রবিবার, জুন 14, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home ইতিহাস

গাযযাকে গ্রানাডার পরিণতির দিকে ঠেলে দেওয়া বিশ্বাসঘাতকরা

✍🏻 ​আজমল জালাল

গাযযাকে গ্রানাডার পরিণতির দিকে ঠেলে দেওয়া বিশ্বাসঘাতকরা
0
SHARES
1
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

গ্রানাডার শেষ অবরোধ চলেছিল প্রায় আড়াই বছর (১৪৮৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৪৯২ খ্রিষ্টাব্দ)। এটি ছিল আন্দালুসের ইতিহাসের অন্যতম এক শোকাবহ অধ্যায়; এমন এক অধ্যায় যেখানে এক বিশাল মানবিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি মুসলিম বিশ্বের লজ্জাজনক উদাসীনতাও মিশে ছিল।

১৪৯১ খ্রিষ্টাব্দে গ্রানাডার ওপর স্প্যানিশ বাহিনীর অবরোধ আরও কঠোর হয়, সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং মুসলিমরা বাধ্য হয়ে প্রাসাদের ভাণ্ডারে অবশিষ্ট সামান্য কিছু খাবারের ওপর নির্ভর করতে থাকে। গ্রানাডার শেষ সুলতান আবু আবদুল্লাহ আস-সগির যখন বুঝতে পারলেন যে এই পরিস্থিতিতে শহর রক্ষা করা আর সম্ভব নয়, তখন তিনি উত্তর আফ্রিকার মুসলিম শাসক ভাইদের কাছে জরুরি সাহায্যের আবেদন জানান। তিনি মরক্কোর সুলতান, তিলিমসানের জিয়ানি সুলতান, তিউনিসিয়ার হাফসি সুলতান এবং মিসরের মামলুক সুলতান নাসের মুহাম্মাদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন।

কিন্তু ইতিহাসে তাঁদের কারও পক্ষ থেকেই কোনো সাহায্যের উল্লেখ পাওয়া যায় না। উল্টো, পুরো যুদ্ধজুড়ে উত্তর আফ্রিকার এই শাসকরা কাস্তিল (স্পেন)-কে খাদ্যশস্য সরবরাহ করে গেছেন এবং তাদের সাথে চমৎকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। এদিকে গ্রানাডার মুসলিমদের অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে থাকে এবং শেষ অবরোধের সময় সেখানে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। এ সম্পর্কে স্প্যানিশ ইতিহাসবিদ হার্নান পেরেজ ডেল পুলবাও লিখেছেন:
“শহরের অলিগলি থেকে মৃত্যুর গন্ধ আসছিল। মানুষ কুকুর, বিড়াল, ঘাস, এমনকি জুতার চামড়া সেদ্ধ করে খেতে বাধ্য হয়েছিল।”

মুসলিম ইতিহাসবিদ লিসানুদ্দিন ইবনুল খতিব আস-সগির (যিনি এসব ঘটনার কিছু অংশ নিজের চোখে দেখেছিলেন) তাঁর স্মৃতিচারণে লিখেছেন:
“ক্ষুধার জ্বালায় শিশুরা তাদের মায়েদের কোলেই প্রাণ হারাত। মানুষ নিঃশব্দে মৃতদের দাফন করত যেন জীবিতদের মনোবল ভেঙে না যায়।”

যদিও রাজপ্রাসাদে তখনও কিছু খাবার অবশিষ্ট ছিল, কিন্তু সাধারণ মানুষ ক্ষুধা, মহামারি আর শীতের প্রকোপে জর্জরিত ছিল। অবরোধের সময়কাল ছিল শীতকাল এবং গ্রানাডার পাহাড়গুলো তখন ভারী বরফে ঢাকা ছিল। মহামারি ছড়িয়ে পড়ে, দেখা দেয় চরম মুদ্রাস্ফীতি; এমনকি রুটির দাম সোনার চেয়েও বেশি হয়ে যায়।

১৪৯১ সালের ডিসেম্বরে আবু আবদুল্লাহ আস-সগির নিশ্চিত হন যে শহরে আর প্রতিরোধ গড়ে তোলার শক্তি নেই, বিশেষ করে কোনো মুসলিম দেশ থেকে কোনো সাহায্য বা সমর্থন না আসায়। ফলে তিনি ক্যাথলিক রাজাদের কাছে দূত পাঠান এবং আত্মসমর্পণের প্রস্তাব দেন, তবে শর্ত ছিল মুসলিমদের ধর্ম ও সম্মান নিরাপদ রাখতে হবে।

১৪৯১ সালের ২৫ নভেম্বর ‘গ্রানাডা চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়। শহরটিকে দুই মাসের সময় দেওয়া হয় এবং চুক্তির ধারাগুলো (যা আপাতদৃষ্টিতে কিছুটা সুবিধাজনক মনে হয়েছিল) পর্যালোচনা করা হয়। ১৪৯২ সালের ২ জানুয়ারি গ্রানাডা আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। সেই চুক্তিতে ৮০টি ধারা ছিল এবং প্রতিটি ধারা কোনো না কোনোভাবে মুসলিমদের অধিকারের নিশ্চয়তা দিচ্ছিল।

সুলতান আবু আবদুল্লাহ আস-সগির রানী ইসাবেলার ওপর শর্তারোপ করেন—যিনি তাঁর ‘ক্যাথলিক ধার্মিকতার’ জন্য পরিচিত ছিলেন—যে তিনি যেন ইঞ্জিলের ওপর হাত রেখে শপথ করেন এবং উজির আবু কাসেম আল-গ্রানাতি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অঙ্গীকার করেন যে তিনি চুক্তি মেনে চলবেন। রানী শপথ করেন, তাঁর স্বামী ফার্ডিনান্ডও শপথ করেন। একইভাবে কার্ডিনাল, পাদ্রি, সন্ন্যাসী এবং উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তারাও শপথ নেন।

আবু আবদুল্লাহ এতেই ক্ষান্ত হননি; তিনি দাবি করেন যে চুক্তিটি যেন রোমে পাঠানো হয় যাতে পোপ (ক্যাথলিকদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা) এটিতে স্বাক্ষর করেন। তা-ই করা হলো এবং ইউরোপের সর্বোচ্চ ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ চুক্তির অনুমোদন দিল। পোপ, ইসাবেলা এবং তাঁর স্বামী সেই ৮০টি ধারায় স্বাক্ষর করেন যা মুসলমানদের পোশাক, দাফন, ইবাদত, জাকাত, রোজা, মসজিদ, সম্পত্তি, বাণিজ্য এবং নারী ও শিশুদের ইজ্জত ও নিরাপত্তার সুরক্ষা দিচ্ছিল।

কিন্তু জানেন কি, এরপর ইসাবেলা কী করেছিলেন?
যখন তিনি গ্রানাডায় স্থিতিশীল হলেন এবং নিশ্চিত হলেন যে মুসলিমরা অস্ত্র সমর্পণ করেছে, সেনাবাহিনী বিলুপ্ত হয়েছে এবং আবু আবদুল্লাহ আস-সগির মরক্কোতে নির্বাসিত হয়েছেন, তখন তিনি তাঁর তথাকথিত ধার্মিকতার আড়ালে পোপকে একটি চিঠি লিখলেন। তিনি পোপের কাছে আবেদন করলেন যেন তাঁকে তাঁর শপথ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। পোপ অত্যন্ত ‘তাকওয়া ও পরহেজগারির’ সাথে একটি সরকারি চিঠিতে (যা আজও সংরক্ষিত আছে) ঘোষণা করলেন যে—তিনি রানীকে শপথ থেকে মুক্তি দিয়েছেন, রানীর গুনাহ মাফ করা হয়েছে এবং তিনি যদি মুসলিমদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন তবে কিয়ামতের দিন তাঁর কোনো হিসাব নেওয়া হবে না।

পোপের অনুমতির পর রানী চুক্তি ভঙ্গ করেন। শুরু হয় গণহত্যা, প্রতিষ্ঠিত হয় ইনকুইজিশন (তদন্ত আদালত), বইতে থাকে রক্তের স্রোত। মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়, জোরপূর্বক খ্রিস্টান বানানো হয়। এমনকি আপনি মুসলিম কিংবা আপনার মধ্যে কোনো ইসলামী চিহ্ন আছে—এমন সামান্য সন্দেহই আপনাকে আগুনের চুল্লিতে নিক্ষেপ করার জন্য যথেষ্ট ছিল।

হে মুসলিমরা! আল্লাহর কসম, আমি আজ থেকেই সেই বিশ্বাসঘাতকতার গন্ধ পাচ্ছি। আমি গ্রানাডার মানুষের মুখগুলো আজ গাজার মানুষের মুখে দেখতে পাচ্ছি। আমি নতুন ফার্ডিনান্ড এবং নতুন ইসাবেলাকে দেখতে পাচ্ছি, যারা মুসলিম বিশ্বের কিছু বিশ্বাসঘাতক দাসের সহযোগিতায় ‘সাদা প্রাসাদ’ (White House) এবং ‘কালো প্রাসাদ’ থেকে আবির্ভূত হবে।

হে মুসলিমরা!
ইতিহাস কি বদলে গেছে? শত্রুরা কি কখনো আমাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে? তাদের সাথে কতই না ‘শান্তি চুক্তি’ করা হলো, কিন্তু ফলাফল সবসময় ধোঁকা আর ক্ষতিই হয়েছে। ট্রাম্প, নেতানিয়াহু, ম্যাক্রোঁ, মেলোনি কিংবা মুসলিম বিশ্বের বিশ্বাসঘাতক শাসকদের কাছ থেকে কি আপনারা কোনো ন্যায়বিচারের আশা করেন?
অথচ আপনাদের রব আপনাদের সতর্ক করে বলেছেন:
“কীভাবে (চুক্তি রক্ষা হবে)? তারা যদি তোমাদের ওপর জয়ী হয়, তবে তারা তোমাদের কোনো আত্মীয়তার বন্ধন বা অঙ্গীকারের মর্যাদা দেবে না। তারা মুখে তোমাদের সন্তুষ্ট রাখে, কিন্তু তাদের অন্তর তা অস্বীকার করে। আর তাদের অধিকাংশই ফাসেক।” (সূরা তওবা: ৮)

হে প্রাচীন আন্দালুসের অধিবাসীরা!
নতুন ‘পূর্ব আন্দালুসের’ (গাযযা/ফিলিস্তিন) জন্যও কি কেউ আছে?

 

Tags: #আলমিরসাদবাংলা#ইতিহাস#গাযযা
ShareTweet

related-post

আধুনিক খাও য়া রিজ

আগস্ট 24, 2024
দাঈশ নাকি পাকিস্তানের সামরিক এস্টাবলিশমেন্ট?
রাজনীতি

দাঈশ নাকি পাকিস্তানের সামরিক এস্টাবলিশমেন্ট?

মে 13, 2026
আইএসআইএস-খাওয়ারিজের সম্পদের অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উৎস কী?
দাঈশ

আইএসআইএস-খাওয়ারিজের সম্পদের অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উৎস কী?

নভেম্বর 2, 2024
সফল প্রতিশোধমূলক হামলা এবং শত্রুর কৌশলগত পরাজয়! ​
রাজনীতি

সফল প্রতিশোধমূলক হামলা এবং শত্রুর কৌশলগত পরাজয়! ​

ফেব্রুয়ারি 28, 2026
আইএস একটি মহামারির নাম
দাঈশ

আইএস একটি মহামারির নাম

অক্টোবর 15, 2024
ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | ষষ্ঠদশ পর্ব
দাঈশ

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | ষষ্ঠদশ পর্ব

নভেম্বর 11, 2025
নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | প্রথম পর্ব
ইতিহাস

নবীয়ে মেহেরবান: প্রিয় রাসূল ﷺ–এর সীরাত | প্রথম পর্ব

নভেম্বর 26, 2025
তেহরানে কমান্ডার একরামুদ্দিন সারীকে কে এবং কেন হত্যা করেছে?
দাঈশ খাওয়ারিজ

তেহরানে কমান্ডার একরামুদ্দিন সারীকে কে এবং কেন হত্যা করেছে?

ডিসেম্বর 31, 2025
গাযযার পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন হোন
আল মিরসাদ প্রকাশনা

গাযযার পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন হোন

জুলাই 16, 2024

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    মে 12, 2024
    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আগস্ট 23, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    একটি জাতির সম্মানের চরমসীমা কোনো খেলনা নয়!

    একটি জাতির সম্মানের চরমসীমা কোনো খেলনা নয়!

    জুন 14, 2026
    Auto Draft

    আফগানিস্তানের ভারসাম্যপূর্ণ নীতি এবং পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর ভুল ব্যাখ্যা!

    জুন 13, 2026
    সন্ত্রাসমুক্ত আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর অসহায়ত্ব!

    সন্ত্রাসমুক্ত আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর অসহায়ত্ব!

    জুন 11, 2026
    আফগান শিশুদের রক্ত: পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর গায়ে আরেকটি কলঙ্কের দাগ!

    আফগান শিশুদের রক্ত: পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর গায়ে আরেকটি কলঙ্কের দাগ!

    জুন 11, 2026

    news

    একটি জাতির সম্মানের চরমসীমা কোনো খেলনা নয়!

    একটি জাতির সম্মানের চরমসীমা কোনো খেলনা নয়!

    জুন 14, 2026
    Auto Draft

    আফগানিস্তানের ভারসাম্যপূর্ণ নীতি এবং পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর ভুল ব্যাখ্যা!

    জুন 13, 2026
    সন্ত্রাসমুক্ত আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর অসহায়ত্ব!

    সন্ত্রাসমুক্ত আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর অসহায়ত্ব!

    জুন 11, 2026
    আফগান শিশুদের রক্ত: পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর গায়ে আরেকটি কলঙ্কের দাগ!

    আফগান শিশুদের রক্ত: পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর গায়ে আরেকটি কলঙ্কের দাগ!

    জুন 11, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Go to mobile version