বুধবার, জুলাই 22, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব

✍🏻আকবার জামাল

আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব
0
SHARES
2
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

২০২১ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের পতন এবং আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারাতের পুনরায় ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের পর থেকে আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি, বিশেষত আফগানিস্তান-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল, জটিল ও পরিবর্তনশীল এক পর্যায় অতিক্রম করছে।

জনপরিসর, বুদ্ধিবৃত্তিক মহল এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রায়ই কয়েকটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপিত হয়: ইসলামী ইমারাত কি কখনও পাকিস্তানের সঙ্গে বিদ্যমান নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সমস্যাগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের জন্য আন্তরিক ও গুরুতর আহ্বান বা উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল? স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে কাবুল কি কখনও কোনো উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি ইসলামাবাদের সঙ্গে সমঝোতার টেবিলে পাঠিয়েছিল?

সরকারি বিবৃতি, বিশদ বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্লেষণ এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার আলোকে প্রস্তুত এই প্রবন্ধে মূলত এসব প্রশ্নেরই উত্তর তুলে ধরা হয়েছে, যাতে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সাম্প্রতিক ইতিহাসের কোনো কৌশলগত, রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক দিক আড়ালে না থাকে এবং পাঠকের সামনে প্রকৃত চিত্রটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

২০২১ সালের আগস্টে দীর্ঘ সংগ্রামের পর ইসলামী ইমারাত আফগানিস্তানের শাসনভার গ্রহণ করলে, কাবুল তার পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক কৌশলগত নীতির মধ্যে প্রতিবেশী সব দেশের, বিশেষ করে পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ, টেকসই ও স্থিতিশীল সম্পর্ক প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেয়।

কাবুলের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল নিরাপত্তা, সীমান্ত ও বাণিজ্যসহ দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের জটিল বিরোধ যুদ্ধ, সামরিক চাপ বা শীতল সংঘাতের মাধ্যমে নয়; বরং রাজনৈতিক বোঝাপড়া, পারস্পরিক সম্মান এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।

এই গঠনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি ও আন্তরিক নীতির প্রথম বড় ও বাস্তব প্রকাশ ঘটে ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে। সে সময় ইসলামাবাদ ও তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর মধ্যে তীব্র সামরিক সংঘর্ষ চলছিল এবং সমগ্র অঞ্চল গভীর নিরাপত্তা সংকটে নিমজ্জিত ছিল।

আঞ্চলিক শান্তির বৃহত্তর স্বার্থে এবং সদিচ্ছার নিদর্শন হিসেবে ইসলামী ইমারাত কাবুলে ইসলামাবাদ ও তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের মতো রক্তক্ষয়ী দুই প্রতিপক্ষকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানায়, নিজস্ব সম্পদ ব্যবহার করে এবং তাদের মধ্যে এক মাসব্যাপী একটি ঐতিহাসিক ও শান্তিপূর্ণ যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় সফল হয়।

এই সফল মধ্যস্থতার পরবর্তী আনুষ্ঠানিক ও সুসংগঠিত ধাপ শুরু হয় ২০২২ সালের মে মাসে। আফগান সরকারের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে পেশোয়ারের কর্পস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়েজ হামিদের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের পাকিস্তানি প্রতিনিধি দল কাবুলে পৌঁছায়। এই দলে শুধু উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তারাই ছিলেন না; পাকিস্তানের উপজাতীয় প্রবীণ ও প্রভাবশালী মহলের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন, যাতে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত সমস্যার এমন একটি সর্বজনগ্রাহ্য ও স্থায়ী সমাধান বের করা যায়, যা উভয় রাষ্ট্রের জন্য গ্রহণযোগ্য হয়।

কাবুলের গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপদ স্থানে কয়েক দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এসব দীর্ঘ, ক্লান্তিকর ও গুরুতর বৈঠকে আফগান ইসলামী ইমারাত অত্যন্ত দায়িত্বশীল, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও আন্তরিক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে, যাতে ইসলামাবাদ ও তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের মতো দুই পক্ষ একটি দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী শান্তি-চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে।

এই আলোচনা যাতে কেবল আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়ে না থাকে, বরং বাস্তব ফলাফল বয়ে আনে, সে লক্ষ্যে ইসলামী ইমারাত তার সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রভাবশালী নিরাপত্তা কর্মকর্তাদেরও এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করে।

এক্ষেত্রে ইসলামী ইমারাতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খলিফা সিরাজুদ্দীন হাক্কানি কেন্দ্রীয় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়েজ হামিদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানি প্রতিনিধি দল এবং টিটিপি প্রধান মুফতি নূর ওয়ালি মাহসুদের প্রতিনিধিদলকে একই টেবিলে বসান এবং উভয় পক্ষের কঠোর ও আপাতদৃষ্টিতে আপসহীন দাবিগুলো নমনীয় করার জন্য নিজের সমস্ত রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও নৈতিক প্রভাব কাজে লাগান।

এই প্রচেষ্টার পেছনে ইসলামী ইমারাতের মূল উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান। কারণ কাবুলের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, পাকিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে তার ইতিবাচক ও প্রত্যক্ষ প্রভাব ডুরান্ড লাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দুই দেশের পারস্পরিক বাণিজ্যের ওপর পড়বে।

ইসলামী ইমারাত দুই পক্ষকেই আন্তরিকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করে যে, আঞ্চলিক শান্তি, জনকল্যাণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের একমাত্র কার্যকর পথ হলো যুদ্ধবিরতি, অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করা এবং রাজনৈতিক সংলাপ।

কাবুলের এসব আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে গুরুত্বপূর্ণ, ঐতিহাসিক ও সুদূরপ্রসারী অগ্রগতি অর্জিত হয়। এই বৈঠকের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ও তাৎক্ষণিক ফল ছিল তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের সব সামরিক অভিযান স্থগিত করার এবং যুদ্ধবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক লিখিত ঘোষণা দেয়। এর ফলে পাকিস্তানের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির তাৎক্ষণিক ও দৃশ্যমান উন্নতি ঘটে।

আলোচনার সময় পারস্পরিক আস্থা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্য হয় যে, পাকিস্তান সরকার সদিচ্ছার নিদর্শন হিসেবে টিটিপির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ বন্দিকে মুক্তি দেবে। সে অনুযায়ী পাকিস্তানের সামরিক কর্তৃপক্ষ কয়েক ডজন বন্দিকে মুক্তিও দেয়।

এছাড়া দীর্ঘ আলোচনার সবচেয়ে জটিল বিষয় ছিল, টিটিপির দাবি যে, সাবেক উপজাতীয় অঞ্চল (ফাটা)-কে খাইবার পাখতুনখোয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত বাতিল করে পুনরায় তার পূর্বের আধা-স্বায়ত্তশাসিত উপজাতীয় মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে হবে।

জেনারেল ফয়েজ হামিদ এবং পাকিস্তানি প্রতিনিধি দল এ বিষয়ে গভীর ও বিস্তারিত আলোচনা করে এবং উপজাতীয় প্রবীণদের মধ্যস্থতায় এমন একটি মধ্যপন্থা খুঁজে বের করার বিষয়ে একমত হয়, যা পাকিস্তানের সংবিধান এবং টিটিপির উদ্বেগ, উভয়ের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারে।

একই সঙ্গে ইসলামী ইমারাত ও পাকিস্তান এ বিষয়েও সম্মত হয় যে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সংঘাত, সামরিক অভিযান ও যুদ্ধের কারণে ডুরান্ড লাইন অতিক্রম করে আফগানিস্তানে উদ্বাস্তু হয়ে থাকা উপজাতীয় পরিবারগুলোকে পূর্ণ নিরাপত্তা, সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে তাদের নিজ নিজ এলাকায়, বিশেষত ওয়াজিরিস্তানে পুনর্বাসন করা হবে।

এখানে একটি ঐতিহাসিক বিষয় উল্লেখযোগ্য। পাকিস্তানের এসব লাখো উদ্বাস্তু আফগানিস্তানে আশ্রয় নিয়েছিল তখন, যখন সেখানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র উপস্থিত ছিল এবং কাবুলে আশরাফ গনির ইসলামী ইমারাতবিরোধী সরকার ক্ষমতায় ছিল।

অর্থাৎ এটি ইসলামী ইমারাতের পুনঃপ্রতিষ্ঠার বহু আগের ঘটনা। এই প্রেক্ষাপটে একটি যৌক্তিক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে: সে সময় পাকিস্তান সরকারের কি তাদের সামরিক ও গোয়েন্দা নেতৃত্বকে জিজ্ঞাসা করা উচিত ছিল না যে, যখন পাকিস্তান সেনাবাহিনী ডুরান্ড লাইনে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ ও কঠোর নজরদারি চালাচ্ছিল, তখন কীভাবে ১৮ থেকে ২০ হাজার ওয়াজিরিস্তানি সীমান্তরক্ষীদের সামনে দিয়েই আফগানিস্তানে প্রবেশ করতে সক্ষম হলো?

তবে ইসলামী ইমারাত তাদের পক্ষ থেকে এই সফর, চুক্তি এবং আলোচনা-প্রক্রিয়াকে স্থায়ী ও কার্যকর করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালায়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও সামরিক অঙ্গনে এমন পরিবর্তন ঘটে, যা বহু পরিশ্রমে গড়ে ওঠা পুরো শান্তি-প্রক্রিয়াকেই ভেঙে দেয়।

ইমরান খানের সরকার অপসারণ করে শাহবাজ শরিফকে প্রধানমন্ত্রী করা হয়। এর সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক নীতিতেও মৌলিক পরিবর্তন আনা হয়।

এদিকে আলোচনা-প্রক্রিয়ার প্রধান সমন্বয়কারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়েজ হামিদকে পেশোয়ার কর্পস কমান্ডারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে আলোচনার ধারাবাহিকতা এবং দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগের প্রধান সেতুবন্ধন ভেঙে যায়। পাকিস্তানের নতুন সামরিক নেতৃত্ব ইসলামী ইমারাতের এই আন্তরিক মধ্যস্থতা এবং জেনারেল ফয়েজ হামিদের অনুসৃত টিটিপির সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার নীতি অব্যাহত রাখতে অস্বীকৃতি জানায়।

পরবর্তীতে নতুন সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির দায়িত্ব গ্রহণের পর কূটনৈতিক ও সামরিক শিষ্টাচারের তোয়াক্কা না করে কঠোর ও অনমনীয় অবস্থান গ্রহণ করেন এবং ঘোষণা দেন যে, “সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে কেবল গুলি ও বারুদের ভাষায় কথা বলা হবে; রাষ্ট্র তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনার টেবিলে বসবে না।”

এই সমগ্র বিবরণ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, ২০২২ সালে ইসলামী ইমারাত পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ শান্তি এবং সমগ্র অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য নিজের সর্বোচ্চ সামর্থ্য, প্রভাব ও সম্পদ আন্তরিকতার সঙ্গে ব্যবহার করে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুযোগ সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিভিত্তিক ক্ষমতাকেন্দ্র সেই শান্তি-প্রক্রিয়াকে টিকিয়ে রাখেনি এবং শক্তির অহংকারে সেই সুযোগ নষ্ট করে ফেলে।

Tags: #আফগানিস্তান#আলমিরসাদবাংলা#পাকিস্তান#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

বাঘলান প্রদেশে খাওয়ারিজদের সহযোগিতাকারী দুই প্রধান বিদ্রোহী নিহত হয়েছে
আধুনিক খাও য়া রিজ

বাঘলান প্রদেশে খাওয়ারিজদের সহযোগিতাকারী দুই প্রধান বিদ্রোহী নিহত হয়েছে

জুন 30, 2024
এটি এমন এক ভাবনা, যা কখনো বাস্তবে রূপ নেবে না!
আফগানিস্তান

এটি এমন এক ভাবনা, যা কখনো বাস্তবে রূপ নেবে না!

সেপ্টেম্বর 25, 2025
রাজনীতি

রাশিয়ার সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি এবং আফগানিস্তানের ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি! ​

জুন 8, 2026
বাগরামের কারাগারেও কেন স্বাধীনতা উদযাপিত হচ্ছে?
আফগানিস্তান

বাগরামের কারাগারেও কেন স্বাধীনতা উদযাপিত হচ্ছে?

আগস্ট 19, 2024
ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | একাদশ পর্ব
দাঈশ

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | একাদশ পর্ব

সেপ্টেম্বর 1, 2025
যখন মিম্বর হয়ে পড়ে ক্ষমতার দাস!
রাজনীতি

যখন মিম্বর হয়ে পড়ে ক্ষমতার দাস!

এপ্রিল 26, 2026
পাকিস্তানের সামরিক শাসন আসলে কী চায়?
রাজনীতি

পাকিস্তানের সামরিক শাসন আসলে কী চায়?

নভেম্বর 4, 2025
ইসলামাবাদ হামলা ও সাম্প্রতিক তথ্য ​
রাজনীতি

ইসলামাবাদ হামলা ও সাম্প্রতিক তথ্য ​

ফেব্রুয়ারি 14, 2026
রাশিয়ার সাথে ইসলামি ইমারাতের চুক্তি নিয়ে কিছু মহল কেন উদ্বিগ্ন? ​
রাজনীতি

রাশিয়ার সাথে ইসলামি ইমারাতের চুক্তি নিয়ে কিছু মহল কেন উদ্বিগ্ন? ​

জুন 8, 2026

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    জুলাই 3, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

    সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

    জুলাই 22, 2026
    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব

    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব

    জুলাই 22, 2026
    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও শ্বেতাঙ্গ উপনিবেশবাদ!

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও শ্বেতাঙ্গ উপনিবেশবাদ!

    জুলাই 21, 2026
    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | ষষ্ঠবিংশ পর্ব

    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | ষষ্ঠবিংশ পর্ব

    জুলাই 20, 2026

    news

    সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

    সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

    জুলাই 22, 2026
    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব

    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব

    জুলাই 22, 2026
    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও শ্বেতাঙ্গ উপনিবেশবাদ!

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও শ্বেতাঙ্গ উপনিবেশবাদ!

    জুলাই 21, 2026
    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | ষষ্ঠবিংশ পর্ব

    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | ষষ্ঠবিংশ পর্ব

    জুলাই 20, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .