শনিবার, সেপ্টেম্বর 19, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

পাকিস্তান আর্মি: UNAMA ও UN-এর অনুসন্ধানে মিথ্যাচারের প্রধান কেন্দ্র!

✍🏻 ড. আজমল কাকড়

পাকিস্তান আর্মি: UNAMA ও UN-এর অনুসন্ধানে মিথ্যাচারের প্রধান কেন্দ্র!
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

২০২৬ সালের ৯ ও ১০ জুনের মধ্যবর্তী রাতে, যখন আচমকা বিস্ফোরণের ভয়ঙ্কর শব্দে খোস্ত, কুনার এবং পাক্তিকার শান্ত পরিবেশ কেঁপে উঠেছিল, সেটি কেবল পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর নিয়মিত সীমান্ত পারের কোনো হামলা ছিল না। এটি ছিল এমন এক রক্তাক্ত ও চূড়ান্ত মুহূর্ত, যা এই অঞ্চলে সত্য ও মিথ্যার মধ্যকার দীর্ঘদিনের ধোঁয়াশাপূর্ণ রেখাকে চিরতরে মুছে দিয়েছে; যে রেখাটি বছরের পর বছর ধরে নানা সাজানো গল্পের আড়ালে ঢাকা ছিল।

বিস্ফোরণের ধোঁয়া পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর তৈরি করা একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি কেন্দ্রীয় তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং তা প্রকাশ করা হয়। সেই বিবৃতিতে দাবি করা হয় যে, সুনির্দিষ্ট, নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এই হামলা চালানো হয়েছে, যার উদ্দেশ্য ছিল ডুরান্ড লাইনের ওপারে থাকা উগ্রবাদীদের আস্তানাগুলোকে নিশানা করা।

রাওয়ালপিন্ডির সেনা সদর দপ্তর (জিএইচকিউ) থেকে প্রচারিত এই সরকারি বয়ানে আরও দাবি করা হয় যে, হামলায় ২৬ জন উগ্রবাদী নিহত হয়েছে এবং বেসামরিক নাগরিক হতাহতের বিষয়ে আফগান সরকারের উদ্বেগগুলো মূলত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি সুসংগঠিত অপপ্রচারের অংশ।

তবে ইতিহাস সবসময়ই প্রমাণ করেছে যে, অপপ্রচার এবং সাজানো গল্প কখনোই বেশিদিন টিকে থাকে না। এবারও সত্য গোপন করার সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি এবং সরকারি গল্পটি দ্রুতই ভেঙে পড়েছে।

রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে সাজানো সেই ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে বলা গল্পটি তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে, যখন জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র ফারহান হক প্রকাশ্যেই পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর দাবি প্রত্যাখ্যান করেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে ঘটনার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরেন। এর পরপরই, আফগানিস্তানে জাতিসংঘের সহায়তা মিশন (UNAMA) তাদের একটি বিস্তারিত তথ্য-অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যা আফগান সরকারের অবস্থানকে পুরোপুরি সমর্থন করে।

এই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর অনুসন্ধান অনুযায়ী, আক্রান্ত এলাকাগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখে জানা গেছে যে, তথাকথিত এই প্রতিরক্ষামূলক অভিযান কোনো উগ্রবাদী ঘাঁটিতে আঘাত করেনি। বরং এটি আঘাত হেনেছে সাধারণ মাটির তৈরি ঘরবাড়িতে, যেখানে নিষ্পাপ পরিবারগুলো ঘুমিয়ে ছিল। এই রক্তাক্ত ও অমানবিক হামলার ফলে নারী ও শিশুসহ ১৩ জন সাধারণ নাগরিক শহীদ হয়েছেন এবং আরও ১৪ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।

জাতিসংঘ এবং উনামা আফগানিস্তানের অবস্থানকে সমর্থন করায় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর কামান এবং জিএইচকিউ-এর তৈরি করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তির আড়ালে লুকিয়ে থাকা মিথ্যাগুলো বালির বাঁধের মতো ধসে পড়েছে। আর এখান থেকেই একটি গভীর ও উদ্বেগজনক প্রশ্ন জাগে, যে সেনাবাহিনী নিজেকে পেশাদারিত্বের শীর্ষে মনে করে, তারা কেন সীমান্ত পার হয়ে এমন একটি বিপজ্জনক হামলা চালাতে গেল? আর তার চেয়েও বড় কথা, কোন গোপন কারণ ও উদ্দেশ্য এই তথাকথিত পেশাদার বাহিনীকে তাদের মুসলিম প্রতিবেশীদের রক্তগঙ্গায় ভাসাতে বাধ্য করছে?

এই জটিল ধাঁধার জট খুলতে হলে আমাদের কেবল ডুরান্ড লাইনের পাহাড়ি অঞ্চলের দিকে তাকালে চলবে না। আমাদের নজর দিতে হবে এই অঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে থাকা ভূ-রাজনৈতিক দাবার বোর্ডের দিকে। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ বিশ্লেষকরা এই পরিস্থিতিকে আরও গভীর কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন। আপনি যদি সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ইতিহাসের প্রধান ঘটনাগুলো লক্ষ্য করেন, তবে একটি অদ্ভুত এবং পুনরাবৃত্তিমূলক চিত্র দেখতে পাবেন: মধ্যপ্রাচ্যে যখনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে রাজনৈতিক বা সামরিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়, তখনই আচমকা ডুরান্ড লাইন জুড়েও বারুদের গন্ধ পাওয়া যায়।

অনেক বিশ্লেষক এটিকে নিছক কাকতালীয় মনে করেন না। তারা এটিকে কৃত্রিম সংকট তৈরির একটি সুপরিকল্পিত কৌশল হিসেবে দেখেন। পাকিস্তান আজ মারাত্মক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি এবং তার ভঙ্গুর অর্থনীতি বহুলাংশে উপসাগরীয় দেশগুলোর (বিশেষ করে সৌদি আরব) আর্থিক সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের ওপর নির্ভরশীল। মধ্যপ্রাচ্যে যখনই উত্তেজনা বাড়ে এবং ইরানের কোনো পদক্ষেপের কারণে মার্কিন বা সৌদি স্বার্থ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়, তখনই ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডির ওপর তাদের প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি এবং আঞ্চলিক জোটগুলোর সুরক্ষায় ভূমিকা রাখার চাপ বাড়তে থাকে।

তবুও পাকিস্তান একটি মারাত্মক কৌশলগত উভয়সংকটের মুখে পড়ে। ইরানের মতো একটি শক্তিশালী, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল প্রতিবেশীর সাথে সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়ানোর সামর্থ্য তার নেই। ইরানের সাথে যেকোনো সরাসরি সংঘাত পাকিস্তানের অভ্যন্তরেই মারাত্মক নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

এই কারণে, সামরিক বাহিনী একটি মনোযোগ ঘোরানোর ক্ষেত্র বা এমন এক মঞ্চ খোঁজে, যেখানে মূল সংকট ও চাপ থেকে সবার দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়া যায়। এই দৃষ্টিকোণ থেকে, ১৯৭৯ সাল থেকে সীমিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দেশ আফগানিস্তানকে সবসময়ই সবচেয়ে সহজ নিশানা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

ডুরান্ড লাইন বরাবর এই ধরনের হামলা চালিয়ে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী মূলত তাদের উপসাগরীয় এবং পশ্চিমা দাতাদের এই বার্তা দিতে চায় যে, তারা তাদের পশ্চিম সীমান্তে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে। তাই তাদের সামরিক শক্তির একটি বড় অংশ সেখানেই ব্যস্ত রয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্য কোনো সংঘাতের দিকে সরাসরি নজর দেওয়ার সুযোগ তাদের নেই। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে এই যুক্তিটি বেশ সহজেই গ্রহণ করা হয় এবং এটি পাকিস্তানের জন্য একটি কার্যকর রাজনৈতিক কার্ডে পরিণত হয়েছে।

একই সময়ে, ওয়াশিংটন এবং তার কিছু এশীয় মিত্রদের কাছে বছরের পর বছর ধরে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী এই বয়ানটি বেশ গ্রহণযোগ্য কাঠামো হিসেবে রয়ে গেছে, কারণ তারা আফগানিস্তানের বর্তমান সরকারকে একটি নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখে। এই আবহ বজায় রেখে পাকিস্তান তার কৌশলগত সীমাবদ্ধতাগুলোর যৌক্তিকতা তুলে ধরতে পারে, আঞ্চলিক সংঘাতের সরাসরি প্রভাব থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারে এবং একই সাথে আর্থিক, সামরিক ও রাজনৈতিক সহায়তা সচল রাখতে পারে।

তবে এই পুরো ভূ-রাজনৈতিক খেলার সবচেয়ে বেদনাদায়ক, উদ্বেগজনক এবং গভীর দিকটি হলো পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর এই জুয়াখেলার পেছনে লুকিয়ে থাকা নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াত্ব। পাকিস্তান এমন একটি দেশ যা সবসময়ই দাবি করে এসেছে যে ইসলামের নামে এর সৃষ্টি হয়েছে। আর এর সামরিক বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে নিজেদের হ্রাস পাওয়া জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে নিজেদের ইসলামের দুর্গ, মুসলিম উম্মাহর রক্ষক হিসেবে জাহির করে এবং বড় বড় ইসলামিক সংগ্রামের ব্যানার নিজেদের গায়ে জড়ায়।

পাকিস্তানের সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয় যে, এই সেনাবাহিনী কেবল দেশের সীমান্তেরই প্রহরী নয়, বরং সমগ্র মুসলিম উম্মাহ এবং পবিত্র দুটি মসজিদ (হারামাইন শরিফাইন) রক্ষার দায়িত্বও তাদের কাঁধে। কিন্তু যখনই কৌশলগত স্বার্থ এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমীকরণ বদলে যায়, তখন সেই সমস্ত আদর্শিক ও ধর্মীয় দাবি জানলা দিয়ে বাইরে ছুড়ে ফেলা হয়।
আর এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন মনে জাগে, যদি একমাত্র লক্ষ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছে অজুহাত ও যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়, তবে অর্থনৈতিক যুক্তি, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বা অন্যান্য কূটনৈতিক কারণের পরিবর্তে নিরীহ মুসলিমদের রক্ত ঝরানোকেই কেন প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়?

এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে এমন এক মানসিকতার মধ্যে, যা দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে নিজের ছায়া ফেলে রেখেছে। কারণ অর্থনৈতিক দুর্বলতা বা রাজনৈতিক সংকট স্বীকার করলে বিশ্বের দরবারে পাকিস্তান একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে প্রমাণিত হবে। কিন্তু সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানের দাবি তাকে একজন সক্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা অংশীদার হিসেবে উপস্থাপন করে।

এর বাইরেও, পাকিস্তানি এস্টাবলিশমেন্টের (ক্ষমতাচক্র) সাথে যুক্ত গণমাধ্যম এবং সরকারি প্রচারণায় গত বিশ বছর ধরে অনবরত এই ধারণা ছড়ানো হয়েছে যে, আফগানিস্তান থেকে আসা প্রতিটি পরিস্থিতিই পাকিস্তানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এই অপপ্রচারের কারণে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের মনে আফগান মুসলিমদেরকে মূলত সন্দেহভাজন এবং নিরাপত্তাহীনতার উৎস হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে।

সামরিক পরিভাষায় এই অবস্থাকে বলা হয় ডিহিউম্যানাইজেশন বা অমানুষিকীকরণ—এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু হওয়া মানুষদের আর মানুষ হিসেবে দেখা হয় না, বরং সামরিক হিসেব-নিকেশে কেবলই আনুষঙ্গিক ক্ষয়ক্ষতি (collateral damage) হিসেবে গণ্য করা হয়।

খোস্ত, কুনার এবং পাক্তিকায় ভেঙে পড়া ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনা শিশুদের মরদেহ এবং আহত মায়েদের আর্তনাদ এখন এই ঘটনার সবচেয়ে বেদনাদায়ক অনুস্মারক, যা যেকোনো সরকারি বিবৃতি বা সংবাদ বিজ্ঞপ্তির চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। এই ঘটনা বিশ্বকে শিক্ষা দেয় যে, রাষ্ট্র যখন ধর্ম, বিশ্বাস এবং মূল্যবোধকে মানুষের সংস্কার ও নির্দেশনার জন্য ব্যবহার না করে বিশুদ্ধ রাজনৈতিক ক্ষমতা ও টিকে থাকার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে, তখন তাদের নৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মানবিক মূল্যবোধগুলো প্রশ্নের মুখে দাঁড়ায়।

এখন যেহেতু ইউনামা (UNAMA)-এর তথ্য-অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী এবং আতাউল্লাহ তারারের দাবিকে কঠোর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে, তাই সময়ই বলে দেবে পাকিস্তানের মুসলিম জনগোষ্ঠী এবং যারা অন্যের কষ্ট অনুভব করতে পারেন, তারা তাদের এই তথাকথিত সেনাবাহিনীর এমন মারাত্মক যুদ্ধাপরাধের মুখে চুপ থাকবেন নাকি নিজেদের আওয়াজ তুলবেন।

যখন একজন সাধারণ মুসলিম এই সমস্ত কিছু নিয়ে ভাবেন, তখন তিনি এই সিদ্ধান্তেই পৌঁছান যে, পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী দেশের ভেতরে ও বাইরে মুসলিমদের ওপর যে বোমাগুলো ফেলছে, তা আসলে কোনো শত্রু নির্মূল করার জন্য নয়। সেগুলোর উদ্দেশ্য হলো বিশ্ব পরাশক্তি, ঋণদাতা এবং অনুদানকারীদের কাছে এই বার্তা পাঠানো: “হে পৃথিবীর শাসকেরা, আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের মতোই, যারা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে গড়ে উঠেছিল, আজও আপনাদের বিশ্বস্ত ও বাধ্য অনুগত দাস হিসেবে রয়ে গেছি, এবং আপনাদের অনাগত প্রজন্মের জন্যও এভাবেই থাকব।”

Tags: #আফগানিস্তান#আলমিরসাদবাংলা#জাতিসংঘ#পাকিস্তান#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

আইএসআইএস-খাওয়ারিজ আফগানিস্তানে কী চায়?
দাঈশ

আইএসআইএস-খাওয়ারিজ আফগানিস্তানে কী চায়?

অক্টোবর 16, 2024
পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে কৌশলগত ধৈর্যের অবসান!
রাজনীতি

পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে কৌশলগত ধৈর্যের অবসান!

জুন 21, 2026
জাফর এক্সপ্রেসে হামলা: কেন দোষ আফগানিস্তানের ওপর চাপানো হলো?
ব্লগ

জাফর এক্সপ্রেসে হামলা: কেন দোষ আফগানিস্তানের ওপর চাপানো হলো?

মার্চ 15, 2025
তুরস্কের ইরাকি কাউন্সিল অফিসে একজন গুরুত্বপূর্ণ আইএসআইএস কমান্ডারের অবাধ বিচরণ ইরাকি জনগণের শোক ও ক্ষোভের কারণ হয়েছে
ব্রেকিং নিউজ

তুরস্কের ইরাকি কাউন্সিল অফিসে একজন গুরুত্বপূর্ণ আইএসআইএস কমান্ডারের অবাধ বিচরণ ইরাকি জনগণের শোক ও ক্ষোভের কারণ হয়েছে

সেপ্টেম্বর 7, 2024
পেশোয়ারে কাবুল ব্যাংক শাখার হামলার মাস্টারমাইন্ড নিহত!
দাঈশ খাওয়ারিজ

পেশোয়ারে কাবুল ব্যাংক শাখার হামলার মাস্টারমাইন্ড নিহত!

মার্চ 9, 2026
ইসলামাবাদ কি আফগানিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে?
রাজনীতি

ইসলামাবাদ কি আফগানিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে?

নভেম্বর 6, 2025
বেলুচিস্তান: প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ এক ভূখণ্ড, অথচ নিপীড়িত জনগণের জন্য এক কারাগার!
রাজনীতি

বেলুচিস্তান: প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ এক ভূখণ্ড, অথচ নিপীড়িত জনগণের জন্য এক কারাগার!

নভেম্বর 30, 2025
সেই বাহিনী, যাদের আসল শত্রুতা মুসলিমদের সাথে! ​
রাজনীতি

সেই বাহিনী, যাদের আসল শত্রুতা মুসলিমদের সাথে! ​

মার্চ 28, 2026
আগ্রাসী পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর আফগান ভূখণ্ডে হামলা!
রাজনীতি

আগ্রাসী পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর আফগান ভূখণ্ডে হামলা!

জুন 30, 2026

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    সেপ্টেম্বর 2, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! (পর্ব ৩)

    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! (পর্ব ৩)

    সেপ্টেম্বর 19, 2026
    আফগান শিশুদের লালন-পালন নিয়ে রাওয়ালপিন্ডির হাহাকার: দ্বিমুখী নীতি নাকি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নতুন যুদ্ধের বয়ান?

    আফগান শিশুদের লালন-পালন নিয়ে রাওয়ালপিন্ডির হাহাকার: দ্বিমুখী নীতি নাকি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নতুন যুদ্ধের বয়ান?

    সেপ্টেম্বর 19, 2026
    মাওলানা মাসউদ আজহারের বিপুল পুরস্কার: পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্বিমুখী নীতি ও পরস্পরবিরোধী বয়ানের প্রমাণ!

    মাওলানা মাসউদ আজহারের বিপুল পুরস্কার: পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্বিমুখী নীতি ও পরস্পরবিরোধী বয়ানের প্রমাণ!

    সেপ্টেম্বর 17, 2026
    ইসলামী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিটি অভ্যুত্থান কেন বিদ্রোহ হিসেবে গণ্য হয়?

    ইসলামী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিটি অভ্যুত্থান কেন বিদ্রোহ হিসেবে গণ্য হয়?

    সেপ্টেম্বর 17, 2026

    news

    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! (পর্ব ৩)

    দাঈশি খাওয়ারিজদের ইসলামী ইমারতবিরোধী সংশয়গুলোর শরিয়াহভিত্তিক পর্যালোচনা! (পর্ব ৩)

    সেপ্টেম্বর 19, 2026
    আফগান শিশুদের লালন-পালন নিয়ে রাওয়ালপিন্ডির হাহাকার: দ্বিমুখী নীতি নাকি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নতুন যুদ্ধের বয়ান?

    আফগান শিশুদের লালন-পালন নিয়ে রাওয়ালপিন্ডির হাহাকার: দ্বিমুখী নীতি নাকি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নতুন যুদ্ধের বয়ান?

    সেপ্টেম্বর 19, 2026
    মাওলানা মাসউদ আজহারের বিপুল পুরস্কার: পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্বিমুখী নীতি ও পরস্পরবিরোধী বয়ানের প্রমাণ!

    মাওলানা মাসউদ আজহারের বিপুল পুরস্কার: পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্বিমুখী নীতি ও পরস্পরবিরোধী বয়ানের প্রমাণ!

    সেপ্টেম্বর 17, 2026
    ইসলামী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিটি অভ্যুত্থান কেন বিদ্রোহ হিসেবে গণ্য হয়?

    ইসলামী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিটি অভ্যুত্থান কেন বিদ্রোহ হিসেবে গণ্য হয়?

    সেপ্টেম্বর 17, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .