শুক্রবার, জুন 5, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

জাতিসংঘ, পাকিস্তান এবং মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডার রাজনীতি

✍🏻 আবদান সাফী

জাতিসংঘ, পাকিস্তান এবং মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডার রাজনীতি
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

বিশ্বজুড়ে এমন কিছু ব্যক্তি ও রাষ্ট্র রয়েছে যারা একটি নির্দিষ্ট দাবি বারবার, অত্যন্ত আত্মবিশ্বাস এবং জোরালোভাবে পুনরাবৃত্তি করার ফলে তারা নিজেরাই সত্য ও মিথ্যার মধ্যেকার পার্থক্য ঘোলাটে করে ফেলে। তাদের বিবেক ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং তারা নিজেরাই নিজেদের তৈরি করা আখ্যানে বন্দি হয়ে পড়ে। এমন আচরণ কেবল অন্যদেরকেই বিপথে চালিত করে না, বরং এর হোতাদেরকে মিথ্যার এক স্ব-আরোপিত কারাগারে আটকে রাখে, যেখানে সত্যের আলোর কোনো প্রবেশ নেই।

এই ধরনের কর্মকাণ্ডের মধ্যে পাকিস্তান এবং তার রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তারা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যারা বাস্তবতাকে বিকৃত করাকে একটি স্থায়ী কৌশল হিসেবে গ্রহণ করেছে। নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে অবিরাম অভিযোগের ধারা বজায় রাখার জন্য সম্ভাব্য সব কৌশল প্রয়োগ করে। গত কয়েক দশক ধরে, পাকিস্তান তার নিজেদের ব্যর্থতার জন্য নিয়মিতভাবে আফগানিস্তান ও ভারতকে দায়ী করে আসছে। তারা প্রতিটি মঞ্চ ব্যবহার করে আফগান ভূখণ্ড থেকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের অভিযোগ প্রচার করে আসছে। এই ধারাবাহিক প্রচারণা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করার এবং পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সংকট থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেওয়ার একটি অস্ত্র।

পাকিস্তানের অভিযোগের পেছনের বাস্তবতা
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক এক বৈঠকে পাকিস্তান আবারও তার সেই পরিচিত আখ্যানের পুনরাবৃত্তি করেছে: আফগানিস্তান নাকি আইএস, তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মতো গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দিচ্ছে, যারা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

কিন্তু এই অভিযোগগুলো নতুন নয়, এবং বর্তমান ইসলামিক আমিরাত অব আফগানিস্তান (আইইএ)-এর সঙ্গেও এর কোনো সম্পর্ক নেই। আইএস, টিটিপি এবং বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনগুলোর অস্তিত্ব আইইএ প্রতিষ্ঠার অনেক আগে থেকেই ছিল। আফগানিস্তানের বর্তমান সরকারের চেয়েও পুরোনো সমস্যাগুলোর জন্য আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর এবং অন্যায্য। আইইএ বারবার ঘোষণা করেছে এবং বাস্তবেও প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে তারা তাদের ভূখণ্ড অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেয় না।

বাস্তবতা হলো, টিটিপি এবং বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী উভয়ই পাকিস্তানের ভেতর থেকেই পরিচালিত হয়। অনেক প্রভাবশালী পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ তাদের সংবাদ সম্মেলন এবং সাক্ষাৎকারে প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে, খাইবার পাখতুনখোয়ার বেশ কয়েকটি জেলা, যার মধ্যে ওয়াজিরিস্তান, ট্যাংক, ডেরা ইসমাইল খান, লাক্কি মারওয়াত এবং খাইবার অন্তর্ভুক্ত, কার্যকরভাবে টিটিপি’র নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যেখানে তারা একটি সমান্তরাল প্রশাসন চালাচ্ছে।

বাজাউরে, স্থানীয় নেতারা পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে টিটিপি’র সঙ্গে শান্তি জিরগা (সভা) করেছে। এই সভাগুলোর ভিডিও ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে, যা সুস্পষ্ট প্রমাণ দেয় যে, টিটিপি পাকিস্তানের মাটিতেই অবস্থিত এবং সেখান থেকেই তাদের কার্যক্রম চালায়।

একইভাবে, বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরাও তাদের নিজস্ব ভূখণ্ডের মধ্যেই সক্রিয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, তারা বেলুচিস্তানের প্রধান শহর ও নগরী যেমন পাঞ্জগুর, খারান, কেচ এবং সুরাবের নিয়ন্ত্রণ সাময়িকভাবে দখল করে নিয়েছে। তারা মহাসড়ক অবরোধ করেছে, সামরিক বহর আটকে দিয়েছে এবং একই মাসে একাধিকবার পাকিস্তানি সৈন্যদের আটক করেছে। এমন বড় আকারের অভিযান আফগান সীমান্ত থেকে চালানো সম্ভব নয়, বিশেষত যখন পাকিস্তান বারবার দাবি করে আসছে যে তারা সেই সীমান্ত সুরক্ষিত করেছে। এই তথ্যগুলো একটি অনিবার্য উপসংহারের দিকে ইঙ্গিত করে: টিটিপি এবং বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা পাকিস্তানের আদিবাসী এবং সেখান থেকেই তারা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে।

আইএস-কের বাস্তবতা
আইএসের বাস্তবতা পাকিস্তানের দ্বিমুখী আচরণকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। আইএসের মূল ভিত্তি ছিল পাকিস্তানের খাইবার এজেন্সি, যেখান থেকে দলটি পরবর্তীতে আফগানিস্তানে ছড়িয়ে পড়ে এবং পাকিস্তানের আঞ্চলিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণে সহায়তা করে। তবে, ইসলামি ইমারাতের প্রত্যাবর্তনের পর আইএসের বিরুদ্ধে এমন চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যা অন্য কোনো শক্তি কার্যকর করতে পারেনি। ফলস্বরূপ, আইএস কার্যত আফগানিস্তান থেকে নির্মূল হয়েছে, এবং তাদের অবশিষ্টাংশ আবার তাদের মূল ঘাঁটি পাকিস্তানে পালিয়ে গেছে।

সেখানে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের আশ্রয় দিয়েছে, বেলুচিস্তানে তাদের কেন্দ্রগুলো পুনরায় সক্রিয় করেছে, তাদের পুনরায় সজ্জিত করেছে এবং আবারও তাদের ব্যবহার করার জন্য প্রস্তুত করেছে। পাকিস্তানি গোয়েন্দারা আইএস সদস্যদের গ্রেফতারের নাটক সাজিয়েছে, যেমন শরীফুল্লাহ ওরফে জাফর এবং ওজগুর আলতুন, শুধুমাত্র আর্থিক লাভের জন্য শরীফুল্লাহকে পরে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। অধিকন্তু, কয়েক মাস আগে বেলুচিস্তানের মাস্তুংয়ে আইএস কেন্দ্রগুলোতে পরিচালিত হামলায় অনেক আইএস যোদ্ধা নিহত হয়েছিল। স্বাভাবিক প্রশ্ন হলো: বেলুচিস্তানে আইএস কেন্দ্র এবং বিপুল সংখ্যক যোদ্ধারা কী করছিল? এর কিছুদিন পরেই, আইএস নিজেই একটি ভিডিও প্রকাশ করে সেই হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হুমকি দেয়।

আফগানিস্তানে আটককৃত আইএস যোদ্ধাদের সাক্ষ্য, যা আল মিরসাদ প্রকাশ করেছে, তা আরও নিশ্চিত করে—তাদের বেলুচিস্তান থেকে কেবল আফগানিস্তানেই নয়, বরং অন্যান্য আঞ্চলিক দেশগুলোতেও বিধ্বংসী অভিযান চালানোর জন্য পাঠানো হয়েছিল। এই তথ্যগুলো পরিষ্কারভাবে দেখায় যে, আইএসের অপারেশনাল ঘাঁটি আফগানিস্তানে নয়, বরং পাকিস্তানের ভিতরেই অবস্থিত।

জাতিসংঘের ভূমিকা
তাহলে কেন জাতিসংঘ পাকিস্তানের আখ্যানের পুনরাবৃত্তি করে চলেছে? এর উত্তর যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবে নিহিত। আফগানিস্তানে তাদের অপমানজনক পরাজয়ের পর, ওয়াশিংটন ক্রমাগত অপপ্রচারের মাধ্যমে আইইএ-কে অসম্মানিত করার চেষ্টা করছে। জাতিসংঘ যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে প্রতিধ্বনিত করে বারবার এই অভিযোগগুলোকে প্রচার করেছে, যা সত্যের প্রতিফলন নয় বরং রাজনৈতিক চাপের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে।

এটা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ যে, আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্বাধীন সংস্থাগুলোও মাঝে মাঝে আইএসের বিরুদ্ধে আইইএ-এর কার্যকর অভিযানের কথা স্বীকার করেছে। পার্থক্য হলো, আইইএ তার জনগণের সুরক্ষার জন্য কাজ করেছে, আন্তর্জাতিক প্রশংসা অর্জনের জন্য নয়। তবুও জাতিসংঘ ধারাবাহিকভাবে পাকিস্তানের দেওয়া প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করে প্রোপাগাণ্ডা চালায়, যে প্রতিবেদনগুলো শত্রুতা এবং পক্ষপাতদুষ্টতায় ভরা, অথচ আফগানিস্তানকে বৈশ্বিক মঞ্চে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার একই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়।

ভবিষ্যৎ পথ
যদি জাতিসংঘ সত্য উদ্ঘাটনে সত্যিই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, তাহলে তাকে অবশ্যই শত্রু প্রতিবেশী দেশের পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে তাদের মূল্যায়ন করা উচিত নয়। বরং, তাদের উচিত আইইএ-এর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের চ্যানেল স্থাপন করা এবং সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করা। চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে আইইএ-এর প্রকৃত এবং কার্যকর পদক্ষেপগুলো স্বীকৃতি দিলে আস্থা ও সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। ভিত্তিহীন অভিযোগগুলোকে চিরস্থায়ী না করে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত গঠনমূলক অংশগ্রহণের সমর্থন করা, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জগুলোর স্থায়ী এবং স্বাধীন সমাধানের পথ সুগম করবে।

Tags: #আফগানিস্তান#আলমিরসাদবাংলা#জাতিসংঘ#পাকিস্তান#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

পাকিস্তানি রেজিম: অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি থেকে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা পর্যন্ত!
রাজনীতি

পাকিস্তানি রেজিম: অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি থেকে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা পর্যন্ত!

অক্টোবর 23, 2025
আফগানিস্তান সম্পর্কে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের ভিত্তিহীন ও বিষাক্ত অপপ্রচার!
রাজনীতি

আফগানিস্তান সম্পর্কে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের ভিত্তিহীন ও বিষাক্ত অপপ্রচার!

মার্চ 12, 2026
ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | সপ্তম পর্ব
ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | সপ্তম পর্ব

আগস্ট 20, 2025
আমার স্বামী একজন অপরাধী এবং তার হাত নির্দোষদের রক্তে রঞ্জিত: বাগদাদির স্ত্রী
আধুনিক খাও য়া রিজ

আমার স্বামী একজন অপরাধী এবং তার হাত নির্দোষদের রক্তে রঞ্জিত: বাগদাদির স্ত্রী

জুন 15, 2024
হারিয়ে যাওয়া অর্ধশতাব্দী
আফগানিস্তান

হারিয়ে যাওয়া অর্ধশতাব্দী

সেপ্টেম্বর 22, 2025
রাওয়ালপিন্ডির জেনারেলদের তলোয়ার এখন আইএসের হাতে! ​
রাজনীতি

রাওয়ালপিন্ডির জেনারেলদের তলোয়ার এখন আইএসের হাতে! ​

মে 7, 2026
আইএসআইএস পরবর্তী শান্তি; ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সময়মতো সহায়তা!
আফগানিস্তান

আইএসআইএস পরবর্তী শান্তি; ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সময়মতো সহায়তা!

সেপ্টেম্বর 9, 2025
আইএসআইএস-খাওয়ারিজ আফগানিস্তানে কী চায়?
দাঈশ

আইএসআইএস-খাওয়ারিজ আফগানিস্তানে কী চায়?

অক্টোবর 16, 2024
দাঈশি খাওয়ারিজদের দ্বারা বিদেশীদের পরিকল্পিত হামলা ইসলামী ইমারাতকে দুর্বল করতে পারবে না: দায়িত্বশীলদের দৃপ্ত ঘোষণা
নিউজ

দাঈশি খাওয়ারিজদের দ্বারা বিদেশীদের পরিকল্পিত হামলা ইসলামী ইমারাতকে দুর্বল করতে পারবে না: দায়িত্বশীলদের দৃপ্ত ঘোষণা

ডিসেম্বর 14, 2024

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    মে 12, 2024
    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আগস্ট 23, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    আইইএ-এর ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি!

    আইইএ-এর ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি!

    জুন 4, 2026
    ​শরিয়াহ মূলনীতির আলোকে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি!

    ​শরিয়াহ মূলনীতির আলোকে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি!

    জুন 4, 2026
    গতকালের গ্রানাডা, আজকের গাযযা: ইসলামের শেষ দুর্গের টিকে থাকার সংগ্রাম!

    গতকালের গ্রানাডা, আজকের গাযযা: ইসলামের শেষ দুর্গের টিকে থাকার সংগ্রাম!

    জুন 3, 2026
    ​টেকসই নিরাপত্তার অস্তিত্ব: ইসলামী শাসন ও গণজাগরণের ফসল!

    ​টেকসই নিরাপত্তার অস্তিত্ব: ইসলামী শাসন ও গণজাগরণের ফসল!

    জুন 3, 2026

    news

    আইইএ-এর ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি!

    আইইএ-এর ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি!

    জুন 4, 2026
    ​শরিয়াহ মূলনীতির আলোকে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি!

    ​শরিয়াহ মূলনীতির আলোকে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি!

    জুন 4, 2026
    গতকালের গ্রানাডা, আজকের গাযযা: ইসলামের শেষ দুর্গের টিকে থাকার সংগ্রাম!

    গতকালের গ্রানাডা, আজকের গাযযা: ইসলামের শেষ দুর্গের টিকে থাকার সংগ্রাম!

    জুন 3, 2026
    ​টেকসই নিরাপত্তার অস্তিত্ব: ইসলামী শাসন ও গণজাগরণের ফসল!

    ​টেকসই নিরাপত্তার অস্তিত্ব: ইসলামী শাসন ও গণজাগরণের ফসল!

    জুন 3, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Go to mobile version