা আমাদের প্রিয় পাঠকদের উত্তরের জন্য রেখে গেলাম…!
وما علینا الا البلاغ…

 

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#পাকিস্তান#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

পাকিস্তান বিভক্তির দ্বারপ্রান্তে! ​
রাজনীতি

পাকিস্তান বিভক্তির দ্বারপ্রান্তে! ​

ফেব্রুয়ারি 18, 2026
আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী
আফগানিস্তান

আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

আগস্ট 23, 2024
আফগান জাতির প্রতিরক্ষাশক্তি: ঈমান, ঐক্য ও অটল সংকল্প!
ব্লগ

আফগান জাতির প্রতিরক্ষাশক্তি: ঈমান, ঐক্য ও অটল সংকল্প!

জুন 29, 2026
ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | দশম পর্ব
ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | দশম পর্ব

আগস্ট 29, 2025
সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!
দাঈশ

সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

জুলাই 22, 2026
আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসন: একটি ঐতিহাসিক বিবরণ এবং অন্যদের জন্য শিক্ষা
ব্লগ

আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসন: একটি ঐতিহাসিক বিবরণ এবং অন্যদের জন্য শিক্ষা

জানুয়ারি 2, 2025
সোমালিয়ায় আইএসের নিজস্ব গোষ্ঠীর প্রতি মোহভঙ্গ ও দল থেকে পালিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে
আধুনিক খাও য়া রিজ

সোমালিয়ায় আইএসের নিজস্ব গোষ্ঠীর প্রতি মোহভঙ্গ ও দল থেকে পালিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে

আগস্ট 20, 2024
আইএস একটি মহামারির নাম
দাঈশ

আইএস একটি মহামারির নাম

নভেম্বর 19, 2024
আইএস— পূর্ব আফ্রিকায় ইসলামি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বাধা
আধুনিক খাও য়া রিজ

আইএস— পূর্ব আফ্রিকায় ইসলামি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বাধা

আগস্ট 14, 2024

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    জুলাই 3, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    সামরিক শাসনের বিভাজনের নীতি: পশতুন-বেলুচ ঐক্যের প্রতি এক হুমকি!

    সামরিক শাসনের বিভাজনের নীতি: পশতুন-বেলুচ ঐক্যের প্রতি এক হুমকি!

    আগস্ট 2, 2026
    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্ক: যদি পশ্চিমা বিশ্ব মন্দই হয়, তবে তাদের প্রযুক্তি ব্যবহার কেন?

    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্ক: যদি পশ্চিমা বিশ্ব মন্দই হয়, তবে তাদের প্রযুক্তি ব্যবহার কেন?

    আগস্ট 1, 2026
    সামরিক শাসনের গোয়েন্দা প্রকল্প: সাবেক আরবাকাইদের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদকে পুনর্গঠন এবং অঞ্চলকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া!

    সামরিক শাসনের গোয়েন্দা প্রকল্প: সাবেক আরবাকাইদের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদকে পুনর্গঠন এবং অঞ্চলকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া!

    আগস্ট 1, 2026
    জাতিসমূহের মধ্যে সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার উৎস: পাকিস্তানি সামরিক শাসনের ধ্বংসাত্মক নীতি!

    জাতিসমূহের মধ্যে সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার উৎস: পাকিস্তানি সামরিক শাসনের ধ্বংসাত্মক নীতি!

    জুলাই 31, 2026

    news

    সামরিক শাসনের বিভাজনের নীতি: পশতুন-বেলুচ ঐক্যের প্রতি এক হুমকি!

    সামরিক শাসনের বিভাজনের নীতি: পশতুন-বেলুচ ঐক্যের প্রতি এক হুমকি!

    আগস্ট 2, 2026
    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্ক: যদি পশ্চিমা বিশ্ব মন্দই হয়, তবে তাদের প্রযুক্তি ব্যবহার কেন?

    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্ক: যদি পশ্চিমা বিশ্ব মন্দই হয়, তবে তাদের প্রযুক্তি ব্যবহার কেন?

    আগস্ট 1, 2026
    সামরিক শাসনের গোয়েন্দা প্রকল্প: সাবেক আরবাকাইদের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদকে পুনর্গঠন এবং অঞ্চলকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া!

    সামরিক শাসনের গোয়েন্দা প্রকল্প: সাবেক আরবাকাইদের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদকে পুনর্গঠন এবং অঞ্চলকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া!

    আগস্ট 1, 2026
    জাতিসমূহের মধ্যে সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার উৎস: পাকিস্তানি সামরিক শাসনের ধ্বংসাত্মক নীতি!

    জাতিসমূহের মধ্যে সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার উৎস: পাকিস্তানি সামরিক শাসনের ধ্বংসাত্মক নীতি!

    জুলাই 31, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .