মঙ্গলবার, জুন 16, 2026
আল মিরসাদ
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
  • বাড়ি
  • বিবৃতি
  • সংবাদ
  • বিশ্লেষণ এবং লেখা
  • ইসলামিক স্কলার
  • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
  • লাইব্রেরি
  • প্রকাশনা
  • ইনফোগ্রাফিক
  • সাবধান
    • عربي
    • EN
    • اردو
    • دري
    • پښتو
No Result
View All Result
আল মিরসাদ
No Result
View All Result
Home ব্লগ

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | একবিংশ পর্ব

✍🏻 মৌলভী আহমাদ আলী

ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | একবিংশ পর্ব
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

আত-তাওয়াল্লি এবং আল-মুওয়ালাত (আল-ওয়ালা ওয়াল-বারা):
ওয়াহাবি নজদি আন্দোলনের কিছু শীর্ষস্থানীয় আলেম মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাফেরদের সাহায্য করাকে ‘তাওয়াল্লি’ বলে অভিহিত করেন এবং একে ‘মুওয়ালাত’-এর একটি বিশেষ প্রকার হিসেবে গণ্য করেন। কারণ বা উদ্দেশ্য যা-ই হোক না কেন, তারা একে নিশ্চিতভাবে কুফরির কারণ মনে করেন। তবে অধিকাংশ মুফাসসির (কোরআনের ব্যাখ্যাকারী) তাওয়াল্লির ব্যাখ্যা ‘মুওয়ালাত’ দিয়েই করেছেন। যেমনটি ওয়াহাবি মতাদর্শের একজন আলেম ড. আবদুল আযিয বিন মুহাম্মাদ বিন আলি ইবনে আবদুল লতিফ তার “নাওয়াকিজুল ইমান আল-আমালিয়্যাহ” (ঈমান ভঙ্গকারী আমলসমূহ) বইয়ের প্রথম খণ্ডের ১১৪ পৃষ্ঠায় লিখেছেন:
“কিছু আলেম একে তাওয়াল্লি নামে অভিহিত করেন এবং একে সাধারণ মুওয়ালাত থেকে আরও সুনির্দিষ্ট বা বিশেষ কিছু মনে করেন, যেমনটি নজদের কিছু সালাফি দাওয়াহর ইমামদের অভিমত। অথচ, অধিকাংশ মুফাসসির তাওয়াল্লি-এর ব্যাখ্যা মুওয়ালাত দিয়েই করেন। উদাহরণস্বরূপ আমরা নিচের বিষয়গুলো উল্লেখ করতে পারি:
ইবনে আতিয়্যাহ আল্লাহ তাআলার এই বাণীর ব্যাখ্যায় বলেন: ﴿وَمَنْ يَّتَوَلَّهُمْ مِّنْكُمْ فَاُولٰٓئِكَ هُمُ الظّٰلِمُوْنَ﴾ [তওবা, আয়াত ২৩] অর্থাৎ: যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব (মুওয়ালাত) করেছে এবং তাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যে তাদের অনুসরণ করেছে।

ইবনে কাসির মহান আল্লাহর এই বাণীর ব্যাখ্যায় বলেন: ﴿يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَوَلَّوْا قَوْمًا غَضِبَ اللّٰهُ عَلَيْهِمْ قَدْ يَئِسُوْا مِنَ الْاٰخِرَةِ كَمَا يَئِسَ الْكُفَّارُ مِنْ اَصْحٰبِ الْقُبُورِ ١٣..﴾ [মুমতাহিনা, আয়াত ১৩]: আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা এই সূরার শেষে কাফেরদের সাথে বন্ধুত্ব (মুওয়ালাত) করতে নিষেধ করেছেন, যেমনটি তিনি এর শুরুতেও নিষেধ করেছিলেন। মহান আল্লাহ বলেন: ﴿يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَوَلَّوْا..﴾ সুতরাং তোমরা কীভাবে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করছ এবং তাদেরকে বন্ধু ও অন্তরঙ্গ সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করছ?

বায়দ্বাবি সুবহানাহু ওয়া তাআলার এই বাণীর ব্যাখ্যায় বলেন: ﴿وَمَنْ يَّتَوَلَّهُمْ مِّنْكُمْ فَاِنَّهٗ مِنْهُمْ﴾ [মায়েদাহ, আয়াত ৫১] অর্থাৎ: তোমাদের মধ্যে যে কেউ তাদের সাথে বন্ধুত্ব (মুওয়ালাত) করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। এটি মূলত তাদের থেকে দূরে থাকার অপরিহার্যতার ওপর কঠোর জোর দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।”

গ্রন্থকার বলেন যে, এই কথাটি আরবি ভাষার আভিধানিক অর্থ দ্বারাও সমর্থিত হয় যে, তাওয়াল্লি মূলত মুওয়ালাত-এর অর্থেই ব্যবহৃত হয়। যেমন লেখা হয়েছে:
“তাওয়াল্লি যে মুওয়ালাত-এর অর্থেই ব্যবহৃত হয়, তার প্রমাণ আরবি ভাষা থেকেই পাওয়া যায়। কারণ তাওয়াল্লি এবং মুওয়ালাত একই মূল ধাতু থেকে এসেছে, আর তা হলো: “ওয়ালি’ (ولی)—যার অর্থ নিকটবর্তী হওয়া। আর ‘ওয়ালি’ (الولي) মানে সাহায্যকারী, যা শত্রুর বিপরীত।” (পৃষ্ঠা ৩৮২)

এজন্যই মুফাসসিরদের প্রধান ইবনে জারির (রহ.) তার তাফসিরের বেশ কয়েকটি স্থানে কাফেরদের ‘আউলিয়া’ (বন্ধু/অভিভাবক) হিসেবে গ্রহণ করার অর্থ করেছেন তাদেরকে সাহায্যকারী বানানো, যা মূলত তাদের ‘তাওয়াল্লি’ (বন্ধুত্ব) করার অর্থেই প্রকাশ পায়।
টীকায় নিচের অভিধান গ্রন্থগুলোর উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে:
দেখুন: ইবনে ফারিসের মু‘জাম মাকায়িসুল লুগাহ ৬/১৪১, তারতিবুল কামুসিল মুহিত ৪/৬৫৮, আল-মিসবাহুল মুনির পৃষ্ঠা ৮৪১, রাগেবের মুফরাদাত পৃষ্ঠা ৮৩৭, রাজির মুখতারুস সিহাহ পৃষ্ঠা ৭৩৬ এবং ইবনুল জাওযির নুযহাতুল আ’ইউন আন-নাওয়াযির।

এর পরে লেখা হয়েছে:
“যদি তাওয়াল্লি মুওয়ালাত-এর অর্থেই হয়, তবে কাফেরদের সাথে মুওয়ালাত বা বন্ধুত্বের যেমন বিভিন্ন স্তর বা শাখা রয়েছে, যার মধ্যে কিছু স্তর ইসলাম থেকে বের করে দেয় (যেমন তাদের প্রতি ঢালাও বা পরম বন্ধুত্ব), আবার কিছু স্তর এর চেয়ে কম ক্ষতিকর—ঠিক তেমনি কাফেরদের সাথে তাওয়াল্লি-এর বিষয়টিও মুওয়ালাত-এর মতোই। সেখানেও একটি পরম ও পূর্ণাঙ্গ তাওয়াল্লি রয়েছে যা ঈমানকে সম্পূর্ণরূপে নষ্ট করে দেয়, আবার এমন কিছু স্তরও রয়েছে যা এর চেয়ে কম অপরাধের।”

যখন তাওয়াল্লি-কে মুওয়ালাত-এর অর্থে গ্রহণ করা হবে, তখন এর লাভ বা সারকথা হলো—কাফেরদের সাথে বন্ধুত্বের (মুওয়ালাত) বিভিন্ন পর্যায় ও ধরণ রয়েছে এবং প্রত্যেকটির বিধান আলাদা হবে। কিছু এমন রয়েছে যা মানুষকে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে দেয়, যেমন ‘মুতলাক মুওয়ালাত’ বা পরম বন্ধুত্ব; অর্থাৎ সব বিষয়ে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করা, যার মধ্যে বিশ্বাসের বা আকীদার বন্ধুত্বও শামিল। যেমনটি ইবনে আশুরের বরাতে আগেই পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সংজ্ঞায় উল্লেখ করা হয়েছে যে: “الّتي هِيَ الرّضى بِدِينِهِمْ وَالطَّعْنُ فِي دِينِ الْإِسْلَامِ” (যা হলো কাফেরদের দীনের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা এবং ইসলাম ধর্মের সমালোচনা বা খুঁত ধরা)। আবার কিছু স্তর এমনও রয়েছে যা এর চেয়ে কম, অর্থাৎ নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে হয় কিন্তু সব বিষয়ে নয়; যেমন আকীদা বা বিশ্বাসের ক্ষেত্রে নয়, বরং দুনিয়াবী স্বার্থ বা উদ্দেশ্যে হয়ে থাকে।

একইভাবে কাফেরদের সাথে তাওয়াল্লি-এর বিষয়টিও মুওয়ালাত-এর মতোই। একটি হলো পূর্ণাঙ্গ ও পরম তাওয়াল্লি (অর্থাৎ সব কিছুতে তাওয়াল্লি, যা বিশ্বাস বা আকীদা পর্যন্ত পৌঁছায়); এটি ঈমানকে সম্পূর্ণরূপে ভঙ্গ করার কারণ। আর কিছু স্তর এমনও আছে যা এর চেয়ে কম অপরাধের।

এবং এরপর তিনি বলেন:
“এ কারণেই শেখ আব্দুর রহমান আস-সাদী আল্লাহ তাআলার বাণী: ﴿وَمَنْ يَّتَوَلَّهُمْ فَاُولٰٓئِكَ هُمُ الظّٰلِمُوْنَ ٩﴾ [মুমতাহিনা, আয়াত ৯]-এর ব্যাখ্যায় বলেন: “এই জুলুম বা অপরাধ তাওয়াল্লি-এর ধরন অনুযায়ী হবে। যদি তা পূর্ণাঙ্গ তাওয়াল্লি হয়, তবে তা হবে কুফরি—যা ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে দেয়। আর এর নিচে আরও অনেক স্তর রয়েছে, যার কিছু অত্যন্ত ভয়াবহ এবং কিছু এর চেয়ে কম।”

মহান আল্লাহর এই বাণীর ব্যাখ্যায় তিনি আরও বলেন: ﴿وَمَنْ يَّتَوَلَّهُمْ مِّنْكُمْ فَاِنَّهٗ مِنْهُمْ﴾ [মায়েদাহ: ৫১]: ‘নিশ্চয়ই পূর্ণাঙ্গ তাওয়াল্লি কাফেরদের ধর্মে স্থানান্তরিত হওয়াকে অপরিহার্য করে তোলে। আর আংশিক বা সামান্য তাওয়াল্লি মানুষকে আরও বেশি তাওয়াল্লি-এর দিকে ধাবিত করে, এরপর ক্রমান্বয়ে তা বাড়তে থাকে যতক্ষণ না বান্দা তাদেরই একজন হয়ে যায়।’”

মনে রাখা প্রয়োজন যে, শায়খ আবদুর রহমান আস-সাদী (রহ.) ওয়াহাবি মতাদর্শের অত্যন্ত সুপরিচিত এবং নির্ভরযোগ্য আলেমদের একজন। ওয়াহাবি ধারায় ইবনে বাজ এবং ইবনে উসাইমিন (রহ.)-এর মতোই তার স্থান ও মর্যাদা ছিল।

মূল উদ্দেশ্য: পরিভাষাগুলো যা-ই হোক না কেন, একে তাওয়াল্লি বলা হোক বা মুওয়ালাত, আমাদের এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো, কাফেরদের সাথে তাওয়াল্লি ও মুওয়ালাত করা ঢালাওভাবে বা সর্বাবস্থায় কুফরি নয়। তবে যদি তা পূর্ণাঙ্গ তাওয়াল্লি ও মুওয়ালাত হয়, যেমন কুফরি ধর্মকে ভালোবাসা বা মুসলিমদের ওপর কাফেরদের বিজয়ী করার উদ্দেশ্যে তাদের সাহায্য করা—তাহলে তা অবশ্যই কুফরি। কিন্তু এটি যদি আকীদার কোনো ক্ষতি বা কুটিলতার কারণে না হয়ে কেবল দুনিয়াবী স্বার্থের জন্য হয়, তবে তা গুনাহ বা পাপ; কুফরি নয়।

যেমনটি হাতিব বিন আবি বালতাআ (রা.) করেছিলেন। আর এই বিষয়ে সমস্ত সালাফ (পূর্বসূরি), মুতাকাদ্দিমীন (আগের যুগের আলেম) এবং মুতাআখখিরীন (পরের যুগের আলেম)-এর ইজমা বা ঐক্যমত রয়েছে যে, হাতিব (রা.)-এর এই কাজটি তাকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়নি। কারণ এটি কোনো আকীদাগত বিচ্যুতি বা বিশ্বাসের নষ্টতার ওপর ভিত্তি করে ছিল না। তিনি নিজেই নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছিলেন, যা সহীহ বুখারীতে এসেছে:
وَاللهِ! مَا بِي أَنْ لَا أَكُونَ مُؤْمِنًا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَرَدْتُ أَنْ يَكُونَ لِي عِنْدَ الْقَوْمِ يَدٌ، يَدْفَعُ اللهُ بِهَا عَنْ أَهْلِي وَمَالِي।
“আল্লাহর কসম! আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর ঈমান না থাকা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। আমি শুধু চেয়েছিলাম ওই কাফেরদের সাথে আমার এমন একটা সম্পর্ক বা অনুগ্রহ থাকুক, যার উসিলায় আল্লাহ (মক্কায় থাকা) আমার পরিবার ও ধন-সম্পদ রক্ষা করেন।”

সারকথা হলো, কাফেরদের পক্ষে তথ্য দেওয়া বা গুপ্তচরবৃত্তি করার কাজটি কুফরি বা ধর্মত্যাগের কারণে ছিল না, বরং কেবল তাদের প্রতি একটা অনুগ্রহ দেখানোর উদ্দেশ্যে ছিল যাতে নিজের পরিবার-পরিজনকে নিরাপদে রাখা যায়।

এই কারণেই উম্মতের ইজমা (ঐক্যমত) রয়েছে যে, যে মুসলিমের আকীদা বা বিশ্বাসে কোনো বিচ্যুতি নেই, সে মুসলিমদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি করার কারণে মুরতাদ বা ইসলামচ্যুত হয়ে যায় না। আমরা ইমাম মুহাম্মাদ (রহ.), ইমাম শাফেয়ী (রহ.) এবং অন্যান্য সালাফ, মুতাকাদ্দিমীন ও মুতাআখখিরীন আলেমদের বাণী ও অবস্থান উল্লেখ করেছি, যারা স্পষ্ট করেছেন যে, যদি আকীদাগত কোনো বিচ্যুতি না থাকে, তবে কোনো মুসলমানের পক্ষ থেকে কাফেরদের সহযোগিতা বা সাহায্য করার আমলটি কুফরি কিংবা ইসলাম থেকে বের করে দেওয়ার মতো কোনো কাজ নয়।

Tags: #আলমিরসাদবাংলানিবন্ধ
ShareTweet

related-post

নিরপরাধ মানুষ হত্যা: ইসলামবিরোধীদের পুরনো অভ্যাস! ​
ব্লগ

নিরপরাধ মানুষ হত্যা: ইসলামবিরোধীদের পুরনো অভ্যাস! ​

এপ্রিল 4, 2026
ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | অষ্টদশ পর্ব
ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | অষ্টদশ পর্ব

জানুয়ারি 17, 2026
দাঈশ খোরাসানের মুখপাত্র সুলতান আযিয আযযামের গ্রেফতার; নতুন কোনো ‘কুরবানির’ সময় কি এসে গেছে?!
দাঈশ

দাঈশ খোরাসানের মুখপাত্র সুলতান আযিয আযযামের গ্রেফতার; নতুন কোনো ‘কুরবানির’ সময় কি এসে গেছে?!

ডিসেম্বর 29, 2025
আমেরিকার নতুন পরিকল্পনা এবং অঞ্চলে তা বাস্তবায়নে একটি বিশেষ মহলের অপতৎপরতা! ​
রাজনীতি

আমেরিকার নতুন পরিকল্পনা এবং অঞ্চলে তা বাস্তবায়নে একটি বিশেষ মহলের অপতৎপরতা! ​

মার্চ 7, 2026
কাবুল বিজয়: আমেরিকার কফিনে শেষ পেরেক
ব্লগ

কাবুল বিজয়: আমেরিকার কফিনে শেষ পেরেক

জুলাই 17, 2025
কাবুলে আইএসআইএস সন্ত্রাসীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্ক গ্রেফতার
আধুনিক খাও য়া রিজ

কাবুলে আইএসআইএস সন্ত্রাসীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্ক গ্রেফতার

জুলাই 14, 2024
রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | সপ্তম পর্ব
ইতিহাস

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুদ্ধজীবন: মানবজাতির জন্য শিক্ষা | সপ্তম পর্ব

এপ্রিল 24, 2025
ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | দ্বিতীয় পর্ব
ইতিহাস

ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | দ্বিতীয় পর্ব

জুলাই 30, 2025
আইএস একটি মহামারির নাম | ত্রয়োবিংশ পর্ব
দাঈশ

আইএস একটি মহামারির নাম | ত্রয়োবিংশ পর্ব

জুলাই 19, 2025

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    • Trending
    • Comments
    • Latest
    আইএস একটি মহামারীর নাম

    আইএস একটি মহামারীর নাম

    জুলাই 4, 2024
    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি  নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    আফগানিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মনিটরিং কমিটি নাকি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঠকানোর মেশিন?

    জুলাই 16, 2024
    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    আপনার সন্তানকে আইএসের আদর্শ থেকে দূরে রাখুন

    মে 12, 2024
    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আমানুল্লাহ খান: ব্রিটিশবিরোধী জিহাদের ফলাফল বিনষ্টকারী

    আগস্ট 23, 2024
    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    মাযলুমদের জন্য রহমত: শায়খ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ

    0

    দাঈশ খাওয়ারিজরা গাযযা ও তুফানুল আকসার নামে মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে

    0
    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    কলমের কণ্ঠে মুসলিম উম্মাহর করুণ দশার ব্যাপারে কিছু কথা

    0
    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    মুসলিম উম্মাহর তৃতীয় উমার

    0
    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | একবিংশ পর্ব

    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | একবিংশ পর্ব

    জুন 16, 2026
    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | একবিংশ পর্ব

    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | একবিংশ পর্ব

    জুন 16, 2026
    পাকিস্তান আর্মি: UNAMA ও UN-এর অনুসন্ধানে মিথ্যাচারের প্রধান কেন্দ্র!

    পাকিস্তান আর্মি: UNAMA ও UN-এর অনুসন্ধানে মিথ্যাচারের প্রধান কেন্দ্র!

    জুন 15, 2026
    একজন পরাজিত জুয়াড়ির মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা!

    একজন পরাজিত জুয়াড়ির মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা!

    জুন 14, 2026

    news

    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | একবিংশ পর্ব

    ইতিহাসের পাতায় উসমানি খিলাফত | একবিংশ পর্ব

    জুন 16, 2026
    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | একবিংশ পর্ব

    ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে দাঈশি খারিজিদের প্রোপাগাণ্ডা ও আপত্তিসমূহের শরঈ বিশ্লেষণ | একবিংশ পর্ব

    জুন 16, 2026
    পাকিস্তান আর্মি: UNAMA ও UN-এর অনুসন্ধানে মিথ্যাচারের প্রধান কেন্দ্র!

    পাকিস্তান আর্মি: UNAMA ও UN-এর অনুসন্ধানে মিথ্যাচারের প্রধান কেন্দ্র!

    জুন 15, 2026
    একজন পরাজিত জুয়াড়ির মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা!

    একজন পরাজিত জুয়াড়ির মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা!

    জুন 14, 2026
    • লাইব্রেরি
    আল-মুরসাদ সংযোগ : info@almirsaad.com

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In

    Add New Playlist

    No Result
    View All Result
    • বাড়ি
    • বিবৃতি
    • সংবাদ
    • বিশ্লেষণ এবং লেখা
    • ইসলামিক স্কলার
    • উম্মাহর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের
    • লাইব্রেরি
    • প্রকাশনা
    • ইনফোগ্রাফিক
    • সাবধান
      • عربي
      • EN
      • اردو
      • دري
      • پښتو

    সর্বজনীন অধিকার সকল মুসলমানের জন্য সংরক্ষিত .

    Go to mobile version