মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 1, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

পাকিস্তান; আইএসের সঙ্গে প্রকৃত যুদ্ধ নাকি কৌশলগত বাণিজ্য?

✍🏻 আবদান সাফি

পাকিস্তান; আইএসের সঙ্গে প্রকৃত যুদ্ধ নাকি কৌশলগত বাণিজ্য?
0
SHARES
1
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

অতিসম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসের এক অধিবেশনে ভাষণ প্রদানকালে ঘোষণা করে যে, পাকিস্তান কাবুল বিমানবন্দরে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার সন্দেহভাজন ষড়যন্ত্রকারী মুহাম্মাদ শরিফুল্লাহ (যিনি ‘জাফর’ নামে পরিচিত)–কে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে সমর্পণ করেছে। এই ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক মহলে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাকিস্তানের ভূমিকাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কের ঝড় ওঠে। তবে প্রকৃত প্রশ্নটি হলো— এই গ্রেফতারি কি বাস্তবিক অর্থেই সন্ত্রাসবাদবিরোধী এক অসামান্য বিজয়, নাকি এটি নিছক এক কূটনৈতিক ছলনা, যার মাধ্যমে পাকিস্তান তার স্বীয় কৌশলগত স্বার্থসিদ্ধি করতে সচেষ্ট?

এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় যে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করেছে। অতীতেও বহুবার সে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের সত্যচ্যুত করে তার ভূমিকাকে অতিশয়োক্তির আড়ালে উপস্থাপন করেছে। নাইন-ইলেভেন পরবর্তী সময়ে পাকিস্তান শত শত মুজাহিদকে মার্কিন সরকারের হাতে তুলে দিয়ে বিলিয়ন ডলারের অর্থসাহায্য লাভ করেছিল। কিন্তু সেই সঙ্গে এমন বহু নিরপরাধ ব্যক্তিকেও ‘জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে আমেরিকাকে হস্তান্তর করেছিল, যাদের প্রকৃতপক্ষে কোনো প্রতিরোধ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ ছিল না। পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপ্রধান জেনারেল পারভেজ মোশাররফ তার আত্মজীবনীতে লিখেছে যে, এই প্রত্যর্পণের বিনিময়ে পাকিস্তান প্রতিজনের জন্য পাঁচ হাজার ডলার করে লাভ করেছিল এবং এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতারিত করেছিল।

আজও পাকিস্তান সেই পুরনো নীতির পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনকে এমন এক ‘সন্ত্রাসী’ উপস্থাপন করা হচ্ছে, যার আটক হওয়াকে এক কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, অথচ বাস্তবতা ভিন্ন। এটি বৃহৎ ভূরাজনৈতিক দাবার এক ক্ষুদ্র ঘুঁটি মাত্র।

দাঈশ খোরাসানের পাকিস্তানে কার্যক্রম

প্রকৃত প্রশ্নটি কেবল মুহাম্মাদ শরিফুল্লাহর গ্রেফতারিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা অধিকতর গভীর। দাঈশ খোরাসান কীভাবে পাকিস্তানে সক্রিয় রয়েছে, সেটিই বাস্তবিক ভাবনার বিষয়। এটি এক অস্বীকারাতীত সত্য যে পাকিস্তান দাঈশ খোরাসানের শাখাকে আফগানিস্তানে তার কৌশলগত স্বার্থ বাস্তবায়নের জন্য প্রক্সি শক্তি হিসেবে ব্যবহার করছে। এবং এ সংক্রান্ত বহু অকাট্য প্রমাণ বিদ্যমান।

যখন ইসলামী ইমারত আফগানিস্তানে রাষ্ট্রক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করল, তখন তারা দাঈশের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে সংগঠনের বহু শীর্ষ নেতাকে নির্মূল করল। এই অভিযানের ফলে দাঈশের অবশিষ্ট সদস্যরা আফগানিস্তান ত্যাগ করে পাকিস্তানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়, যেখানে তারা নিরাপদ আশ্রয়লাভ করে এবং নতুন করে তাদের ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তারে ব্রতী হয়।

সাম্প্রতিক কালে আফগানিস্তান ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সংঘটিত একাধিক সন্ত্রাসী হামলা (কান্দাহারে ব্যাংকে হামলা, বাগলানে মসজিদে বিস্ফোরণ, কুন্দুজে ব্যাংকে আক্রমণ, শহীদ খলিল হাজির ওপর হামলা এবং কেরমান হত্যাকাণ্ড) পাকিস্তানের বেলুচিস্তান থেকে সংগঠিত হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে, এসব হামলাকারী পাকিস্তানের ভূখণ্ডে অবস্থিত বিভিন্ন সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণকেন্দ্র থেকে নির্দেশনা ও প্রশিক্ষণ পেয়েছিল।

পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো, যারা অতীতে কাশ্মির ও অন্যান্য অঞ্চলে প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে যুদ্ধ পরিচালনায় অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, এখন দাঈশ খোরাসানকে আফগানিস্তানে তাদের কৌশলগত স্বার্থ বাস্তবায়নের এক কার্যকর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।

এই উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রম কেবল আফগানিস্তানকে অস্থিতিশীলতার গভীর অতলান্তে ঠেলে দিচ্ছে না, বরং এটি বর্তমানে ইসলামী ইমারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের এক জোরালো চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

যদি যুক্তরাষ্ট্র সত্যিকার অর্থেই দাঈশের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত থাকে, তবে তাদের অনুধাবন করা আবশ্যক যে, দাঈশ খোরাসানের অস্তিত্বকে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন করার জন্য কেবল কয়েকজন সদস্যকে গ্রেফতার করা যথেষ্ট নয়। বরং এই সংগঠনের অব্যাহত কার্যক্রমের পেছনে যে শক্তি কাজ করছে তাদের অর্থায়ন, পৃষ্ঠপোষকতা ও নিরাপদ আশ্রয়স্থল— সেসব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে হবে। কেবল কিছু ক্ষুদ্র উপসেটকে ধ্বংস করলেই বৃহৎ কাঠামো অক্ষত থাকে এবং এভাবেই সন্ত্রাসবাদের মূল শেকড় অক্ষুণ্ণ থেকে যায়।

পাকিস্তান বর্তমানে এক গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন। ইতিহাস সাক্ষী, পাকিস্তান বারংবার এমন সুযোগের সন্ধান করেছে যার মাধ্যমে সে যুক্তরাষ্ট্রের আনুকূল্য অর্জন করতে পারে। অতীতেও সে কিছু ব্যক্তিকে আমেরিকার হাতে সমর্পণ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার ভাবমূর্তি উন্নত করার প্রয়াস পেয়েছে। কিন্তু সন্ত্রাসবাদের প্রকৃত কাঠামো ধ্বংস করার পরিবর্তে, বরং পাকিস্তান দাঈশের মতো উগ্রবাদী সংগঠনগুলোকে তার ভূরাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য এক কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

আজও পাকিস্তান তার সেই পুরনো রাজনৈতিক কৌশল ও চাতুর্যপূর্ণ কূটনৈতিক চাল পুনরায় প্রয়োগ করছে। মোহাম্মদ শরিফুল্লাহর গ্রেফতারিও তারই ধারাবাহিকতা— প্রথমে একদল সন্ত্রাসীকে নিরাপদ আশ্রয় প্রদান করা, অতঃপর পরিস্থিতির দাবিতে কূটনৈতিক স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে তাদের আমেরিকার হাতে তুলে দেওয়া এবং একে সন্ত্রাসবিরোধী সাফল্য হিসেবে বিশ্বমঞ্চে প্রচার করা।

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে প্রকৃত লড়াই তখনই সম্ভবপর হবে যখন এই সংগঠনগুলোর প্রকৃত অভিভাবক, অর্থায়নকারী এবং নিরাপদ আস্তানাগুলোকে নির্মূল করা হবে। যদি যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে কেবল উগ্রবাদীদের বাহ্যিক অবয়বকে আঘাত হানার মাধ্যমে সন্তুষ্ট থাকতে চায়, তবে এ যুদ্ধ কখনোই শেষ হবে না। পাকিস্তান তার প্রচলিত নীতি অনুযায়ী এই চক্রের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে যাবে এবং ভূরাজনৈতিক দাবার গুটিস্বরূপ এই খেলার এক অগ্রসরতর পর্যায় রচনা করবে।

Tags: #আফগানিস্তান#আমেরিকা#আলমিরসাদবাংলা#দাঈশখাওয়ারিজ#পাকিস্তান
ShareTweet

related-post

ইসলামি ইমারাতের সহনশীলতার নীতি এবং পাকিস্তানে সংকটের মূল কারণ ​
রাজনীতি

ইসলামি ইমারাতের সহনশীলতার নীতি এবং পাকিস্তানে সংকটের মূল কারণ ​

ফেব্রুয়ারি 25, 2026
​টেকসই নিরাপত্তার অস্তিত্ব: ইসলামী শাসন ও গণজাগরণের ফসল!
আফগানিস্তান

​টেকসই নিরাপত্তার অস্তিত্ব: ইসলামী শাসন ও গণজাগরণের ফসল!

জুন 3, 2026
মুসলিম উম্মাহর জাগ্রত হওয়ার সময় এসেছে!
ব্লগ

মুসলিম উম্মাহর জাগ্রত হওয়ার সময় এসেছে!

জুলাই 14, 2026
রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | ত্রয়োদশ পর্ব
ইতিহাস

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | ত্রয়োদশ পর্ব

মে 16, 2025
বেলুচিস্তানে জাফর এক্সপ্রেসে হামলা; এটি কী বার্তা দিচ্ছে?
ব্লগ

বেলুচিস্তানে জাফর এক্সপ্রেসে হামলা; এটি কী বার্তা দিচ্ছে?

মার্চ 14, 2025
মানবিক আইনের একটি পুনঃপরীক্ষা!
রাজনীতি

মানবিক আইনের একটি পুনঃপরীক্ষা!

এপ্রিল 30, 2026
আইএস একটি মহামারির নাম | অষ্টবিংশ পর্ব
দাঈশ

আইএস একটি মহামারির নাম | অষ্টবিংশ পর্ব

সেপ্টেম্বর 28, 2025
এ ভূমি শাহাদাতের… এ ভূমি আত্মত্যাগের
আফগানিস্তান

এ ভূমি শাহাদাতের… এ ভূমি আত্মত্যাগের

সেপ্টেম্বর 23, 2025
সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!
দাঈশ

সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

জুলাই 22, 2026

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রাজনৈতিক জীবনের ওপর কারা আমলরত?

    সেপ্টেম্বর 2, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    দোহা চুক্তির অধীনে অন্যদের বিরুদ্ধে আফগান ভূমি ব্যবহার না করা: এর শরঈ ব্যাখ্যা কী? | পর্ব ৩

    দোহা চুক্তির অধীনে অন্যদের বিরুদ্ধে আফগান ভূমি ব্যবহার না করা: এর শরঈ ব্যাখ্যা কী? | পর্ব ৩

    সেপ্টেম্বর 1, 2026
    সাম্রাজ্যগুলোর কবরস্থান ও ইতিহাসের ঘূর্ণায়মান চাকা! | পর্ব ৪ (শেষ)

    সাম্রাজ্যগুলোর কবরস্থান ও ইতিহাসের ঘূর্ণায়মান চাকা! | পর্ব ৪ (শেষ)

    আগস্ট 31, 2026
    ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: ঈমান বিক্রেতা ও বিদ্রোহীদের পরিণতি!

    ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: ঈমান বিক্রেতা ও বিদ্রোহীদের পরিণতি!

    আগস্ট 31, 2026
    বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার: আফগানিস্তানের শত্রুদের সর্বশেষ ব্যর্থ প্রচেষ্টা!

    বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার: আফগানিস্তানের শত্রুদের সর্বশেষ ব্যর্থ প্রচেষ্টা!

    আগস্ট 30, 2026

    news

    দোহা চুক্তির অধীনে অন্যদের বিরুদ্ধে আফগান ভূমি ব্যবহার না করা: এর শরঈ ব্যাখ্যা কী? | পর্ব ৩

    দোহা চুক্তির অধীনে অন্যদের বিরুদ্ধে আফগান ভূমি ব্যবহার না করা: এর শরঈ ব্যাখ্যা কী? | পর্ব ৩

    সেপ্টেম্বর 1, 2026
    সাম্রাজ্যগুলোর কবরস্থান ও ইতিহাসের ঘূর্ণায়মান চাকা! | পর্ব ৪ (শেষ)

    সাম্রাজ্যগুলোর কবরস্থান ও ইতিহাসের ঘূর্ণায়মান চাকা! | পর্ব ৪ (শেষ)

    আগস্ট 31, 2026
    ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: ঈমান বিক্রেতা ও বিদ্রোহীদের পরিণতি!

    ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: ঈমান বিক্রেতা ও বিদ্রোহীদের পরিণতি!

    আগস্ট 31, 2026
    বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার: আফগানিস্তানের শত্রুদের সর্বশেষ ব্যর্থ প্রচেষ্টা!

    বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার: আফগানিস্তানের শত্রুদের সর্বশেষ ব্যর্থ প্রচেষ্টা!

    আগস্ট 30, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .