মঙ্গলবার, এপ্রিল 14, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

কুফরের মজবুত দুর্গ!

সালামত আলী খান

কুফরের মজবুত দুর্গ!
0
SHARES
1
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

বিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে, যখন আফগানিস্তানের মাটিতে লাল বাহিনী (সোভিয়েত ইউনিয়ন) পরাজিত হলো এবং এর ফলে একটি নতুন ইসলামি সরকার গঠিত হলো, তখন সারা বিশ্বের মুসলিমদের মাঝে এক নতুন আশা ও আলোর রশ্মি দেখা দিল। মুসলিম উম্মাহর সংগ্রাম এক নতুন মোড় নিল। ঠিক সেই সময়ে বিশ্বের অন্য এক মহাশক্তি আমেরিকার কাছে আফগানিস্তানের এই ইসলামি সরকার সহ্য হচ্ছিল না। তাই তারা বিভিন্ন অজুহাতে এই সরকারকে উৎখাত করে বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহর যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করল।

এই কাজের জন্য আমেরিকার এমন একটি আজ্ঞাবহ ও বিশ্বস্ত সরকার এবং রাষ্ট্র দরকার ছিল, যা আফগানিস্তানের সাথে সীমান্ত, অভিন্ন সংস্কৃতি এবং প্রয়োজনীয়তার দিক থেকে সব সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন। ইরান ও পাকিস্তান উভয় দেশই এই উদ্দেশ্যে ব্যবহারের যোগ্য ছিল। কিন্তু ইরানের সাথে আমেরিকার পুরনো শত্রুতা ছিল। আর পাকিস্তানের সমস্যা ছিল এই যে, সেখানকার সরকার ছিল জনগণের প্রতিনিধিদের এবং তারা একটি ইসলামি সরকারকে উৎখাত করতে আমেরিকার মতো বড় কাফিরের সমর্থন করতে পারত না। তাই আমেরিকা এবং পাকিস্তানি সামরিক জান্তার যৌথ পরিকল্পনায় জনপ্রতিনিধি সরকারকে উৎখাত করা হলো এবং তার জায়গায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর জেনারেল পারভেজ মোশাররফ ক্ষমতা দখল করলেন। যাতে তিনি নিজের শক্তির জোরে জনগণের ওপর সেইসব সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারেন, যা জনপ্রতিনিধি সরকার জনগণের ভয়ে করতে পারছিল না।

এই ধারাবাহিকতায় একটি বড় সিদ্ধান্ত ছিল আফগানিস্তানের ইসলামি সরকারের বিরুদ্ধে আমেরিকাকে পাকিস্তানে ঘাঁটি দেওয়া। আর এই কাজটি পারভেজ মোশাররফ জনগণের সম্মতি ছাড়াই নির্লজ্জভাবে সম্পন্ন করলেন। পাকিস্তানের বিমানবন্দর, আকাশসীমা, সমুদ্র ও স্থলপথ—সবই আমেরিকার হাতে তুলে দেওয়া হলো। জনগণকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে হুমকি দেওয়া হলো যে, যদি কেউ এর বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করে, তবে তারা পৃথিবী থেকে মুছে যাবে।

বাস্তবতা হলো, পাকিস্তানের জনগণ ধর্মপ্রাণ এবং দ্বীনের প্রতি তাদের গভীর অনুরাগ রয়েছে। পারভেজ মোশাররফের এই পদক্ষেপ তাদের বিবেকের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না, কিন্তু ভয় ও দমন-পীড়নের কারণে তারা নীরবতা অবলম্বন করেছিল। তবে তারা নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী আফগানিস্তানের ইসলামি সরকারের প্রতি সহানুভূতি ও সহযোগিতা প্রকাশ করেছিল। বিশেষ করে উপজাতীয় অঞ্চলের (Tribal Areas) আত্মমর্যাদাশীল মুসলিমরা চেষ্টা করেছিল তাদের সহায়তার মাধ্যমে আফগান ভাইদের জানাতে যে, পাকিস্তানি সামরিক জেনারেলের সিদ্ধান্তে তাদের কোনো অংশ নেই এবং জেনারেলরা কুফরের দাসত্বের জন্য নিজেদের দুর্গগুলো আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছে।

পারভেজ মোশাররফও বিষয়টি জানতেন এবং তিনি আমেরিকাকে দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন যে, তিনি মার্কিন স্বার্থের প্রতি এতটাই অনুগত যে এর জন্য তিনি নিজ দেশের মানুষকে কষ্ট দিতে, অপমান করতে এবং হত্যা করতে পারেন। তাই তিনি শুরুতে উপজাতীয় অঞ্চলের মানুষকে একের পর এক মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার করলেন। এরপর নিষেধাজ্ঞার সিলসিলা শুরু করলেন এবং প্রতি দুইদিন অন্তর কারফিউর নামে জনগণের স্বাধীনতা কেড়ে নিলেন যাতে আমেরিকাকে দেখাতে পারেন যে তিনি সব ধরণের সেবার জন্য প্রস্তুত। কিন্তু নিজের কঠোর হৃদয় এবং আমেরিকার স্বার্থের প্রতি প্রবল আনুগত্যের কারণে তিনি মসজিদ, মাদ্রাসা এবং গ্রামগুলো ধ্বংস করতেও কোনো কমতি রাখলেন না।

তিনি বোমাবর্ষণ শুরু করলেন, মানুষকে হয় গুম করে দিলেন অথবা বোমায় শহীদ করলেন। কাহিনী আরও এগিয়ে গেল এবং তার কর্মকাণ্ড মার্কিন ড্রোনের মাধ্যমে উপজাতীয় অঞ্চলে অস্থিরতা সৃষ্টি করা পর্যন্ত পৌঁছাল। বছরের পর বছর মার্কিন ড্রোন সেই এলাকায় টহল দিতে লাগল এবং স্থানীয় মানুষকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে থাকল।

এমন পরিস্থিতিতে উপজাতীয় অঞ্চলের মানুষ বারবার ‘জিরগা’ (পঞ্চায়েত) করল, সরকার ও সামরিক জেনারেলদের আল্লাহর দোহাই দিল, গণতান্ত্রিক নীতি অনুযায়ী সব ধরণের পদক্ষেপ নিল, কিন্তু কোনো ফল হলো না। তারা উল্টো আরও বেশি সহিংসতার শিকার হলো, তাদের দুঃখ বাড়ল এবং সেনাবাহিনীর জুলুম তীব্রতর হলো। এর ফলে উপজাতীয় জনগণও “দেয়াল পিঠ ঠেকে গেলে মানুষ লড়ে” (তঙ্গ আমদ বজঙ্গ আমদ) নীতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিল যে, যে কোনো মূল্যে এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

এর জন্য উপজাতীয় নেতৃবৃন্দ, ধর্মীয় উলামা এবং স্থানীয় মুরুব্বিরা পরামর্শ সভা ডাকলেন। পরিস্থিতির শরয়ি অবস্থান এবং প্রতিটি দিক বিচার-বিশ্লেষণ করে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছালেন যে, সামরিক জেনারেলদের হাতে আমাদের ইজ্জত-সম্মান লুণ্ঠিত হয়েছে, আমাদের ঘরবাড়ি ধ্বংস ও বোমা হামলা করা হয়েছে। মসজিদ, মাদ্রাসা, কুরআন ও ধর্মীয় কিতাবের মতো আমাদের দ্বীনি নিদর্শনগুলো বারুদের আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের মুরুব্বিদের অপমান ও হত্যা করা হয়েছে। চার দেয়ালের ভেতরে আমাদের নারীদের বেইজ্জত করা হয়েছে। আমাদের যুবকদের গুম করা হয়েছে এবং এখনও তারা নিখোঁজ। আমাদের অকুতোভয় তরুণদের বিনা কারণে মাটিচাপা দেওয়া হচ্ছে বা জেলখানায় বন্দি করা হচ্ছে। আর এই সব দুর্ভাগ্য সামরিক জেনারেলরা আমাদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে।

তারা সিদ্ধান্ত নিলেন যে, সামরিক জেনারেলরা আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা এবং নিজেদের ব্যক্তিগত লাভের জন্য উপজাতীয় অঞ্চলকে শৃঙ্খলিত করে রেখেছে এবং আফগানিস্তানের পবিত্র জিহাদকে বাধাগ্রস্ত করতে উপজাতীয় জনগণের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। তাই তারা জাতীয়, শরয়ি এবং উপজাতীয় মূল্যবোধ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিলেন যে, এখন সামরিক জেনারেলদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে এবং নিজেদের সম্মান ও দ্বীনি নিদর্শনের প্রতিরক্ষা করতে হবে।
এই উদ্দেশ্যে ২০০৩ ও ২০০৪ সালে বিভিন্ন উপজাতীয় এলাকায় সামরিক জান্তার জুলুমের বিরুদ্ধে সোয়াত, ওয়ানা, ওয়াজিরিস্তান, খাইবার এবং মোহমান্দ এজেন্সিতে স্থানীয় প্রতিরোধ আন্দোলন শুরু হয়। যেখানেই সামরিক জেনারেলরা দ্বীনের অবমাননা করেছে বা সম্মানে আঘাত করেছে, সেখানেই জনগণ সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু করেছে।

কিন্তু সামরিক জেনারেলরা এই সংকটের গুরুত্ব বোঝার পরিবর্তে এবং নিজেদের দমনমূলক কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসার বদলে ক্ষমতার নেশায় মত্ত হয়ে জুলুম বাড়িয়ে দিল। তারা নির্যাতনের পরিধি আরও বিস্তৃত করল এবং আমেরিকার সাহায্য চাইল। মার্কিন ড্রোনের মাধ্যমে নিজ জনগণের ওপর বোমাবর্ষণ শুরু করল। তারা উপজাতীয় এলাকায় রক্তের নদী বইয়ে দিল, গ্রাম ও ঘরবাড়ি ধ্বংস করল, মা-বোনদের বিধবা করল, শিশুদের এতিম করল এবং ভবনগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করল।

এরপর বিভিন্ন আঞ্চলিক প্রতিরোধ গোষ্ঠী, যারা আগে নিজ নিজ এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিল, তারা সামরিক জেনারেলদের জুলুম এবং মার্কিন হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে এক প্ল্যাটফর্মে একত্রিত হলো এবং ২০০৭ সালে একটি শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলল। তাদের একজন কেন্দ্রীয় নেতা নির্বাচিত হলেন। তাদের তৎপরতা জেনারেলদের বিরুদ্ধে পুরো পাকিস্তানে ছড়িয়ে পড়ল এবং তারা বড় ধরণের সংগ্রাম শুরু করল।

যদিও সামরিক জেনারেলরা তাদের জুলুমের পক্ষে অজুহাত তৈরির চেষ্টা করেছিল এবং শক্তি প্রয়োগ করে মিডিয়া ও বাকস্বাধীনতা হরণ করে প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে নিজেদের অপরাধকে সঠিক এবং জনগণের কণ্ঠস্বরকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু জনগণ, উলামা, রাজনীতিবিদ এবং সমাজের সব স্তর সেনাবাহিনীর প্রতিটি কর্মকাণ্ড দেখেছে—যা লুকানো সম্ভব ছিল না। আমেরিকার সাথে জেনারেলদের প্রকাশ্য সহযোগিতা, নিজেদের ভূমি, আকাশ ও সমুদ্র আমেরিকার হাতে তুলে দেওয়া, মার্কিন স্বার্থে পাকিস্তানের ভূখণ্ডকে কুরবানি দেওয়া এবং একটি পবিত্র ইসলামি সরকারকে পতনে সহায়তা করা, এসব এমন বিষয় ছিল যা কেউ চোখ বন্ধ করে উপেক্ষা করতে পারছিল না।

সে সময় জেনারেলদের পক্ষ থেকে পুরো পাকিস্তানে, বিশেষ করে উপজাতীয় অঞ্চলে ধর্মীয় পবিত্রতার প্রতি এতটাই বিদ্বেষ দেখানো হয়েছিল যে, দাড়ি, পাগড়ি এবং সুন্নতি পোশাক পরিহিত ব্যক্তিকে সন্ত্রাসী মনে করা হতো এবং তাকে গ্রেফতার ও অপমান করা হতো। এই বিষয়গুলো এমন ছিল যে পুরো জাতি এর হিসাব নিতে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। তাই যখন সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু হলো, জনগণ মনে করল তাদের হৃদয়ের বড় এক স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিটি কোণায় প্রতিরোধের আওয়াজ পৌঁছাল এবং জনগণ এই আন্দোলনকে স্বাগত জানাল। করাচি, লাহোর, ইসলামাবাদ এবং পেশোয়ারের মতো বড় বড় শহরের যুবকরা প্রতিরোধের জন্য তাদের আগ্রহ প্রকাশ করল এবং এই আন্দোলনকে আর্থিক সম্পদের পাশাপাশি বাস্তবিকভাবেও সমর্থন দিল। বড় বড় গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হলো এবং সারা দেশে বড় মাপের সংঘর্ষ হলো, এমনকি করাচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এই সংঘাত পৌঁছে গেল এবং সেখানে সেনাবাহিনীর সাথে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হলো।

তা সত্ত্বেও সামরিক জেনারেলরা তাদের নীতি থেকে সরে আসেনি এবং বাস্তবতা মেনে নিতে অস্বীকার করেছে। কারণ তারা বিশ্বাস করত যে, বিভিন্ন অজুহাতে নিজেদের মানুষকে অপমান ও নির্যাতনের মাধ্যমে আমেরিকা থেকে বড় বড় সুবিধা আদায় করা সম্ভব। তারা প্রতিরোধের বিরুদ্ধে আরও কঠোর দমন-পীড়ন শুরু করল। দেশের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ জুড়ে তারা আরও গ্রেপ্তার চালালো। হাজার হাজার যুবককে ভিত্তিহীন অভিযোগে কারাবন্দি করা হলো। হাজার হাজার মানুষকে নির্মমভাবে শহীদ করা হলো। পুরো গ্রাম খালি করে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হলো এবং উপজাতীয় জনগণকে দেশ ছাড়তে ও হিজরত করতে বাধ্য করা হলো। ফলে হাজার হাজার পরিবার দেশের ভেতরে ও বাইরে শরণার্থী হয়ে গেল এবং আজও তারা হিজরতের কঠিন দিনাতিপাত করছে।

কিন্তু আজও সামরিক নেতৃত্বের নীতি একই রয়ে গেছে; দমন ও পীড়ন, যাতে নিজের দেশকে কুফরি বিশ্বের জন্য একটি “মজবুত দুর্গ” হিসেবে উপস্থাপন করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করা যায়। তারা ইসলামি প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর অপবাদ দেয়, তোহমত লাগায় এবং সম্ভব হলে তাদের জন্য সব ধরণের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ও হামলা চালায় যাতে নিজেদের আনুগত্যের প্রমাণ দেওয়া যায়।

এমনকি এই সামরিক জেনারেলরা নিজেদের নাগরিকদের হত্যা এবং কাফিরদের হাতে তুলে দেওয়ার চুক্তি করেছে। আইমাল কানসি এবং আফিয়া সিদ্দিকার মতো শত শত ব্যক্তিকে অর্থের বিনিময়ে কাফিরদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং আরও শত শত মানুষকে কাফিরদের নির্দেশে নিজ দেশেই শহীদ করা হয়েছে। এই কারণেই অনেক বিশ্লেষক মনে করেন যে, বর্তমান সেনাপ্রধান আসিম মুনিরও আমেরিকার সাথে চুক্তির ভিত্তিতে তার কৌশল সাজিয়েছেন, যার অধীনে একদিকে উপজাতীয় এলাকায় নির্বিচারে বোমাবর্ষণ এবং অন্যদিকে আফগানিস্তানে নৃশংস কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে।

তবে তাদের বোঝা উচিত যে, জুলুমই শক্তির পতনের শুরু। গত তিন দশক ধরে কাফিরদের নির্দেশে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য যে জুলুম করা হচ্ছে, তা একদিন বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়াবে। আর সেদিন সেই কাফিররা কেবল তামাশা দেখবে, কোনো কাজে আসবে না।

 

Tags: #আফগানিস্তান#আলমিরসাদবাংলা#পাকিস্তান#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

আল কায়েদা দুই আইএস সদস্যকে হত্যা করেছে এবং একজনকে জীবিত আটক করেছে
দাঈশ খাওয়ারিজ

আল কায়েদা দুই আইএস সদস্যকে হত্যা করেছে এবং একজনকে জীবিত আটক করেছে

জানুয়ারি 10, 2025
পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বর্বরতা এবং ইতিহাসের কঠোর বিচার!
রাজনীতি

পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বর্বরতা এবং ইতিহাসের কঠোর বিচার!

মার্চ 17, 2026
​আঞ্চলিক পরিবর্তিত পরিস্থিতি এবং ইমারতে ইসলামিয়ার সফল পররাষ্ট্রনীতি!
রাজনীতি

​আঞ্চলিক পরিবর্তিত পরিস্থিতি এবং ইমারতে ইসলামিয়ার সফল পররাষ্ট্রনীতি!

মার্চ 4, 2026
সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা! ​
ব্লগ

সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা! ​

এপ্রিল 12, 2026
আইএস একটি মহামারির নাম
আধুনিক খাও য়া রিজ

আইএস একটি মহামারির নাম

আগস্ট 26, 2024
পশ্চিমা স্বার্থের অনুগত মুখ!
রাজনীতি

পশ্চিমা স্বার্থের অনুগত মুখ!

মার্চ 28, 2026
রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | চতুর্থ পর্ব
ইতিহাস

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | চতুর্থ পর্ব

ফেব্রুয়ারি 12, 2025
নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | তৃতীয় পর
ইতিহাস

নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | তৃতীয় পর

জানুয়ারি 11, 2026
দায়িত্ব থেকে পলায়ন! ​
রাজনীতি

দায়িত্ব থেকে পলায়ন! ​

ফেব্রুয়ারি 10, 2026

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    মে 12, 2024
    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আগস্ট 23, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    ইসলামের দৃষ্টিতে নিরপরাধ মানুষ হত্যা

    ইসলামের দৃষ্টিতে নিরপরাধ মানুষ হত্যা

    এপ্রিল 13, 2026
    দাম্ভিক শক্তির পরাজয় এবং ইরানি জাতির প্রতিরোধের বিজয়! ​

    দাম্ভিক শক্তির পরাজয় এবং ইরানি জাতির প্রতিরোধের বিজয়! ​

    এপ্রিল 12, 2026
    সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা! ​

    সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা! ​

    এপ্রিল 12, 2026
    বিশ্ব এক নতুন পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হচ্ছে!

    বিশ্ব এক নতুন পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হচ্ছে!

    এপ্রিল 9, 2026

    news

    ইসলামের দৃষ্টিতে নিরপরাধ মানুষ হত্যা

    ইসলামের দৃষ্টিতে নিরপরাধ মানুষ হত্যা

    এপ্রিল 13, 2026
    দাম্ভিক শক্তির পরাজয় এবং ইরানি জাতির প্রতিরোধের বিজয়! ​

    দাম্ভিক শক্তির পরাজয় এবং ইরানি জাতির প্রতিরোধের বিজয়! ​

    এপ্রিল 12, 2026
    সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা! ​

    সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা! ​

    এপ্রিল 12, 2026
    বিশ্ব এক নতুন পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হচ্ছে!

    বিশ্ব এক নতুন পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হচ্ছে!

    এপ্রিল 9, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Go to mobile version