সোমবার, জুলাই 27, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home রাজনীতি

ধূলিসাৎ হওয়া স্বপ্নগুলো!

✍🏻 ​সানা জামাল দীনি

ধূলিসাৎ হওয়া স্বপ্নগুলো!
0
SHARES
2
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

একবার বিবিসি-তে পাকিস্তানের সমস্যা নিয়ে বিতর্ক চলছিল এবং মানুষজন স্বাধীনভাবে তাদের মতামত দিচ্ছিল। সেই সময়ে এক ব্যক্তি অত্যন্ত চমকপ্রদ একটি কথা বলেন। কথাটি আপাতদৃষ্টিতে কৌতূহলী মনে হলেও বাস্তবে ছিল অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, “পাকিস্তানে প্রতি দুই-তিন জন মানুষের মধ্যে একজনের আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ। যেখানেই তাকাবেন, দেখবেন মানুষ বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে আলোচনা ও মতামত দিচ্ছে। অথচ তারা তাদের ব্যক্তিগত অবস্থা বা পারিবারিক সমস্যা সম্পর্কে হয় অজ্ঞ, অথবা সেগুলোর ব্যাপারে চরম উদাসীন।”

তিনি তার কথা সেখানেই শেষ করে দেন, এর গভীর দিকগুলোর দিকে ইঙ্গিত করেননি। বাস্তবতা হলো, পাকিস্তানের সরকারি যন্ত্র, যাদের হাতে দেশের লাগাম—তারা প্রায়ই নিজেদের ব্যক্তিগত বিলাসিতা ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে ব্যস্ত থাকে। সাধারণ মানুষকে এমন পথে ঠেলে দেওয়া হয় যেন তাদের মনোযোগ আসল সমস্যা থেকে সরে যায়। তাদের ভুল কর্মকাণ্ডের কাহিনী যদি পুরোপুরি সামনে চলে আসত, তবে সাধারণ মানুষ তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাত।

ইসলামের নাম মুখে নেওয়া হয় ঠিকই, কিন্তু বাস্তবে এমন অনেক কাজ করা হয় যা ইসলাম ও ইসলামী বিধানের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। মানুষের নজর অন্যদিকে ঘোরাতে মাঝে মাঝে এমন সব বিষয় তোলা হয় বা গল্প সাজানো হয় যাতে জনগণ মূল বাস্তবতা থেকে দূরে সরে যায়। ফলে সাধারণ মানুষ মনে করতে শুরু করে যে কোনো বড় সাফল্য অর্জিত হয়েছে, যদিও বাস্তবতা থাকে এর সম্পূর্ণ বিপরীত।

পাকিস্তানের জন্মলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত এই নাটক অবিরাম চলছে। তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মনে হচ্ছে এই নাটক আরও বড় মঞ্চে মঞ্চস্থ হচ্ছে। দেশের মুদ্রাস্ফীতি দরিদ্র মানুষের পিঠ ভেঙে দিয়েছে, তেলের দাম আকাশচুম্বী, বিদ্যুৎ এমনভাবে গায়েব থাকে যে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে এখন তা নিয়ে কৌতুক ও মিম বানাচ্ছে—যেন এটি একটি ধাঁধায় পরিণত হয়েছে। গ্যাসের লোডশেডিং সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে, খাদ্যাভাব স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।

রাজনৈতিক পরিবেশ কেবল অস্থিরই নয়, বরং তা আরও সহিংস রূপ নিয়েছে। জনগণের রায় এবং নির্বাচনী আস্থার অবমাননা করা হয়েছে। ধর্মকে খেলায় পরিণত করা হয়েছে এবং এমন সব আইন তৈরি করা হচ্ছে যা ইসলামী নীতিবিরোধী এবং প্রাচ্যের সংস্কৃতির কপালে কলঙ্ক।
রাজনীতির পরিচিত মুখ এবং জননেতাদের হয় জেলে পুরে রাখা হয়েছে, না হয় তাদের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে এবং জোরপূর্বক চুপ থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে। পূর্ব-পশ্চিমের সব বাণিজ্যিক পথ সমস্যার সম্মুখীন। যা উৎপাদন হচ্ছে তা-ও নষ্ট হচ্ছে এবং মানুষের পরিশ্রম বিফলে যাচ্ছে।

বেকারত্ব সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, দেশের ঋণ প্রতিদিন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, শিক্ষার মান নিম্নমুখী, স্বাস্থ্য খাতে উন্নতির বদলে প্রতিদিন লজ্জাজনক সব চিত্র সামনে আসছে। চুরি ও লুটতরাজ প্রকাশ্যে চলছে। শ্রেণীগত শত্রুতা আগের চেয়ে বেড়েছে এবং নতুন রূপ ধারণ করেছে। কিন্তু এত কিছুর পরেও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা দাবি করছে যে, আমরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বড় সাফল্য অর্জন করেছি।

যদি বহির্বিশ্বের কথা বলা হয়, সেখানেও একটি নির্দিষ্ট দৃশ্যপট দেখা যায়। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ ও আলোচনার প্রশ্নে কিছু মহল চেষ্টা করছে মধ্যস্থতা ও আলোচনার কৃতিত্ব নিজেদের নামে করতে। তারা বিশ্বকে দেখাতে চায় যে, তারা যেন এক মহাযুদ্ধ থামানোর মহান দায়িত্ব পালন করেছে।

কিন্তু এই বিষয়ের সত্যতা তখনই ফাঁস হলো যখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে (এক্স) একটি বিবৃতি দেন। ধীরে ধীরে স্পষ্ট হলো যে, সেই বিবৃতিটি আসলে অন্য কোথাও তৈরি করা হয়েছিল। বিবৃতির ভাষা দেখে মনে হচ্ছিল যেন তা বিদেশি কোনো উৎস থেকে সাজানো। এমন এক সময়ে যখন বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নানা বিধিনিষেধ ছিল, তখন ‘আমদানিকৃত বয়ান’ (Imported Narrative) সজোরে প্রচার করা হচ্ছিল।

পরবর্তীতে যখন কোনো ‘যুদ্ধবিরতি’ ও শান্তির ঘোষণা দেওয়া হলো, তখন তা জনগণের সামনে ঢাকঢোল পিটিয়ে উপস্থাপন করা হলো। এমনকি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বলতে শুরু করলেন যে, এই চুক্তিতে অন্যান্য মিত্ররাও শামিল আছে। কিন্তু এই ব্যাখ্যার কিছুকাল পরেই পরিস্থিতি মোড় নিল। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে লেবাননের কিছু এলাকায় ভয়াবহ বোমাবর্ষণ করা হলো, যা যুদ্ধবিরতির দাবির সত্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিল।

একই সাথে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির আবহে খবর এল যে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও পথ নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছে এবং চাপের একটি নতুন শিকল তৈরি হয়েছে। আলোচনার নামে যে শোরগোল চলছিল, তা হঠাৎ করেই ভেস্তে গেল। মার্কিন সরকারি প্রতিনিধিদল কোনো ফলাফল ছাড়াই ফিরে গেল এবং কোনো স্পষ্ট সাফল্য অর্জিত হলো না।

অন্যদিকে, ইরানের পক্ষ থেকেও অনানুষ্ঠানিক রিপোর্ট এলো যে, আলোচনার সময় ইরানি প্রতিনিধিদল গুরুতর হুমকির মুখে ছিল। এই জটিল পরিস্থিতি আড়াল করার জন্য নতুন বয়ান তৈরি করা হলো যে—পরবর্তী ধাপ আরও সফল হবে। এমনকি বলা হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট অঞ্চলটি সফর করবেন। কিন্তু এই সব কথাই এখন পর্যন্ত বাস্তব প্রমাণ থেকে অনেক দূরে।

দুঃখের সাথে বলতে হয়, এই অপপ্রচার এমনভাবে চালানো হয়েছে যে অনেক মানুষের পা টলমল করে উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগমন নিয়ে এমন শোরগোল এবং খুশির পরিবেশ তৈরি করা হলো, যেন আকাশ থেকে বিশেষ কোনো রহমত নাজিল হতে যাচ্ছে এবং এক মুহূর্তেই পাকিস্তানের ভাগ্য বদলে যাবে।

এই বয়ান ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সমাজের বিভিন্ন স্তর—সাংবাদিক, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া, ওলামা-মাশায়েখ, সোশ্যাল মিডিয়া কর্মী—সবাইকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এমন এক পথে চালিত করা হয়েছে যে, তারা গভীর চিন্তাভাবনা ছাড়াই এই কৃত্রিম পরিবেশকে গ্রহণ করে নিয়েছে। এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল যেন ট্রাম্পের আগমন পাকিস্তানকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির এক নতুন যুগে নিয়ে যাবে।

কিন্তু এই সব আশাই তখন চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল যখন ট্রাম্প ঘোষণা করলেন যে, নিরাপত্তা সমস্যার কারণে তিনি তার ভাইস প্রেসিডেন্টকেও পাকিস্তান সফরে পাঠাবেন না। ‘নিরাপত্তা সমস্যা’-র পেছনের বার্তাটি ছিল পরিষ্কার—হয় অঞ্চলটি অস্থিতিশীল, অথবা এর ওপর পূর্ণ আস্থা নেই। এভাবে সেই সম্মান ও আশা, যা কিছু মহল এই সফরের সাথে জুড়ে দিয়েছিল, তা আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলো এবং দেশের ভাবমূর্তি আরও ক্ষুণ্ন হলো।

অন্যদিকে ইরানও ঘোষণা করল যে, তারা ইসলামাবাদে আলোচনার দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেবে না। এর সাথে সাথেই পররাষ্ট্রনীতির সেই নাজুক ভাবমূর্তি আরও তছনছ হয়ে গেল: ‘না খোদা হি মিলা, না বিসালে সানাম, না ইধার কে রাহে, না উধার কে’ (না পেলাম স্রষ্টাকে, না পেলাম প্রিয়তমাকে; রইলাম না এদিকের, না ওদিকের)।

আমেরিকা ও ইরানের আলোচনার ফলাফল ভবিষ্যতে স্পষ্ট করবে যে তারা কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছায় কি না। কিন্তু সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক দিক হলো—যে জনগণ আলেমদের সত্যের মুখপাত্র, সাংবাদিকদের সত্যের কণ্ঠস্বর এবং মিডিয়াকে মজলুমের প্রতিনিধি মনে করত, যখন তারা তাদের এই অসহায়ত্ব ও দুর্বলতা দেখল, তখন তাদের আশার আলো নিভে গেল এবং হতাশার ছায়া নেমে এল।

আর এই হতাশা ভিত্তিহীন নয়। সেই একই লোক যারা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছিলেন যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিন ইস্যুকে ভুল পথে নিয়ে যাচ্ছেন এবং তিনি আরব বিশ্বে ইসলামের প্রভাব কমানোর গোপন পরিকল্পনা করেছেন; এমনকি সেই ট্রাম্পই গাজার মজলুমদের রক্তের জন্য দায়ী—আজ যখন সরকারি নীতির মোড় ঘুরল, তখন তারা হঠাৎ করে নিজেদের অবস্থান থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন (ইউ-টার্ন নিলেন)। তারা দেশের ও ধর্মের আসল সমস্যা থেকে নজর সরিয়ে দিলেন। যেখানে প্রয়োজন ছিল জনগণের প্রকৃত সমস্যাগুলো সাহসের সাথে তুলে ধরা এবং শাসকদের ভুল সংশোধন করা, সেখানে তারা সত্যের বদলে এমন সব মিথ্যে বয়ান ছড়াতে শুরু করলেন যার সাথে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এমন বয়ানকে উৎসাহিত করা হয়েছে যা জনগণের দৃষ্টি তাদের মৌলিক সমস্যা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। অথচ এই সব বয়ান কেবল তাদের আগের অবস্থানের বিরুদ্ধেই নয়, বরং জনগণের আশা ও বিশ্বাসের সাথেও এক চরম প্রতারণা।

 

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#পাকিস্তান#রাজনীতি
ShareTweet

related-post

বাঘলানে শহীদ মুজাহিদের রক্তের প্রতিশোধ : আইএসকেপি’র বিরুদ্ধে অভিযান
দাঈশ খাওয়ারিজ

বাঘলানে শহীদ মুজাহিদের রক্তের প্রতিশোধ : আইএসকেপি’র বিরুদ্ধে অভিযান

ফেব্রুয়ারি 26, 2025
ভেনেজুয়েলা; একটি রহস্য!
রাজনীতি

ভেনেজুয়েলা; একটি রহস্য!

জানুয়ারি 7, 2026
পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং উলামায়ে কেরামের দায়িত্ব!
দাঈশ

পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং উলামায়ে কেরামের দায়িত্ব!

মার্চ 9, 2026
ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | চতুর্বিংশ পর্ব
ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | চতুর্বিংশ পর্ব

জুলাই 15, 2026
আইএসআইএস-খাওয়ারিজের সম্পদের অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উৎস কী?
দাঈশ

আইএসআইএস-খাওয়ারিজের সম্পদের অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উৎস কী?

নভেম্বর 2, 2024
কাবুলে আইএসআইএস সন্ত্রাসীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্ক গ্রেফতার
আধুনিক খাও য়া রিজ

কাবুলে আইএসআইএস সন্ত্রাসীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্ক গ্রেফতার

জুলাই 14, 2024
আমেরিকা; বিশ্বের সবচেয়ে অনিরাপদ দেশ
রাজনৈতিক লেখা

আমেরিকা; বিশ্বের সবচেয়ে অনিরাপদ দেশ

সেপ্টেম্বর 22, 2024
চরমপন্থা ও কঠোরতার রাজনীতি: এক অনিবার্য পরাজয়ের আখ্যান
রাজনীতি

চরমপন্থা ও কঠোরতার রাজনীতি: এক অনিবার্য পরাজয়ের আখ্যান

জানুয়ারি 11, 2025
দেশীয় শিল্প: অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ভিত্তি!
আফগানিস্তান

দেশীয় শিল্প: অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ভিত্তি!

জানুয়ারি 6, 2026

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    উমাইয়াহ, আব্বাসী এবং উসমানী খিলাফতকালে খাওয়ারিজদের অস্তিত্ব

    অক্টোবর 28, 2024
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    খাওয়ারিজদের জন্ম : নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

    জুলাই 3, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | সপ্তবিংশ পর্ব

    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | সপ্তবিংশ পর্ব

    জুলাই 26, 2026
    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | সপ্তবিংশ পর্ব

    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | সপ্তবিংশ পর্ব

    জুলাই 26, 2026
    সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

    সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

    জুলাই 22, 2026
    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব

    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব

    জুলাই 22, 2026

    news

    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | সপ্তবিংশ পর্ব

    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | সপ্তবিংশ পর্ব

    জুলাই 26, 2026
    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | সপ্তবিংশ পর্ব

    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | সপ্তবিংশ পর্ব

    জুলাই 26, 2026
    সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

    সমসাময়িক ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় হুদুদ বাস্তবায়নের নীতি এবং আইএসের চরমপন্থার পরিণতি!

    জুলাই 22, 2026
    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব

    আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের সমঝোতার বুদ্ধিবৃত্তিক সূচনা; ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কাবুলে শান্তি-আলোচনার গঠনমূলক পর্যায়! | প্রথম পর্ব

    জুলাই 22, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .