সোমবার, জানুয়ারি 12, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

আজাদ কাশ্মীর নাকি সামরিক কর্মকাণ্ডের অনুশীলনক্ষেত্র?

ড. আজমল তরিন

আজাদ কাশ্মীর নাকি সামরিক কর্মকাণ্ডের অনুশীলনক্ষেত্র?
0
SHARES
3
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

কাশ্মীর পৃথিবীর হাতে গোনা সেই গুটিকয়েক অঞ্চলের একটি, যা ভূ-রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে। ভারত, পাকিস্তান, চীন, আফগানিস্তান, মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত এই ভূখণ্ড ধর্মীয়, জাতিগত, অর্থনৈতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে বরাবরই বিশ্বশক্তিগুলোর রাজনৈতিক খেলার বলি হয়ে এসেছে। ১৯৪৭ সালের পর থেকে কাশ্মীরি জাতি না পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছে, না তাদেরকে নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার দেওয়া হয়েছে।

গত পঁচাত্তর বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারত সামরিক দখলের মাধ্যমে, পাকিস্তান রাজনৈতিক শোষণের মাধ্যমে এবং বিশ্ব কৌশলগত নীরবতার মাধ্যমে কাশ্মীরি জনগণের অধিকার পদদলিত করেছে। কাশ্মীরিরা একটি মর্যাদাসম্পন্ন, আত্মসম্মানী, স্বতন্ত্র পরিচয়সম্পন্ন এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের অধিকারী জাতি। মানবতা, ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতিমালার আলোকে তাদের সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত।

কাশ্মীরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
কাশ্মীর একটি প্রাচীন, ঐতিহাসিক ও সভ্যতামণ্ডিত ভূখণ্ড—যেখানে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বৌদ্ধধর্ম, ব্রাহ্মণ্যবাদ ও ইসলামী সভ্যতা পাশাপাশি সহাবস্থান করেছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, আধ্যাত্মিকতা ও জ্ঞানচর্চার কারণে একে ‘ভূ-পৃষ্ঠের জান্নাত’ বলা হতো।

মুসলিম শাসনামলে কাশ্মীর ছিল জ্ঞান, সাহিত্য, বাণিজ্য ও সংস্কৃতির এক মহিমান্বিত কেন্দ্র। মসজিদ, মাদরাসা, গ্রন্থাগার ও খানকাহ ছিল এই ভূমির সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রধান স্তম্ভ। মুসলিম শাসকেরা এখানে সহনশীলতা, ধর্মীয় সহাবস্থান ও সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, তা এই অঞ্চলে শান্তি ও অগ্রগতির ভিত্তি রচনা করেছিল।

কিন্তু উনিশ শতকের মধ্যভাগে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এই জান্নাতসম ভূখণ্ডের ভাগ্য নিয়ে বাণিজ্য করে। ১৮৪৬ সালের অমৃতসর চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশরা মাত্র ৭৫ লক্ষ রুপির বিনিময়ে কাশ্মীরকে ডোগরা শাসক গুলাব সিংয়ের হাতে তুলে দেয়। এই ঐতিহাসিক লেনদেন কেবল কাশ্মীরিদের জাতীয় ইচ্ছার বিরুদ্ধেই ছিল না, বরং তাদের রাজনৈতিক ও মানবাধিকারগুলোর প্রকাশ্য লঙ্ঘনও ছিল।

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভক্ত হওয়ার পর কাশ্মীর ছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলোর একটি। কিন্তু বিভাজনের সময় কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার দেওয়া হয়নি। ফলশ্রুতিতে এই অঞ্চল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চিরস্থায়ী বিরোধ ও যুদ্ধের কেন্দ্রে পরিণত হয়।

কাশ্মীরের বিভাজন
১৯৪৭ সালের বিভাজনের পরপরই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কাশ্মীর অঞ্চলটি কাশ্মীরিদের মতামত ও সম্মতি ছাড়াই তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়—
১. ভারতের দখলাধীন কাশ্মীর (জাম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখ):
ভারত সামরিক শক্তির মাধ্যমে এই অঞ্চল দখল করে এবং আজও কঠোর সামরিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।
২. পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন কাশ্মীর (“আজাদ কাশ্মীর” ও গিলগিত-বালতিস্তান):
এই অঞ্চল পাকিস্তানের অধীনে থাকলেও এর স্থায়ী রাজনৈতিক অবস্থান আজও অস্পষ্ট।
৩. চীনের দখলাধীন অংশ (আকসাই চীন):
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই ভূখণ্ড পরবর্তীতে চীন দখল করে নেয় এবং বর্তমানে তা তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

কাশ্মীরিদের অংশগ্রহণ, পরামর্শ কিংবা সম্মতি ছাড়াই সংঘটিত এই ত্রিমুখী বিভাজন বিশ্ব রাজনৈতিক ইতিহাসে এক জঘন্য অবিচার। কাশ্মীরি জনগণকে কখনোই গণভোট বা আত্মনিয়ন্ত্রণের সুযোগ দেওয়া হয়নি—যা জাতিসংঘের একাধিক প্রস্তাব ও আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এই বিভাজনের ফলেই আজও কাশ্মীর সহিংসতা, সামরিক দখল, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ থেকে বঞ্চিত অবস্থায় রয়েছে।

কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে যুদ্ধসমূহ
ভারত ও পাকিস্তান কাশ্মীরের নামে এখন পর্যন্ত তিনটি বড় ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করেছে। যদিও যুদ্ধগুলোর সূচনা কাশ্মীরের নামেই হয়েছিল, বাস্তবে সেগুলোর লক্ষ্য ছিল না নিপীড়িত কাশ্মীরি জনগণের কল্যাণ; বরং উভয় দেশের সামরিক ও রাজনৈতিক শাসকদের সংকীর্ণ স্বার্থ।
১. প্রথম যুদ্ধ (১৯৪৭–৪৮):
স্বাধীনতার পরপরই শুরু হয়। উভয় দেশ কাশ্মীর দখলের চেষ্টা করে। জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে যুদ্ধ বন্ধ হলেও কাশ্মীর দ্বিখণ্ডিত হয়।
২. দ্বিতীয় যুদ্ধ (১৯৬৫):
কাশ্মীরিদের সমর্থনের অজুহাতে পাকিস্তান আকস্মিক আক্রমণ চালায়, কিন্তু ব্যাপক প্রাণহানির মধ্য দিয়ে ব্যর্থ হয়। তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধের অবসান ঘটে।
৩. তৃতীয় যুদ্ধ (১৯৯৯—কারগিল):
পাকিস্তানি সামরিক জেনারেলরা কারগিলে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। ভারতের কঠোর সামরিক জবাবে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পর সংঘাত শেষ হয়, যা উভয় দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয়।

এই সব যুদ্ধে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারালেও প্রকৃত মূল্য চুকিয়েছে নিরপরাধ কাশ্মীরিরা। তারা এক রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের মাঝে জিম্মি হয়ে থেকেছে—না পেয়েছে শান্তি, না পেয়েছে নিজেদের ভাগ্যের উপর অধিকার। যুদ্ধগুলো সমস্যার সমাধান না করে বরং শত্রুতা, অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা বাড়িয়েছে।

কাশ্মীরি জনগণের ওপর নিপীড়ন
যে কাশ্মীর একসময় সৌন্দর্য, সাহিত্য, ধর্মীয় সহনশীলতা ও প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যের প্রতীক ছিল, আজ তা পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সামরিকীকৃত অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। ভারতীয় ও পাকিস্তানি বাহিনী এটিকে এমনভাবে ঘিরে রেখেছে যে প্রতিদিন নিপীড়ন, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অমানবিক আচরণ চলছেই।

হাজার হাজার কাশ্মীরিকে বিচার ছাড়াই হত্যা করা হয়েছে, অসংখ্য মানুষ গুম হয়েছে, আর বাকিরা অন্ধকার কারাগারে নির্মম নির্যাতনের শিকার। নারীদের ও তরুণীদের ওপর সেনাবাহিনীর যৌন সহিংসতা শুধু পরিবার নয়, পুরো জাতির সম্মানের ওপর আঘাত। এসব অপরাধ প্রামাণ্য এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও তা নথিভুক্ত করেছে।

সামরিক অভিযানে ঘরবাড়ি, দোকানপাট ধ্বংস করা হয় নির্দয়ভাবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন, স্বাস্থ্যসেবা অনুপস্থিত, ব্যবসা সংকুচিত, কর্মসংস্থান বিলুপ্ত—মানুষ আত্মীয়স্বজনের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতে পারে না।

আজ কাশ্মীর বৈশ্বিক মানবিক বিপর্যয়ের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত; কিন্তু বিশ্বশক্তির রাজনৈতিক স্বার্থ এই ট্র্যাজেডিকে আড়াল করে রেখেছে। জীবন, স্বাধীনতা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত কাশ্মীরিদের এই চলমান মানবিক সংকট আর উপেক্ষা করা যায় না।

পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন কাশ্মীর: স্বাধীনতার নামে সামরিক শাসন
বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তান নিজেকে কাশ্মীরিদের সবচেয়ে বড় সমর্থক হিসেবে তুলে ধরলেও, তার নিয়ন্ত্রণাধীন কাশ্মীর (আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিত-বালতিস্তান)-এর বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে নেই জনগণের শাসন, নেই রাজনৈতিক স্বাধীনতা, নেই আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার।
• রাজনৈতিক ও নাগরিক স্বাধীনতা কার্যত অনুপস্থিত। মতপ্রকাশ, রাজনীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার সীমিত।
• গিলগিত-বালতিস্তানকে মূল কাশ্মীর ইস্যু থেকে বিচ্ছিন্ন করে তাকে না দেওয়া হয়েছে পূর্ণ অধিকার, না রাজনৈতিক ক্ষমতা, না পরিচয় ও ভূমির মালিকানা।
• নির্বাচন হয় বটে, কিন্তু সব প্রার্থী ও দলকে পাকিস্তান ও তার সেনাবাহিনীর প্রতি আনুগত্যের শপথ নিতে হয়। প্রকৃত সিদ্ধান্ত নেয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
• প্রতিটি বড় সিদ্ধান্তে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর চূড়ান্ত কর্তৃত্ব। স্থানীয় আইনগত প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষমতাহীন।
• ‘আজাদ কাশ্মীর’ কেবল একটি নাম। বাস্তবে এটি পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রিত একটি সামরিক ব্যবস্থা। এখানকার জনগণও ভারতের দখলাধীন কাশ্মীরের মতোই নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার।

উপসংহার
কাশ্মীরিদের বুঝতে হবে—পাকিস্তান তাদের ভাগ্যের মালিক নয়। নিজেদের অধিকার, মর্যাদা, পরিচয়, ক্ষমতা ও ভূমির রক্ষা কেবল একটি ঐক্যবদ্ধ, সচেতন ও সংগ্রামী জাতিই করতে পারে। এখন সময় এসেছে দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে প্রকৃত স্বাধীনতার পথে অগ্রসর হওয়ার।

কাশ্মীর সমস্যা নিছক একটি ভূখণ্ডগত বিরোধ নয়; এটি একটি নিপীড়িত জাতির পরিচয়, সম্মান ও মানবিক মর্যাদার সংগ্রাম। ১৯৪৭ সাল থেকে এই জাতি ভূ-রাজনৈতিক খেলায়, সামরিক লেনদেনে ও কৌশলগত স্বার্থে বলি হয়ে আসছে। পাকিস্তান এতে নিজের সামরিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করছে, আর বিশ্বশক্তিগুলো নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।

কাশ্মীরিদের মৌলিক মানবাধিকার অবিরাম লঙ্ঘিত হচ্ছে। শান্তি, উন্নয়ন ও ন্যায়বিচারের বদলে তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে যুদ্ধ, সেন্সরশিপ, অবিচার ও অর্থনৈতিক ধ্বংস।

এখন সময় এসেছে—বিশ্বের ন্যায়পরায়ণ মানুষ, আন্তর্জাতিক সংস্থা, ইসলামী বিশ্ব ও মানবাধিকারকর্মীরা যেন কাগুজে আলোচনার গণ্ডি পেরিয়ে কাশ্মীর সমস্যার ন্যায্য সমাধানে মনোনিবেশ করে। কাশ্মীরি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণের স্বাধীনতা এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজের হাতে নেওয়ার অধিকার অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। তারা আর কোনো সামরিক খেলায় দাবার ঘুঁটি হয়ে থাকতে পারে না।

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#পাকিস্তান#ভারত#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

আইএসআইএসের ব্যর্থ প্রচেষ্টা এবং ইসলামী ইমারাতের সফল শৃঙ্খলা
দাঈশ

আইএসআইএসের ব্যর্থ প্রচেষ্টা এবং ইসলামী ইমারাতের সফল শৃঙ্খলা

নভেম্বর 13, 2024
রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা
ইতিহাস

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা

জানুয়ারি 6, 2025
ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | একাদশ পর্ব
ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | একাদশ পর্ব

সেপ্টেম্বর 1, 2025
আইএস একটি মহামারির নাম
আধুনিক খাও য়া রিজ

আইএস একটি মহামারির নাম

সেপ্টেম্বর 17, 2024
সিরিয়ান শাসকগোষ্ঠী তিনজন দাঈশ সদস্যকে হত্যার পাশাপাশি অপর চারজনকে জীবিতাবস্থায় গ্রেফতার করেছে
দাঈশ খাওয়ারিজ

সিরিয়ান শাসকগোষ্ঠী তিনজন দাঈশ সদস্যকে হত্যার পাশাপাশি অপর চারজনকে জীবিতাবস্থায় গ্রেফতার করেছে

মে 19, 2025
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেফতারকৃত আইএসআইএস সদস্য আগে আফগানিস্তানে সিআইএয়ের গার্ড হিসেবে কাজ করেছে
দাঈশ খাওয়ারিজ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেফতারকৃত আইএসআইএস সদস্য আগে আফগানিস্তানে সিআইএয়ের গার্ড হিসেবে কাজ করেছে

অক্টোবর 14, 2024
আফগানিস্তান বিশ্বের জন্য হুমকি নাকি খোদ আফগানিস্তানই হুমকির মুখে?
আফগানিস্তান

আফগানিস্তান বিশ্বের জন্য হুমকি নাকি খোদ আফগানিস্তানই হুমকির মুখে?

জুন 12, 2024
খলিফা হারুন আর রশীদ রহ.–এর বিরুদ্ধে খাওয়ারিজদের বিদ্রোহ
ইতিহাস

খলিফা হারুন আর রশীদ রহ.–এর বিরুদ্ধে খাওয়ারিজদের বিদ্রোহ

ডিসেম্বর 3, 2024
হেরাতে আইএসআইএস-খাওয়ারিজের একটি গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্কের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়েছে
আধুনিক খাও য়া রিজ

হেরাতে আইএসআইএস-খাওয়ারিজের একটি গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্কের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়েছে

জুন 2, 2024

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    মে 12, 2024

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    মে 8, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    শহীদ আবু উবাইদাহ (হুজাইফা আল-কাহলুত) তাকাব্বাল্লাহ–এর ​জীবন ও কর্মের ওপর এক সংক্ষিপ্ত আলোকপাত

    শহীদ আবু উবাইদাহ (হুজাইফা আল-কাহলুত) তাকাব্বাল্লাহ–এর ​জীবন ও কর্মের ওপর এক সংক্ষিপ্ত আলোকপাত

    জানুয়ারি 12, 2026
    ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | ষষ্ঠ পর্ব

    ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | ষষ্ঠ পর্ব

    জানুয়ারি 12, 2026
    নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | তৃতীয় পর

    নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | তৃতীয় পর

    জানুয়ারি 11, 2026
    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | সপ্তদশ পর্ব

    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | সপ্তদশ পর্ব

    জানুয়ারি 10, 2026

    news

    শহীদ আবু উবাইদাহ (হুজাইফা আল-কাহলুত) তাকাব্বাল্লাহ–এর ​জীবন ও কর্মের ওপর এক সংক্ষিপ্ত আলোকপাত

    শহীদ আবু উবাইদাহ (হুজাইফা আল-কাহলুত) তাকাব্বাল্লাহ–এর ​জীবন ও কর্মের ওপর এক সংক্ষিপ্ত আলোকপাত

    জানুয়ারি 12, 2026
    ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | ষষ্ঠ পর্ব

    ইসলামী ব্যবস্থার সুফল | ষষ্ঠ পর্ব

    জানুয়ারি 12, 2026
    নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | তৃতীয় পর

    নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | তৃতীয় পর

    জানুয়ারি 11, 2026
    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | সপ্তদশ পর্ব

    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | সপ্তদশ পর্ব

    জানুয়ারি 10, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Go to mobile version